ফন্ট সাইজ:
থিম:
হারিয়ে বুঝেছি কি ছিলে তুমি আমার

১২তম পর্ব

লেখক: আইশা নওমী

#হারিয়ে_বুঝেছি_কি_ছিলে_তুমি_আমার

#লেখিকা: #আইশা_নওমী
#পর্ব:১২
(কপিরাইট সম্পূর্ন নিষিদ্ধ ⚔️⚔️)
🍁🍁🍁🍁🍁
**************
ছোট্ট ইউভান মামনির যন্ত্রণা দেখে কখনও তার মাথা বুলিয়ে দিচ্ছে, কখনো তার পেটে হাত বুলিয়ে দিচ্ছে কখনো আবার পানি এগিয়ে দিচ্ছে। 
ছোট মানুষ হিসেবে তার মামনির যথেষ্ট খেয়াল রাখার চেষ্টা করছে।আর মিহিয়া তীব্র পেটের ব্যথায় কান্না করছে আর জোরে জোরে চিৎকার করে সৃষ্টিকর্তাকে ডাকছে।
মামনিকে কান্না করতে দেখে ইউভানের ও কান্না করতে মন চাচ্ছে ।তবে তাকে ভেঙে পড়লে চলবে না, সেতো মাম্মামকে কথা দিয়েছে সে স্ট্রং বয় হয়ে মামনিকে সামলাবে।
তাই সে মামনির খেয়াল রাখার যথেষ্ট চেষ্টা করছে।কিন্তু তবে মামনির কান্না থামছেই না।,কান্না করেই চলেছে।
কিছুক্ষণের মধ্যেই রিদিয়া বাড়িতে ফিরে আসলো। ফিরে এসেই নিজের হাতের হ্যান্ড ব্যাগটা কোনোরকমে সোফায় ছুড়ে ফেলে।
দৌড়ে রিদিয়ার ঘরে ঢুকে দেখলো রিদিয়ার ওয়াটার ব্রেক করেছে। সে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স কে কল করলো। তারপর মিহিয়ার পাশে গিয়ে বসে তাকে মাথাটা নিজের কোলে নিয়ে তাকে শান্ত করার চেষ্টা করলো।
 বোনের স্পর্শ পেয়ে মিহিয়া তাকে জরিয়ে ধরে আরো জোরে জোরে চিৎকার করে কান্না করতে করতে বললো,
~আপিরে আমি মনে হয় আর বাঁচবো না আপি।আমি এই ব্যথা আর সহ্য করতে পারছিনা,আআ আ আআ,, 🥲🥲🥲🥹
বোনকে কাঁদতে দেখে রিদিয়া তাকে শান্ত করার ভঙ্গিতে বললো,
~~সোনা নিজেকে শান্ত কর বাবুই,তুই তো মা হচ্ছিস পাখি এত তাড়াতাড়ি ভেঙে পড়লে চলবে। সোনা , একটু সময় ওয়েট কর অ্যাম্বুলেন্স আসছে। আমরা এখনি হাসপাতালে যাবো সোনা,তোর সব ব্যথা দূর হয়ে যাবে।,,
বলেই মিহিয়াকে শান্ত্বনা দিতে লাগলো তবে সেও মনে মনে আল্লাহর কাছে দেয়া করতে লাগলো।
★★
কিছুক্ষণ পর অ্যাম্বুলেন্স আসলে মিহিয়াকে নিয়ে রিদিয়া হাসপাতালে দিকে রওনা দিলো।
মিহিয়াকে হাসপাতালে নিয়ে এসে কেবিনে নিয়ে যাওয়ার সময় মিহিয়ার গলা ফাটা আর্তনাদে রিদিয়ার বড্ড কষ্ট হচ্ছিলো।
মনে হচ্ছিলো বোনের সমস্ত কষ্ট সে যদি নিজের মধ্যে নিতে পারতো তবে তার থেকে বেশি খুশি আর কেউ হতো।
মিহিয়াকে ওটিতে নেওয়া হয়েছে।
রিদিয়া ওযু করে হাসপাতালের একটা ফাঁকা কেবিনে নামাজ পড়ার জন্য গেলো।দুই রাকাআত নফল নামাজ পড়ে মোনাজাত ধরে বললো,
~হে আমার প্রতিপালক, হে আরশের মালিক, হে রাহমানির রাহিম, আপনি আমার বোনের প্রসব যন্ত্রণা কমিয়ে দিন তাকে ও তার সন্তানদেরকে সহিসালামত মতো দুনিয়ায় নিয়ে আসুন।
আমার সন্তানতুল্য ছোটবোনের সকল মনের ইচ্ছা পূরন করুন।তাকে ও তার সন্তানদেরকে সকল বিপদ আপদ হতে রক্ষা করুন।নিশ্চয়ই আপনি পরম দয়ালু,, আমিন🤲🤲🤲।,,
🍀🍀🍀
নামাজ শেষ রিদি ওটির বাহিরে দাড়িয়ে আছে।
এইদিকে একই হাসপাতালে আবরাহামও নিজের দুটো সার্জারী শেষ করে নিজের কেবিনে যাচ্ছিলো তবে মাঝপথে রিদিয়াকে ওটির সামনে দাড়িয়ে থাকতে দেখে তার ভ্রুঁ দ্বয় কুচকে গেলো তার সামনে গিয়ে নিজের মাস্ক খুলে রিদিয়ার উদ্দেশ্য বললো,
~ রিদি ভাবি আপনি এখানে কারো কিছু হয়েছে।,,
 
আচমকাই কারো গলার কন্ঠস্বর পেয়ে রিদি চমকে গেলো। আবরাহাম কে দেখে খানিকটা বিরক্ত বোধ লাগলেও মিহিয়ার কথা জানালো কারন বাবা হিসেবে তারও সবকিছু জানার অধিকার আছে।
রিদিয়ার থেকে সব কিছু শোনার পর আবরাহামের মুখটা শুকিয়ে একটুখানি হয়ে গেলো।চোখের পানি লুকানোর চেষ্টা করতে লাগলো।খানিকক্ষণ ওটির সামনে দাড়িয়ে থেকে কোথাও চলে গেলো।রিদিয়া আবরাহাম কে চলে যেতে দেখে রিদি একটা তাচ্ছিল্যের হাসি হাসলো ।
এইদিকে,আবরাহাম হাসপাতালে নিজের কেবিনে ঢুকে দরজা লাগিয়ে ওয়াশরুম হতে ওযু করে করে দু রাকাআত নফল নামাজ পড়ে নিলো।মোনাজাত আল্লাহর নিকট মিহি ও তার সন্তানদের জন্য সাহায্য চাইলো।
★★ 
ওটিরুমে,
~ মিহি জোরে জোরে পুশ করো, তুমি অনেক স্ট্রং প্লিজ আমাদের সাথে কোঅপারেট করো। আমাদের সাহায্য করো।,,
 এভাবে একঘন্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর ওটি রুম হতে পর পর তিনটা বাচ্চার কান্নার আওয়াজ বেরিয়ে এলো। 
তিনটা নার্স তিনটা টাওয়ালে করে পেচিয়ে তিনটা নবজাতককে নিয়ে এলো যারা মাশের দুধ খাওয়ার জন্য জোরে জোরে কান্না করে যাচ্ছে।নার্সগুলো বাহিরে এসে বললো, বাচ্চার বাবা কে?,, 
আবরাহাম তাদের সামনে গিয়ে কাপা কাপা গলায় বললো,
~আমি। 
নার্সরা হাসিমুখে বললো,
~~অভিনন্দন মিস্টার চৌধুরী আপনি তিনসন্তানের বাবা হয়েছেন।আপনার দুজন ছেলে ও একজন মেয়ে হয়েছে।,,
বলেই তাদের দিকে হাত বাড়িয়ে প্রথমে আফরাকে কোলে নিয়ে জোরে কান্না করে দিলো।
তারপর তার কানের কাছে মুখ নিয়ে আজান দিলো।তারপর একে একে আহান, আরিদকে কোলে নিয়ে তাদের কানে কাছেও আজান দিলো।
তারপর নার্সদের উদ্দেশ্য করে বলল,
~~ সিস্টার আমার ওয়াইফ কেমন আছে??
নার্সরা মুচকি হেসে বললো,ঠিক আছে।তবে পর পর তিনটা নরমাল ডেলিভারি হওয়াতে উনি অঙ্গান হয়ে আছে। জ্ঞান ফিরলে ওনার সাথে দেখা করতে পারবেন।
নার্সের কথা শুনে রিদি ও আবরাহাম আল্লাহর নিকট শুকরিয়া আদায় করলো।🌿
#হারিয়ে_বুঝেছি_কি_ছিলে_তুমি_আমার
 #আইশা_নওমী
#মিহিয়ার_ছানাপোনা_স্পেশাল:
~~
মিহিয়া তার ২ বছরের ছানাপোনাকে নিয়ে একটা শিশুপার্কে বেড়াতে নিয়ে এসেছে। বাবুদেরকে একটা মাদুরিতে বসিয়ে প্রত্যেকের হাতে একটা একটা করে কলা ধরিয়ে দিলো। 
একটা গুরুত্বপূর্ণ কল আসায় তাদেরকে একজন কেয়ারটেকারের কাছে রেখে পাশে ই একটা ফাঁকা জায়গায় গেলো কল এ্যাটেন্ড করতে।
আর কেয়ারটেকার ফোনেও একটা কল আসায় সেও একটু দূরে কথা বলতে গেলো আর এইসুযোগে আহান পাশের একটা বিড়াল ছানাকে শুয়ে থাকতে দেখে হামাগুড়ি দিয়ে তার কাছে গিয়ে তাকে নিজের হাতে থাকা কলাটা খেতে দিলো তবে বিড়াল কখনো কলা খায়না।বার বার আহান নিজের ফোকালা দাতে হেসে বলতে লাগলো, তাও, তাও,অনেত মজা, তাও তুমি আমাল মিত্তি বাত্তা।তাও তাও।
বেচারা বেড়ালছানা বার বার নিজের মুখ সরিয়ে নিচ্ছে। আর আহান বার বার তাকে খেতে বলছে বেচারা পড়েছে বহুত মুসিবতে🤣🤣🤣।
বার বার খেতে বলায়ও যখন বিড়াল ছানা খাচ্ছে না দেখে আহান রেগে গিয়ে তাকে তার নেংটি ধরে আছাড় মারতে লাগলো।
আর আরিদ আশেপাশে কাউকে না দেখে পাশে থাকা কাদার মাটির ও সামান্য পানি দেখে তার চোখ খুশিতে চকচক করে উঠলো।সে দ্রুত নিজের সদ্য হেটে বেড়ানো পাজোড়া নিয়ে গুটিগুটি পায়ে কাদাযুক্ত পানিতে গিয়ে বসে পড়ে দুইহাত দিয়ে পানিতে হাত দিয়ে পানিতে বারি দিয়ে খেলতে লাগলো।পুরো গায়ে কাদা মাটি দিয়ে মাখো মাখো হয়ে গেলো।এই বাচ্চাকে দেখে যে কেউ চিনতে পারবে না যে এটা কোনো মানুষের বাচ্চা।
প্রায় ২০ মিনিট পর নিজের কথা শেষ করে যখন সেই মাদুরে পাতা জায়গায় ফিরে এলো তখন আশে পাশে তার বাচ্চাদের কে না দেখে চিন্তায় তার গলা শুকিয়ে গেলো।একটু খোজাখুজি করার পর দেখলো তার বিচ্ছু বড় ছেলে আহানকে, যে তখনও ছোট্ট বিড়াল ছানাকে আছাড় মারতে মারতে আধমরা বানিয়ে ফেলেছে। 
আরেকটু হলে বেচারা বিড়ালছানা শিওর মরে যাবে।সে দ্রুত গতিতে তার কাছে গিয়ে আহানের হাত থেকে ছানাকে ছাড়িয়ে দিলো।ছাড়া পেয়ে বেচারা বিড়াল ছানা খুড়িয়ে খুড়িয়ে হেঁটে পালিয়ে গেলো।
(বিড়াল বি লাইক:চাচা আপন প্রান বাঁচা🤣🤣🤣,জীবনে আর এই এরিয়ায় আসবো না🤣🤣🤣।)
মিহিয়া তাকে কোলে নিয়ে পানি দিয়ে ও হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে তার হাত পরিষ্কার করে দিয়ে, রেগে গিয়ে ধমকে বললো,
~~তোমাদের আমি বলে যাইনি এখান থেকে এক পাও নড়বে না।তাও এখন থেকে ওখানে কি করতে গেছো,আর দুইটা কই যে গেলো? ১০ দশ আমার পেটে থেকে বের হয়ে,হয়েছে একদম বাবার মতো বদমাইশ। বেয়াদব কোথাকার,, 
বলেই রেগে তার গালে একটা মারতে গেলো কিন্তু তার আগেই আহান ঠোঁট উল্টিয়ে চোখে পানি এনে তোতলানো সুরে বললো,
~ মাম্মা টুমি আমাতে বতছো।
ছেলের চোখে পানি দেখে কোনো মা কি আর মারতে পারে সে আহান আর মারলো না সে তাকে কোলে নিয়ে বাকি দুই বিচ্ছুকে খুজতে লাগলো ঠিক তখনি কেয়ারটেকার মেয়েটা তার সামনে এসে বললো,ম্যাডাম কি খুঁজছেন।
মেয়েটার কথাটা শুনে রাগে ফেটে পড়লো। রাগে চোখ চোখগুলো লাল হয়ে গেলো।রাগী কন্ঠে মহিলাটির উদ্দেশ্য বললো,আমি আপনাকে বাচ্চাদের খেয়াল রাখতে বলেছিলাম আপনি সেটা না করে আশেপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।গড প্রমিস আপনার বেখেয়ালির জন্য আমার বাচ্চাদের যদি কোনো ক্ষতি হয় আমি আপনাকে ছেড়ে দিবো না,,
বলেই আহান কে কোলে নিয়ে আরিদ কে জোরে জোরে ডাকতে লাগলো।আর কিছুক্ষণ খোজার পর ছোট্ট আরিদ ডাক শুনে নিজের সদ্য গাজানো ছোট ছোট দাত বের করে মিহিয়ার সামনে গিয়ে হেসে বললো,~~মাম্মা তুমি আমাতে খুচছো।আমি ইতানে।,,
চোখের সামনে আরিদকে পুরো কাদামাখা হয়ে থাকতে দেখে, মিহিয়া প্রথমে ভয় পেয়ে গেলেও পরে ছেলেকে চিনতে পেরে বললো,
~~ তুমি কাঁদা মাটিতে নেমেছিলে।,, 
মায়ের রাগী কন্ঠ শুনে আরিদ কেদে দিল তবে মিহি নিজের রাগ কন্ট্রোল করতে না পেরে আরিদের গালে জোরে একটা থাপ্পড় মারলো।ছোট্ট আরিদের ফর্সা গালে তার হাতের পাঁচ আঙুলের ছাপ পড়ে গেলো।
তারপর কেয়ারটেকার কে দিয়ে গাড়ি থেকে পানির বোতল নিয়ে এসে আরিদকে পরিষ্কার করে দিলো।তারপর আহানকে, আরিদকে ওই মহিলার নিকট দিয়ে আফরাকে খুঁজতে লাগলো।
অনেক খুজে যখন পেলোনা তখন সে মাটিতে বসে কাঁদতে লাগলো।তবে কিছুক্ষণের মধ্যে কিছুটা দূরে কয়েকজন লোকের চেচামেচির আওয়াজ শুনে সেখানে গিয়ে দেখতে লাগলো।অনেকগুলো লোক আফরাকে ঘিরে ধরে আছে।মিহি সকলের সামনে গিয়ে আফরাকে জরিয়ে ধরে বললো,
~কি হয়েছে আপনারা আমার মেয়ের উপর এত চেচাচ্ছেন কেন কি করেছে ও।
লোকগুলো মিহিয়ার কথা শুনে রাগী কন্ঠে বললো,আপনার মেয়ে আমার ছেলের গালে কামড় দিয়ে রক্ত বের করে দিয়েছে। 
মিহি লোকগুলোর কথা শুনে সেই ছেলেটার দিকে তাকিয়ে দেখলো সত্যি সত্যি সেই ছেলেটার গালে কামড়ের দাগ।যা দিয়ে কিছুটা রক্ত বের হচ্ছে। 
ছেলেটার বাবা মিহির উদ্দেশ্য বলে উঠলো,
~" নিজের বাচ্চার খেয়াল রাখতে পারেন তো বাচ্চা নেন কেন?যত্তসব ফালতু লোক কই থেকে আসে যে এগুলো।,,
বলেই নিজের ছেলেকে নিয়ে চলে গেলো।আর মিহি রাগে হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেললো।সে আফরার পিঠে নিজের হাত দিয়ে জোরে জরে থাপ্পড় মারতে লাগলো।ছোট্ট আফরা তখন কাঁদতে কাঁদতে বললো,মাম্মাম তুব লাগচে।
তবুও মিহি তাকে মারতেই লাগলো।মারা শেষে সে আফরা, আরিদ ও আহানকে নিয়ে বাড়িতে এসে পড়লো। 
★★★
রাতে আহান আরিদ ও আফরার প্রচন্ড জ্বর এলো।
রিদি বোনকে কারন জিজ্ঞেস করলে সে যখন তাকে সব বললো তখন রিদি মিহিকে অনেক কথা শুনিয়ে দুয়েছে।বাচ্চাগুলোকে মেরে মিহি নিজেও অনেক কেঁদেছে।সেও তো মানুষ তারও তো রাগ আছে কতক্ষণ আর এদের দুষ্টুমি সহ্য করবে। এখন বাচ্চাদের অসুস্থতা দেখে নিজেকেই নিজের মেরে ফেলতে মন চাচ্ছে। 
সারারাত সেবা করার পর সকালে যখন বাচ্চাদের জ্বর ছাড়লো তখন আফরা মিহির কাছে আর থাকতে চাইলো না দৌড়ে রিদির ঘরে গিয়ে তাকে মায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে লাগলো নিজের তোতলানো স্বরে বললো,
~~মনি মাম্মা আমাতে এও এও জুলে জুলে মেলেচে, উফফ আমাল তুব দুক্কু লেগেচে।,,
বলেই মিহি যেভাবে মেরেছে সেভাবে অবিকল নকল করে রিদিকে দেখাতে লাগলো।যা দেখে দরজার আড়ালে থাকা মিহিয়ার চোখে জ্বল চলে আসলো।
চলবে,
( কোনো জানিনা লিখতে মন চাইলো লিখে ফেললাম,আর পর্ব কালকে দিবো)

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১২তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন