আজ খান বাড়িতে খুশির বন্যা বয়ে যাচ্ছে,তার কারণ হলো খান বাড়িতে প্রথম কন্যা সন্তান এর আগমন, এরশাদ খান ও কানিজ এর ঘর আলো করে এক ফুটফুটে কন্যা সন্তান হয়েছে দেখতে একেবারে পরির মতো, খান বাড়িতে এরশাদ খানরা চার ভাই বড় ভাই মেজর খান,তার স্ত্রী মাইশা বেগম, তাদের ৮ বছরের একটি মাএ ছেলে তার নাম নাবিল খান,।
তার পর মেজো ভাই রবিউল খান ,তার স্ত্রী নুসরাত বেগম,তাদের ঘরে কোনো সন্তান নেই বিয়ের অনেক বছর হয়েছে কিন্তু তাদের কোনো সন্তান হয়নি এই নিয়ে তাদের দূঃখ নেই কারণ টা পরে জানতে পারবে ।
রবিউল খান। এর পরে রয়েছে মামুন খান তার স্ত্রী লাবনী বেগম তাদের ও এক ছেলে নাম ফাহিম খান, বয়স ৬। আর সবার ছোট এরশাদ খান তার বিয়ের দু বছর পর আজকে খুশির মহো বয়ে চলছে খান বাড়িতে।
এই সময় স্কুল ড্রেস পরুয়া এক ৮বছরের ছেলে দৌড়ে এসে তার ছোট আম্মুর কোলো সেই ছোট্ট শিশুটিকে দেখে অবাক হয়ে বলে , ছোট আম্মু এতো সুন্দর বাবু কোথায় পেলে , আবার ও বলে উঠলো দেখো সবাই ওর চোখ কতো সুন্দর বড় বড় চোখের মনি চকলেট এর রঙ্গের, সবাই তার কথা শুনে একসাথে হেসে উঠলো সে হলো মেজর খান এর একমাত্র ছেলে নাবিন খান। নাবিল এর ৮ বছর বয়স হলেও দেখতে মাশাআল্লাহ।
খান বাড়িতে সেই ছোট্ট মেয়েটির নাম রাখা হয় সিলভিয়া খান আরিশা ডাক নাম সিলভিয়া, তবে তার আব্বু চাচার আম্মু বলেই ডাকে।
সকালে বাড়ির চার বউ খাবার রেডি করে সকলকূ খাবার খেতে ডাকলেন সেখানে উপস্থিত রবিউল খান, মামুন খান, এরশাদ খান ও মেজর খান, রবিউল খান পেশায় একজন ভার্সিটি শিক্ষক,আর এরশাদ খান একজন পুলিশ অফিসার, মেসেজ খান ও মামুন খান তাদের পারিবারিক বিজনেস সামলান ,তারা সকলেই খাবার শেষ করে বের হবেন কর্মের উদ্দেশ্য। সে সময় সিলভি স্কুল ড্রেস পরে সিরি দিয়ে নামে ।
সিলভিয়া ১০ ম শ্রেণীতে পড়ে।তার বয়স এখন ১৫,আজ সিলভির পরিক্ষা সে স্কুলে যাওয়ার জন্য রেডি হয়ে বাড়ির সকলের সাথে নাস্তা খেতে বসে তখন মেজর খান বলে আম্মু আজ তোমার কী পরিক্ষা ? সিলভিয়া বলে ইংরেজি ২য় বড় আব্বু।
বাড়ির সকলে বলে ঠিক মতো পরিক্ষা দিয়ো । রবিউল খান বলে আর তুমি কার সাথে যাবে পরিক্ষা দিতে একা তো যেতে দিবো না মা । তখন একটি কালো জার্সি আর টাওজার পরুয়া ফাহিম নেমে আশে সিরি দিয়ে বলে আমি নিয়ে যাবো আব্বু,সবাই ঘুরে তাকায় এটা ফাহিম ফাহিম এর বর্তমানে ১৯ বছর আজ তার ভার্সিটি বন্ধ। তখন রড়িউল খান বললো নাবিল কোথায় নাবিল এই নিয়ে যাক , তুমি তো এখনো ঘারি চালানো লিখো নি আগে শিখে নাও নয়তো ওর দেরি হয়ে যাবে।
ফাহিম বললো ভাইয়া তো অফিসে যাবে তখনি একটা সাদা শার্ট আর এর সাথে কালো পেন্ট ও হাতে একসি কালো সুট নিয়ে নিচে নেমে আসে চোখে তার কালো চশমা , গায়ের রং ফর্সা ও সুগঠিত শরীর হওয়ার এই পোশাকে তাকে দারুন লাগে, নাবিল খান তাদের পারিবারিক বিজনেস সামলাচ্ছেন বর্তমানে। নাবিল নামতে নামতে বললো আমি নিয়ে যাবো ,
কারো যেতে হবেনা, নাবিল বললো চল সিলভি।
এরশাদ খান বললো কিছু খাবি না বাবা, নাবিল বলে না চাচ্চু এখন কিছু খেলে সিলভিয়ার তো লেইট হয়ে যাবে ১১ টাই পরিক্ষা ১০:৩৫ বেজে গেছে ।
সিলভিয়া তারা ঘুরা করে নাবিল এর সাথে সাথে যাই ।আর নাবিল খান এর বাইকে গিয়ে বসে । নাবিল কোনো কথা বলে না নাবিল কথা অনেক কম বলে।তাই সিলভিয়ার সাথে ও তেমন কোনো কথা বলেননি।
তারা যাচ্ছে স্কুলের উদ্দেশ্য সিলভিয়া কে নামিয়ে দিয়েই নাবিল অফিসে যাবে। হঠাৎ সিলভিয়া কে রাস্তায় তার এক ক্লাসমিট তার নাম আনাস ,সে তাকে ডাক দেই হাই সিলভিয়া নেমে পর একসঙ্গে যাবো ,এই শুনে সিলভিয়া বলতেই যাবে নাবিল কে তখনি নাবিল তার বাইকের গতি বাড়িয়ে এক টানে স্কুলের সামনে গিয়ে কিরমির করে বলে নাম।
আর কালকে থেকে তোর ওই ফ্রেন্ড কে বলিশ নিয়ে আসতে, আমার সামনে থেকে যা গিয়ে পরিক্ষা দে ,,,,
সিলভিয়া ভয়ে চুপসে যাই,সে অবাক হয় অনেক আর বলে আমি আবার কি করলাম,
সে পরিক্ষা দিতে চলে যাই পরিক্ষা শেষে নাবিল এই তাকে বাড়ি দিয়ে আসবে , নাবিল বাইক নিয়ে আসে তখন সিলভিয়া সেই ছেলে আনাস এর সাথে আসছে হেসে হেসে।
নাবিল তখন তার চশমাটা হাতে নিয়ে এমন ভাবে হাত মুষ্টিবদ্ধ করে তার চশমাটা ভেঙ্গে যাই তখনি,
সে সিলভিয়া কে কীছু বলে না,তার সাথে থাকা সেই ছেলেটাকে গিয়ে এলো পারি ঘুশি লাগায়,,,,,,,
সিলভিয়া হতভম্ব হয়ে যাই হঠাৎ এমন হওয়ার কারণ সে বুঝতে পারছে না, সিলভিয়া নাবিল এর এক হাত আকরে ধরে ভয়ে বলে ছেড়ে দাও ভাইয়া তখন নাবিল রাখি চোখো সিলভিয়ার দিকে তাকিয়ে কিছু টা শান্ত হয় ,,,,
তাংনিক নাবিল সিলভিয়া কে বলে বাসায় চল, সিলভিয়া এক নজর ওই ছেলেটা কে দেখে নাক দিয়ে রক্ত পড়ছে, সিলভিয়া দেখে চোখ বন্ধ করে দেয় কীভাবে মেরেছে, তখন নাবিল ডাক দেয় গাড়িতে উঠ
সিলভিয়া ও কিছু না বলে গাড়িতে উঠে, সিলভিয়া পুরো রাস্তায় একটুও কথা বলনি নাবিল এর সাথে
নাবিল এর এমন আচরণের জন্য শুধু থেকে নাবিল এর সাথে অনেক কমেই কথা বলে সিলভিয়া, নাবিল বাসাই যাই গিয়ে জোরে করে ডাক দেয় কানিজ বেগম কে কারণ এরশাদ খান বাড়িতে ছিলেন না, নাবিল এর এভাবে ডাকাতে বাড়ির চার বউ সেখানে আশে তার রাগ দেখে থমকে যাই সকলে , নাবিল সকলকে বলে কতোবার নিষেধ করছি খান বাড়ির মেয়ের একটা নামে যাতে কেউ কোনো কথা বলতে না পারে সেভাবে চলতে এভাবে যে যার তার সাথে চলে লোকে কি বলবে বুঝাও ওকে, সিলভিয়া মাথা নিচু করে কাঁদছে শুধু,সে কিছুই বললো না,তার খুব রাগ হচ্ছে নাবিল এর উপর কেন এমন করে ,কেনো সে নিজের মতো করে স্বাধীনভাবে চলতে পারে না,এটা ভেবে তার খুব কষ্ট হচ্ছে, সে রেগে ফুলে উপরে উঠে তার রুমের দরজাটা ঠাস করে লাগাই ,
নাবিল দাঁতে দাঁত চেপে তার রাগ নিয়ন্ত্রণ করে,পরে নাবিল নিজেও ঘরে চলে যাই ।
বিকেল হয়ে যাই সিলভিয়া কাদতে কাদতে ঘুমিয়ে গিয়েছিলো , কানিজ বেগম তার রুমে যাই , গিয়ে তাকে ডেকে তুলে সে ঘুম থেকে উঠার পর তার মাকে বলে , তুমি কিছু বলো নাই কেন, আমি তো শুধু আনাস এর সাথে হাঁটছিলাম ও আমার ফ্রেন্ড মা এমন করলো কেনো নাবিল ভাইয়া ,তার কথা শুনে কানিজ বেগম বললো দেখ মা এখন যা সময় কোনো মেয়ে সেভ না,তাই হয়তো বলেছে আচ্ছা যাই হোক খেয়ে প্রাইভেটে যা , সিলভিয়া ঠিক আছে বলে ফ্রেশ হয়ে খেয়ে নিচে নেমে আসে নিচে সৌফাই বসে ছিল নাবিল সে দেখে চোখ নামিয়ে নাবিল কে এরিয়ে চলে যেতে নিলো,। তখনি ফাহিম বাহির থেকে আসছে হাতে করে একটা আইসক্রিম নিয়ে এলো সিলভিয়া দেখে বললো হাই ক্যাট কি এটা কি আমার জন্য, সিলভিয়া ফাহিম কে ক্যাট অর্থাৎ বিড়াল বলে ডাকে।তার মতে বিড়াল শান্ত তার ফাহিম ভাইয়াও অনেক শান্ত তাই তাকে ক্যাট বলে ডাকে। ফাহিম বললো হুম princess,তখনি সৌফাই বসে থাকা নাবিল বললো তোদের কী আকিকা করে নাম রাখে নাই নাকি। কী শুরু করছোস কিসের ক্যাট,আর কীসের princess নাম ধরে ডাকবি আমার সামনে এগুলো বলিছ না খুব বিরক্ত লাগে এসব, সিলভিয়া তখন মুখে বিরক্তির ছাপ নিয়ে চুপ করে বেড়িয়ে গেলো আইসক্রিম টা হাতে নিয়ে নাবিল বললো রুমে যা , ফাহিম কিছু না বলে সিরি দিয়ে উঠে রুমে চলে গেলো , খুব ভয় পাই সে নাবিল কে, ছোট বেলা থেকেই।
বেলা তখন সন্ধ্যা ৬ টা সিলভিয়ার আসার সময় হয়ে গিয়েছে যেহেতু সে আসতে আসতে সন্ধ্যা হয়ে যায় তাই প্রতিদিন তাকে কেউ না কেউ নিয়ে আসে ,আজ ফাহিম গিয়েছে , ফাহিম দেখলো সিলভিয়ার সাথে ওর বেস্ট ফ্রেন্ড ফিহা আছে ,এই ফিহা মেয়েটিকে খুব বিরক্ত লাগে তার, কতো বার যে ফাহিম কে প্রপোজ করেছে প্রত্যেক বার রিজেক্ট করেছে, এখন ফাহিম কে দেখলেই মশাকারি শুরু করে দিবে যা ফাহিমের খুব বিরক্ত লাগে।
সিলভিয়া ফিহা কে বলে দেখ বান্ধবি কে এসেছে, ফাহিম ভাইয়া,
ফিহা তখন দৌড়ে যাই ফাহিমের কাছে গিয়ে বলে তুমি আসতে এতো লেইট করে এসেছো কেন ফাহিম খুব বিরক্ত হয়ে বলে বাসাই যাও তো,ফিহা সিলভিয়া কে বলে বাই ননদিনি, ফাহিম বিরক্ত হয়ে বলে তোরা বান্ধবীকে আমার, খুব বিরক্ত লাগে, সিলভিয়া হাসি চেপে রেখে বললো কেনো ভাইয়া ও তোমাকে বিরক্ত করে বলে ফাহিম বললো বিরক্ত না তোর বান্ধবী আমাকে ভালোবাসে আমি রিজেক্ট করে দিছি,
সিলভিয়া বললো আচ্ছা ভাইয়া কেউ কাউকে ভালোবেসলে কীভাবে বুঝবো কেউ যদি প্রেমে পড়ে তার ফিল কেমন হয় ফাহিম বললো কেনো তুই কি আবার,, সিলভিয়া বললো না ভাইয়া জানতে চাচ্ছি ফাহিম বললো তুই যদি কাউকে ভালোবাসিস তার সব কিছুই তোর ভালো লাগবে যেমন রাগ,টাও তার এভরিথিং তোর ভালো লাগবে, তুই শুধু তার কথায় ভাববি , সিলভিয়া বললো ও বুঝলাম,
ফাহিম বললো হাতটা ধর
সিলভিয়া, কেন আমি যেতে পারবো, হাত ধরতে হবে না,
ফাহিম,দেখিস কিন্তু সামনে কুকুর আছে তখন আমাকে ধরতে আসলে খবর আছে , সিলভিয়া কুকুর কে খুব ভয় পাই তাই ফাহিম এর হাত ধরে,তারা একসাথে হাটে , সিলভিয়া বলে জানো ভাইয়া তুমি আমার মনের তো ভাই, ফাহিম বললো সত্যিই আমি তোর মনের মতো।
সিলভিয়া হুম,।
তারা দুজন হাঁটতে থাকলো ,কচিং সেন্টার থেকে খান বাড়ি বেশি দূর নয়, হাঁটতে হাঁটতে তারা খান বাড়িতে পৌঁছে যাই। তারা দুজন বাড়িতে প্রবেশ করতেই দেখছে নাবিল খান রেডি হয়ে নিচে নেমে আসছে ।
মাইশা বেগম সিলভিয়া কে বললো এসেছিস মা নাস্তা তৈরি করেছি খেয়ে নে আর ফাহিম তুই ও খেয়ে নে কিছু।
তখনি নাবিল খান কোথায় যাচ্ছে মাইশা বেগম তাকে ডেকে বলে , দ্বারা।এই অসময়ে কোথায় যাচ্ছিস , নাবিল বললো সিলভিয়ার জন্য টিচার ঠিক করতে ও আজকে থেকে ঘরেই পড়বে ,
সিলভিয়া খাবার খেতে খেতে বললো আমি নিলা ম্যাম এর কাছেই পড়বো উনি তো ভালোই পড়াই,
নাবিল - তোকে বলেছি বেশি কথা বলতে,এতো বেশি বুঝস কেন,
ফাহিম বললো থাক না ভাইয়া,ওর যেখানে ভালো লাগে সেখানেই পড়ুক, নাবিল খান বলে তোদের থেকে আমি কোনো দিক দিয়ে কম বুঝি না, তাই আমার কথার এক বিন্দুও পরিবর্তন হবে না।
সিলভিয়া রেগে শিরি দিয়ে উপরে ছাদে চলে যাই, নাবিল বলে দেখেছো আম্মু ও কতো বড় বেয়াদব হচ্ছে।
মাইশা বেগম; থাক না রে ও এখনো তো ছোট বল,
নাবিল _এতো আঙ্কারা দিয়ো না।
সিলভিয়া ছাদের এক কোনো দাঁড়িয়ে কাঁদছে, তখনি ফাহিম যাই গিয়ে বলে
কীরে এখানে কাদার কি আছে, শুন এখনের সময় ভালো না তাই হয়তো তোকে বলেছে ভাইয়া এ কথা।
সিলভিয়া আচ্ছা ক্যাটি নাবিল ভাইয়া কেনো তোমার মতো না, উনি আমাকে শুধু বকে , আবার মারেও, আমাকে একটুও ভালোবাসে না,।
ফাহিম; হতে পারে ভাইয়া একটু রাগি কিন্তু ভাইয়া অনেক ভালো জানিস ভাইয়ার মনটা অনেক ভালো।
সিলভিয়া - ভাইয়া একেবারে রুড । ভাইয়া কেনো তোমার মতো আমাকে বুঝে না,জানো ভাইয়া তুমি আমার মনের মতো অন্যদের মতো তুমি আমাকে বকো না বুঝিয়ে বলো।
নাবিল - কেনো নাবিল ভাইয়া তোর মনের মতো না বুঝি , সিলভিয়া তখন নাবিল এর উপর রেগে ছিলো তাই রাগের মাথায় বলে দিলো না, উনি আমার মনের মতো না।
এটা বলেই সিলভিয়া নিচে নেমে যেতে নেই, দেখে নাবিল ছাদের শিরিতে ছিলো, সিলভিয়া ভাবে ভাইয়া আবার আমার কথা শুনে ফেলেনি তো।
নাবিল _বলে আমি তোর মনের মতো না তাই না?
সিলভিয়া না ভাইয়া বিষয় টা তেমন না।
নাবিল _ যাহ্ এখন থেকে তুই তোর মতো করেই চলবি তোকে আর শাসন বারন করবো না আমি।
এটা বলেই শিরি থেকে নেমে নিজের রুমে গিয়ে দরজা লাগিয়ে দেই। সিলভিয়া ফাহিম অনেক ডাকাডাকির পরেও দরজা খুলে না।
রাত তখন ১০:২০ সবাই রাতের খাবার জন্য ড্রয়িং রুমে বসে আছে অপেক্ষা করছে নাবিল এর জন্য অনেকে তাকে ডেকে আসে কিন্তু সে খাবে না বলে দেই,সবাই জানে সে একবার যদি কোনো কথা বলে সেটার বিরুদ্ধে যাওয়া কঠিন।
সিলভিয়ার খারাপ লাগছে কারণ সে জানে তার উপরেই রাগ করছে তার নাবিল ভাই,সে ফাহিম এর দিকে তাকায় অপরাধি চোখে ফাহিম বুঝতে পারে সিলভিয়া যেটা বলেছে মন থেকে বলেনি ,
অনেক রাত হয়ে গিয়েছে সবাই ঘুমিয়ে গিয়েছে বাহিরে অনেক বৃষ্টি হচ্ছে অনেক বাতাস বাহিরে এটা বর্ষা কাল চলছে যখন তখন ঝুম বৃষ্টি নামছে।
নাবিল এর ঘুম আসছে না সে বেলকনিতে যাই তার 🎸 গিটার নিয়ে। বেলকনিতে থাকা চেয়ারে বসে , বৃষ্টি ফোঁটা তার শরীরে পড়ছে কেনো জানি এই ওয়েদার টা তার খুব ভালো লাগছে , গিটার টা হাতে নিয়ে চোখ বন্ধ করে রাখে কিছুক্ষণ,
পরে গাইতে শুরু করে ,,
কেনো যে তোর মনের মতো হতে পারলাম না!!
কতো ভালোবাসি তোরে কয়তে পারলাম না!
মনের দুঃখ মনে রয়লো (২)
সয়লাম বেদনা.............😅
পরের পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন 🙌🏻😫