ফন্ট সাইজ:
থিম:
তুমি আমার

১ম পর্ব

লেখক: আজওয়া খান

গল্পের নাম:তুমি আমার 

লেখিকা:"আজওয়া খান"
পর্ব:১
সরি তৌসিফ ভাই আমি বুঝতে পারি নাই মাফ করে দেন।মাফ করে দিবো তোকে বল কি করতে ছেলেটার স্নে গেছিলি? তৌসিফ ভাই আমি ওর ফ্রেন্ড তো ওর সামনেই যেতেই পারি।আর  ভার্সিটি তে উঠলে ছেলে ফ্রেন্ড হবেই এটাই স্বাভাবিক।কেনো আমিকি ভার্সিটি পরি নাই?
মেডিকেলে আমার কেনো মেয়ে ফ্রেন্ড নাই।
তো তর কেনো থাকবে?এটা আমার পার্সোনাল বিষয়।তৌসিফ তুবার চাচাতো ভাই।তুবা অনার্স 
২ ইয়েরে পরে।সুন্দর একটা  মেয়ে দেখতে পরীর মতো।তুবার জয়েন ফ্যামিলি।কিন্তু অনেক ভালো ভাবেই শান্তি পূর্ণ ভাবে বসবাস করছে।তুবার একটা ফুপির ডিভোর্স হয়ে গেছে অনেক আগে।তো সে তুবাদের  বাসায় থাকে।তুবার দুই ফুফু 
বড় ফুপি বাসায় সামনে থেকে।ছোট ফুপিতো তাদের সাথে থাকে।তুবার চাচাতো একজন।
তুষার খান।তুবার বাবা তানিম খান।গল্প ফিরি
তুবা আর কিছুই বলল না কষ্ট পেয়েছে সে অনেক এই বাড়িতে কেও এত জোর গলায় কথা বলে নাই তার সাথে।আজকে ফার্স্ট তৌসিফ বললো। তাই তুবার মন খারাপ হলো।তুবা নিজের রুম এ চলে গেলো দেখল তোরা বসে বসে ফোন টিপতেসে। তোরা কে  সব বলে তোরা বললো মন খারাপ না করতে।তৌসিফ আর  বাসায় থাকে না।বাহিরে চলে যায়।রাগে গজগজ করতেসে তৌসিফের শরীর।তুবা তার চাচির কাছে যায় বলে মামনি তোমার ছেলে আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করসে আবার অনেক জোর গলায় কথা বলে আচ্ছা  আসুক বাড়ি ওকে দেখিতেছি তোকে কেনো এমন করে।
সন্ধ্যাবেলা তোরা আর তুবা মিলে বড় ফুপির বাসায় যায়।ওই খানে অনেক মজা করে তুবার বড় ফুপির ছেলের  বউয়ের সাথে।তোরা বলে আয় অনেক রাত হয়ে গেসে বাড়ি যাই।তর বিয়ে হয় গেছে।আরও বছর খানিক আগে জামাই বিদেশ থাকে। তোরা বাসায় চলে যায় তুবাকে নিয়ে সামনের বাসায় এ তো থেকে তারা।তোরা তুবা বাসায় এসে দেখলো বড় আব্বু আর আব্বু বসে আছে।তুবা গিয়ে বলে বড় আব্বু  তোমার ছেলে খালি আমাকে  বকে।তুমি বিচার করবে।
তখনই তৌসিফ আসে বলে আমার বিচার কে করবে? তোর বিচার হবে।ছোট আব্বু তোমার মেয়ে ছেলে ফ্রেন্ড বানাই।তায় আমি ফিউচার জ......মানে ভাই হয়ে কিছুই বলতে পারব না?
না পারবেন না। তুবা আম্মু তুমি  শান্ত হাও।আর
তৌসিফ এটা ওর ব্যক্তিগত বিষয় তুমি ঢুকতেছো কেন?আব্বু........ না কেনো কিন্তু বা তুমি ওকে আর এইসব নিয়ে বোকা দিবে না ছোট মানুষ।
তৌসিফ চলে যায়।রাগে গজগজ করতে করতে।
রাতের খাবার শেষ করে তুবা তৌসিফের রুম এ যায় মাথা উকি  দিয়ে বলে আসবো তৌসিফ ভাই?
না..!
কেনো ?
তোর ফ্রেন্ড এর  রুমে এ যা 
না একটু কথা আছে শুনেন...
কি?
রুম এ এসে বলি?
আচ্ছা এই।
সরি তৌসিফ ভাই...
তৌসিফ তুবার দিকে তাকিয়ে বলে কেনো?
ছেলেটা ভালো না আমাকে ভালো নজরে দেখে না আমি বুঝতে পেরেছি।আপনি এই সঠিক ছিলেন।তৌসিফ দীর্ঘ শ্বাস ফেলে বলে। it's okay।তুবা হাসি দেই।দুই বেনি করা ফর্সা মেয়েকে যে কি কিউট লাগতেসে কেও না দেখলে বুঝতে পারবে না।তৌসিফ গভীর দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলো।তুবা বলল কী দেখেন?
কিছু না...
যা রুম এ যা।
আচ্ছা ।
সকালে তুবা রেডি হয়ে নিচে নামল তার বাবা বলল তুবা আম্মু তোমার না শপিং যাওয়ার কথা ছিল আজকে ?হুম ছিল তো কেনো তুমি নিতে পারবে না? না আমার কাজ পরে গেসে তুমি তোমার চাচি বা আম্মু কে বা তোমার তূর্য ভাইয়া কে নিয়ে যাও।(তূর্য তুবার ফুফাতো ভাই) আচ্ছা 
কিন্তু অফিস আছে মনে হয় ভাইয়ার তাও বলব।
আচ্ছা।
তুবা  ড্রাইবার চাচা কে গাড়ি বের করতে বলে 
চাচা গাড়ি বের করতে থাকে তুবা ফোনে কি জানি করতে থাকে।তুবার দুই বোন এক ভাই তুবা মেজো ভাই ছোট সবার বড় বোনের পরা লেখা শেষ হয় নি হবে।ছোট ভাই ক্লাস ৯ এ পড়ে। তৌসিফ তুবাকে পাশ কাটিয়ে চলে যেতে বলে তৌসিফ বললো চল আমি নামিয়ে দেই।
না থাক আপনি মেডিকেলে যান। আঙ্কেল আছে তো।তুই বেশি বুঝিস কিছু হবে না তুই চল।
তুবা তৌসিফের কালো রঙের বাইক এ উঠে বসলো। তৌসিফ কে  ধরল না আর লজ্জা লাগতেসে।কি হলো ধর পরে পরে নাম মুক  ভেঙে ফেলবি তো।তুবা বলল না ঠিক আছি।
তৌসিফ বললো ওকে।যেই না তৌসিফ  জোরে বাইক স্টার্ট  দিল তুবা হুমড়ি খেয়ে পড়ে তৌসিফের  কাঁধে। তুবার লিপস্টিকের দাগ ভরে যায় তৌসিফের সাদা রঙের শার্ট এ।তুবা বলে সরি সরি ভাইয়া আমি বুঝতে পারি নাই ।ভাই?
তুবা কাদো কেদো মুখ করে বলল হুম 
এই তর বাবার সম্পত্তির ভাগ লাগবে বলছি আমি তোরে? না টা তো বলেন নাই তাহলে ভাইয়া ভাইয়া  করবেন না মেডাম শুনতে ভালো লাগে না।কই তূর্য ভাইয়া কে বলে তো ভাইয়া আরও আমাকে বনু বনু করে ডাকে। তুর্য ভাইয়ার বিষয় আলাদা।তুবা কিছু বলল না 
তুবাকে নামিয়ে দিয়ে তৌসিফ মেডিকেলে যায়।তৌসিফের দুই বোন আর ভাই নেই।লম্বা অনেক 
কত হবে ?৬; নাহলে ;৬১ এমন তুবার সাথে দাঁড়ালে  তাল গাছ লাগে। তুবার হাইট ৫;৩ 
তবে কিউট লাগে।তুর্যর বউ অপি আসলো তুবার বাসায়।তুবা বলল বোমনি তুমি কিন্তু আমাকে এখনও ফুপি ডাক শুনলে না কবে শুনাবে?
অপি লাজুক হেসে বলল শুনবে শুনবে খুব তাড়াতাড়ি।তৌসিফ আছে তখন ড্রয়িং রুমে 
তুবার দিকে একটা প্যাকেট এগিয়ে দিয়ে বলে 
নে তুবা।কি এটাই ? যা আছে তাই তুবা ছিল গোল গোল করে থাকলো বলল এই লোক এত তেরা কেনো?তোরা আর অপি কানাকানি করতেসে কি জানি।তুবা প্যাকেট খুলে দেখতে কাশ্মীরি চুরি।এইগুলা এখন ট্রেন্ড চুরি।চুরু গুলা দেখতেও অনেক সুন্দর তুবাকে অনেক সুন্দর লাগছে। অপি বলল তোরা  শুন প্রেম প্রেম গন্ধ পাইতেসি তুমি পাইতেসো?তোরা নাক টেনে বলল হুম বৌমনি পাইতেছি।তুবা বলল কিসের প্রেম।অপি বলল  আমার ননদ প্রেম করতেসে।
তুবার মাথা উপর দিয়ে হইতেসে সব।কি বলে কিনা না অপি বলে সত্যি করে বল তুবা তুই তৌসিফ ভাই কে ভালোবাসিস , না?*
তুবা বলল না 
তাহলে তো গিফট আর ঘুরতে যাওয়া কিসের?
উনি নিয়ে  যায় তাই যায় কেনো গেলেই কি প্রেম হয়ে যায় ,? আর আমরা ভাই বোন।আর চুরি গিফট দিলে প্রেম হয় না।তোরা বললো  জানো  বউমনি তুবা এত মোটা কেনো হইতেসে আগের থেকে,?,,প্রতিদিন এত এত চকলেট খায়।অপি মুখে হাত দিয়ে বলে কি বলো.?আমাকে তো তুর্য 
মাসে একটা দেই এনে দেই।আর তোমার মাসে 
আমার তো বছরে।বলেই দুঃখের অভিনয় করলো ওরা।তুবা উঠে চলে যায়।তাকে সবাই ক্ষেপাচ্চে।তুবা চুরি গুলা পেয়ে অনেক খুশি 
অনেক বড় একটা বাক্স এটার মধ্যে চুরি।
মত তুবা গুনে দেখে ,২০, দর্জন  চুরি।তুবার মুখ হাঁ  হয়ে যায় এত চুরি দিয়ে তুবা কি করবে হুম?
আচ্ছা তুবার হাতের সাইজ জানল কীভাবে ?
এমন চুরি তুবাকে সাথে নিয়ে কেনে কিন্তু সাইজ তো জানার কথা না।তুবা ওর বেস্ট ফ্রেন্ড আরাবী কে সব  চুরি পিক তুলে পাঠালো আর বলল কে দিলো তাও।আরাবী বলল চুরি গুলা খুব সুন্দর।তুবা তৌসিফ কে  ম্যাসেজ পাঠালো
থ্যাংক ইউ চুরির জন্য।
তৌসিফ

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১ম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন