ফন্ট সাইজ:
থিম:
একগুচ্ছ শুকতারা

১৬তম পর্ব

লেখক: শারমিন ইরান

একগুচ্ছ শুকতারা

শারমিন ইরান

১৬.

আমরা আমাদের ‘বড়বেলা’ টাকে আলাদা গুরুত্বের নজরে দেখি। বড় হয়ে এটা করব, ওটা করব… কতো চিন্তা বড়বেলাকে কেন্দ্র করে! অথচ এরমধ্য দিয়ে ‘ছোটবেলা’ অবহেলায় রয়ে যায়; একজন মানুষের জীবনে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত প্রতিটা মূহুর্ত মূল্যবান। বলতে গেলে ছোটবেলাটাই বিশেষভাবে মূল্যবান। কেননা, এই বয়সেই একটা মানুষের চিন্তাধারা তৈরি হতে শুরু করে, এই বয়স মানুষকে ভাবতে শেখায়। এই বয়সের চিন্তাধারা, ভাবনা মানুষের মস্তিষ্কে একটা আলাদা প্রভাব তৈরি করে। তাই যাদের ছোটবেলা সুন্দর, যারা সুন্দর,স্বাভাবিক পরিবেশে বেড়ে ওঠে, বলা যায় তাদের মানসিকতাও সুন্দর, সমৃদ্ধ, সুস্থ।

শ্রুতির ছোটবেলা, কৈশোরকাল থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত প্রতিটা কালই খারাপ। ১৩ বছরে মা মারা যাওয়া, বাবার বদলে যাওয়া, ফুটফুটে ছোট ভাইয়ের অসুস্থতা সব মিলিয়ে জীবনটা কেমন যেন দুর্বিষহ! এতো খারাপ জীবন কারো হয় বুঝি? শ্রুতি জানে এর চেয়েও কষ্টের জীবন হয়। তবুও সে মানেনা। হয়তো আমাদের মানুষদের কাছে ‘নিজেদের’ কষ্ট টাই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কষ্ট বলে বিবেচিত হয় তাই।

শ্রুতি ছোটবেলা থেকে নিজের আপনজন বাদে তেমন কারোর সাথে মিশতো না, কথা বলতো না। তাই হয়তো এতো এতো মানুষের মাঝে ওর অস্বস্তি টা একটু বেশিই। এই যে তার সামনে হিমেল,হিয়া,তার শ্বাশুড়ি, চাচিশ্বাশুড়ি সবাই বসে গল্প করছে। অথচ সে করতে পারছেনা জড়তার কারণে। এইভাবে কখনো এতো মানুষ মিলে হাসাহাসি করা হয়নি, তাই হয়তো সে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারছেনা। মাথা নিচু করেই সব ভাবছে শ্রুতি। এরমধ্যেই রুমা বেগম ডেকে উঠলেন, ‘শ্রুতি, তুমি কিছু বলছো না যে? তুমিও কিছু বলো?’’

‘আমি কী বলব? আমার বলার মতো কিছু নেই।’ বলেই জোড় করে হাসার চেষ্টা করল। শ্রুতির মনে হয়— জোড় করে হাসার চেয়ে বিশ্রী কাজ আর হতে পারেনা।

‘আচ্ছা, ভালো কথা। তোমার ভাই...হামিম, ও কী জন্ম থেকেই অসুস্থ?’

‘জ্বী না। ধীরে ধীরে হয়ে গেছে।’

‘কী বলো! ধীরে ধীরে?’ হিয়ার গলায় বিস্ময়!

এইবার তানহা প্রশ্ন করল, ‘ধীরে ধীরে মানে? একটু বুঝিয়ে বল না মা?’

‘ওর জন্ম থেকেই হার্টে ছিদ্র। একটা রক্তনালি দিয়ে রক্ত চলাচল করতে পারেনা। বুকের একপাশের বাল্ব নষ্ট ছিল। তাই ধীরে ধীরে ওর মাথাটা বড় হয়ে গেছে। আর পায়ে সমস্যা অন্য কারণে। দুটো অপারেশন করলে ঠিক হয়ে যাবে।’

শ্রুতি নির্লিপ্ত ভাবে কথাগুলো বলল। অথচ ভেতরে বয়ে গেল এক অসহ্য ঝড়। ও বলতে পারল না যে, হামিমের অপারেশন যদি ছোটবেলায় হতো তবে তার ভাই এতোটা অসুস্থ হতো না। শ্রুতি বলতে পারল না, ওর বাবা যাও টাকা দিত কিন্তু সৎ মায়ের প্ররোচনায় দেয়নি।

তার ভাই জন্ম থেকেই ভীষণ অসুস্থ থাকতো। ঠান্ডা-জ্বর লেগেই থাকতো, শ্বাস নিতে কষ্ট হতো। তবুও তার ভাইকে হাসপাতালে নেওয়া হয়নি। এইভাবেই চলে গেছে এক/দেড় বছর। এরপর আর সহ্য করতে না পেরে ষোল বছর বয়সী বিভা নিজেই নিজের ভাইকে নিয়ে ছুটেছিল হাসপাতালে দাদির সাহায্যে। এই কথাগুলো শ্রুতি কাউকে বলতে পারেনা। ছোটবেলায় এতো খারাপ লাগতো না, হয়তো বুঝতো না তাই। তবে এখন খুব খারাপ লাগে, অসহ্য যন্ত্রণা হয়। আচ্ছা, আম্মু যদি বেঁচে থাকতো তাহলেও কী এইসব হতো?

অন্যদিকে রুমা শ্রুতির কথা শুনে কেমন যেন থম মেরে গেল! হিয়াও মুখটা ছোট করে ফেলল। অসুস্থতা দেখতে তার একদম ভালো লাগেনা। সে এইসব দুঃখ কষ্ট মানতেই পারেনা। হয়তো বাবা-মায়ের আদরের মেয়ে, বড় ভাইয়ের আদরের বোন তাই। হিমেল শুধু শান্ত কণ্ঠে বলল,

‘আমার মনে হয় অপারেশন যতো তাড়াতাড়ি করানো যায়, ততোই ভালো।’’

‘জ্বি, ভাইয়া।’ শ্রুতির ঠান্ডা উত্তর।

তানতা শ্রুতির মাথায় হাত বুলিয়ে বলল, ‘বেশি চিন্তা করেনা, মা। রোগ আল্লাহ দেয়, আল্লাহই সারায়।’

পার্থিব, নিয়াজ, আসাদ বারান্দায় বসে কিছু কাগজ পত্রের হিসাব মিলাচ্ছিলেন। এর মাঝে শ্রুতির কথাও মাথায় ঢুকিয়ে নিয়েছে পার্থিব। আজকে খুব ভালোভাবেই শ্রুতিকে চেপে ধরবে বলে মনস্থির করল সে।

.

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের কিছু ধারা থাকে, থাকে কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য। বিভা-মাহাথিরের বেলায় তার কিছুই নেই। তাদের সম্পর্ককে ‘যান্ত্রিক’ সম্পর্ক নাম দিলে তেমন ভুল হবেনা। এই যে সকালে উঠে বিভা নাস্তা বানায়, মাহাথির খেয়ে চলে যায়, আবার কিছুদিন না খেয়েই চলে যায়, ফিরে রাত ৯টা/ সাড়ে ৯ টায়, কোনোদিন ১০ টাও বাজে। এরমধ্যে দুজনের কথা নেই বললেই হয়। যদিওবা বিভা ফোন করে তখন যেন মাহাথিরের কন্ঠে শুরু হয় বিরক্তিকর বর্ষণ। এতো বিরক্তি মধ্যে দিয়ে বিভা কথা আগাতে পারে না, রেখে দেয়। তাও যখন ভীষণ মনে পড়ে মানুষটাকে তখন আবার ফোন দেয়। এরপর তো রাতে বাড়ি ফিরে খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। এইটাকে সম্পর্ক বলে?

বিভা নাস্তা টেবিলে সাজাচ্ছে আর ভাবছে। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখল, এখন গিয়ে ডাকা উচিত নয়তো দেড়ি হয়ে যাবে।

ডাকতে যাওয়ার আগেই মাহাথির এসে খাওয়া শুরু করল। বিভার মনে হলো কতোদিন সে এই চেহারাটা দেখে না। গতদিন সকালে বিভা উঠতে পারেনি। মাহাথির না খেয়েই চলে গিয়েছিল। এরপর ফিরল রাত করে। তেমনভাবে দেখার আগেই খেয়ে ঘুম। যদিও বিভা রাত্রি বেলা লাইট জ্বালিয়ে প্রায়ই তাকিয়ে থাকে। তবুও জাগ্রত মানুষের চেহারা দেখায় তৃপ্তিই আলাদা।

ভাবনার মাঝেই খাবার শেষ করে উঠে গেল মাহাথির। বিভা ভাবল, মানুষটার সব কাজেই কেমন ঝটপট ভাব। মাহাথির জুতো পরছে। দরজার ছিটকিনি খুলবে এমন সময় বিভা তড়িঘড়ি করে বলে উঠল, ‘মাহাথির, শুনুন!’

মাহাথির ফিরল। বিভা দ্রুত গিয়ে বিড়বিড়িয়ে কিছু পড়ে মাহাথিরের মাথায় ফুঁ দিয়ে দিল। বলল, ‘হয়ে গেছে। এইবার যেতে পারেন।’

মাহাথির হয়তো বুঝল ব্যাপারটা। ওর কাছে ব্যাপারটা নিছকই মনে হলো নাটক। রেগে চলে গেল।

বিভা শ্বাস ছাড়ল। তার সবকাজেই রাগ করে। কেন করে? সে আয়তুল কুরসি পড়ে ফুঁ দিয়ে দিল। এতে রাগের কী হলো?

বিভার মনে আছে তার আম্মু সবসময় আমিন শিকদারকে বেরোনোর সময় এইভাবে ফুঁ দিয়ে দিত। সে যথেষ্ট বড় ছিল, তাই তার মানস্পটে কিছু সুন্দর স্মৃতি এখনো রয়ে গেছে। তখন থেকেই ব্যাপারটা বেশ ভালো লাগতো তার। মনে হতো সেও একদিন দিবে। তবে ব্যাপারটা ভুলেই বসেছিল সে। মনে পড়ল সেদিন মাহাথিরের হাতে ব্যান্ডেজ দেখে। বিভার মনে হলো সে আয়তুল কুরসি পড়ে দিলে হয়তো মাহাথির সুস্থ থাকবে সব ছোট-বড় বিপদ থেকে। সেই বিশ্বাসেই এই কাজ। এখানে রাগের কী আছে? ভেবেই বিভার ভ্রু কুঁচকে গেল।

.

মাহাথির অফিসে ঢুকল ভীষণ রাগ নিয়ে। ঢুকেই নিজের চেয়ারে শব্দ করে বসল। মাহাথিরকে দেখে এগিয়ে এলো আনাস,

‘কিরে! তোর মুড কী সবসময়ই অফ থাকে?’

‘অফ থাকার মতো কাজ করলে অফ থাকবে না?’ কন্ঠে বিরক্তি ভরপুর।

‘কী জন্যে অফ? ভাবি ঝগড়া করেছে?’

‘সেই অধিকার আমি ওকে দেইনি। ইন ফ্যাক্ট, ঝগড়াও ভালো ছিল। বাট ও রীতিমতো ন্যাকামো শুরু করে দিয়েছে।’’

‘বুঝিয়ে বল।’ আনাসের গম্ভীর কণ্ঠস্বর।

‘আরেহ! আজকে বের হতে গেছি ওমনি ডেকে বিরবির করে সূরা পড়ে ফুঁ দিয়ে দিল। মানে হয় এইসবের? এইসবকে নাটক ছাড়া কিছু ভাবতে পারছিনা আমি। তার উপর কেন দিয়েছে জানিস? ওইদিন এক্সিডেন্ট করেছি না? সেইজন্যই হবে। কারণ ওইদিন বাসায় যাওয়ার পর এমন ভাবে প্রশ্ন করতে লাগল যেন আমি মারা গেছি।’

‘তোর খুশি হওয়া উচিত। এখানে রাগের কিছু তো দেখছি না। তোকে ভালোবাসে, তাই চিন্তা করে।’

‘এইটাইইই। আমাকে ভালো কেন বাসবে? ভালোবাসা জন্মানোর জন্য কিছুই করিনি। ভালো করে কথা পর্যন্ত বলিনা। তাও কীভাবে ভালোবাসা জন্ম নিবে? এইটাকে নাটক ছাড়া কিছুই ভাবতে পারিনা আমি।’

‘ভালোবাসার জন্য কিছুই লাগেনা মাহাথির। হয়ে যায়। আর তার চেয়েও বড় কথা এইভাবে দেখেশুনে ছেলেরা ভালোবাসে, কিন্তু একটা মেয়ে একটা খারাপ ছেলেকেও ভালোবাসতে পারে। এই অসীম ভালোবাসার ক্ষমতা নিয়ে একমাত্র মেয়েরা জন্মায়।’

‘থামবি তুইইই?’’

‘না। এতোদিন তোর সমস্যা টা বুঝতে পারছিলাম না। তাই জানার জন্য তোর সাথে বেশি সময় কাটিয়েছি অফিস ছুটির পরেও। তুই বলেছিসও। তোর সমস্যা বিভা কালো। বাট ট্রাস্ট মি, আমার মনে হয়না এইটা তোর মেইন সমস্যা। তুই জোড় করে সমস্যা বানাচ্ছিস। জাস্ট বিভাকে না মানার অজুহাত খুঁজছিস। কিন্তু কেন? সমস্যা কী ওর মধ্যে?’

‘সামনে থেকে যা।’

আনাস-মাহাথিরের কথা তর্কের পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। তবে এইটা নতুন নয়, প্রায়ই হয়। মাসে ৭/৮ বার গার্লফ্রেন্ড/বয়ফ্রেন্ডের মতো ঝগড়া করে দুজনে। এরপর যেকোনো একজন আগ বাড়িয়ে কথা শুরু করে। হয় আনাস, নাহয় মাহাথির।

আনাসেরও মেজাজ খারাপ হচ্ছে এখন। চলে যেতে নিল। থেমে গিয়ে শান্ত কণ্ঠে ডাকল,

‘বন্ধু, শোন?’

‘কী?’

‘তুই বলেছিলি বিভা স্ত্রী হিসেবে জ ঘন্য, আজ আমি বলছি, তুই স্বামী হিসেবে জ ঘন্য এবং বি ষাক্ত।’ বলেই বড় বড় পা ফেলে চলে গেল আনাস। আর আনাসের দিকে এমনভাবে তাকিয়ে রইল মাহাথির যেন ভ স্ম করে দিবে এখনই।

.

‘তারা দেখছেন?’

‘না।’

‘তাহলে কী দেখছেন?’

‘ঘুমিয়ে পড়ুন তো, যান।’

‘আপনার কথা আমি কেন শুনব?’

‘সেটাই। শুনতে হবেনা। দাঁড়িয়েই থাকুন।’

‘হামিমের অপারেশন কেন করানো হয়নি?’

‘আপনাকে বলতে ইচ্ছুক নই।’

‘আমি শুনতে ইচ্ছুক।’

‘তাহলে যান। গিয়ে প্রাণপ্রিয় শ্বশুরের কাছ থেকে শুনে আসুন।’ বিরক্ত হয়ে বলল শ্রুতি। বলেই আকাশের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে ঘুরতে নিল। ওমনি পার্থিব তার দুইহাত শ্রুতির দুপাশে রেখে আটকে ফেলল। বলল, ‘শ্বশুর নয়। প্রাণপ্রিয় বউ এর থেকে শুনতে ইচ্ছুক।’

‘হাত সরান, যাব।’

‘আমাকে বলুন শ্রুতি হামিমের অপারেশন কেন হয়নি? ওর যা সমস্যা তাতে এইসব ক্ষেত্রে ছোটবেলাতে অপারেশন হওয়াই বেস্ট।’

শ্রুতি মুখ নিচু করে নিল। বলবে না মানে না। পার্থিব শ্রুতির বাহুতে হাত রেখে ফিরালো নিজের দিকে। দুই হাত ধরে আবদার করল,

‘আপনি কেন আমাকে মেনে নিচ্ছেন না, আমার সাথে স্বাভাবিক হচ্ছেনা না তা আমি জানিনা। তবে আপনার কাছে ১টা রিকুয়েষ্ট করব। আপনি একবার আমাকে মন থেকে মানার চেষ্টা করুন, দেখবেন পারবেন। প্লিজ।’

শ্রুতি হাত ছাড়িয়ে নিতে চাইল, পারল না, পার্থিব আরোও শক্ত করে ধরল, ‘শ্রুতি! একবার আমার সাথে সহজ হওয়ার চেষ্টা করুন। দেখবেন ঠিক পারবেন। একটু চেষ্টা করে দেখুন-ই-না। আপনার তো মনে হতেও পারে যে, নাহ….পার্থিব ছেলেটা এতোটাও খারাপ না। ওর সাথে থাকা'ই যায়। অনেকটুকু করতে হবেনা, একটু চেষ্টা করুন।’ পার্থিবের কণ্ঠ ব্যাকুলতায় ঘেরা।

শ্রুতি জড় বস্তুর মত চুপ করে রইল। চোখ পানিতে ভরপুর। যেকোনো সময় টুপ করে পড়ে যাবে। শ্রুতির নিজের এই স্বভাবটা ভীষণ অপছন্দ। অল্পতে চোখে পানি কেন আসে? আর এই লোকের সামনেই এই ঘটনা বেশি ঘটে। ফালতু লোক। এর সামনেই কেন নিজেকে এতো দুর্বল লাগে?

শ্রুতিকে শান্তভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে পার্থিব দুহাতে গাল ধরে উঁচু করল মুখ। ওমনি দুই চোখ থেকে বড় বড় দুই ফোঁটা গড়িয়ে পড়ল। সযত্নে মুছে দিল সেই পানি নিজ হাতে। আদর মাখা কণ্ঠে বলল,

‘আমাদের সম্পর্কের শুরু বন্ধুত্ব দিয়ে হোক। প্রথমে বন্ধু হই, এরপর নাহয় আপনি মেহমান বউ থেকে আপন বউ-এ রূপান্তরিত হবেন?’

শ্রুতির বাসর রাতের কথা মনে পরল। এরপর সে হালকা ভাবে মাথা নেড়ে সায় দিল।

পার্থিবের ঠোঁটে ফুটে উঠল হাসি। তার হাসিতে প্রকাশ পেল সে এতোটা আশা করেনি। শ্রুতির সম্মতি যেন অনাকাঙ্ক্ষিত ছিল। তবে সে সফল। বরফ গলাতে সে সফল। ভেবেই শ্রুতির দুইহাতের আঁজলাতে মুখ ডুবিয়ে দিল। শ্রুতি ভারি চমকে উঠল। ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে রইল সামনে থাকা পাগলটার দিকে।

_______

চলবে~

শব্দসংখ্যা - ১৫২৬

#একগুচ্ছ_শুকতারা

#শারমিন_ইরান

[অনেকদিন পর ইঠু বড় পর্ব লিখলাম। ভুল ক্ষমা করে ধরিয়ে দিবেন।]

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১৬তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন