ফন্ট সাইজ:
থিম:
Bloody Vampire

১৩তম পর্ব

লেখক: ‎Dimple Sakura

#Bloody_Vampire 

#dimple_sakura 
#পর্ব-১১ 
সাকুরা: "চা...চা-চু মানে...ফুপি...ফুপি মানে?? তুমি এসব কি বলছো দাদুু আমার বাবা তো একাই,,ওনার তো কোনো ভা..ই...বোন... নেই।
"দাদু সাকুরার হাত শক্ত করে ধরলো। চোখে পানি চলে এসেছে বু'ড়ো মানুষটার।
দাদু: আমি কোনো কথা শুনতে চাই না তুই আগে আমার কথা শোন দাদুভাই শান্ত হ পাগলামি করিস না।
সাকুরা মাথা নিচু করলো।
দাদু: ওরা জন্ম নিলো ... তোর চাচ্চু আর ফুপি। খুব হাসিখুশি ভাবে দিন কাটছিলো আমাদের। দুইটা জমজ বাচ্চা নিয়ে আমার সুখের সংসার হলো। রুকাইয়া ওদের কোলে নিয়ে সারাদিন হাসতো।" আমার মা-ও খুব আদরে রাখতেন।
দাদু একটু থামলো। চোখ মুছলো।
দাদু: ওদের বয়স ২ বছর পার না হতেই... রুকাইয়ার পেটে তোর বাবা আসলো। ৩ সন্তান নিয়ে আমার সুখের সংসার হলো রে দাদুভাই।
দাদু: আমি তখন স্কুলের শিক্ষক ছিলাম। সকাল-সন্ধ্যা স্কুল, বেতন কম, সংসারের চাপ। আর ওদিকে রুকাইয়া... অল্প বয়সে ৩ সন্তান নিয়ে আবার লেখাপড়া করা ওর জন্য অনেক কষ্ট হয়ে যেতো।
দাদুর গলা ধরে এলো।
দাদু: তবুও মেয়েটা দমে থাকেনি। সারাদিন তোদের চাচ্চুকে-ফুপিকে সামলাতো, রাতে বই খুলে বসতো। ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়তো টেবিলেই। সব এক হাতে সামলেছে রে দাদুভাই। একা। আমি পাশে থাকলেও ওর কষ্টটা আমি কমাতে পারিনি।
সাকুরা ফুঁপিয়ে উঠলো। দাদুর কথা শুনে বুকের ভেতর মোচড় দিয়ে উঠছে। 
সাকুরা: তাহলে চাচ্চু আর ফুপি দাদু? ওরা এখন কোথায়?
দাদু সাকুরার মাথায় হাত রাখলো। চোখ বন্ধ করলো।
দাদু: সেটাই তো বলতে এসেছি . সেটাই তো বলতে এসেছি..
দাদু: ওরা বড় হতে থাকলো.. আমাদের ভাগ্যও খুলতে লাগলো।
দাদু একটু হাসলো। পুরোনো দিনের কথা মনে পড়ে গেছে বোধহয়। 
দাদু: রুকাইয়াহ... তোর দাদি অনেক সাহসী ছিলেন । ৩ সন্তান সামলিয়ে নিজের পড়ালেখা চালিয়েছে...অনেক কষ্টের পর একটা কলেজে চাকরি পেলো। প্রভাষক হিসেবে জয়েন করলো। সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত ক্লাস, তারপর বাসায় এসে ৩ টাকে পড়াতো।
দাদু: ৩ সন্তান দেখতে দেখতে তারাও বড় হয়ে গেলো। তোর বড় চাচ্চু, ফুপি আর তোর বাবা। রুকাইয়ার কথায় আমি ওদেরও পড়ালেখা করিয়েছি। একটা দিনও গাফিলতি করিনি।
দাদুর চোখ চিকচিক করছে।
দাদু: তোর দাদির শখ ছিল .. পরিবারের সবাই শিক্ষক থাকবে। ও বলতো "শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড । তোর ফুপি আর বড় চাচ্চু তোর দাদির কথা রাখলো। দুজনই শিক্ষকতা বেছে নিলো।একটা স্কুলে জয়েন করলো।
" চাকরির ১ বছরের মাথায়-ই তোর চাচ্চুর আর তোর ফুপির বিয়ে হয়।" সবকিছু কত সুন্দর ছিল। 
দাদু হঠাৎ থেমে গেলো। মুখটা কালো হয়ে গেলো।
দাদু: কিন্তু তোর বাবা... ও ছিল জেদি। ওর শখ ছিল বড় একটা বিজ'নেস করা। ইন্টার মিডিয়েট শেষ করেই সে তাই-ই করলো। বই খাতা ছুড়ে ফেলে দিয়ে বললো "বাবা, আমি ব্যবসা করবো"। আমি মানা করেছিলাম। রুকাইয়াও কেঁদেছিল ভেবেছিলো এই বয়সে ও এসব কি সামলাতে পারবে? কিন্তু ও শোনেনি।বললো ছোট থেকেই বড় হওয়া যায়। হ্যাঁ সে হয়েছে সে আজ শহরের নাম করা বিজনেসম্যান। 
সাকুরা দম বন্ধ করে শুনছে।
দাদু: আর তারপর... হুট করে একদিন... তোর বাবা এসে বললো - "মা, আমি বিয়ে করেছি"।
ঘরের বাতাস ভারী হয়ে গেলো। সাকুরার হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসছে।
সাকুরা: কি? বিয়ে? কাকে? মাকে?
দাদু চোখ বন্ধ করে ফেললো। ঠোঁট কাঁপছে।
দাদু: হ্যাঁ মা... তোর মাকে। কিন্তু সমস্যা ওটা না রে দাদুভাই... সমস্যা হলো...
দাদু চোখ খুললো। লম্বা শ্বাস ফেললো।
দাদু: তোর বড় চাচ্চু আর ফুপির দুজনের কোলেই নবজাতক শিশু। ছোট্ট দুইটা প্রাণ নিয়ে ওরাও সুখেই ছিল।
দাদুর গলা কেঁপে উঠলো।
দাদু: ঠিক তখনই তোর বাবা না জানিয়ে তোর মাকে বাড়ি নিয়ে এলো। এভাবে সে বিয়ে করে আনলো। লোকে কি বলবে? মানুষ ছি ছি করবে?
সাকুরা কাঁপা গলায় বললো: দাদি কিছু বলেনি?
দাদু: না রে দাদুভাই । রুকাইয়া কিচ্ছু বলেনি। সুধু একটা বড় শ্বাস ফেলেছিল। তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বললো "মেনে নিলাম"। আমরাও মেনে নিলাম। ছেলে মানুষ করেছে, বউ ঘরে তুলেছে... আর কি বলবো।
দাদু থেমে গেলো। চোখের কোণে পানি জমেছে।
দাদু: কিন্তু তোর নানু বাড়ির লোক মেনে নিলো না রে দাদুভাই। ওরা বললো "আমাদের মেয়েকে না জানিয়ে বিয়ে? এত সাহস?" সম্পর্ক প্রায় শেষ হয়ে যাচ্ছিলো।
দাদু: দেখতে দেখতে ৩ মাস কেটে গেলো। তোর মাও সন্তান সম্ভবা হলেন। পেটে আসলি তোরা। আমরা সবাই তখনও খুশি ছিলাম। ভাবলাম নতুন অতিথি আসলে সব ঝামেলা মিটে যাবে। রুকাইয়া সারাদিন তোর মায়ের সেবা করতো। বলতো "নাতনিরা আসবে আমার"।
সাকুরা অবাক হয়ে চোখ বড় বড় করে তাকালো।
সাকুরা: জমজ? মানে আমি তো একাই দাদু? আমি ছাড়া আর কেউ তো নেই...
দাদুর চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়লো। হাত দিয়ে সাকুরার গাল ছুঁয়ে দিলো।
দাদু: হ্যাঁ ... তোরা আসলি পেটে। তুই আর তোর বোন। দুইটা প্রাণ। রুকাইয়া খুশিতে কেঁদে ফেলেছিল। বলেছিল "আবার জমজ! আমার ঘরে আবার জোড়া"।
দাদু একটু থামলো। গলাটা ভারী হয়ে গেলো।
দাদু: কিন্তু এত সুখ বেশি দিন সইলো না।
দাদুর কণ্ঠ কাঁপছে।
দাদু: ডাক্তার বললো "কন্ডিশন ভালো না"। দুই বাচ্চার মধ্যে একজনের হার্ট দূর্বল...আর একজনের হার্ট ঠিকমতো বাড়ছে না। যেকোনো একজন কে বাঁচানো যাবে। নয়তো বাচ্চা, নয়তো মা। দুইজনকে একসাথে বাঁচানো সম্ভব না।
সাকুরার পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে গেলো। ওর নিঃশ্বাস আটকে আসছে।
সাকুরা: মানে... আমার একটা বো.... ন..বোন ছিল দাদু?
দাদু: তখন রুকাইয়া খুব কান্না করেছিল... . এমন কান্না, যা পাথরও গলিয়ে দেয়।
দাদু চোখ মুছলো। বুড়ো আঙুল কাঁপছে।
 
দাদু: তোর মা হসপিটালের বেডে অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে ছিল। মুখটা ফ্যাকাশে। ডাক্তার আমার হাত ধরে বলেছিল "চাচা, সিদ্ধান্ত নিন। হয় আপনার ছেলের বউ, নয়তো বাচ্চা দুটো। একসাথে সবাই কে বাঁচানো সম্ভব নয়।
দাদুর গলা ধরে এসেছে।
দাদু: আমি কি সিদ্ধান্ত নিবো বল? নিজের ছেলের বউ... আর দুইটা নিষ্পাপ প্রাণ। রুকাইয়া বারান্দায় দাঁড়িয়ে সব শুনেছিল। 
" কিন্তু (ফুপি)রুবা তোর মায়ের সাথে ছিল তার কোলেও একটা সন্তান "সে নূহাকে নিয়ে-ই সারাখন তোর মায়ের পাশে বসে ছিলেন।
"(চাচ্চু) মাহাতাব তোর বড় চাচ্চু ও খুব চিন্তিত ছিলো- কি সিদ্ধান্ত নিবে ভেবে পাচ্ছে না। " কিন্তু সিমরান এর এসব নিয়ে যেনো কোনো মাথা ব্যথাই ছিলো না। "ও মাহতিম কে নিয়ে দিব্যি হেটে বেড়াচ্ছে "
সাকুরা : সিমরান!! মাহতিম এরা কে দাদু?? 
দাদু: সিমরান তোর বড় চাচ্চুর বউ আর মাহতিম তাদের একমাত্র সন্তান।" বলেই দাদু বাকি কথা বলতে শুরু করলো।
দাদু: রাত ২টা বাজে। হসপিটালের পেছনে একটা পুরোনো জঙ্গল। কেউ যায় না ওদিকে। "রুকাইয়া সেই জঙ্গলের সামনে হাটু গেড়ে বসে পড়লো। মাটিতে কপাল ঠেকিয়ে আল্লাহকে ডেকেছিলো আর কান্না করেছিলো...
দাদু: "আল্লাহ... আমার ছেলের বউটাকে বাঁচিয়ে রাখুন আমার নাতনিগুলাকে বাঁচান। আমার ঘর উজাড় করে দিয়েন না। আমি এতিম ছিলাম...সব পেয়েছি আপনার রহমতে.. , আল্লাহ। আমার কেউ নেই। আপনি ছাড়া কেউ নেই"।
সাকুরার মনে হচ্ছে ওর সামনে ই কেউ কান্না করছে... 
কিন্তু সে কিছু বলছে না যেনো পাথর হয়ে গেছে ভেতর।
দাদু: বাতাস থেমে গেছে। ঝিঁঝি পোকার ডাকও বন্ধ। চারপাশে কেমন নিস্তব্ধতা। রুকাইয়া কাঁদতে কাঁদতে বারবার সিজদায় যাচ্ছে চোখের পানিতে মাটি ভিজে যাচ্ছিলো।
দাদু একটু থামলো। শ্বাস নিলো।
দাদু: ঠিক তখনই... ঠিক তখনই বোধহয় আল্লাহ তার ডাক শুনলেন... কিন্তু দেখা হলো এক অভিশাপের সাথে।
আল্লাহর বদলে শয়তান আসলো দাদু...
দাদু: রুকাইয়া কান্না করেছিলো। চোখ বন্ধ করে আল্লাহকে" ডেকেছিলেন। তখনই তার কানের কাছে একটা ঠান্ডা বাতাস বয়ে গেলো। আর তারপর... একটা শব্দ ভেসে আসলো।
অচেনা কণ্ঠ: "তুমি কি চাও তোমার ছেলের বউ আর তার সন্তান দুটোই বেঁচে থাকুক? দুইজনকেই? কোনো ক্ষতি ছাড়া?"
দাদু: রুকাইয়া ভয় পেয়ে চোখ খুলে তাকালো। সামনে দাঁড়িয়ে এক অচেনা লোক। লম্বা, সুঠাম দেহ। চেহারা নূরের মতো সুন্দর। কিন্তু সেই সৌন্দর্যে কেমন যেন মায়া নেই। মৃত মানুষের হাসি। কালো পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তি। মাথা থেকে পা পর্যন্ত কালো। শুধু চোখ দুটো.... বাদামি। ওই চোখে তাকালেই মনে হয় হাজার বছরের অন্ধকার।
দাদু: লোকটা হাসছিল। ধীরে ধীরে বললো "
আমি তোমার ডাক শুনেছি রুকাইয়া। আমি দিতে পারি। কিন্তু সবকিছুর একটা মূল্য আছে"।
সাকুরার শরীর কেঁপে উঠলো।
দাদু: প্রথমবার এমন অদ্ভুত মানুষ রুকাইয়ার সামনে এসেছিল। অভিশাপের দরজা সেদিনই খুলেছিলো বোধহয় । রুকাইয়া জানতো না, ও কার সাথে কথা বলছে। ও সুধু জানতো সবাই বাঁচবে।
দাদু সাকুরার হাত শক্ত করে ধরলো।
দাদু: আর সেদিন রুকাইয়া যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল...
ঘরের বাতি টিপ টিপ করে নিভে যাচ্ছে। বাইরে বাতাস বইছে। " সাকুরা কৌতূহল দৃষ্টি তে তাকিয়ে আছে। 
দাদু: লোকটা হাসছিলো। ধীরে ধীরে বললো "আমি তোমার ডাক শুনেছি রুকাইয়া। আমি দিতে পারি। কিন্তু সবকিছুর একটা মূল্য আছে"।
দাদু চোখ বন্ধ করলো। গলাটা কেঁপে উঠেছে।
দাদু: রুকাইয়া ভয় পেয়ে পিছিয়ে গেলো। জিজ্ঞেস করলো "তুমি কে? মানুষ না জ্বিন?" লোকটা সুধু হাসলো। বললো "নাম দিয়ে কি হবে মা? আমি তোমার বিপদের বন্ধু। তুমি চাও তো তোমার ছেলের বউ বাঁচবে। দুই নাতনিই বাঁচবে। আমি ব্যবস্থা করে দিবো"।
দাদু: রুকাইয়া কান্না করে বললো "কি মূল্য চাও? আমার জান? নিয়ে যাও। আমার সব নিয়ে যাও। সুধু ওদের বাঁচাও"।
দাদুর চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়লো।
দাদু: লোকটা রুকাইয়ার কপালে আঙুল ছোঁয়ালো। ঠান্ডা... বরফের মতো ঠান্ডা। তারপর ফিসফিস করে বললো "মূল্য আমি পরে বুঝে নিবো রুকাইয়া। ১৮ বছর পর। সুধে আসলে। তুমি সুধু মনে রেখো... আজ তুমি একটা চুক্তি করলে"। " তখন ও রুকাইয়া বুঝতে পারেনি ও কি করতে যাচ্ছে - নেশায় পরে গেছিলো - নিজের রক্ত কে বাঁচানোর নেশা।
সাকুরার হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসছে।
দাদু: লোকটা রুকাইয়ার কপালে আঙুল ছোঁয়ানোর পর হাত মুঠো করলো। মুঠো খুলতেই বের হলো দুটো লকেট।
" সাকুরা নিজের লকেটের দিকে তাকিয়ে থাকলো। লকেটের গায়ে অদ্ভুত নকশা।
দাদু: লোকটা বলেছিল - "বাচ্চাদের যেদিন এক বছর পূর্ণ হবে সেদিন তাদের গলায় এই লকেট গুলো পরিয়ে দিতে হবে। মনে রাখবে রুকাইয়া, এক বছর পূর্ণ হওয়ার দিনই"।" যদি দেরি করেও ফেলো তবুও মনে রেখো "লকেট গুলো দেওয়া খুব জরুরি " না হলে ঘোর বিপদ হবে। 
দাদুর গলা ভারী হয়ে গেলো।
দাদু: তারপর লোকটা আরো বললো - " দেরি করো না তাহলে সবকিছু মৃত্যুপূরিতে পরিণত হবে। 
সাকুরা কেঁপে উঠলো মৃত্যু পূরী?
..
দাদু: রুকাইয়া ভয় পেয়ে গেলো কথা টা শুনে। কাঁপা গলায় জিজ্ঞেস করলো - "কারা আসবে? যদি আমি না পারি সময় মতো লকেট টা পড়াতে?"
দাদু চোখ বন্ধ করলো।
দাদু: লোকটা হাসলো। সেই হাসি শুনলে কলিজা শুকিয়ে যায়। বললো - "রক্তপিপাসু"।
ঘরের বাতাস ঠান্ডা হয়ে গেলো।
দাদু: রুকাইয়া ভয়ে দুই হাতে মুখ চেপে ধরলো। লোকটা আবার বললো - "চিন্তা করো না রুকাইয়া। তুমি পারবে। আর ওই লকেট দেওয়ার পর তোমার নাতনিদের কেউ কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। কারণ ওরা অসম্ভব শক্তির অধিকারী হবে। কিন্তু যদি লকেট গলায় না থাকে... তাহলে ওরা এসে যাবে"।
" কথা টি বলা শেষ হতে না হতেই দমকা এক হাওয়া বয়ে গেলো- মূহুর্তের মধ্যে-ই লোকটি উধাও হয়ে গেলো। "সুধু পড়ে রইলো " দুটো চাঁদ আকৃতির দু'টো লকেট।
"রুকাইয়া লকেট দুটো হাতের মুঠোয় চেপে ধরলো। তারপর হসপিটালে চলে আসলো-
দাদু চোখের পানি মুছে একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো। ঘরের বাতিটা মৃদু কাঁপছে।
#চলবে
#কপি_করা_নিষিদ্ধ

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১৩তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন