প্রেম ঘোর
,, নার্গিস সুলতানা রিপা
পর্ব-(০১)...*
🌷🌷🌷🌷
আজ নৌশিনের বিয়ে সম্পন্ন হলো..|
অনেক ধুমধাম করে সব আয়োজন শেষে শশুর বাড়িতে পা রাখল | অনেক টাই নার্ভাস | বাট স্বামী নিয়ে খুব কম কারণ ৪ বছরে অনেক টা জানা শোনা দুজনের| কিন্তু বাসায় সবাই কেমন হবে তা তো জানে না তাই..তার মুড অফ..|
সব নিয়ম কানুন মেনে সাদাদের ভাবি আর বোন রা ওকে রেখে যায় ঘরে |(সাদাদ নৌশিনরে husband)
ভাই:এই যে মেয়ে,দেবর কে পাগল করে বিয়ে করছো,আবার আজ রাতে এত পাগল করো না যেন আমাদের ভুলে যায়।
নিপা:আরে ভাবী কি যে বল তুমি..চার বছর যখন সাদাদকে ভুলতে দেয় নি তোমাদের আর দিয়েও না।(নিপা সাদাদের বড় বোন)
নৌশিন চুপচাপ শুধু শুনেই যাচ্ছে।কি বলার ই বা আছে ওর।এমনিই কাউকে চিনে না।
নিপা:শোনো এই যে দুটো টেবিলে রাখা। এটা তোমার আসলে খাওয়াবে কেমন??তার শোন সালাম করো কিন্তু।প্রেম করছি বলে যে করবে না তা কিন্তু কর না।স্বামী তো স্বামীই
নৌশিন"...মনে মনে.."ইশ শখ কত ২ বছরে অনেক জ্বালা দিছে এখন আমি জ্বালাবো।।সালাম করতে ঠেকা লাগছে আমার"
নৌশিন:জি আপু।।
ভাবী :এই নিপা চলো চলো ১২ টা বেজে গেছে,,এতো দের করে বিয়ে করল আসতে আসতেই তো ১১ টার বেশি বেজে গেছে।এখন আমাদের তো কোনো কাজ নেই...যার আসার কথা সে আসুক।
নৌশিন খুব ভুতে বিশ্বাসী।
নৌশিন:আপু তার মানে আমি একা থাকবো এখন🥺
নিপা:ও মা একা কেনো থাকবো🥺সাদাদ আসবে
"ও কখন না কখন আসবে তোমরা বস না কত বড় ঘর আমার তো ভয় করছে"
ভাবী:😅😅😅|| হায় আল্লাহ কম কি মাইয়া...এই তুমি নিপা বস আমি দেবর কে পাঠাই পরে আসো তুমি।
নৌশিন:😌
ভাবী বাইরে গিয়ে দেখে সব বন্ধুরা মিলে ঘিরে আছে সাদাদকে।
ভাবী:তাদের কি অবস্থা রে??আর কত জ্বালাস পোলাডারে।যাইতে দে ১২+ বাজে তো।
বন্ধুদের মাঝে একজন:ও ভাবী ওর গিয়ে কি কাজ আমরা সবাই যাই নাকি।🥺😅 "হুম যা..)"সাদাদ
"না গুরু আজ তুমি যাও পরে আমরা পরের দিন"
"শালা আমি ঢুকলে আর তোদের ঢুকতে দিব নাকি"
"বুঝা গেলো সব..হিংসা লাগছে দেবরের আমার..তোরা চল সবাই হালকা খাবি কিছু কেউ তো আর বাসায় যাবি না.."
সাদাদ রুমে ঢুকলো,নিপাও বেরিয়ে এল।
নৌশিন:🥺🥺🥺
সাদাদ:কিহ???এভাবে দেখ কেন?
মাথার ঘোমটা এক টানে সরিয়ে"এত দেরি লাগে আসতে তোমার, কাউকেই তো চিনি না 😔😔।আগে আগে তো আসবা আর রুম এত বড় কেন কেমন ভয় ভয় করে"
"ও সরি।সবাই মজা করছিল তো তাই..আর রুম বড় তো কি আমি তো আছি ভয় কিসের..খাটে বসতে যাবে এমন সময়"দাড়াও...."
কি হলো?
"আপু বলছে সালাম করতে??করা লাগবে???"
"তো করবা না আজ থেকে তোমার বর সম্মান দিবা"
মুখটা ভেংচিয়ে"ওওলু...ছাই দিব বলেই সালাম টা করল..
সাদাদ:ওরে আমার বউ রে😍
"নাও এটা খাও"
কি এটা??
"দুধ..চিনো না নাকি?"ভাবী বলেছে পুরাটা শেষ করতে..
"হুম...আর কিছু বলে নাই"
"বলছে তোমাকে যেন পাগল না করি"
"ওহ আচ্ছা🥺"
"এত গয়না পড়ছো কেন?? ওজন লাগে না"
"হুম আমি কি করব সবাই এত এত গহনা দিলে🥺"
"গরম তাই না"
"হুম"কথা বলার মাঝেই সাদাদ নৌশিনকে দেখছে। মেয়েটা একটু আগে কতটা জড়তায় ছিল বাট এখন কতটা হালকা। বাসায় ঢোকার আগেও গাড়ীতে ভয়ো শক্ত করে সাদাদের হাতটা চেপে বসেছিল,,।
আজ চেনা সেই নৌশিনকে অন্য রকম দেখাচ্ছে।
শাড়ি..ভারি ভারি গয়না...এত সাজে..সাদাদের ইচ্ছা করছে সব কিছু নষ্ট করে দিতে ওর এত সৌন্দর্য ধরে রাখতে ইচ্ছা করছে না।
"এই সাদাদ কি দেখ এত..ঘড়ি দেখ ১ টা বাজে তুমি জানো কাল তো বাসায় এত কোলাহল ছিল আমি ঘুমাইতেই পারি নাই...খুব ঘুম পাইছে,,একা একা ভয় করে তাই তোমার অপেক্ষায় ছিলাম...ঘুমাবো"
"ট্রু আজ রাতে মানুষ ঘুমায়,, আমি তো ভাবছি গল্প করব সারা রাত"
প্রথম রাতে নৌশিনের গায়ে হাত দিবে না সাদাদ আগে থেকেই ভেবে রাখছে,, একটা মেয়ে সব ছেড়ে অনেক পেরা নিয়ে এসে আবার দুর্বল পেরা নিয়ে এটা সাদাদের ঠিক ভালো লাগে না তাই ও ভাবছে যে গল্প করবে সারা রাত তা আর হবে না,, কারণ নৌশিন তো বলেই দিল ঘুম পাইছে। আর সাদাদের এটা খুব ভালো লাগলো যে "নৌশিন ওর সামনে ঘুমাবে বলে মেয়েটার মনে কোনো দুটানা নাই,, সবটা দিয়ে বিশ্বাস করে ওকে"
সাদাদ:"হুম তাই বেটার সোনা,, অনেক ক্লান্ত তুমি,, ফ্রেস হও নি?"
"না তো একা একা ওয়াশরুমে ভয় লাগে তো"(নৌশিন)
"তোমার বয়স কত রে"
কেন..২২। জানো না..
কোন ক্লাস
"অনার্স শেষ করব"
তো এত বড় একটা মেয়ে ভয় পায় নাকি??
"তোমার রুম টাও তো কত বড়,,আর আমি তো প্রথম আসলাম...🥺"
ইশ মন খারাপ করে আবার"আমও তো রুমেই এখন যাও
ফ্রেস হয়ে আসো"
"না না,, তুমি ওয়াস রুমের পাশে দাড়াও.."
কেন???
"বলাম না ভয় লাগে🥺"
হায় কপাল,, আমি আসচ্ছি আর ওনার ঘুম পাইছে বডি গার্ড
বানিয়ে ঘুমাবে ওনি,,,আর এখন ওয়াসরুমের বাইরে পাহারা
দিই আর কি,,,
"এভাবে বলবা না একটু কষ্ট কর না"
কষ্ট তো একটু না রে পাগলি অনেকটা হইতাছে, তরে বুঝাই
কেমনে ভাবছিলাম গায়ে হাতই দিব না বাট এখন তো সহ্য
হচ্ছে না।এত সুন্দর কেন মেয়েরা,,আর আমার ঘরে এই
পরী।। ইশ কই রাখবো ওরে আমি(মনে মনে)
"ও কি ভাব দাড়াও এখানে"
হুম, রানী,, যান
ফ্রেস হয়ে এসেই কোনো সোজা খাটে শুয়ে পড়লো"লাইট
ওফ করবা না কিন্তু"
"আমার তো লাইট থাকলে ঘুম আসবে না"
"ওহ,,তবে এই টা ওফ করে,, টেবিল লাইটা অন রাখবা ওইটা
তো তোমার চোখে লাগবে না"
ওকে মেম..
"হুম, গুড নাইট"
কি হলো এটা প্রেমে বিয়ে নাকি বাসরের সুতাও ঠিক থাকে না
আর আমার বাসর,,, পাগলি রে🥺(মনে মনে) হুম নৌশিন
এমনি ছোট মানুষী🥺তবে সাদাদের জন্য পাগল।
সাদাদের ঘুম আসছে না"একটা ডায়রী হাতে নিল, যে দিন
থেকে নৌশিন কে ভালো লেগেছে ওর সবটা এই ডায়রী তে
আছে,, নৌ শিন তো ঘুম তো ডায়রী টার সাথেই গল্প করোক।
ডায়রী খোলতে যাবে তো ঘুম ঘুম গলাতে নৌশিন
বল"জান,,আমি কিন্তু অনেক নাচা নাচি করি ঘুমে তুমি
কিন্তু রাগ করবা না"
🥺নাচ বাই শুধু ফুটবল খেল,,রাগ করলেই বা
কথা শেষ করার পর নৌশিনের দিকে ফিরলে দেখে বিশাল
ঘুমে সোতো ডায়রী টা নিয়ে টেবিলে বসবে.. একটা আওয়াজ
আসলো,,নৌশিনের গহনা।
"ইশ পাগলি গহনাও খুলে নাই,, ঘুমাতে পারছে না ঠিক মতো"
কোনো কিছু না ভেবেই গহনা খুলতে গেল।
....এন্ত কিছু রে ভাই...বলতে বলতে চুরিগুলো খুলে..তারপর
নৌশিন ই ঘুম নিয়ে বলে "কানের দুল"
সেটাও খুলে
আবার হাতটা নৌশিন ওর গলার ওপর নিয়ে দেয়"হার গুলো
খুলো"
এবার সাদাদের সহ্য হচ্ছে না,,, এত ফর্সা গলা আর হাতটা
গলাতে হার খুলার জন্য ওর ঘারেও হাত দিতে হবে"কি হতো
গহনা গুলো নিজে খুললো" কিন্তু ওর কথা শুনবে যে সে তো
ঘুম রাজ্যে। হারটা খুলতে যাবে,,২ টা হার খুলা শেষ একটা
কিভাবে জানি আটকে গেছে আর সেটা খুলবে তার আগেই
ওনার বউ অন্য দিকে ফিরে গেছে।মাথার ওড়নাটা সরালো
ঘাড়টা পুরো দেখা যাচ্ছে..৮ বছরে নৌশিনের শরীরটা এতো
এভাবে দেখে নি।বিয়ে ঠিক হয়ে গেলে...কাহিনী করছে.. বাট
আজ তো বউ🥺এমন ভাবে পাগল হচ্ছে কেন নিজেই
জানে না,,,,২ মিনট বসে থেকে সব ভাবনা ভুলে হার টা
খুলল। ওর সরতে মন চায়ছে না কি নিষ্পাপ লাগছে
নৌশিনকে।
কিছুক্ষণ পর "নাহ কিছু করা হবে না,, 🥺🥺,,"
তারপর নৌশিনকে ঠিক করে শুইয়ে দিয়ে কপালে একটা চুমু
একে দিল🥺 লাইট টা ওফ করে টেবিল লাইট টা ওন
করল,,,নৌশিন তো ঘুম রাজ্যে........সাদ মনে
ভাবলো,"আমার না হয় পুরানো ডায়রীর পাতা গুলোর সাথে
রাতটা জাগা যাক"🥺
!!!!
চলবে..........?
সাদ ডায়েরী পড়তে পড়তে রাত ৩টা বেজে গেছে।ভালোই লাগছিল ওর নৌশিনের সাথে কাটানো দুষ্ট মিষ্টি কথা গুলো মনে পড়ে।হঠাৎ খাটের দিকে চোখ যায়... দেখলো নৌশিনের আচল টা ওর বুক থেকে সরে গেছে আর বেনারসি টাও পায়ের একটু উপরে হাটুর নিচে হলেও ফর্সা পা টা
টেবিল লাইটের অল্প আলোয় কেমন শিউরে তুলছে সাদকে।সাদ কোনো কিছু না ভেবেই বারান্দায় চলে যায়।(কারণ এখানে থাকলে ও নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারবে না আর..)
অপরদিকে নৌশিনের এই দিন টা নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিল বাট ক্লান্ত হয়ে ঘুমাচ্ছে।কিন্তু রাতে এক টানা ঘুমানোর অভ্যাস ওর নেই।খেয়ে দেয়ে ১টায়ই ঘুমায় সে আবার ১/২টায় উঠে পড়াশোনা করে ৩/৪ টায় ঘুমায় আবার ৫.৩০ টায় এলার্ম দেওয়া থাকে ওঠে নামায পড়ে কোরআন তিলাওয়াত করে আবার ঘুমায় একদম ১০ টা পর্যন্ত (মা -বাবা যতই ফোন ওফ করুক বকা বকি দিক কানে বালিশ চেপে ঠিক ঠাক ১০ টায় একদম)
অভ্যাসবসত ৩.৩০ টায় হঠাৎ ঘুম ভেঙে যায়...এমনি এমনি অবশ্য ক্লান্ত বলে ঘুম পড়ে ভাঙার কথা কিন্তু সাদাদের ভাইব্রেট করা ফোনের কম্পনে উঠে পড়ে।দেখে রোমে কেউ নেই.. এসি অফ..ফ্যান চলছে তবুও এপ্রিল মাসের গরম তো ফোনে ততটাও কমে না।এত রাতে কিসের নটিফিকেশন ওর ফোনে মনে এটা ভেবেই ফোনটা হাতে নিল..আবির (ওর ফ্রেন্ড)এর এসএমএস"কি রে মামা রাত কেমন কাটে তোর..কি চলতেছে..ভাবী কি ঠিক আছে নাকি?...তুমি তো কাজ সারলা আমার কিছু করো আমার তো শরীর মন কোনোটাই আর মানে না..কাল ইন্টারভিউ আছে একটা তো এত রাতে তোমার কথা মনে পড়ল... বেশি কিন্তু কিছু করো না বুঝলা ভাবী আবার রাগ করবে..আবার কমও করিস না তবে আবার ভাববে তুই পারস ই না যতই হোক লাভ মেরেজ তো বেশি চাওয়া টাই স্বাভাবিক..আমি কিন্তু আগে থেকেই ক্লিয়ার জানাইছি ওরে সব কিছু করব এক রাতেই তাই প্রেম করে ইজি রিলেশন করছি না হলে আবার বিয়ের রাতে বলবে" আমাকে আপনার একটু সময় দেওয়া উচিত চেনার জন্য"২৯/২৮ বছর পরে বিয়ে করে রাতে বউ নিয়া ঘুমাবো
ব্যাপারটা ঠিক ঠাক না..আচ্ছা চালিয়ে যা তোরও তো লাভ মেরেজই সংকোচ কম কাজ বেশি😉"
এসএমএস টা দেখে নৌশিনের কেমন জানি লাগলো..(ও কি সাদাদকে ইগনোর করলো এই রাতে যতই হোক সাদাদকে একটু হলেও টাইম দেওয়া উচিত ছিল আর কিছু না হোক গল্প করা(মনে মনে))...
আর ওর রো কেমন মনে হচ্ছে বার ভাবীর কথা গুলো...কেমন একটা অন্যরকম লাগছে মেয়েটার..শাড়ি পড়া অবস্থায় একবার সাদ ওকে দেখে ছিল...ভার্সিটিতে
(ভার্সিটির কোনো একটা প্রোগ্রামে নৌশিন শাড়ি পড়েছিল...সিম্পল একটা শাড়ি।সাদাদের সাথে তখন ওর বেশ ভালোই রিলেশন চলে...সাদ ওই দিন নৌশিনের থেকে চোখ সরাতে পারে নি...এক সময়.. সাদ খেয়াল করেছিল নৌশিনের পেট টা একটু বের হয়ে আছে তাই ও নৌশিনকে সবার আড়ালে নিয়ে কথাটা বলতে যায়...অন্যএকটা রোমে...নৌশিনকে বলে শাড়িটা ঠিক করার জন্য কারণ সাদ চায় না নৌশিনের দিকে কারও বদ নজর পড়ুক...আর সাদ নৌশিনের কথা মতো ঠিক করা শুরু করলো...মেয়েটা সাদাদকে রোম থেকে সরতেও বলে নি,জাস্ট অন্য দিকে ঘুরে ঠিক করার চেষ্টা করছে আর সাদও চোখ ঘোরাতে পারছে না...নৌশিন নিজে শাড়ি পড়তে পারে না তাই পিন আপ করে ভালো ভাবে ঠিক করতে পারছিল না তাই আচলের পিন টাও খুলে ফেলেছিল..বাট হিতে আরও বিপরীত হয়ে যায়..শাড়িটা আরও নষ্ট হয়ে যায়..সাদাদ বুঝতে পারে""কি ব্যাপার শাড়ি নিজে পরো নি"
নৌশিন:"নাহ তো.. "
"আজব কাহিনী ভালোই"(সাদ)
নৌশিন:"প্লিজ সাদ একটু আশাকে ডেকে দাও না...এভাবে তো বের হওয়া যাবে না"
সাদাদ:ওকে(রেগে)...দরজা ভেতর থেকে লক করো...আমি ডাকলেই খুলবে বা আশা...
নৌশিন;হুম...কিছুক্ষণ পর সাদ আসে..
সাদ:Nousin open the door..
নৌশিন দরজাটা খুলে কোনো রকম হাত দিয়ে ধরে রেখেছে শাড়িটা...!!
নৌশিন:আশা স্টেজে উঠে গেছে ওর ড্রামা পার্ট চলে...অনেক টাইম লাগবে ওর... আর তোমার কোনো ফ্রেন্ডকেই দেখলাম নয় আশে পাশে...মেহা ছিল বাট এরপর ওর এনকারিং তাই ডাকি নি।তুমি যতটা পারো টাইম নিয়ে ঠিক কর আমি বাইরে দাঁড়ালাম...
নৌশিন ঠিক করার জন্য শাড়ি টানাটানি করাতে শাড়ির কুচি গুলোও নষ্ট হয়ে যায়...এবার কোনো কিছু না ভেবে কান্নাই করে বসে তার আরও একটা কারণ হলো ভয়...সে প্রথম সাদাদকে অনেক ভয় পেত..সাদাদ যদি বকাবকি করে এটা ভেবে কান্না করতে থাকে..বাট ওর তো রোম থেকে বের হতে হবে কান্না করলে চলবে না...ওর হঠাৎ মনে হলো "হুম সাদাদ ই একমাত্র অপশন এখন সাদাদ ই হেল্প করতে পারে...না হয় একটু বকা খেল তবুও তো বের হতে পারবে।
তাই কোনো কিছু না ভেবে..
নৌশিন:সাদাদ...এই সাদাদ
সাদ:হুম...হলো তোমার...?
নৌশিন:নাহ🥺
সাদ বুঝতে পারলো ওর গলা শোনে যে কান্না করতেছে..
সাদ:কি হলো??
নৌশিন:....
সাদাদ:এই মেয়ে কি হলো..(দরজায় নক করতে থাকে)
নৌশিন কি বলবে ভাবছে।
সাদ:এই মেয়ে...
নৌশিন.....
সাদাদ:ওকে দরজা টা খুলো..
নৌশিন দরজাটা খুললো..সাদ দেখে সবটা বুঝতে পারে ও শাড়ি ঠিক করতে না পেরে আরও নষ্ট করে ফেলেছে চোখে মুখে একটা ভয়ের ছাপ...
নৌশিনকে এভাবে দেখে সাদ ভিমরি খায়...নাভী টা বের হয়ে আছে... আর এমন সময় সাদাদ কিছু বলার আগেই...
নৌশিন:প্লিজ সাদ একটু হেল্প করো না🥺🥺🥺
সাদাদ:আরে কান্না করার কি হলো এটা.....?
বাট নিজে মনে ভাবতেছে কি করবে... নিজেকে কন্ট্রোল করে শাড়ি ঠিক করতে গেল...
ফাস্টেই কুচিটা দিতে বলে নৌশিনকে.....বাট গুজার সময় আবারও নষ্ট করে দেয় নৌশিনের হাতটা অজানা কারণেই কাপছিল তাই পরের বার সাদ নিজেই গুছে দিতে যায়...নৌশিনের পেটে চোখ পড়তেই সাদ আটকে যায়...নাভী টা ওকে টানছে নৌশিনের কাছে...ও গুজার জন্য নৌশিনের পেটে হাতটা লাগায় গুজতে হলে ওকে আরও ভেতরে হাত দিতে হবে এবং তাই দেয়। সাদ নৌশিনকে প্রথম স্পর্শ করলো ওর সব কিছু গুলিয়ে যাচ্ছে... হঠাৎ নৌশিনের মুখের দিক তাকায়..মেয়েটা আর কান্না করছে না কিন্তু চোখ বন্ধ করে আছে ঠোটে ঠোট চেপে অন্য দিক মুখ করে আছে...সাদ এই লজ্জামাখা মুখে আগে কোনো মেয়েকে দেখে নি এভাবে কোনো মেয়েটা যে এতটা আকর্ষণীয় লাগে আজ বুঝতে পারল...আচলটা বুকের দিকে ঠিক করে দিল নৌশিন এখন চোখ খুলছে না নৌশিনের
নিশ্বাস ঘন হয়ে আসায় ওর গরম নিশ্বাস সাদাদের বুকে পড়তে থাকে আর পিন আপ করার সময় আবারও নৌশিনের বুকে গলায় নজর যায় ওর এবার সাদও কন্ট্রোল রাখতে পারছে না আর নৌশিন কেমন জানি শিহরন দিচ্ছিল.....
সাদ পিন আপ করতে যাবে হঠাৎ নৌশিন চোখ বন্ধ অবস্থায় পাশে থাকা ব্যাগটাকে হাত দিয়ে চেপে ধরে...নিজেরে ঠোট নিজেই কামড়ে ধরে...
সাদ আর পারছে না...
সাদ পিন আপ করার জন্য আচলের যে অংশটুকু ভাজ করেছিল সেটা খুলে ফেলে.....নৌশিনের চোখটা আচমকাই খোলে যাওয়ায় দুজনের চোখ পরে যায় একে অপরের দিকে...
নৌশিন সাদকে এভাবে চেয়ে থাকতে দেখে পিছিয়ে যেতে এক সময় দেয়ালে আটকে যায়..সাদ এগুতে এগুতে ওর একদম কাছে চলে যায়..সাদ কি করবে নিজেও জানে না...
নৌশিন আবারও চোখ বন্ধ করে নিয়েছিল..
সাদ ওর কোমড়ে হাত দিয়ে হাতটা আস্তে আস্তে ওর নাভীর কাছে নিয়ে যায়..নৌশিনের ঠোটগুলো কাপতে থাকে...সাদাদওর ঠোটে নিজের ঠোট চেপে নেয়...নৌশিন দিশা হারিয়ে সাদাদের শার্ট চেপে নেয়...
সাদাদ নৌশিনের গলায় ঘারে কিস করতে থাকে...নৌশিনকে ওর কোলে তুলে নেয় পাশে থাকা বেডে ফেলে দেয় নৌশিনকে....নিজের শার্টটাও খুলে ফেলে ও...নৌশিনের বুকের ভাজটা খুব ভালোভাবে বুঝা যাচ্ছে...সাদাদ হামলে পরে মেয়েটা ওপর... ইচ্ছা মতো কিস করে ঠোটে গলায় ঘারে...কমড়ের পেচানো শাড়িটাও ছুড়ে ফেলে... নৌশিন
সাদাদের পিঠে খামচি দিতে থাকে...সাদ আরও পাগল হয়ে যায়..
সাদাদ নৌশিনের ব্লাউজ টাও খুলে ফেলে.../একটা যুবক কি করে এমন যুবতী মেয়েকে দেখে থাকবে আর যাকে ও ভালবাসে/
সাদাদ নৌশিনের বুকের নরম অংশ হাত দেয়... এক পর্যায়ে মুখ নিয়ে যায়...নৌশিনের সব শক্তি শেষ না পারছে কিছু বলতে..না কিছু করতে..
সাদ নৌশিনের বুকে হামলে পড়ে...কিস করা শুরু করেছে আর তখনি নৌশিন উল্টো হয়ে যায়.সাদাদ আরও উত্তেজিত হয়ে পড়ে নৌশনের পিঠে বিট দিতে থাকে... নৌশিন এবার ছাড়াতে চেস্টা করছে কস্ট করে..
"সাদাদ প্লিজ ছাড়ো..(নৌশিন)
সাদ মেয়েটার পিঠে কামড় দিয়ে দেয় জোরে তখন একটা...
আমি আর পারছি না "I want u... I want u..... বলেই নৌশিনের ঘারে কিস করে...
নৌশিন:হাপিয়ে হাপিয়ে বল"সাদাদ আমি অবিবাহিত..."
সাদাদ:বাট আই ওয়ান্ট ইউ ফোঅলি
নৌশিন:"সাদ এটা পাপ...আমার চরিত্রের...
(বলার আগের হুপিয়ে কান্না করে দেয়)
সাদাদের নৌশিনের কান্নায় হোস ফিরে...
সাদাদ ওঠে যায়..বাট নৌশিন সে ভাবেই কান্না করতে থাকে....সাদ বুঝতে পারে একটা মেয়ের জন্য এটা কতটা হার্ডলেস কাজ.. আর এই চরম ভুলটা ও নিজেই করেফেলেছে আরও যাচ্ছিল..মেয়েটা ওকে বিশ্বাস করল আর ও...ভাবতে থাকে সাদাদ...
কিন্তু নৌশিনের কান্নার শব্দে ফিরে আসে ভাবনার জগত থেকে..ভার্সিটির অনুষ্ঠান শেষ পর্যায় রাত হয়ে এসেছে ১০ টার মতো...
সাদ নিজের শার্ট টা পড়ে নেয়...সাহস নিয়ে নৌশিনের কাছে যায়... ওর কাধে হাত রাখতেই
"সাদ আমরা আন মেরিড ছিলাম😭😭😭(নৌশিন)
সাদাদ:প্লিজ আমায় ক্ষমা করো... আমি কন্ট্রোল করতে পারছিলাম না আর
নৌশিন:😭😭
সাদাদ:প্লিজ..আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি এভাবে কাদবে না প্লিজ আর তোমার ভার্জিনিটি তো আছে তুমি প্লিজ এভাবে ছোট করে দেখ না নিজেকে...তবে আমি নিজেকে কোনো দিন ক্ষমা করতে পারবো না..
নৌশিন:ভার্জিনিটি আছে.. বাট আমার শরীর😭😭😭
সাদাদ:ওকে ওকে তোমার এটাই তো প্রমাণ " we r unmarried "
নৌশিন:😭
সাদ:তুমি কি ভাবছো আমি তোমায় ঠকাবো??তোমাকে বিয়ে আমি করবো না বা তুমি তোমার স্বামীর হক নষ্ট করলে এটাই তো...ওকে হক নষ্ট করলে আমি যতটা করছি আমি আমার টা নষ্ট করছি..ওঠো তুমি আর এক ফোটা পানিও যেন না পরে চোখ থেকে ..."
সাদাদ নৌশিনকে শাড়িটা ঠিক পড়িয়ে দেয়...বাইরে গিয়ে কাউকে ফোন করে...
নৌশিনকে টেনে গাড়িতে নিয়ে যায়..নৌশিন কোনো কথা বলে নি সে দিন...
সাদ ওর বাসার সামনে নিয়ে নৌশিনকে নিজের বাসায় নিয়ে যায়...(বিশাল অট্টালিকা)
....ড্রয়িং রুমে ঢুকবে এমন সময় সাদাদ নিজেই নিজের হাত দিয়ে মেয়েটা চুল ঠিক করে দেয়..রুমাল দিয়ে মুখটা মুছিয়ে দেয়..ড্রয়িং রুমে গিয়ে দেখে..
সাদাদের মা...নৌশিনের ফ্রেন্ড আশা..কাজী সাহেব..সাদাদের বাবা আরও ২ টা লোক..
সাদাদ:আমি তোমাকে আজিই বিয়ে করব...
নৌশিন সাদাদের মুখের দিকে তাকিয়ে....(অবাক হয়ে)
সাদাদের মা"আয় মা বস"
কাজী সাহেব বিয়ে পড়ানো শুরু করেন(সাদাদের বাবা)
নৌশিন কান্না করা শুরু করে...আশা আমার বাবা মা😭
".(আশাকে জড়িয়ে ধরে)
ওরা পরে তোমার আমার আবার বিয়ে দিবে(সাদাদ)
(সাদাদের বাবা মা কাহিনী জানে না...ওরা ভাবছে ওদের ছেলে মেয়েটাকে তুলে এনে বিয়ে করছে কারণ সাদাদ যা চায় সেটা ও নিবেই যে ভাবেই হোক...সাদাদের বাবা মা সবটা মেনে নিল...
সাদ ওই রাতের ব্যাপারে কাউকে বলে নি কিছু কারণ ও চায় না নৌশিনের দিকে কেউ আঙ্গুল তুলুক...বিয়ে শেষ
কাজী সাহেব চলে যান"
"মা-বাবা আজ আমার বিয়ে হলো কেউ জানবে না শুধু আমরা ছাড়া...মা তুমি ওর বাসায় আমার আর ওর বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে যাবা যত তাড়া তাড়ি সম্ভব)
আশা তোমারও যেন মনে থাকে...
আশা তুমি থাক না আজ রাতটা আমাদের বাসায় তোমার হোস্টেল তো ওফ হয়ে যায় এত রাতে(সাদাদ)
আচ্ছা(আশা)
আমি কি একটু একা ওর (নৌশিনের সাথে কথা বলতে পারি(আশা)
হুম...(সাদাদ)
নৌশিন যা হয়েছে ভালো হয়েছে সাদাদ অনেক ভালো আর তুই বিশ্বাস রাখ তোর বিয়ে তোর বাবা মা দাড়িয়ে থেকে দিবে..আর আমি কাউকে এই বিয়ের ব্যাপারে কিছু বলবো না..হঠাৎ সাদাদ হাটু গেরে বসে পরে"আমি তোমাকে এটা বিশ্বাস করানোর জন্য বিয়েটা করলাম যে,আমি শুধুতোমার,,যে কোনো মূল্যেই তুমি শুধু আমার.. আর তোমার বাবা মা আমাদের বিয়ে দেওয়া না অবদি আমি ভুলে যাব তোমার আমার বিয়ে হয়েছে আমি তোমার বয় ফ্রেন্ড হয়েই থাকবো..স্বামীর অধিকার কোনো দিন চাইবো না যত দিন তুমি না চাও তোমার বাবা মা বিয়ে দেওয়ার পরও না..তুমি যে দিন চাবে ঠিক সে দিন..প্রমিজ ইউ)"...(সাদাদ নৌশিনের বাসা কাছে হওয়ায় ওকে বাসায় দিয়ে আসে..আশা সাদাদের কাজিন(তুবা)এর সাথে থেকে পরের দিন হোস্টেলে চলে যায়...আশা এমন একটা মেয়ে ও কোনো দিন কারও কথার খেলাপ করে না তাই স্বাভাবিক ভাবেই ও বিয়ে টা চেপে যায় শুধুমাত্র এই বিয়ের একটা সাক্ষী হয়...)
এটা ৬ মাস আগের কাহিনী..আশা ওর বিয়েটা এমন ভাবে ইনজয় করেছে যেন নৌশিনের সাথে কিছু হয় নি... তাই নৌশিনের অনুরোধে আজও আশাই ওর পক্ষের একজন সাক্ষী হয়েই সাইন করে..আর সাদ এই ৬ মাসে ওর সাথে এতটাই বিনয়ী ব্যবহার করেছে নৌশিন সে রাতের একটু ভুলটার কথা আর ভাবে নি(সবার জীবনে কোনো না কোনো সময় হয়তো একটু ভুল হয়..আর স্বামীর হক নষ্টের কোনো প্রশ্ন আসার কথা উঠে নি ওর মনে কারণ ওর ভার্জিনিটি ছিল আর যে ওর শরীরে হাত দিয়েছে সেও উপায় না পেয়েই দিয়েছে যতই হোক ২৮ বছরের একটা ছেলে ভালোবাসার
মানুষকে ও ভাবে দেখলে হারিয়ে যাবে এটাই নরমাল)আর সাদ তো ওকে ও রাতেই বউ হিসেবে মেনে নিয়েছে...)জন্ম-মৃত্যু-বিয়ে...এই তিন বিধাতা নিয়ে..কথাটা নৌশিন বিশ্বাস করে আর কোনো দুটানায় থাকে নি...ছোট জীবনটাকে নতুন করে সাজিয়ে তোলার হাজার হাজার নতুন স্বপ্ন বুনতে থাকে মনে🌼
সাদাদের সাথে ওর আজকের বিয়েটা সবার সামনে হয়েছে..কেউ জানে না ওরা ৬ মাস আগে বিয়ে করছে..
((সাদাদের সেই কথাগুলো ওর কানে বাজছে...
"ওর নিজের কেমন জানি মায়া হচ্ছে সাদাদের দিকে তাকায় বারান্দায়।সাদ খেয়াল করে নি ও উঠে গেছে....নৌশিন একটা শ্বাস ফেলে))
মনে মনে কাছে যেতে চায় ও সাদাদের আবার ওর ছোয়া চায় স্বামীর পরশ চায় ওর শরীর মন..."হুম আমি আজ তোমায় অধিকার দিব...হুম আমি চাই আজ(মনে মনে)
((কিন্তু সরাসরি তো বলা যায় না যতই হোক মেয়ে তো))
নৌশিন দেখলো ৩.৪৮ বাজে..ওর কাছে চাই সাদাদকে... হুম খুব কাছে..
সাদাদ.. এই সাদাদ(নৌশিন)
সাদাদ:কি??উঠে গেলে যে??
নৌশিন:পিন গুলো খুলতে পারছি না হেল্প করো তো..শাড়ি পড়ে ঘুমায় নাকি মানুষ।
সাদাদ:নিজে খুলো না রে..
নৌশিন:যা বলছি তা করো না বেশি কেন বলো
সাদ:ওফ..
(পিনগুলো খুলতে থাকে নৌশিনের শরীর যেন ওকে টানছে.. বাট ও কিছু করবে না কোনো দিনও না যত ক্ষণ না নৌশিন বলবে)
সাদাদ:হুম যাও ঘুমাও
নৌশিন:সাদাদ প্লিজ ব্রাউজের হোকটা আর ফিতাটা...প্লিজ প্লিজ(মায়াবী গলায়)
(সাদ নৌশিনের এই আবদারটা রাখতে গিয়ে ভ্যাবাচেকা হয়ে যায়...এমনি এত ফর্সা একটা পিঠ তার উপর এই ব্রাউজের গলাটা অনেকটাই বড় আবার হোক টোক আর ফিতায় পিঠটা আরও রোমান্টকর হয়ে আছে..সাদ লোভ সামলাতে পারছে না..তবুও নিজের দাঁতে দাঁত চেপে কন্ট্রোল এনে কাজটা করে)
💜নৌশিন সাদাদের হাতের ছোয়া পেয়ে আনন্দে শিউরে উঠে ভেতরে ভেতরে💜
নৌশিন গিয়ে শুয়ে পরে...সাদ এসি টা ওন করে।
নৌশিন;এই ছেলে প্লিজ শুয়ে পড় না আমার একা একা খুব ভয় লাগে ঘুমাতে..
সাদাদেরও ঘুম চলে আসছে তাই শুয়ে পড়ল...
নৌশিন:সাদ..এই সাদাদ..ঘুমালে নাকি?
সাদাদ:নাহ..বলো
নৌশিন:ঠান্ডা লাগছে আমার.
(সাদাদ ওঠে এসিটা ওফ করতে রিমোট হাতে নিবে এমন সময় নৌশিন হেচকা টান দিয়ে সাদ কে ওর বুকের ওপর ফেলে দেয়)
সাদ:কি হলো?
নৌশিন:বলাম না শীত করছে..
সাদ:তাই তো এসিটা ওফ করতে যাচ্ছিলাম
নৌশিন:কেন আমি তো জানতাম বউয়ের শীত লাগলে ওর বর উষ্ণতা দেয়..গরম লাগলে ঠান্ডা করে দেয় নাকি??তবে তুমি কেন এসি ওন ওফ করো??
(সাদাদের কাছে পরিষ্কার হয় এবার মেয়েটা কি চায়..বাট ও একটু বাজিয়ে দেখবে নৌশিন কি করতে পারে)
সাদ:নাহ তো আমার জানা ছিল না...আপনি কি করে জানলেন??(চোখে ইশারা করে)
/নৌশিন এবার বুঝে যায় সাদ ওকে বাজিয়ে দেখছে তাই সেও বদমাশি শুরু করে/
নৌশিন:সব মেয়েই জানে....আর আমি তো এটাও জানি যে সব পুরুষও জানে।।কিন্তু যারা পারে না কাজ টা করতে ওরা জানে কি না বলতে পারবো না😏
সাদ:আচ্ছা(মুচকি হেসে)তার মানে আমি পারি না তাই তো??
নৌশিন:Yes Md.Sadad...u have no ability to do cool or hot me...after all ur wife's body...
(সাদাদ নৌশিনের কথায় রেগে ওঠে..ওর মাথায় রক্ত উঠে যায় অবশ্য সব ছেলেরই উঠবে কোনো মেয়ে এই ভাবে বললে...আর সেই মেয়ে যদি নিজের বউ হয় তবে তো আরওদ্বিগুণ)
সাদ:hey..lady...stop...u have no idea that"what I can do"...even about my ability... so.. stop this...
নৌশিন:ওহ ছাড়ো তো..have u any prove??? that"u r able to do that work"... "no u have not..so leave me"(মুখ ভেংচিয়ে উঠে যাওয়ার চেষ্টা করে)
(সাদাদ এক টানে আবার বেডে ফেলে দেয়...ওর হাতটা চেপে ধরে বেডের সাথে..."ডোজটা বেশি হয়ে গেল না.??? সামলাতে পারবে তো??(সাদ)
(নৌশিন শিউরে উঠে যতই হোক মেয়ে তো..আর এতক্ষণ তো লজ্জা শরম ত্যাগ দিয়ে অনেক কিছুই করলো...আর পারছে না)
নৌশিন হাত ছাড়ানোর চেষ্টা করে "ধ্যাত ছাড়ো তো"(সাদাদ নৌশিনের মুখে একটা হাসির রেখা আর লজ্জার ছাপ দেখতে পায় যা ওকে আরও কাছে নিয়ে যাচ্ছে মেয়েটার )
সাদ:ওম হু...তোমার তো প্রুভ চাই..আর আমি কি করে নিজেকে প্রুভ না করে থাকবো...প্রত্যক্ষ প্রমাণ তোমাকেই রাখতে চাইছি আমি😏সাদ নৌশিনের কাছে যেতে চাইলে নৌশিন উঠার চেষ্টা করে.... সাদাদ ওকে আটকে নেয়...নৌশিন আর পারছে না সাদাদের নিশ্বাস ওর মুখে পড়ছে ওর নিশ্বাসও ঘন হয়ে আসছে💜
!!!!!!!
🌹🌹🌹🌹
ভাবী আর প্রাপ্তি(সাদাদের কাজিন) নৌশিনকে বাইরে নিয়ে যায়।আর এদিকে সাদাদ ঘুমিয়ে পড়ে।
ভাবী নৌশিনকে সবার সাথে দেখা করায়,নৌশিন বাসার টুকটাক কাজে হাত লাগায়।
নিপা:কি ব্যাপার নৌশিন??রাতে ঘুম কেমন হলো?(দুষ্টামি করে)
ভাবী:কি যে বলিস না নিপা তুই...গিয়ে দেখ সাদ এখনোও ঘুমায়..রাতে ঘুম হলে কি আর এখন ঘুমাতো নাকি😏
!নৌশিন কি বলবে বুঝতে পারছে না!
নিপা:দেখতে তো হবে...এমন কেউ সামনে থাকলে কি ঘুম আসার কথা 😏!
ভাবী:যা বলসিস...
!নৌশিন মুচকি হেসে ফলে লজ্জায় পড়ে যাচ্ছে!
ভাবী:হয়েছে আর লজ্জা পেতে হবে না,ঘরে যাও তুমি এখন নাকি!
নৌশিন:না না ভাবী থাকি না, এখানেই তোমাদের সাথে,তাছাড়া একটু কাজ করলে সময় টাও ভালো কাটবে।
নিপা:আচ্ছা থাকুক তবে ও,নৌশিন???কোনো সমস্যা হলে বা কিছু লাগলে ভাবী বা আমাকে সাথে সাথে জানাবা..কোনো ফরমালিটি করার দরকার নেই।কেমন!
নৌশিন :জ্বি আপু।
ভাবী:এই নৌশিন নুচি ভাজতে জানো?
নৌশিন :হ্যাঁ ভাবী..তুমি এই দিক টা দেখ আমি বাকী গুলো ভেজে দিই।
ভাবী:ওরে নতুন বউ😏....একদম এতো পাকামো করতে হবে না।হাতে হঠাৎ লেগে গেলে দেবর মশাই পাগল হয়ে যাবে।
নৌশিন:কিচ্ছু হবে না ভাবী. দিয়েই দেখো না।
!সাদাদের মা রান্না ঘরে এসে যায়!ওদের কথা শুনতে পায়!
"না না বড় বউ মা, এই টুকু মেয়ে ওকে এইসব করতে দিও না"
!নৌশিন শাশুড়িকে সালাম করে!
"এই প্রাপ্তি নৌশিনকে ওর রোমে দিয়ে আয়"(ভাবী)
"নৌশিন যাও এবার -অনেক কাজ হয়েছে.রান্না তো শেষই প্রায়..তুমি দেখ সাদাদ ওঠলো কি না..ওকে নিয়ে নিচেএসো,আমি আর নিপা খাবার রেডি করছি"
!নৌশিন রোমে চলে যায়!
!সাদ ঘুমাচ্ছে!
!নৌশিন নিজের ফোনটা হাতে নিয়ে, ওর মায়ের কথা ভাবতে থাকে,ফোন করেও ফেললো!
"হ্যালো মা...তুমি তো আমাকে একটা বারও মনে করলা না...একদিনেই এই অবস্থা🥺"
"না না মা কি বলে..আমি তোকে ফোন দিতাম একটু পরেই..সকাল বেলা তাই দিই নি"
"হুম। এখন তো বলবাই🥺"
"আচ্ছা কি করিস মা??আর বাসার সবাই কেমন রে??কোনো সমস্যা হচ্ছে না তো?"
"এই তো বসেই আছি..আর কোনো সমস্যা নেই মা।।সবাই খুব ভালো,,মা বাবা কোথায়?"
"তোর বাবা বাইরে গেল..কিছু কেনা কাটা করতে.."
"ও।।আর তুমি কিন্তু আসবা বিকেলে সবার সাথে..."
"আমি কি করে যাবো বল তো... তুই সবার সাথে আসবি..আমার তো এই দিকে আবার সাদাদের জন্য কত কিছু আয়োজন করতে হবে"
"ওহ মা🥺"
!নৌশিন কথা বলতে বলতে সাদাদ ওঠে যায়।।নৌশিনের কোলে হঠাৎ মাথা রাখায় চমকে যায় ও"
"নৌশিন নে তোর ভাবীর সাথে কথা বল"
"হুম।দাও।।"(সাদাদের চুল হাত দিতে দিতে)
"কি রে ননদীনি..কেমন হলো"
"কিচ্ছুই হলো না ভাবী..."(সাদ নৌশিনের পেটের দিকে নিজের মুখ এগিয়ে নিয়ে যায়।।নাক ডুবিয়ে দেয়।নৌশিন ফোনে কথা বলছে তাই সাদকে কিছু বলতে পারছে না..হাত দিয়ে ফেরানোর চেষ্টা করে বৃথা হয়...সাদ হঠাৎ নাভীতে চুমু দিয়ে দিলে শিউরে ওঠে নৌশিন!"কিচ্ছু হয় নি মানে কি??(নৌশিনের ভাবী)
"নৌশন সাদাদের জন্য ভালো ভাবে কথায় বলতে পারছে না"হুম তো ভাবী..."
"এই শোন আমি ফোন রাখলাম আগে বাসায় আয় পরে তোকে দেখছি.."বলেই ফোন রেখে দেয়"
"কি ব্যাপার এমন কেনো করছো??ফোনে কথা বলছিলাম তো"(সাদকে)
"ওম....আদর করছিলাম একটু"
"ওহ তাই...ঘুম শেষ আপনার?"
"জ্বি মেডাম..এই চুল গুলো তে ভালো ভাবে হাত লাগাও তো!"(সাদ)
"ইশ।পারবো না"(নৌশিন)
"পারবা না মানে..?"
"হুম পারবো না.."
"ওকে ছাড়ো..লাগবে না..একটু লিপস্টিক খেতে দাও "
"কিহ..সেটা খাবার জিনিস😏।।।"
"হুম খুব টেস্টি"
"ওকে আনি তবে.."
!ওঠে চলে যেতে যাবে..সাদ হাত ধরে ফেলে.."কি হলো??কই যাও..?"
"তুমিই তো বললা লিপস্টিকের কথা..."
!সাদ বিছানা থেকে ওঠে নৌশিনের কাছে যায়"লিপস্টিক তো...নৌশিনের ঠোঁটের দিক মুখ বাড়িয়ে"এই তোমার ঠোটে জানেমন। এই খান থেকে যা খাওয়ার খাবো!
(নৌশিনের ঠোটে ঠোট রেখে চুমু দিতে শুরু করে..নৌশিন ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে ওর কমড়ে হাত দেয়।আস্তে আস্তে এক পর্যায়ে বেডে নিয়ে যায়।ওর ঠোটে কিস করতে করতেই ওকে শুইয়ে দিয়ে নিজেও ওর উপর ওঠে গলায় কিস করতে যায়...এবার মেয়েটা কথা বলার সুযোগ পায়"সাদ কি করছো?"
"উম্মা...আদর ভালোবাসছি"
"ছাড়ো আমায়।কেউ এসে যাবে।। দরজায় খুলা তো..."
"হুম কেউ আসবে না...উমমমমা...এবার আমার টা দাও"
"কি দিব তোমায় আমি..ভাবী খাওয়ার জন্য ডাকতে পাঠালো তোমায় আর তুমি শুরু করলা এই সব..এখন সরো।কেউ এসে গেলে সব শেষ"
"হুম।সরে যাবো আগে দাও"
"কি দিব আজিব তো"
"ওফফ...পাপ্পি দে রে একটা"
"ওহ আচ্ছা..দিব না"
!তবে ছাড়লাম না..দরজা ওন থাক এই ভাবেই..(শক্ত করে চেপে ধরে নৌশিনকে)
"আচ্ছা দিচ্ছি দিচ্ছি...
নৌশিন নিজের মুখ বাড়ায় সাদাদের দিকে....এক মুহূর্তে ঘোরে চলে যায় দুজন...
"ভাবী...ভাবী...নিচে চলো..."(প্রাপ্তি)
!ওরা খেয়াল করে নি!.
"ভাবী..ভাইয়া...!ওদের রোমের দিকে আসতে থাকে..
"সাদ ওঠো।।কেউ আসছে...!সাদকে ধাক্কা দিয়ে...কি হলো ওঠো...
সাদাদের হুস আসে..
কিন্তু দরজা তো খোলা🥺
প্রাপ্তি ঘরে ডোকে যায়....সাদ টাইমলি ওঠতে পারে নি...সো যা হয়🥺
"ওহ। সরি সরি।।।আই এম ভেরি সরি..আমি কিচ্ছু দেখি নি...
!নৌশিন সাদকে সজোরে ধাক্কা দেয়।।সাদও প্রাপ"আরে।আমি কি জানি তুমি ভাবীর ওপর...😏(অভিমান করে)(জোরে)
আরও কিছু বলতে যাবে প্রাপ্তি...!নৌশিন ওর মুখে চেপে ধরে.."এই আস্তে।কেউ শুনে ফেলবে 🥺"
!প্রাপ্তি ছাড়িয়ে নেয়..."ও মা।ভাবী তোমরা করবা আর আমি বলতে পারবো না।।😏😏"
"প্লিজ প্রাপ্তি সোনা।।মান সম্মান চলে যাবে আমার...প্লিজ মাই ডিয়ার"
"হুম।তা তো জানি ই। তবে বলবো না একটা শর্তে....
"কি শর্ত...বলো......সব মানতে রাজি..."
প্রাপ্তি:সত্যি রাজি তো???না হলে কিন্তু নিচে গিয়ে এখনি বলবো কি করেছিলে তোমরা....
সাদ:ঐ যাহ তো..গিয়ে বল..তোর কথায় ভয় পাওয়ার কিছু নেই...u may leave now dear sis(একটু ভাব নিয়ে)
!নৌশিন কাল রাত থেকে এখন পর্যন্ত এটা খুব ভালো ভাবে বুঝে গেছে প্রাপ্তি যথেষ্ট চালু টাইপ মেয়ে...ও সবার সামনে যে কোনো কিছু বলতে পারে হাসি মুখে!
প্রাপ্তি:কি বললা?????আমাকে ইগনোর করলা..এতটা....????ওকে ব্রো...তো নিচে আসো।
!নৌশিন ভয় পেয়ে যায়...নতুন বউ আর কিছু নাকি???সবার সামনে বললে লজ্জায় মাথা কাটা যাবে.....!
সাদাদের দিকে ভ্রু কুচকে চেয়ে"কিহ..পাগল না তো তুমি??...
!প্রাপ্তি সাদাদের দিকে মুখ ভেংচি চলে নিতে লাগলো!
To be continue...!!🌷🌷