ফন্ট সাইজ:
থিম:
নীল জোছনা

২৪তম পর্ব

লেখক: ইসরাত জাহান এশা

#নীল_জোছনা____২৪

#ইসরাত_জাহান_এশা

নাহিয়ানের পড়তে পড়তে বেশ রাত হয়ে যায়। সারাদিন বাহিরে থাকার কারণে রেস্ট নেওয়ার সময় পায়নি তাই মাথা ধরেছে অনেক। ঘড়ির দিকে তাকিতে দেখে বারোটা বেজে পয়তাল্লিশ মিনিট। বাসার সবাই ঘুমিয়ে গেছে। বিছনার দিকে তাকিয়ে দেখলো ফারিহা কম্বলের নিচে আরামে ঘুমাচ্ছে। তাই আর ডাকলো না। মাথা ব্যাথা নিয়ে চ্যাপ্টার শেষ করার প্রস্তুতি নেয়। এভাবেই চলে যায় বেশ কিছুক্ষণ। ফারিহার রাতে ঘুম হালকা হতেই দেখতে পায় নাহিয়ান মাথায় চেপে ধরে বসে আছে। ফারিহা শোয়া থেক উঠে বসলো। হামি তুলে নিঃশব্দে বিছানা থেকে নেমে নাহিয়ানের কাধে হাত রাখতেই নাহিয়ান মাথা তুলে তাকায় পিছনে। ফারিহা দাঁড়িয়ে আছে ফুলোফুলো গাল, চোখ নিয়ে। ফারিহা নাহিয়ানের মুখমণ্ডল দেখে আতকে উঠে বললো,

“ আপনার কি অবস্থা হয়েছে বলুনতো দেখি। নিজের শরীরের যত্ন নিতে শিখবেন কবে আপনি। চোখ কতটা লাল হয়ে আছে আপনার। কত করে বললাম পড়া লাগবে না আপনি আমার কথাই শুনলেন না। নিশ্চয় মাথা ব্যাথা করছে তাই চোখ র/ক্ত জবার মতো লাল হয়ে আছে । “

ফারিহা নাহিয়ানের চুল টেনে দিচ্ছে আর কথার বুলি ছুরছে। “

নাহিয়ান কথা গুলো শুনে মুচকি হাসলো। ফারিহাকে টেনে কাছে নিয়ে আসলো। চেয়ারে বসে থাকেই কোমড় জরিয়ে বললো,

" একটা কথা বলি শ্যামাঙ্গিনী। "

ফারিহা নাহিয়ানের চুল বিলি দিতে দিতে বললো,

" হুম বলুন! পারমিশন নেওয়ার কী আছে? "

নাহিয়ান ফারিহার বক্ষ বিভাজিকায় নাক ঘষে বললো,

"আজকে অধিকার সহিতে একটা কথা বলছি তোমায়! আজকের দিনটা শুধু আমি তোমার বুকে মাথা রেখে ঘুমাই শ্যামাঙ্গিনী! "

ফারিহা বরফের ন্যায় ঠায় দাঁড়িয়ে রইলো। নাহিয়ানের এই গভীর ছোয়া এখনো মেনে নিতে পারছে না হয়তো । কোনো মতে বললো,

" আমি সম্পূর্ণ ভাবেই আপনার মিস্টার পারফেকশন। সেভাবেই আমার বুকটাই আপনার জন্য বরাদ্দকৃত। "

নাহিয়ান এমন উত্তর পেয়ে হাসলো। চেয়ারে বসে থেকেই ফারিহাকে আরেকটু টেনে নিয়ে বললো,

" তুমি আমার নেশা হয়ে গেছো শ্যামাঙ্গিনী। তোমায় ছাড়া আমার পথ চলা মুশকিল। কোনোদিন ভাবি নাই এমন কারোর সন্ধান পাবো যে কিনা আমায় বুঝবে। আমার না বলা কথা বুঝে নিবে। আমায় ভালোবাসবে। কোনো এক অনাঙ্ক্ষিত সময় আমাদের দেখা তারপর বিয়ে। এখন দেখো তোমায় ছাড়া আমার হাতে কাজ উঠেই না। "

ফারিহা হাসলো। নাহিয়ানের চুল টেনে দিতে দিতে বললো,

" আপনি যদি আমায় মেনে না নিতেন হয়তো আমাদের গল্পটা অন্যরকম হতো। এতো সহজে সব কিছু হতোই না। সব সম্ভব হয়েছে আপনার জন্য। আপনি আমার জীবনে এসে আমাকে রাঙিয়ে দিয়েছে এখন জোনাকি পোকার মতো আমার জীবন জ্বলজ্বল করছে। আপনি আমার একান্তই রাজা। যার বুকে মাথা রেখে শুধু গোটা জীবন না নিজের ম/র/ণ চাই।"

নাহিয়ান ফারিহার শেষের কথা শুনে কপালে ভাজ পড়লো। ফারিহাকে নিজের কোলে টেনে বসিয়ে ভারি কন্ঠস্বরে বললো,

“ নাহিয়ানের জীবনের সাথে জড়িয়েছো তুমি। তোমার সাথে আমার সংসার করা বাকি এখনো। আর তুমি এখনি আমার থেকে দূরে চলে যেতে চাচ্ছো! আমার কী হবে সেটা ভাবলে না একবারো? “

ফারিহা প্রথমে হকচকিয়ে উঠলো। একটু হেসে নাহিয়ানের গলা জড়িয়ে ধরে নাহিয়ানের নাকে নাক ঘষে বললো,

“ আপনার কথা ভাবি না আমি? “

“ কোথায় ভাবলে তুমি? “

কন্ঠস্বর ছিলো একটু গম্ভীর। ফারিহা হাসলো। নাহিয়ানের চুল এলোমেলো করে দিয়ে বললো,

“ চলুন ঘুমাবেন এখন রাত কয়টা বাজে দেখেছেন। “

নাহিয়ানও আর কথা বাড়ায়নি। ফারিহাকে কোলে নিয়েই বিছানার কাছে গেলো। লাইট আগে থেকে বন্ধ ছিলো বিধায় একেবারে শুয়ে পড়লো। ফারিহার বুকে মাথা রেখে পেট সহ কোমড় আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ধরে ঘুমানোর চেষ্টা করলো। ফিসফিস করে বললো,

“ চুল গুলো আরেকটু টেনে দাও শ্যামাঙ্গিনী। “

ফারিহাও লক্ষি বউয়ের মতো স্বামীর আদেশ পালন করলো।

★

অপেক্ষার অবশান ঘটতে যাচ্ছে মুন্নি আর আদির। দ্বীর্ঘ প্রেমের সম্পর্ক থেকে হালাল বন্ধনে আবদ্ধ হতে যাচ্ছে তারা। আজ বাদে কাল বিয়ে তাদের। আজ ডিসেম্বরের ২৮ তারিখ ঘরোয়া ভাবে গায়ে হলুদ হবে। ২৯ তারিখ বিয়ে, ৩০ তারিখ বউভাত। এভাবে ডেট ফালানো হয়েছে। আদির কথাতেই এই কাজ করা। বছরের শেষে বিয়ে আর নতুন বছরে দুই এক সাথে হালাল ভাবে দিন শুরু করবে।

সকাল থেকে চৌধুরী বাড়ির সবাই ব্যাস্ত। গায়ে হলুদের তত্ত্ব দিতে যাবে বাসার সব ছোট মানুষরা। ফারিহা সকাল থেজে নীরার সাথে কাজ করছে হাতে হাতে। মানা করলে শুনেনি। তাই আর কেও না করেনি কাজ করছে করুক না।

নাহিয়ান কাল একটা কেস এর সমাপ্তি ঘটিয়ে অনেক রাতেই বাসায় এসেছে। তাই ফারিহা আর ডাকেনি। সকাল নয়টার নাগাদ ফারিহা সকালের নাস্তার ট্রে নিয়ে ঘরে ঢুকলো। নাহিয়ান উপুর হয়ে কম্বল দিয়ে আপাদমস্তক ঢেকে ঘুমাচ্ছে। বালিশে এক পাশে মাথা রাখার জন্য ঠোট জোড়া কিঞ্চিৎ হা হয়ে আছে। ফারিহা দেখে হাসলো। দরজা আটকিয়ে বিছানার কাছে এসে ট্রে টি-টেবিলের উপর রাখলো। নাহিয়ানের মাথার কাছটায় বসে চুলে হাত চালাচ্ছে আর নাহিয়ানকে ডাকলো।

“ এই শুনছেন আপনি। উঠুন অনেক সকাল হয়েছে। “

নাহিয়ান নড়ে চড়ে আবার একি ভাবে শুয়ে পড়লো। ফারিহা নাহিয়ানের দিকে অনিমেষ তাকিয়ে থেকে এক অদ্ভুত কাজ করে ফেললো। নাহিয়ান তপ্ত কপোলে ফারিহার ঠান্ডা ওষ্ঠপুট ছুয়ে দিলো। ফারিহা মাথা উচু করতেই দেখে নাহিয়ান ফারিহার দিকে তাকিয়ে আছে সাথে ঠোটের কোণে হাসি মেখে আছে। ফারিহা থতমত খেলো। বিছানা থেকে উঠতে নিলে আহিয়ান ফারিহার হাত টেনে বিছানায় ফেলে দিলো। ফারিহার উপর অধিকাংশ ভর দিয়ে ভ্রু নাচিয়ে বললো,

“ কী হচ্ছিলো এটা? “

ফারিহা শুকনো ঢোক গিলে আমতা আমতা করে বললো,

“ কই কিছু হয়নিতো! “

“ কিছুই হয়নি? “

“ নাহ! “

“ কে জানি আমাকে চুমু খেলো মনে হলো। “

“ স্বপ্নে দেখেছেন আপনি। “

নাহিয়ান এবার ফারিহার উপর সমস্তটা ভর ছেড়ে দিয়ে মাধকতা মিশিয়ে বললো,

“ তাহলে কিছু একটা হলে ক্ষতি নেই তাই না। “

ফারিহার হাসফাস লাগছে এবার। চোখ এদিক সেদিক করছে শুধু। স্থীর থাকতে পারছে না। নাহিয়ান মজা পায় ফারিহার কাজে। নাহিয়ান ফারিহার গলার ভাজে মুখ ডুবিয়ে গাঢ় একটা চুমু দিলো। ফারিহার পুরো গা শিহরণ বয়ে গেলো। এই প্রথম স্বামীর থেকে গাঢ় স্পর্শ বলে কথা। ফারিহার হাত অজান্তে নাহিয়ানের ঘাড়ে চলে যায়। নাহিয়ান মুখ ডুবিয়ে রেখেই ফিসফিস করে বললো,

“ বউ তারাতারি বড় হও। এই দহন আর মানতে পারছি না। “

নাহিয়ানের কথায় লজ্জায় ফারিহার কপোল রক্তিম হয়ে উঠল। মুখে কিছুই বললো না। পরে থাকলো ঘাপটি মেরে।

★

আজ সূর্যি মামা সকাল থেকেই মেঘের আড়াল থেকে উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে। দুপুরের দিকে রোদ ভালোই উঠেছে। ফারিহায়া গোসল শেষ করে হলুদ ক্লারের চুড়িদার পড়ে নিলো। সব মেয়েরা আজ হলুদ থিমের জামা পড়বে। ফারিহা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুল মুছছিলো। নাহিয়ান বাহিরে বাপ চাচাদের সাথে কাজ করছিলো ঘরে এসে দেখলোই ফারিহা হলুদ চুড়িদার পড়েছে যা নাহিয়ানের একটুও পছন্দ হলো না। দরজা আটকিয়ে আলমারি থেকে দুটো শাড়ির প্যাকেট হাতে নিয়ে ফারিহাকে ডাক দিলো।

" ফারিহা "

ফারিহা চুল ঝাড়তে ঝাড়তে নাহিয়ানের দিকে ফিরে বললো,

" হ্যাঁ বলুন "

" এদিকে এসো "

ফারিহা তোয়লা গলায় ঝুলিয়ে নাহিয়ানের কাছে গিয়ে বললো,

" হুম বলুন এবার। "

নাহিয়ান ফারিহার গলা থেকে তোয়লা নিয়ে বিছানার উপর রাখলো। জ্বিব দিয়ে ঠোট ভিজিয়ে শাড়ির প্যাকেট ফারিহার হাতে দিয়ে বললো,

" কাল কেসের সমাপ্তি ঘটিয়ে সিনিয়র অ্যাডভোকেট কিছু এমাউন্ট দিয়েছিলো আমায়। তোমার বিয়ের পর কানাকড়িও দেইনি আমি। আম্মু আর বাবার টাকায় আমি বউ চালাচ্ছি৷ তোমায় একটা কানের দুলও দেওয়ার সামর্থ্য নেই। কাল তোনার জন্য আমার উপার্জনের টাকা দিয়ে দুটো শাড়ি এনেছি খুব শখ করে। জানিনা তোমার পছন্দ হবে কিনা তাও এনেছি। শাড়ির দাম খুব কম আহামরি টাকার শাড়ি না। জানো শ্যামাঙ্গিনী আমার চোখে এই শাড়ি দুটো পড়কে তোমায় খুব সুন্দর লাগবে। পছন্দ না হলেও এই শাড়ি দুটো পড়বে আমার জন্য । "

ফারিহা ছলছল চোখে নাহিয়ানের সব কথাই শুনলো। শাড়ি দুটো হাতে নিয়ে প্যাকেট খুলে দেখলো হলুদের ভিতর লাল জমিনের সিল্কের শাড়ি আরেকটা গাঢ় লালের মধ্যে সোনালি সুতোর কারুকাজ করা। সাথে মেচিং করা দুই মুঠো রেশমি চুড়ি।শাড়ি দুটোর উপর হাত বুলিয়ে ফুপিয়ে উঠলো। নাহিয়ান ব্যাস্ত ভঙ্গিতে ফারিহার চিবুক উঠিয়ে চোখের পানি মুছে দিতে দিতে বললো,

" কাদছো কেনো? ".

ফারিহা নাহিয়ানকে জড়িয়ে ধরে বললো,

" আমার শাড়ি দুটো খুব পছন্দ হয়েছে। আমি পরবো এই শাড়ি দুটো। কারোর জন্য না হক আমি আপনার জন্য পড়বো। আপনার জন্য আমি সাজবো। শাড়ির দাম যেমনি হক না কেনো আমার তাতে কোনো আপত্তি নেই। আপনি আমায় ৫০০ টাকার শাড়ি এনে দিলেও হাসি মুখে তা সাদরে গ্রহণ করতাম। আপনি আমার স্বামী আমার অর্ধাঙ্গ আপনি। আমি জানি আমার স্বামী কত কষ্ট করছে। আমি খারাপ বউ হতে চাই না। আমি আপনার লক্ষি বউ হতে চাই। আপনার মনের রাণি হওয়ার জন্য যদি জনমের পর জনম অপেক্ষা করতে হয় তাহলে আমি তাই করবো। আমি আপনাকে ভালোবাসি খুব খুব ভালোবাসি। "

নাহিয়ান ফারিহার কথায় খুব খুশি হলো। ফারিহাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বললো,

" আমি জানতাম না আমার বউটা এতো বুঝদার৷ অতটা অবুজ না। এখন দেখি আমার ছোট বাচ্চা বউটা বড় হয়ে যাচ্ছে। সব বুঝে আমার বউ।

আমার বউ আমার মনের রাণি। সে রাজত্ব করছে বহু মাস ধরে শুধু আমার বুঝদার বউটা বুঝতেই পারে নাই। ".

ফারিহা নাহিয়ানের দিকে ঢ্যাবঢ্যাব করে তাকিয়ে রইলো আর কিছুক্ষণ পর পির ফুপিয়ে উঠছে। নাহিয়ানের ফারিহার গালে স্লাইড করতে করতে আবার বললো,

" যাও গিয়ে চেঞ্জ করে শাড়ি পড়ে আসো। "

ফারিহা সম্মতি দিয়ে চলে গেলো শাড়ি পড়তে। ফারিহা যাওয়ার পর নাহিয়ান একটা দ্বীর্ঘশ্বাস ফেললো।

( অনেকেই বলেছিলেন নীরা তূর্যকে নতুন ভাবে লিখার জন্য। সেটা আমিও ভেবেছিলাম। কাল থেকে #রাগে_অনুরাগে_তুমি পরিচ্ছেদ 2 আসবে ইনশাআল্লাহ। নতুন ভাবে নতুন প্লটে নতুন রুপে।)

🫧🫧🫧🫧🫧

#প্রি_অর্ডার (৩৫%ছাড়+চাবির রিং গিফট)

#ফ্ল্যাপ:

“কাজল দিবে না?”

“দিব, আসছি আমি।”

এই বলে হাত ছুটানোর চেষ্টা করে। তূর্য নীরার হাত ধরে টেনে সামনে দাড় করায়। তূর্য নীরার চোখের দিকে তাকায়। নীরা তাকায় না। চোখ এদিক-সেদিক করে। তূর্য শান্ত গলায় বলল, “আমার দিকে তাকাও ফুল।”

নীরা তাকায় না। তূর্য নীরার দিকে তাকিয়ে রইল। হঠাৎই নীরার সামনে বসে পড়ল। তূর্য নীরার কোমর জড়িয়ে পেটে মুখ গুজে ভাঙা ভাঙা গলায় বলল, “ও ফুল, আমি স্বামী হিসেবে ব্যর্থ তাই না? তোমার শখ, আবদার, ইচ্ছা সব কিছুতেই কি নিজেই হস্তক্ষেপ করছি? নিজের ছেলের ভবিষ্যতের জন্য তোমায় ব্যবহার করছি তাই না? দেখো আজ তোমার গর্ভে সন্তান এসেছে। আমার অস্তিত্ব এসেছে। আর আমিই জানি না। তুমি আমায় বলোনি পর্যন্ত। আচ্ছা ফুল, আমি কি খুব খারাপ বাবা? খারাপ স্বামী খুব? বলো না ফুল।"

বই: “রাগে অনুরাগে তুমি”

লেখক: ইসরাত জাহান এশা

প্রকাশনা: স্বরবিন্দু প্রকাশন

প্রচ্ছদ: ফাইজা ইসলাম

জনরা: রোমান্টিক উপন্যাস

প্রকাশক: মো. ওমর ফারুক

মলাট মূল্য: ৬০০৳

ছাড় মূল্য: ৩৯০৳ (৩৫% ছাড়!)

প্রকাশকাল- ১৭ জুলাই (সম্ভাব্য)

প্রি অর্ডারে যা যা থাকছে...

১। লেখকের অটোগ্রাফ(নাম সহ নেওয়ার সুযোগ)

২। চাবির রিং

৩। রঙিন পুস্তানি ২টা

৪। চড়ুই পাখির বুকমার্ক

৫। প্রচ্ছদ বুকমার্ক

৬। লেখকের চিঠি

📌অর্ডার করতে পেইজের ইনবক্স, রকমারি, অথবা আপনাদের পছন্দের যেকোনো বুকশপে মেসেজ করুন।

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ২৪তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন