ফন্ট সাইজ:
থিম:
শখের গল্প

২য় পর্ব

লেখক: Munia Jahan Mim

# শখের গল্প #

# লেখিকা : মুনিয়া জাহান মিম #
 বাবা আমার হাতটা প্রেমের হাতের ওপর রেখে বল বাবা আমার একমাত্র মেয়ে দেখে রেখো, প্রেম বাঁকা হেসে বলে 
খুব ভালোভাবে দেখে রাখব বাবা আপনি চিন্তা করবেন না। 
আমি ভয়ে সিউরে উঠলাম তারপর আমি প্রেম স্যারের সাথে গাড়িতে উঠে বসলাম বাবা মায়ের দেখে তাকিয়ে রইলাম যতক্ষণ দেখা যায় তারপর তারা ঝাপসা হয়ে গেল, আমি হেঁচকি দিয়ে কাঁদতে লাগলাম পাশে বসা প্রেম স্যার বিরক্তিকর চাহনি দিচ্ছে আমার উপর তাতে আমার কোন হেলদোল নেই আমি কাঁদছি তো কাঁদছি কাঁদতে কাঁদতে কখন যেন ঘুমিয়ে পড়লাম এক সময় ঘুমের ঘোরে ঠাস করে প্রেম স্যারে কাঁধের উপরে পড়লাম উনি ধাক্কা দিয়ে আমার মাথাটা উঠিয়ে দিল আমি তড়িঘড়ি করে উঠে বসলাম, একটু পর খান বাড়ির সামনে এসে গাড়িটা থামল উনি নেমে দাঁড়ালো তারপর আমাকে রেখে হাটা দিল আমি কোনরকম গাড়ি থেকে বের হয় ওনার পেছন পেছন দৌড়লা গেলাম বাড়িতে দুই তলা দেখতে খুবই সুন্দর রাজকীয় এসব দেখার সময় নেই উনার পিছনে পিছনে হাঁটতে লাগলাম দরজার সামনে এসে দেখলাম ওনার কাজিনসহ উনার মা আমাকে বরণ করার জন্য দাঁড়িয়ে আছে উনার মা আমাকে দেখে বল বা তুমি তো ভারি মিষ্টি মেয়ে আমি মুচকি হাসলাম স্যার আমাকে রেখে রুমে চলে গেছে হানহান করে আমি ওনার যাওয়ার পথে তাকিয়ে রইলাম তারপর ওনার মা বলল আমার ছেলেটা এরকমের কিছু মনে করো না মা আমি কিছু বললাম না তারপর উনি আমাকে বরণ করে ঘরে ওঠালাম হলরুমে সবার উপর বসালেন তারপরে হালকা পাতলা কিছু না। একটু পর প্রেম স্যারের কাজিনরা আমাকে ওনার রুমের সামনে দিয়ে বললেন এবার তুমি ভিতরে যাও আমি ভয়ে ভয়ে বললাম তোমরাও কেউ একজন আসো আমার সঙ্গে একজন মুচকি হেসে বলল 
আমরা আসলে কি করে হবে
আমি ওনার কথায় একটু লাজুক আসলাম তারপর এক পা দু পা করে রুমের ভেতর প্রবেশ করলাম রুমটা খুবই গোছানো স্যারকে কোথাও দেখলাম না রুমের সব জিনিসই কালো আমি ভাবলাম এই লোকের মনের মত রুমটাও কালো ওনাকে কোথাও দেখছি না আমি আস্তে আস্তে গিয়ে ওনার খাটে বসলাম পুরো রুমে আসবাবপত্র তেমন নেই কিন্তু যা আছে তা সবই কাল। হঠাৎ করে ওয়াশরুমের দরজা খুলে গেল উনি বের হয় এলেন আমার দিকে এগিয়ে এলেন এসে আমার কাল চেপে ধরে বললেন কিরে তুই না আমাকে থাপ্পড় মেরেছিলি, এখন তুই পুরোটাই আমার সম্পর্ক এখন দেখতে তোকে বেঁচে থাকতে আমি জাহান্নামের সুখ দেব, আমি ভয় করে গেলাম আমি আমার এত জোরে চেপে ধরেছে যে আমার গাল ভেঙে যাবে উনি বললেন আজ তো বেবি আমাদের বাসর রাত তোমার বাসর রাতে কি প্লান আছে আমার আবার অত প্ল্যান নেই বলে উনি আমার উপরে ঝাপিয়ে পরলেন আমি কখনো ভাবি নি উনি আমার সাথে এরকম করবেন আমার ঠোঁটে ঠোঁট মিলিয়ে এমন ভাবে কামড়াচ্ছে যেন কোন যন্ত্র আমার ঠোঁট কেটে রক্ত বের হচ্ছে শ্বাস বন্ধ হয়ে যাচ্ছে কিন্তু ওনার তাতে কোন হেলদোল নেই ,আমি আর সহ্য করতে না পেরে ওনার ঠোঁটে কামড় দিলাম উনি ঠোট উঠাবেন ঠোঁটের কাছে হাত দিয়ে দেখলেন ঠোঁটের কোণে একটু রক্ত উনি তাতে আরো হিংস্র হয়ে উঠলেন এক টানে আমার কার থেকে ওড়না নিয়ে ফ্লোরে ছুড়ে মারলেন আমাকে ধাক্কা দিয়ে বিছানার উপর ফেলে আমার ওপরে উঠে গেলেন আবার আমার ঠোঁট জোড়া আকরে ধরলেন এবার আরো হিংস্র হয় ওকে আমার লেহেঙ্গার চেন খুলে কাঁদতে কি লেহেঙ্গার অংশ সরিয়ে মুখ ডুবিয়ে দিলেন আমি কেঁপে উঠলাম প্রথমবার কোন ছেলের এমন স্পর্শ আমি শীউরে উঠলাম বিছানার সঙ্গে নিজেকে মিশিয়ে নিতে চাইলাম কিন্তু পারলাম না আস্তে আস্তে মিমের শরীর থেকে সকল কাপড় খুলে ফেললো এবং প্রেম ও আনড্রেস হয়ে যায় আস্তে আস্তে ঘনিষ্ঠ হতে থাকে শেষ মেষ মিম আর না পেরে অজ্ঞান হয়ে যায়, ভোর চারটার দিকে প্রেম ক্লান্ত হয়ে মিমের বুকের উপর মুখ গুজে ঘুমিয়ে পরে। সকাল ৭:০০ সময় মিমের ঘুম ভাঙলে বুকের উপর ভারি কিছু অনুভব করলে বুকের দিকে তাকিয়ে দেখে প্রেম বাচ্চাদের মতো গুটিসুটি মেরে মিমের বুকের উপর ঘুমিয়ে আছে, মিম ঘৃণায় প্রেমের দিক থেকে চোখ ফিরিয়ে নেয় তার গায়ে নড়ার মত শক্তি নেই তারপর কোনরকম প্রেমকে নিজের গায়ের উপর থেকে সরিয়ে ব্লাঙ্কের জড়িয়ে উঠতে গেলে সারা শরীরে অসহ্য ব্যথায় মিম ঠাস করে নিচে পড়ে যায় প্রেম কিছু পড়ার শব্দ পেয়ে উঠে বসে তাকিয়ে দেখে মিম নিচে পড়ে আছে বাঁকা হেসে প্যান্ট পড়ে মিমের কাছে গিয়ে বসে বলে আমাকে থাপ্পড় মারার সাহস করে তুমি ভালো করনি তুমি কাকে থাপ্পড় মেরেছে জানো ইফতিয়াজ খান প্রেমকে যাকে মারার সাহস আজ পর্যন্ত কেউ দেখেয়নি তাকে তুমি মেরেছো কেমন লাগে এবার থেকে এগুলোর অভ্যাস করে না তুমি কাকে মেরেছে জানো না এর প্রতিশোধ আমি ভালো করেই নিব, বলে বাঁকা হেঁসে মিমকে কোলে তুলে নেয় তারপর হওয়ার সময় প্রবেশ করে মিমকে কোলে নিয়েই অসময়ে গিয়ে ঝরনা ছেড়ে দেয় ঝরনার পানি মিমের গায়ে লাগতেই মিম মিদ্র আর্তনাদ করে ওঠে চুখ বেয়ে নামে নোনা জল প্রেম মিমকে গোসল করিয়ে দিল ও সেও গোসল করে নিল তারপরে ন
মিমকে ড্রেস পরিয়ে সেও ড্রেস পড়ে নিল ম্যামকে একটা হালকা লাল শাড়ি পরিয়ে দিল মিম ভাবলেস হিন তার এখন আর এভাবে কোন কিছু যায় আসে না যা হওয়ার তা তো হয়েই গেছে কাল রাতে, এই সব ভাবতেই মিমের চোখ দিয়ে দু ফোটা নোনা জল বেয়ে পড়ে প্রেম তা দেখে মুচকি হাসে তারপর বাঁকা হেসে বলে এখন থেকে তুমি শুধু কাঁদবে এই সময় কে যেন দরজায় নক করল।
 মীম হাঁটতে পারছে না তা দেখেও প্রেমের মনে দয়া হলো না প্রেম মিমকে বললো গিয়ে দরজা খোলো। মিম কাঁদো কাঁদো শ্বসে বলে উঠলো স্যার আমি হাঁটতে পারছি না কিভাবে দরজা খুলবো প্রেম হেসে বলে এক রাতেই এই অবস্থা এখনো তো সারা জীবন পড়ে আছে তাও নিষ্ঠুর প্রেম মিমকে গিয়ে দরজা খুলতে বললো সে বিছানায় শুয়ে পরলো, ম্যাম খুব কষ্ট করে গিয়ে দরজা খুললো দরজা খুলতে সামনে প্রেমের এক কাজিন দাঁড়িয়ে আছে সে মুচকি হেসে বলল কেমন কাটলো ভাবী বাসর রাত মিমের মুখে বিষাদ দেখা দিল তাও মুচকি হেসে বলল ভালো প্রেমের কাজে নাম মেঘলা ।
 মেঘলা হেসে বলল ভালো কাটবে না কেন আমাদের ভাই কি কাঁচা খেলোয়াড় নাকি ম্যাম না চাইতেও একটু মুচকি হাসলো, তারপর বললো ভাইয়া ঘুমাচ্ছে মিম বলল হ্যাঁ মেঘলা , 
মেঘলা হেসে বলল তোমাদের খেতে ডাকছে ভাইয়াকে নিয়ে নিচে খেতে এসো চাচ্চু অপেক্ষা করছে বলে মেঘলা চলে যায় ।
মিম দরজা লাগিয়ে দেয় তারপর আস্তে আস্তে প্রেমের কাছে যায় প্রেমকে গিয়ে আলতো সরে ডাকে স্যার শুনছেন নিজে খেতে ডাকছে প্রেম বিরক্তিকর কন্ঠে বলে ওঠে তুই নিচে যা আমি আসছি প্রেমের এই বিষাদমায় কথা শুনে মিমের মনে খুব আঘাত লাগে , মিম বিশ্বাদময় চেহারা নিয়েই আস্তে আস্তে নিচে নেমে আসে মিমের শাশুড়ি মিমকে দেখে এগিয়ে আসে তারপর  আলতো হাতে আগলে নিয়ে চেয়ারে বসতে বলে মিম গিয়ে তার শ্বশুরের পাশে বসে।
# চলবে #

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ২য় পর্ব শেষ করেছেন।

আগের পর্ব উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন