ফন্ট সাইজ:
থিম:
আকাশপ্রিয়া

৪র্থ পর্ব

লেখক: দুর এ দিলশাদ দুআ

#আকাশপ্রিয়া

#পর্ব৪

#dure_dilshad_dua_দুর_এ_দিলশাদ্_দুআা

[🚫কপি করা নিষেধ ]

পাহাড়ি রাস্তায় হালকা কুয়াশা ভেসে এসেছে।

দূরে ঝরনার জল গড়িয়ে যাচ্ছে পাথরের ওপরে, বাতাসে ভেজা পাতার সোঁদা গন্ধ।

সাদা রেঞ্জ রোভার গাড়ি থেমেছে রাস্তার বাঁকায়।

গাড়ি থেকে নামল আকাশ

কাঁচের উপর ঝলমল করা সানগ্লাস সরিয়ে সে চারপাশের দিকে তাকাল,

দৃঢ় অথচ রহস্যময় চেহারায় যেন পাহাড়ের সব কিছু তার চোখের নীচে পড়ে।

তার শার্টের সাদা কাপড়ে ভেজা বাতাসের ছোঁয়া,

আর কোমরের কালো বেল্টের ঠিকানা, সব মিলিয়ে এক ধরণের প্রভাব ফেলছে।

তবে আজ আকাশের চোখে এক অদ্ভুত উত্তেজনা।

কিছু একটা তাকে ডেকে নিয়ে এসেছে — পাহাড়, কুয়াশা, বৃষ্টি —

আর সেই ডাকে কেবল সে বুঝতে পারছে,

যে মানুষটি সে খুঁজছে, তাকে খুঁজে বের করতে হবে।

পায়ের প্রতিটি ধাপ পাহাড়ের ভেজা পাথরের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে।হালকা বাতাস তার মুখে আঘাত করছে, বৃষ্টি এখনও ফোঁটা ফোঁটা পড়ছে।

রাত ঘনিয়ে এসেছে পাহাড়ে।

বৃষ্টি এখন আর টুপটাপ নয়—ছাদের টিনে পড়ছে অবিরাম, একটানা শব্দে, যেন কারও না বলা কথার ভার ঝরছে আকাশ থেকে।

কটেজে ফিরে দরজাটা ধীরে বন্ধ করল আকাশ।

ভেতরে ঢুকেই আলো জ্বালাল না। অন্ধকারই তার পছন্দ। ভেজা জ্যাকেটটা চেয়ারের পিঠে ছুঁড়ে রেখে জানালার কাছে গিয়ে দাঁড়াল। বাইরে শুকনো কিছুই নেই—পাহাড়, গাছ, রাস্তা—সবকিছু বৃষ্টিতে একাকার।

তার মাথার ভেতরেও ঠিক তেমনই অবস্থা।

আজ সারাদিন একটু পরপর রাস্তায় দেখা সেই অচেনা মেয়েটার মুখ ভেসে উঠছে।জিনিসটায় সে দারুণ বিরক্ত হচ্ছে। এমননা তো হয় না কখনো তার সাথে, সে জেন্টলম্যান বরাবর।বন্ধুরা ধরেই নিয়েছে তার যে মতিগতি,প্রেম-বিয়ে বিদ্বেষী মনোভাব,নারীর প্রতি উদাসীনতা। আজ থেকে ৫০ বছর তাদের গ্রুপের মধ্যে মোস্ট এলিজেবল ব্যাচেলর হবে তাদের আকাশ এহনাজ চৌধুরী। বন্ধুদের সবার নাতি নাতনিদের বিয়েতে গিয়েও একই ধমকের সুরে বলবে আই ডোন্ট বিলিভ ইন লাভ!সো রাবিশ...

অথচ আজ সকালের সেই চোখে চোখ পড়ার মুহূর্তটা তার মতো পুরুষের বুকটাও কাপিয়ে দিচ্ছে।ভাবা যায়.

আকাশ চোখ বন্ধ করল।

এক মুহূর্তের জন্য মনে হলো, সে নিয়ন্ত্রণে নেই নিজের।

*****

পাহাড় আজ শান্ত।বৃষ্টির ছোঁয়া এখনো মাটির গায়ে,তবে আকাশ পরিষ্কার।আবহাওয়া অধিদপ্তরের বানীকে আজ বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রোদ ওঠার সম্ভাবনা ৭০%।প্রিয়া খুশি হবে কীনা বুঝতে পারছে না।কিছু প্র্যাকটিকাল সাইন করাতে কলেজ যেতে।হবে।আজকে।মনটা এখনো ভালো হয়নি তার।শিয়া একটু পর বেরিয়ে যাবে অফিসে।ছুটির পর নতুন প্রজেক্ট নিয়ে আজ তার প্রথম দিন অফিসে।কে জানে ব্যস্ততা কতটুকু।ফিরতে কতক্ষণ লাগে।প্রিয়া চটপট ফোন করে তার ফ্রেন্ডগুলোকে।একেবারে রেডি হয়ে নিচে নেমে এলো সে।গতকাল ময়ের রান্না করে রেখে যাওয়া খাবারগুলো ইতিমধ্যেই শিয়া গরম করে টেবিলে সাজিয়ে ফেলেছে।

-প্রিয়ু খেয়ে নিস বোন প্লিজ।আমি এখন কিছুতেই সার্ভ করতে পারবোনা।দেখ ৯ টা অলরেডি বেজে গেছে।আমাকে বের হতে হবে।

-তা খাবো।তুমি খেয়েছো?

-আমি জ্যাম পাউরুটি খেয়েছি হালকা।আর কিছু খাওয়ার আমার একদম সময় হবেনা এখন।তুই খেয়ে নিস।

প্রিয়া কে আর কথা বলার সুযোগ না দিয়ে ব্যাগ টা হাতে নিয়ে শিয়া হুড়মুড় করে বেড়িয়ে যায়...

প্রিয়া টেবিলে বসে খাবার খেতে শুরু করে।খাবার গুলো একদম গলা দিয়ে নামতে চাচ্ছেনা।বাবা কে ছাড়া সে কখনো নাস্তা করেনা একা একা...অথচ আজ পুরো বাড়িতে তারা দুবোন একা...সে ধীরেসুস্থে হালকা খেয়ে বেড়িয়ে পরে কলেজের জন্য...

****

-প্রিয়ুুুউউউ,এসেছিস তুই!

প্রিয়া একগাল হেসে দৌড়ে আসতেই অপর পাশে জনও জাপটে ধরলো প্রিয়া কে। রিমি তার বেস্ট ফ্রেন্ড... সেই ছোট্ট বেলা থেকে একসাথে বড় হয়েছে।ইউনিভার্সিটি তেও একসাথে থাকার জন্য প্ল্যান, আর চেষ্টার কমতি নেই কারোর... মেয়েটা তার সব পাগলামির সঙ্গী...

- কি অবস্থা সেটা বল।

"পড়াোশনা আমার ভাল্লাগে না,

পড়াশোনা বিষের বরি

পড়াশোনার জ্বালায় মনে হয়

গলায় দিমু দড়ি"

প্রিয়ার এহনে গানে দু'জনেই আকাশ পাতাল এক করে হাসতে থাকে।

-যা বলেছিস!এই এক্সামগুলো শেষ না হওয়া অবধি শান্তি নাই।আমার মায়ের মতিগতি এমন যে বাথরুম করতে গেলেও কয়,অতক্ষণ বাথরুম এ সময় নষ্ট না করে পড়তে বয়।কেমনডা লাগে বল।প্রকৃতির ডাকের সাড়া কি আর এতো সহতে উপেক্ষা করা যায়,তা সে যতই জন্মদাত্রী মা হোক বা পিতা...

রিমির কথায় প্রিয়া হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খায় কলেজ মাঠে...

-তুই তো তাও বাচলি।আংকেল আন্টি এখন প্রেশার দিবে না।মেরা কেয়া হোগা কালিয়া...

-আরেও আর তো ২ মাসই।তারপর অ্যাডমিশনের ঝামেলায় শেষ হলেই বেচে যাই বল...

রিমি ভাবুক এর মতো মাথা নাড়ায়।মুখটা দারুণ গম্ভীর করে বলে।

-বুঝলি প্রিয়ু,তোর জন্য পাত্র দেখতেছি আমি।আমার ভাইটা বড় হলে এতো সমস্যাই ছিলো না।বাপ মা খালি আমার আগে ওরে ডাউনলোড করলে এতো সুন্দর একটা পাত্রী হাতছাড়া হওয়ার ভয় থাকতোনা আমার।ধুর...

-হয়েছে হয়েছে।তোর এই কথা আমি হাজার বার শুনেছি।চল এখন ভিতরে চলে।ঝামেলা শেষ করে আসি..।

দুজন দুজনের কাধে হাত রেখে হেলেদুলে, খিলখিল করতে করতে ক্লাসে চলে যায়...

***

সবাই মিটিং রুমে বসে আছে।এখন অবধি এখানকার অফিসের কাগজপত্র এসে পৌছায়নি...অয়ন,আকাশ সবাই বিরক্ত। মুখ দেখে স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে।প্রথম দিনই এমন উদাসীনতা। আশ্চর্য.!আয়ন এবার দাড়িয়ে পরলো।রাগান্বিত স্বরে জিজ্ঞেস করলো

-আপনাদের এখানাকর এমপ্লয়ি রা কি সবাই রোজ রোজ এতো দায়িত্বহীনতার পরিচয় দেয়?

-সরি স্যার।এরকম হয়না কখনো।স্যার প্লিজ ১০ মিনিট টাইম দিন।আমি আমার এমপ্লয়ি কে কল করছি।ও খুব টাইম মানে।আজ কোনো প্রবলেম হয়েছে....

কথা শেষ করার আগেই হুড়মুড় করে দরজায় নক করলো কেউ।ঢুকেও পরলো তাড়াহুড়ো করে।

-সরি সরি,সরি স্যার।আ্যম এক্সট্রিমলি সরি।রাস্তায় বাজে ভাবে আটকে পরেছিলাম। অ্যাম স...

শিয়া তাড়াহুড়ো আর ভয়ে একটানা কথা বলতে বলতে থ মেরে গেলো।সামনের মানুষগুলো কে দেখে...

ঘরভর্তি মানুষগুলোরও রাগ নিমিষেই পরে গেলো বইকি।একেকজন একেকজন এর দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে...পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আকাশ হালাক শব্দ করলো...

শিয়া নিজেকে সামলে নিলো পর মূহুর্তেই...আবার সাফাই দিতে বললো

-অ্যাম এক্সট্রিমলি সরি এগেইন।রাস্তায় কনস্ট্রাকশনের কাজে আটকে গেছিলাম।আমার জন্য প্রথমদিনই এতোটা দেরি।ক্ষমা করবেন আমাকে প্লিজ...

অয়ন গম্ভীর মুখে বললো...

-ইটস্ ওকে।ইউ ডোন্ট নিড সে সরি।মিস অর মিসেস...?

-মিস ইনশিয়া রহমান...

শিয়া নিজের নাম বলে ফাইলগুলো এগিয়ে দিলো টেবিলে..

-ওকে মিস ইনশিয়া। ইউ ক্যান সিট নাও...লেটস্ দা মিটিং স্টার্ট...রাতুল লেটস গো...

রাতুল উঠে, প্রফেশনাল ভাবে মিটিং শুরু করে দিলো...

শিয়া নিজের অসস্তি এড়াতে পারছেনা কিছুতেই।কাল অবধিও টের পায়নি আজকে আবার দুজনের মুখোমুখি দেখা হয়ে যাবে।যতদূর বুঝলো এখানকার প্রজেক্ট টা তার মানে এনাদের। তাদের অফিস এখন এনাদের পার্টনারশিপ এ কাজ করছে।মানে কি! তার মানে আগামী দিনগুলোতে দিনরাত তার মুখোমুখি থাকবে!

****

শিয়া শান্ত অথচ কঠিন গলায় বললো...

“আমি তো জানতামই না তোমরা এই সাইটে আছো...

মিটিং শেষে কিছু কাগজপত্র সাইন করাতে আকাশ,অয়নদের কেবিনে এসেছে শিয়া।রুমে আকাশ,অয়ন ছাড়াও রাকিব,রেদোয়ান ও আছে...

-রেদোয়ান উঠে শিয়া কে বসার জন্য বললো।

-মিস শিয়া প্লিজ সিট

শিয়া ফাইল খুলে বসে পড়ল।কথা পুরোপুরি কাজের দিকে ঘুরে গেল—ডেডলাইন, বাজেট, লোকাল কন্ট্রাক্ট।

সব একদম ঠিকঠাক।তবু একই ঘরের দুটো মানুষের বুকের ভেতর কোথাও অদ্ভুত খচখচানি হচ্ছে।বাকিরাও টের পাচ্ছে সেই অস্বস্তি...

শিয়া বুঝলো এই মানুষগুলোর সামনে বসে কাজ করা—সহজ হবে না।

একসময় সে শান্ত স্বরে বলল,

“আমি আমার হেড অফিসে কথা বলব।

যদি সম্ভব হয়, এই অংশের দায়িত্বটা অন্য কারো কাছে ট্রান্সফার করা যায় কি না।” আপনাদের তরফ থেকে প্লিজ পারমিট করবেন।

অয়ন কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাল না।শুধু বলল,

“আপনি যেটা ঠিক মনে করবে।”

আকাশ তাকাল তার দিকে।

কিছু বলতে চেয়েও চুপ থাকল।

শিয়া চেয়ার ঠেলে উঠে দাঁড়াল।

“ধন্যবাদ"

বলেই স্বাভাবিক ভদ্রতায় ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।দরজা বন্ধ হওয়ার পরও ঘরটা ভারী রয়ে গেল।

অয়ন জানালার দিকে তাকিয়ে রইল।তার চোখে একচিলতে ক্লান্তি।

আকাশ ধীরে ধীরে বলল,

“তুমি জানতে… তাই না?”

অয়ন উত্তর দিল না।সে জানতো আকাশ তাকে এই প্রশ্নটাই করবে।

****

প্রিয়া কলেজ থেকে ফিরেছে সেই অনেক আগে।এসে বিছানায় গা এলাতেই ঘুমের দেশে পারি দিয়েছিলো।ঘুম ভাঙতেই খেয়াল করলো অন্ধকার নেমে এসেছে,সূর্য ডুবে পাহাড়ের দেশে অন্ধকার নেমে এসেছে বহুক্ষণ আগেই।বৃষ্টি থেমেছে, কিন্তু পাহাড়ের বাতাস এখনও ভেজা। কুয়াশা হালকা, দূরে ঝরনার পানি পাথরের ওপর পড়ে ঝনঝন করছে। প্রিয়া জানালার পাশে দাঁড়িয়ে বাইরে তাকাল। পাহাড়, কুয়াশা, নরম আলো—সবকিছু যেন এক আকাশের নীরবতায় মিশে গেছে।

ভেতরের ঘরে একটা আলোর রেখা পড়ছিল সোফার ওপর। প্রিয়া চোখে ধরল,শিয়া সেখানে বসে আছে—হালকা ঢলে ভিজে, ক্লান্ত, চুপচাপ। চোখে লেগে থাকা ক্লান্তি যেন শরীরের সঙ্গে মিশে গেছে। সে হাসি দেওয়ার চেষ্টা করছে, কিন্তু চোখে সে উষ্ণতা নেই।

প্রিয়া অচেনা এক ভাবে বুক ভিজে গেল। সে অনুভব করল, শুধু চোখের সামনে বসে থাকা মানুষটার ভিতরে কতটা ভার আছে, কতটা নিঃশব্দ ব্যথা। একটা অজানা, অদৃশ্য চাপ।

ধীরে ধীরে সে সোফার পাশে বসল।

“আপু… আজও খুব ক্লান্ত লাগছ,”

শিয়া মাথা নেড়ে হালকা হেসে দিল, কিন্তু হাসিটা চোখে পৌঁছাল না।

শিয়া চুপচাপ তার হাত পাশে রাখল, না টানল, না শক্ত করল—শুধু উপস্থিতি।

-রেস্ট নাও,চা আনবো?

শিয়া বোনের মুখে দিকে তাকালো।মায়াবী বোনটা তার,ঘুমানোর ফলে মুখটা ফোলাফোলা।হেসে বললো

-হু।নিয়ে আয়।

প্রিয়া খুশি হয়ে গেলো,

-এক দৌড়ে যাবো এক দৌড়ে আসবো।বসো।

*****

সকাল সকাল রেহান, রাতুলদের জোরাজোরি তে বের হতে হয়েছে আকাশদের...প্রজেক্ট এট অফিশিয়াল কাজ শুরু হতে আরও ২ দিন।তারা এখানে এসে পৌছেছে ৩ দিন হলো।বৃষ্টি,কাজ গুছিয়ে নেওয়া সব মিলিয়ে বের হতে পারেনি।আজকে তাড়া জোর চেপে ধরেছে আকাশ, অয়ন কে,যাই হোক না কেনো আজ বের হতেই হবে।অগ্যতা...সকাল সকাল ব্রেকফাস্ট করেই জিপ নিয়ে বেরিয়ে পড়েছে সবাই।রাস্তার দুধারে বড় বড় গাছ,জঙ্গল,বৃষ্টিতে গাছগুলো সতেজ,পাহাড়ের অনেকটা কাছাকাছি বলে মনে হচ্ছে কোনো এক মেঘেরে দেশে...পাহাড়ি আকাবাকা রাস্তা ধরে এগিয়ে চলছে জিপ।ড্রাইভ করছে সয়ং আকাশ এহনাজ চৌধুধি...

রিয়ান: এই আকাশ!অয়ন ভাই আসলে পারতো কিন্তু।

:রাতুল:- আসার পর থেকে দেখছি ভাইয়া কিছু একটা নিয়ে ডিসটার্ব... জানিস কিছু...

আকাশ কোনো উত্তর দিলো না।ওরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছে...হঠাৎই আকাশ বলে উঠলো...

-রেদোয়ান।দেখিস তো এখানকার কোম্পানির যে ম্যানেজার এর দায়িত্বে আছে।সে যেনো কোনোভাবে ট্রান্সফার না হয়...

রেদোয়ান :- কে? মিস ইনশিয়া?

আকাশ: হ্যা...যদিও এই মিটিং এ অয়ন ভাই যাবে।মেয়েটাকে সরানোর কথা উঠলে সে হয়তো কিছু বলবে না।তবুও সরানো যেনো না হয়।

রাতুল:- কিন্তু...

আকাশ এবার বিরক্ত হয়ে তাকালো।

-তোরা প্রশ্ন করা বন্ধ করবি?আর রাতুল তোরও কি ওদের মতো সবসময় নেশা চড়ে থাকে

রাতুল আকাশ এর হঠাৎ রেগে যাওয়ার কারণ বুঝলো না...

রাতুল: বুঝলাম না...

আকাশ- যার কথা বলছি দেখেছিস তাকে?

রাতুল: আমি দেখবো কখনএ দুই দিন তো আমাদের অফিস,আর কটেজ গুছাইতেই গেলো আমার।

আকাশ দীর্ঘশ্বাস ফেললো।সত্যি তো রাতুল জানবে কিভাবে....সে তো সেদিন মিটিং এ ছিলোই না।

-দেখিস নি,দেখে নিবি কাল গিয়ে।আর মেয়েটা জেনো ট্রানফার না হয়।

রাতুল ঘাড় নেড়ে সম্মতি জানালো...

পাহাড়র গা ঘেষে গাড়ি চলছে।রেদোয়ান গলা ছেড়ে গান গেয়ে উঠলো,সবাই তার সাথে গলা মেলালো..

৷ ""চলো না ঘুরে আসি অজানাতে

যেখানে নদী এসে থেমে গেছে""

চলবে....

[রিচেইক দেওয়া হয়নি,বানান ভুল থাকতে পারে]

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৪র্থ পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন