ফন্ট সাইজ:
থিম:
শেষ নিঃশ্বাস

পর্ব-৬+৭

লেখক: Mahi_Fariha

মা তুই রাগ করিস না আমি তোর মামাকে বলে তোদের কাল ঘুরতে যেতে বলবো,, এই বলেই রোকসানা আর রিমি ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। রিয়ানা তো রাগে ফুসছে আর বলছে,,, রাহান আমি তোমাকে ভালোবাসি আর তোমাকে আমি আমার করেই ছাড়বো, তুমি আমার না হলে আমি তোমাকে কারোর হতে দিবো না।

রাহানের মেজাজ খারাপ থাকার জন্য সে টিউশনি করে আজ সে সোজা রাদিলের সাথে রাস্তায় হাটছে আর কথা বলছে,,,
কি রে মামা আজকে হঠাৎ আমাকে ফোন করে ডাকলি এই সন্ধ্যায় তো তুই বাড়িতে যাস তাহলে হঠাৎ আমার সাথে হাঁটতে বের হলি।
কিরে আজ আমাকে সময় দিতে চলে আসলি আমার প্রতি তোর তো দেখি ভালুপাশা উতলায় উঠছে বলেই রাদিল হো হো করে হেসে উঠলো।
এমনিতেই রাহানের মেজাজ খারাপ ছিল তার ওপর রাদিলের এই সব বাজে কথায় রাহানের রাগে যেন ঘি ঢালা ব্যাপার,,, রাহান রাগ দেখিয়ে বলে,,,, থামবি তুই এমনিতেই মেজাজ ভালো নেই তার ওপর তোর এই বাজে কথা,, অসহ্য লাগছে আমার। রাদিল এইবার বেশ সিরিয়াস হয়ে বলল,,, সত্যি তো কি হয়েছে তোর?
রাহান রিয়ানার সাথে আসতে চাওয়ার কথা বলল।
রাহান,,,, আমি জানি রিয়ানা আমাকে পছন্দ করে কিন্তু কিন্তু আমি তাকে ছোট বোনের মতোই,, দেখি এর বেশি কিছু না তাই ওকে এড়িয়ে চলি।
ওর সাথে কথা বলা মানেই ওকে আস্কারা দেওয়া।,,
ওহ বুঝলাম,,,
রাহান আর কোনো কথা বলল না 
রাদিল আর রাহান চুপচাপ হাঁটতে শুরু করলো,,, হঠাৎ রাদিল কাউকে দেখে মুখটা হাসি হাসি করে বলল বলল দোস্ত তুই একটু এখানে অপেক্ষা কর আমি এখনি আসছি।
,,, আচ্ছা যা আমি এখানেই আছি।
রাস্তার ধার দিয়ে অহনা আনমনে হেটে যাচ্ছে হঠাৎ কারোর সাথে ধাক্কা লাগাই অহনা কিছু টা পিছিয়ে যায়,অহনার হাত থেকে সব নোটস পড়ে যাওয়ায় অহনা রেগে বলল,,, এই কোন বালরে আমাকে ধাক্কা দিলি, চোখ কি পেছনে নিয়ে ঘুরিস নাকি বেয়াদব।
অহনার মুখের ভাষা শুনে সামনের ব্যাক্তিটি যেন কথা কথা বলতেই ভুলে গেছে,,
অহনা আচ্ছা মতো বকতে বকতে ওর নোটস গুলো রাস্তা থেকে হাতে তুলে নিলো...
এইযে বেয়াদব আপনি কি দেখে...অহনা কথা টা বলতে বলতেই থেকে গেল সামনের ব্যাক্তিটি কে দেখে অহনা হা করে তাকিয়ে আছে,,,
অহনার হা করে তাকানো দেখে ব্যাক্তিটি যেন মনে মনে আনন্দ পেলো 
সে নিজেকে সামলে নিয়ে বলতে শুরু করলো,, সরি সরি আসলে আমি খেয়াল করিনি,আপনার কোথাও লাগে নি তো মিস ?
অহনার এখনো কোনো ভাবনান্তর না দেখে সামনের ব্যাক্তিটি এবার কিছুটা আওয়াজ করে কেশে উঠে বলে,,, এই যে মিস কি হলো কথা বলছেন না কেন?
এবার অহনা হুস ফিরে পেয়ে বলে জ্বী ?
,,, আপনার কোথাও লাগেনি তো ?আমি আসলে খেয়াল করিনি সরি।
,,,জ্বী সরি আমিও খেয়াল করিনি। বলেই অহনা ওখান যেতে লাগলো,,,
অহনা কে চলে যেতে দেখে পেছনের ব্যাক্তিটি দ্রুত ডাকলো।
,,, এই যে মিস আপনার নাম টা কি?
,,, জ্বী "অহনা নূর" আপনার টা?
,,, ""রাদিল আহমেদ""
কথা শুনেই অহনা সেখান থেকে চলে যায়।
আর রাদিল মুচকি হেসে সেও সেখান থেকে রাহানের কাছে চলে যায়। রাহান আর রাদিল কিছুক্ষন একসাথে থেকে দুজনেই বাড়ি চলে আসে।
আজকের সকাল টা যেন কেমন অন্য রকম। সূর্যের ও তেমন রোদ নেই, ঢাকা শহর মানেই জাঁকজমক গাড়ির ভিড়, হর্ন ব্যাস্ত একটা শহর, সকাল হলেই যে যার কর্মে ফিরে যায়, কেউ অফিসে কেউ স্কুল কলেজে, কেউ বা দিনমুজুরী।
তাঁদের মধ্যে রাহান ও একজন সেও যাচ্ছে তার ইউনিভার্সিটি,, রাহান একজন স্কলার্শিপের জন্য এপ্লাই করবে।
ছন্দ ক্লাস করছে পাশে অহনা, ইংলিশ ক্লাস চলছে কিছুক্ষন পর সবাই ক্লাস শেষ করে বাইরে আসে।
তারা সবাই হাটছিলো অহনা কেমন যেন উদাসীন হয়ে আছে কিছু একটা ভাবছে,।
ছন্দ,,, কিরে কি হয়েছে তোর এতো উদাস কি ভাবছিস?
,, না রে তেমন কিছু না।
আচমকা পেছন থেকে পুরুষালি কণ্ঠ ভেসে এলো..
,, এই যে অহনা..
কে ও?
,, রাদিল ভাইয়া।
,, কেমন আছেন ?
,,, ভালো, তুমি কেমন আছো?
,, আলহামদুলিল্লাহ ভালো, আপনি এইখানে কি করছেন?
আমি তো এই ইউনিভার্সিটির ছাত্র।
,,, কি বলেন সত্যি?
,,,আরে হ্যাঁ।
এদের কথা শুনে কেউ কিছু বুঝতেই পারছে না!!
ওদের কথার মাঝেই ছন্দ বলল,,, কি অহনা তুই এনাকে চিনিস নাকি?
,,, হ্যাঁ চিনি কালকেই পরিচয় হয়েছে।
,,, অহনা এরা তোমার ফ্রেন্ড নাকি?
,,, হ্যাঁ এরা সবাই আমার ফ্রেন্ড অহনা একে একে সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিলো।
ওদের মাঝ থেকে এবার জিসান বলে উঠলো,,, ভাইয়া আপনি রাহান ভাইয়ার ফ্রেন্ড না ?
,,, হ্যাঁ আমি তো রাহানের ফ্রেন্ড কিন্তু তুমি রাহান কে চেনো নাকি?
,,,রাহান ভাইয়াকে কেই না বা চেনে ভাইয়া স্কুল টপার বলে কথা।
এবার তিথি বলে উঠলো,,, আচ্ছা এই রাহান ভাইয়া কই ওর সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েন তো। সবাই দেখি ইউনিভার্সিটি তে সবসময় রাহানের নাম টাই জোপে।মেয়েদের নাকি আবার ক্রাশ।
ছন্দ বেশ বিরক্তি নিয়ে বলল,,, এই চল তো অনেক পরিচয় হয়েছিস এবার এখান থেকে চল।
রাদিল ছন্দের দিকে একবার তাকিয়ে আবার অহনার দিকে তাকিয়ে বলল,,, অহনা আমি তাহলে যায় অন্য একদিন আমার ফ্রেন্ডদের সাথে তোমাদের পরিচয় করিয়ে দিবো। আজ আসি বলেই রাদিল সেখান থেকে চলে যায়।
,,, কিরে ছন্দ তুমি ওই ভাবে বললি কেন?
,,, কি ভাবে বললাম?
,,, একটু ভালো ভাবেও তো বলা যেত নাকি।
,,,আমি ওতো ভালো ভাবে বলতে পারবো না তোর ইচ্ছা থাকলে তুই গিয়ে সারাদিন মিষ্টি কথা বল গা।
,,,এই তোরা থামবি নীরা রেগে ছন্দ আর অহনা কে বলল।
,,, হ্যাঁ থেমেছি... বলেই সবাই ওখান থেকে চলে গেল ।
পর্ব ~ ৭
সন্ধ্যা ০৬:০০ টাই রিমি আর রিয়ানা ড্রয়ইং রুমে বসে টিভি দেখছে। রিমির বাবা-মা তাঁদের রেখে সিলেট চলে গেছে রিয়ানা বায়না ধরেছিলো যে এইবার মামা বাড়ি গেলে সে কিছুদিন থাকতে চাই,সেই জন্য রিমিও বোন কে একা রেখে যেতে পারেনি এখন তারা দুজনেই মামা বাড়িতে থেকে গেছে...
রিয়ানার থাকার একটাই উদ্দেশ্য সে রাহানের সাথে কিছু সময় কাটাতে পারবে, কিন্তু সে সময় আর হচ্ছে কোথায় রিয়ানা এসে থেকেই দেখছে রাহান তেমন বাড়িতেই থাকছে না যেই সময় টুকু থাকছে সেই সময় টা তে পড়াশোনা নিয়ে পড়ে থাকে।
রিয়ানার অনেক রাগ হচ্ছে, টিভির দিকে তো চোখ রাখলেও একটু পরপর শুধু গেট এর দিকে তাকাচ্ছে রাহান আসছে নাকি দেখতে,, রিয়ানা তো ঠিক করে নিয়েছে আজ রাহান কে সে তার মনের কথা বলেই দিবে। পরে যা হয় দেখা যাবে
ছন্দ ঘরে বসে আছে বই নিয়ে কিন্তু তার বইয়ের প্রতি একটুও মনোযোগ নেই, সামনে বই রেখে ফোন নিয়ে ব্যাস্ত। ছন্দ ফেসবুকে কিছু একটা দেখছিলো সেই সময় ছন্দর ফোনটা বেজে উঠলো স্ক্রিন এ "নীরা " নাম টা দেখেই ছন্দ কল রিসিভ করে লাউড স্পিকার এ দিয়ে,,, 
প্রশ্ন করলো,,,কি রে কি খবর এই সময় কল করলি ,?
,,,নারে এমনি তোকে ফেসবুক এ এক্টিভ দেখে কল দিলাম।
ছন্দ নীরার সাথে কিছুক্ষন কথা বলে ফোন রেখে বেলকনি তে চলে গেল, ছন্দের বেলকনি থেকে বাইরের অনেক সুন্দর একটা ভিউ আসে, আর ছন্দের রাতের আকাশ দেখতে অনেক পছন্দ করে বলতে গেলে রাতের তারা যুক্ত আকাশের প্রতি তার একটা আলাদা টান, অনুভূতি আছে ছন্দ প্রায় প্রতিদিনই বেলকনি তে এসে বসে থাকে।
হঠাৎ বাইরে থেকে আয়েশা চৌধুরী ছন্দ কে ডাকতে ডাকতে ঘরে আসলেন,,, ছন্দ. এই ছন্দ কোথায় তুই ?
,,, হ্যাঁ আম্মু আমি এইখানে বলেই সে বেলকনি থেকে ভেতরে চলে আসলো 
,,, কি হয়েছে এমন করে ডাকছো কেন ?
,,, নিচে চল সবাই কে নাস্তা দিচ্ছি তুই ও নাস্তা করে পড়তে বোস তার পরে নাহয় রাতের খাবার খেয়ে ঘুমাস।
এখন একটা হালকা কিছু খেয়ে নে 
,,, আচ্ছা চলো আসছি --
ড্রয়ইং রুমে বসে সবাই নাস্তা খাচ্ছে আর আমিনা চৌধুরী ও আয়েশা চৌধুরী দুই জা মিলে রাতের জন্য খাবার বানাচ্ছে।
আসাদ চৌধুরী ও আজাদ চৌধুরী ব্যবসার কাজ নিয়ে কথা বলছে, আইয়ান তার ঘরে বসে অফিসের কিছু কাজ করছে।
আমিনা বেগম ছেলের নাস্তা ঘরেই দিয়ে এসেছে।
আর শুভ্র এখনো বাড়ি ফিরেনি।
ছন্দ নিচে এসে সোফা তে বসলো, আয়েশা মেয়েকে নামতে দেখেই নাস্তা নিয়ে এসে নাস্তা দিয়ে গিয়ে বলল
,,,,খাবার টা পুরো শেষ করবি একটুও যেন বাকি না থাকে, থাকলে তোর খবর আছে,
ছন্দ মায়ের কোথায় মুখ ভেংচি কেটে খাওয়া শুরু করলো 
ছন্দের চাচ্চু,,, খাওয়ার মাঝেই বলে উঠলেন,,, আম্মু তোমার পড়াশোনা কেমন চলছে?
,,,,এই তো চাচ্চু ভালোই চলছে ।
,,,ভার্সিটি তে কোনো সমস্যা হলে আমাদের বলো।
,,, আচ্ছা চাচ্চু।
এর মাঝেই শুভ্র বাড়ি চলে আসলো। আসাদ চৌধুরী শুভ্র দেখেই বলল,,, শুভ্র ফ্রেশ হয়ে নিচে এসো এসো তোমার সাথে কিছু কথা আছে।
,,, আচ্ছা বাবা, বলেই শুভ্র সিঁড়ি দিয়ে উঠে তার রুমে চলে যায়।
এর মাঝে ছন্দ ও নাস্তা শেষ করে তার রুমে চলে যায়। তারপর পড়তে বসে
রাতে ১০:২০ বাজে ঢাকা শহরে রাত ১০:০০ মানে কিছুই না বাইরে মানুষের আনাগোনা চলতেই থাকে। কেউ ঘুরছে বন্ধুদের সাথে কেউ কাজ করছে, কেউ বা আড্ডা দিচ্ছে।
রাহানের বাসা একদম কোলাহল ছাড়া জায়গায় এইখানে খুব বেশি একটা গাড়ির শব্দ শোনা যায় না নিস্তব্ধ জায়গা।
সেই সময় রাহান পড়ছিল তার রুমে দরজা আধখোলা...
রিয়ানা রাহানের রুমে আস্তে আস্তে ঢোকে.,
রাহান নিজের ঘরে কারোর উপস্থিত বুঝতে পেরে ঘাড় ঘুরে তাকাই, রিয়ানা কে দেখেই বেশ বিরক্ত হলো,,
,,, এতো রাতে আমার ঘরে কি করছিস ?
রিয়ানা আমতা আমতা করে বলল
,,,, না মানে কিছু কথা বলতাম তাই এসেছি!
,,,, যা বলবি তাড়াতাড়ি বলে এখান থেকে যা।
রিয়ানা হাঁসফাঁস করছে হাত কোচলাচ্ছে আর বারবার এদিক সেদিক তাকাতে দেখে রাহান এর মেজাজ টা এইবার আর দেখে কে...রাহান বেশ চিল্লিয়ে বলল,,,, কি সমস্যা তোর কিছু বলার থাকলে বল নয়তো আমার রুম থেকে যা, আমার পড়াই ডিসটার্ব হচ্ছে,,
রাহান এমন চিল্লিয়ে কথা বলাই রিয়ানা প্রথমে ঘাবড়ে গেলেও পরে নিজেকে সামলে নিলো কারণ আজ যে তাকে তার মনের কথা বলতেই হবে।
,,,,ভা..ভাইয়া আমি না তোমাকে অনেক ভালো-বাসি।
কথা টা শোনা মাত্রই রাহানের শক্ত চোয়াল আরও শক্ত হয়ে গেল।
আগে থেকেই জানতো এই মেয়ে এমন কিছুই বলবে তাও সে নিজেকে অনেক শান্ত রাখার চেষ্টা করেছিল।
কারণ সেও এটার একটা বিহিত করতে চাই....রাহানের ভাবনার মাঝেই আবারও রিয়ানা বলতে লাগলো,,,
,,,, আমি জানতাম যে আমার একটা একটা মামাতো ভাই আছে কিন্তু আমি যেদিন তোমাকে প্রথম দেখেছিলাম সেদিনই তোমাকে আমি ভালোবেসে ফেলেছি ভাইয়া, আমার কিশোরী বয়সের প্রথম ভালোবাসা তুমি, প্লিজ আমাকে ফিরিয়ে দিওনা ভাইয়া তাহলে আমি শেষ হয়ে যাবো!!
,,,, শেষ হয়েছে তোর কথা?
রাহান মুখটা গম্ভীর করে রিয়ানা কে বলল।
রাহান কিছু বলল না আস্তে করে ঘাড় নাড়ালো,, মানে হয়েছে তার কথা শেষ।
রাহান ফোঁস করে একটা নিঃশ্বাস চেয়ে বলতে লাগলো...
,,,,তুইযে আমাকে ভালোবাসিস কিন্তু আমি কি তোকে কখনো বলেছি যে আমি তোকে ভালোবাসি বা আমার ব্যাবহারে এমন কিছু কি দেখেছিস যেটা মনে হবে আমি তোকে ভালোবাসি বা আমি তোর প্রতিদিন আসত্ব।
আমি তোকে শুধু আমার ছোট বোনের নজরে দেখি আর ছোট বোনের মতোই ভালোবাসি এর চেয়ে আর কিছু না।
,,,কিন্তু আমি তো তোমাকে কখনো কোনোদিন ভাইয়ের নজরে দেখেনি....
,,,, সেটা তোর সমস্যা আমার না, আমাকে ভুলে যা, যত তাড়াতাড়ি ভুলতে পারবি ততো তোর জন্যই ভালো, কারণ না আমি তোকে ভালোবাসি আর না আমি তোকে চাই।
,,,, কিন্তু ভাইয়া আমি যে তোমাকে ভালোবাসি, আমি যে তোমাকে ভীষণ 
ভাবে চাই সেটার কি হবে ?
,,,, এটা তোর এক তরফা চাওয়া, তাই এটা তোর ভুলে যাওয়াই মঙ্গল। আর এই সব ফাউল পাগলামি বাদ দে, আর আমার রুম থেকে যা প্লিজ।
রিয়ানা রাহানের কথা শুনে এইবার কেঁদেই দিল, কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগলো,,,, তোমার কাছে যদি এইটা পাগলামি মনে তাহলে তাই, আমি তোমাকেই ভালো বাসি আর আমি বিয়ে করলে তোমাকেই করবো।
রাহান এতক্ষন ভালো ভাবে বললেও এইবার আর নিজেকে সংযত রাখতে পারলো না,
রেগে কটমট করে বলল,,,, তাহলে তুই সারাজীবন বিয়ে না করেই থাক গিয়ে যা,, আমি তোকে কখনো ভালোবাসা তো দূর, সেই নজরে দেখার চেষ্টাও করবো না,, এইবার তুই যা আমার রুম থেকে।
,,,, আমি তোমাকে না পেলে আমি তোমাকে কারোর হতে শিব না ভাইয়া এটা মনে রেখো বলেই রিয়ানা কান্না করতে করতে ঘর থেকে দৌড়ে বের হয়ে গেল রাহান কে কিছু বলার সুযোগই দেয় নি।
রাহান তো রাগে ফুঁসছে পারলে তো রিয়ানাকে ঐখানেই দু-তিনটে থাপ্পড় লাগতো কিন্তু রাহান তা করেনি, পরে আবার এটা নিয়েই বাড়িতে ঝামেলা হতো
━━━━━━༺༻ ━━━━━━
ভুল-ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন 🙏
ভালো লাগলে রেসপন্স করবেন 👍
চলবে ইনশাআল্লাহ...🥰

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব-৬+৭ শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন