দেখুন প্রথম পর্ব গুলো পড়তে ইকটু বরিং লাগতে পারে কারন এই পর্ব গুলোতে আগে সবার পরিচয় দিতে হয় তবে আমার উপর ভরসা রাখুন পরে গল্প আরো ভালো লাগবে।
❌❌❌(কপি করা নিষেধ) 🚫🚫🚫
কালকে ফারিস এর বোন ফাতিমার জন্ম দিন।
পরিবারের সবার পচ্ছন্দের একমাত্র ছোট মেয়ে যে বর্তমানে ইন্টার ফাস্ট ইয়ারের স্টুডেন্ট। তাই তার জম্মদিন উপলক্ষে। সব কাজ করছে ফারিস আর ইফাত। ফাতেমাকে বলা হয়েছে তার কাউকে ইনভাইট করার থাকলে সে করতে পারে। ফাতেমা জানিয়ে ছে তার একজন ক্লোজ ফ্রেন্ড আসবে এ ছারা আর অন্য কেউ নয়। আজ ফাতেমার জম্মদিন। যতকাজ আছে সব পড়েছে ইফাতের ঘাড়ে ফারিস গেছে কেক আনতে। ফাতেমার ফ্রেন্ডের জন্যই সবার অপেক্ষা। অবশেষে অপেক্ষার প্রহর কাটিয়ে এলো একটি কালো বোরখা পরিহিত মেয়ে প্রবেশ করলো বাড়িতে যার চোখ গুলু নিকাবের উপরে দেখা যাচ্ছে। জাহরা বলে চিংকার করে উঠলো ফাতেমা। ফাতেমাকে দেখে দুই বান্ধবী কোলাকোলি করে নিলো তারপরে তাদের কেক কাটা শুরু হলো সহ সকল আয়োজন বাহিরের কেউ ছিলো না অনুষ্ঠানে যারা ছিলো সবই তাদের আত্মীয়। তাদের খাবার দাবার যা ছিলো সব করছে ফারিস ছেলেটা সব দিক দেখছে তবে কিছু মুখে দিতে পারছে না কখনো এ ডাকে তো কখনো ও। এই অবস্থা দেখে জাহরা নিজে কেক এগিয়ে নিয়ে গেলো ফারিস এর কাছে।তখন বেচাড়া ইকটু খেতে পাড়লো। এখন চলে যাবে জাহরা তাই সবার থেকে বিদায় নিয়ে চলে গেলো।
এখন ফারিস ইকটু রেস্ট নিবে বলে তিয়ে গেছে কেউ যাতে ডিস্টার্ব না করে।
এই সর্তকবানি কি ইফাত কে আটকাতে পারে সে চলে আছে ফারিস এর রুমে এসে দেখে সে ঘুমাচ্ছে। তা দেখে ইফাত বলে উঠে দেখ শালাকে দেখ আমাকে দিয়ে সব কাজ করিয়ে এখন নিজে ঘুমাচ্ছে। তাই ইফাত ঠাস করে এক চর বসায় ফারিসের গালে ফারিস গালে হাত দিয়ে লাফিয়ে উঠে পড়ে তা দেখে ইফাত বলে কিরে দিনের বেলায় পরি দেখলি নাকি এমন লাফিয়ে উঠলি যে।
না রে পরি দেখিনি তবে পাডা দেখছি এখন এই পাডা তোকে দেখাবো দারা তুই। কে শোনে কার কথা ইফাত তো ভো দোর তার পিছে পিছে ফারিস ও দোর। তাঁদের এই বুড়ো বয়সের কান্ড দেখে ফারহানা একটা ঝাড়ি দেয় ছেলেকে ওমনি ইফাতের হাসি আটকায় কে।
দারা কথা আছে। কালকে আমরা ইয়াসিনের বাসায় যাবো তাই তোকে বলতে এসেছিলাম রেডি থাকিস বিকেলে
~চলবে~