ফন্ট সাইজ:
থিম:
পিচ্ছি বউয়ের সংসার

৭ম পর্ব

লেখক: তামিম

#গল্প_পিচ্চি_বউয়ের_সংসার পর্ব ৭

পপি চিঠি টা পড়ে মেঝেতে বসে পড়লো, বুক টা ফেটে যাচ্ছে কস্টে কারন ইথান বাসা ছেড়ে চলে গেছে। আর অন্য কেউ ইথানের জীবনে আছে। পপি ভাবতেও পারে নাই ইথান এমন টা করবে।
সকালে পপি কে রুমে না পেয়ে ছাদে আসে পপি কে খুঁজতে আসে পপির মা। এসে দেখে পপি ইথানের রুমের ফ্লোরে বসে কাঁদছে। তাই দেখে পপির মা, পপির কাছে যায় আর জিজ্ঞেস করে কি হয়েছে।
পপি - ( তখন চিঠি টা তার মায়ের হাতে দেয় )
পপির মা চিঠিটা খুলে দেখে...
আন্টি আংকেল আমাকে মাফ করে দিবেন, চোরের মত পালিয়ে আসার জন্য। আমি না বলে আসছি এর একটা কারন আছে, কাল যখন পপি বলল সে আমাকে ভালবাসে। আমি আপনাদের অনেক সম্মান করি, আর আপনারা আমাকে নিজের ছেলের মতো দেখেছেন আমি কি করে আপনাদের সাথে বেইমানি করি। তাই তো আপনাদের না বলেই চলে গেলাম, আর পপি কে ভালো পাত্র দেখে বিয়ে দিবেন। আর একটা কথা আমি বিবাহিত, সেটা পপি কে প্রথম দিনই বলে ছিলাম কিন্ত ও বিশ্বাস করে নাই। আপনাদের অনেক কথা বলার ছিলো যদি কোন দিন দেখা হয় সেদিন বলবো বাকি কথা। আমি কোন ভুল করে থাকলে আমাকে মাফ করে দিবেন।
চিঠিটা পড়ে পপির মা কিছুক্ষন ধরে মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে ছিলেন কিছু বলছিলেন না। লায়লা বেগম বুঝতে পারলেন তার মেয়ে পপি ইথান কে অনেক ভালবাসতেন। তখন লায়লা বেগম তার মেয়ে কে শান্তনা দিলেন, কিন্ত পপি প্রচুর কান্নায় ভেঙে পড়ছে। ইথান এমন টা করবে তা কল্পনাও করতে পারে নাই।
ইথান ঐ দিকে প্রায় ২ বছর ৭ মাস পর বাড়িতে যাচ্ছে। ২ বছর পর ইথান নিজ বাড়িতে প্রবেশ করছে। বাড়ি টা সেই আগের মতই আছে কোন পরিবর্তন হয়নি। বাড়ি তে ঢুকবে কিন্ত গেইটে ধাক্কা দিতেই দাঁড়ওয়ান দৌড়ে এসে বলল...
- আরে আরে কে আপনি এই ভাবে বাসায় ঢুকে পড়তাছেন, আমার চাকরি তো প্রায় নট করে দিয়েছিলেন।
- ( মনে মনে করিম কাকা তাহলে নেই আর চেন্স হয়েছে )
- তা ভাই আপনি কে? এই বাড়িতে কাকে চাই?
- এটা কি রফিক সাহেবের বাসা।
- জে এইডা রফিক স্যারের বাসা।
- ও তাহলে আমাকে এই বাসায় ঢুকতে হলে কি করতে হবে?
- আপনি কার কাছে আইছেন তার নাম বলতে হইবো, তার পর আমি বাসা থেইকা অনুমতি নিয়া আসমু তারপর পর আপনারে যাইতে দিমু।
- আমি শারমিন ম্যাম এর সাথে দেখা করব।
- আচ্ছা আপনি এইখানে একটু দাড়ান, আমি ভেতর থেকে অনুমতি নিয়ে আসছি।
ইথান সরাসরি যেতে পারতো পরিচয় দিয়ে, কিন্ত একটু দেখতে চায় তাদের একমাত্র ছেলের জন্য তাদের কতখানি ভালবাসা। দাড়োয়ান ভিতরে গেলো আর গিয়ে বলল...
- খালাম্মা আপনার সাথে একজন লোক দেখা করতে আসছে।
- কে আসছে? নাম কি কোথায় থাকে? ( আম্মু )
- তা তো জানি না, শুনে আমি এখনি আসছি?
- এর আগে কি এখানে আসছিলো।
- না খালাম্মা এর আগে দেখিই নাই কোন দিন।
- তাহলে ভুল করে আসছে। যা আর বিরক্ত করবি না, আমার মাথা টা খুব ধরছে।
দাড়োয়ান এসে ইথান কে বললেন।
- ভাই আপনি মনে হয় ভুল করছেন, আপনি যে বাসা খোঁজছেন..??
- না এটাই সেই বাসা, প্লিজ আপনি গিয়ে বলেন ইথান আসছে।
- না ভাই আমি যাইতে পারব না, কারন এই বার গেলে আমার চাকরি শেষ।
- আপনি শুধু গিয়ে বলেন ইথান আসছে, আপনার চাকরি নট হবে না।
- আরে মিয়া কিসের ইথান সিথান কইতাছেন, খালাম্মার খুব মাথা ব্যথা মানা করছে।
ইথান তখন ১০০ টাকার একটা নোট বের করে এইবার যাবেন তো??
- ভালবেসে যখন দিচ্ছেন তো না করি করে আপনি এখানে বসেন আমি এখনি আসছি।
দাড়োয়ান আবার ভিতরে গেলো গিয়ে বলল...
- তুই আবার আসছিস? ( আম্মু )
- খালাম্মা উনার নাকি খুব দরকার, আপনাকে?
- নাম কি?
- নাম টা জানি কি কইলো,মাথা চুলকাতে কি জানি, ভুলে গেছি?
- আবার যদি আসিস তোর খবর আছে।
- আচ্ছা আর আসবো না। কিন্ত নাম টা কি জানি কইলো ইথান নাকি সিথান।
মা কৌতুল হয়ে কি নাম বললি?
- ইথান ইথান মনে পড়ছে ইথান।
ইথানের মা তখন দৌড়ে বের হল। গেইটের দিকে তাকিয়ে দেখলেন ইথান দাঁড়িয়ে আছে তার সাত রাজার ধন। ইথান কে দেখে ইথানের মায়ের চোখে পানি চলে আসে। আর দৌড়ে গিয়ে রাস্তায় হাউমাউ করে কেঁদে জরিয়ে ধরলেন, আর বললেন তুই কোথায় ছিলি এত দিন আমাকে ছেড়ে,বল কোথায় ছিলি, তুই মাকে ছেড়ে কেমনে ছিলি। ইথানের চোখেও পানি। দাড়োয়ান হা করে তাকিয়ে বলল...
- আচ্ছা খালাম্মা উনি কে?
- আরে ছাগল ও ছোট সাহেব, তুই ওকে চিনিস না। তুই আগে আমাকে বললি না কেনো ইথান আসছে। আজ থেকে তোর চাকরি শেষ। ( আম্মু )
- না মা, আমি না করছিলাম। থাক! ( ইথান )
- ভাইজান আপনার ১০০ টাকা।
- রেখে দেন।
ইথানের মা ইথান কে নিয়ে বাসার ভিতরে গেলো। ড্রইংরুমে বসিয়ে ইথান কে বলল...
- বাবা তুই এতদিন কোথায় ছিলি? এমন শুকিয়ে গেছিস কেনো?
- মা কই শুকাইছি! আগে ছিলাম ৬০ কেজি এখন ৬৫ কেজি।
- তুই বললেই হল, এই হাড় দেখাচ্ছে।
সত্যি মায়ের ভালবাসার সাথে দুনিয়ার আর কোন ভালবাসার তুলনা হয় না।
- মা নুসরাত কোথায়, ওকে তো দেখছি না? ( ইথান )
- ও তো স্কুলে এখন!
- ওহ! আমার বাইক টা কই।
- স্টোর রুমে আছে! আগে আমি তোর বাবা কে এখনি ফোন দিচ্ছি। তুই এখানে বস আমি এখনি ফোন করে আসি।
মা বাবা কে ফোন করে আসলো। ৫ মিনিটের মধ্যে দেখি বাবা এসে হাজির। বাবাও এসে কান্নাকাটি শুরু করলেন। তারপর বাবা বললেন আচ্ছা অজন্তা কই দেখছি না তো।
- ( ও এখনো আমাদের বাড়িতে আছে মনে মনে )
- ও তো গোসল করছে এখনো বের হয়নি। তুই উপরে যা ফ্রেশ হ। অজন্তা উপরে আছে দেখলে অনেক খুশি হবে তুই যাওয়ার পর আর এই বাড়ি থেকে বের হয়নি। ( আম্মু )
- কেনো? ( ইথান )
- জানি না! আমাদের বাসা থেকে স্কুলে যায়! নুসরাতের স্কুলেই ভর্তি হয়েছে, ওদের বাড়ি যায় না।
আমি কিছু বুঝলাম না! আমি উপরে গেলাম, খুব ক্লান্ত থাকায় রুমে এসে শার্ট খোলেই বিছায় চিত হয়ে শুয়ে পড়লাম। এমন সময় ওয়াশরুমের দরজা খোলার শব্দ পেলাম। তাকিয়ে দেখি, যা দেখার জন্য আমি মোটেও রেডি ছিলাম না। ছোট ছোট কাপড় মানে কি সব পড়া অজন্তা বের হয়ে আসলো।
.................
ইথান অজন্তার দিকে তাকাতেই অজন্তা দেখে ফেলে ইথান বিছানায় শুয়ে আছে। তা দেখে কিছুটা অবাক হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে অজন্তা। কিন্ত ইথান এহেম এহেম করা তে অজন্তা বুঝতে পারে দৌড়ে ওয়াশরুমে ঢুকে যায়।
- এতদিন পর আসছে এসেই উনি দেখে ফেলল এমন ভাবে এখন আমি উনার সামনে যাবো কিভাবে। ( অজন্তা নিজে নিজে বলছে )
কিছুক্ষণ পর অজন্তা জমা কাপড় পড়ে বের হয়,লজ্জা লজ্জা ভাব নিয়ে। কিন্ত অজন্তা রুমে এসে দেখে কেউ নেই মানুষের চিহ্ন পর্যন্ত নেই। রুম থেকে বাহিরে তাকিয়ে দেখলো, খাটের তলায় দেখলো, কোথাও নেই।
অজন্তা ভাবলো ঐটা কি তাহলে ভুল ছিল। হয় তো তাই, সারাক্ষণ ভাবি তো উনা কে তাই হয়তো ভুল দেখেছি ভূত ছিলো হয়তো। অজন্তা বুকের উপর থেকে ওড়না টা বিছানার উপর রেখে আয়না নিজে কে দেখছে আর চুল আচরাচ্ছে। এমন সময় আবার ইথান এসে হাজির এইবারও অজন্তা ইথান কে দেখে তড়িঘড়ি করে ওড়না টা বুকের উপর দেয়! দিয়ে আবার তাকায় দেখে ইথান নাই।
- এটা কি হল, আজ এত ভুল দেখছি কেনো? আবার আসুক দেখাবো মজা, আমার ভাবনায় এসে এত প্যারা দিচ্ছে। ( অজন্তা )
অজন্তা এবার ওড়না টা বিছানায় আর রাখলো না। নিজের গলায় ঝুলিয়ে কাজে মন দিলো। কিছুক্ষণ পর আয়নায় তাকিয়ে দেখলো ইথান দরজার পাশে দাঁড়িয়ে আছে।
এইবার অজন্তা বলল...
- এখন আর আপনার থেকে চোখ সরাবো না। আপনি এত লুচু হয়েছেন কেন? যখনি একটু অন্য অবস্থায় থাকি তখনি আপনি আসেন আমার কল্পনায় কিন্ত এ কেমন কল্পনা বুঝলাম না! আসছেনি যখন আর যেতে দিবো না।
বলেই অজন্তা তার ওড়না টা গলা থেকে নিয়ে দূরে ছুঁড়ে ফেলে দিল আর বলল...
- দেখেন তাও আর আমার কল্পনা থেকে যাবেন না প্লিজ?
ইথান ভূত দেখার মতো তাকিয়ে আছে। জীবনে খালি চোখে এইবার প্রথম দেখছে তো তাই। অজন্তা হাত থেকে চিরুনী টা নিচে রেখে তাকিয়ে দেখে ইথার আর তাকিয়ে নেই। উধাও হয়ে গেছে।
আর ইথান বাহিরে এসে ভাবে সালা এইডা কি হয়ছে। প্রথম ইথান এইটা ভেবে বের হয় অজন্তা গোসল করে রুমে আসবে আমাকে দেখে হয়তো একটু লজ্জা পেয়েছে তাই আবার আসে দেখে ওড়না নাই আর কাজও শেষ হয় নাই। তাই আবার বের হয় কিন্ত কিছুক্ষণ পর আবার আসলে পাগল মেয়েটা কল্পনা ভেবে ওড়না ছুঁড়ে ফেলে দিল। আবার গেলে যে কি খোলে ফেলে আল্লাহ জানে, আমি আর ভিতরে যাবোই না। তার চেয়ে আমি নুসরাত কে স্কুল থেকে নিয়ে আসি৷
ইথান স্টোর রুম থেকে বাইক টা বের করে দেখলো, সেই আগের মতোই চকচকে আছে। একটুও ধূলো জমে নাই, তার মানে বাইক টা কেউ প্রতিদিন মুচে। মা কে গিয়ে জিজ্ঞেস করলো ইথান...
- মা আমার বাইক টা তো সেই আগের মতো চকচক করছে।
- নুসরাত প্রতিদিন বাইক টা মুচে রাখে। তুই থাকতে প্রতিদিন ময়লা করতো তোকে রাগানোর জন্য,আর এখন প্রতিদিন মুচে রাখে। ( আম্মু )
ইথানের যা মনে হল, বোন টার প্রতি অন্যায় করা হয়েছে ওর তো কোন দোষ ছিলো না।
টিফিন টাইমে আমি গেলাম নুসরাতের স্কুলে অফিস রুমে গিয়ে স্যারের কাছ থেকে ছুটি নিলাম তারপর নুসরাতের ক্লাস রুমে যেতেই নুসরাত আমাকে দেখে দৌড়ে আসছিলো, কিন্ত হঠাৎ থেমে গেলো। একটু পর কাছে আসতেই ইথান বলল...
- কেমন আছিস? ( ইথান )
- ( নুসরাত চুপ কোন কথা নাই )
- বাসায় চল ছুটি নিয়েছি। ( ইথান )
নুসরাত চুপ চাপ গিয়ে বাইকের কাছে দাঁড়ালো। ইথান বাইক স্টার্ট দিতেই পিছনে চুপ করে বসলো। ইথান রাস্তায় এত কথা বলল কিন্ত কোন কথার উত্তর দিলো না নুসরাত।
ইথান বাইক টা রেখে ভিতরে যেতেই দেখলো অজন্তা আর মা টেবিলে খাবার সাজাচ্ছে। হঠাৎ অজন্তা চোখ দুটো ইথানের দিকে পড়ে। অজন্তা নিজের দিকে তাকিয়ে দেখলো জমা কাপড় সব ঠিক আছে।
অজন্তা ইথানের দিকে তাকিয়ে ইশারায় বলল মা আছে এখন দেখানো যাবে না কিছু। অজন্তা মনে মনে আজ কাল কি আমি জেগে জেগে স্বপ্ন দেখছি নাকি। যাই হোক দেখতে তো পারছি, এত লুচু হওয়া তো ভালো না,যখন তখন এসে পড়া যাবে না।
এমন সময় মা রান্না ঘর বলে উঠলো!
- অজন্তা ইথান কে ফ্রেশ হয়ে খেতে আসতে বলো। ( আম্মু )
অজন্তা কথাটা শুনেই অবাক হয়ে যায়।
- কি বললেন মা? ( অজন্তা )
- ইথান কে বল ফ্রেশ হয়ে আসতে, ছেলে টা এত দিন কোথায় কি খেয়েছে কি জানি। ( আম্মু )
- মানে বুঝলাম না! আপনি কি ভাবে দেখলেন?
- পাগল মেয়ের কথা শুনো, যাও তো মা আগে বলে আসো।
অজন্তা কিছু একটা ভাবতে ভাবতে যাচ্ছে তখন নুসরাত পড়লো সামনে।
- আচ্ছা আজ এত আগে আসলে যে? ( অজন্তা )
- তোমার জামাই গিয়েছিলো। ( নুসরাত ) 
- মানে তোমরা কি পাগল হয়েছো। কি সব বলছো?
- আরে ইথান ভাইয়া আসছে এতে পাগলের কি আছে।
- দূর সব পাগল হয়েছে।
উপরে বাবার রুমে গিয়ে দেখলো বাবা বসে আছে।
- বাবা আজ এত তারাতাড়ি অফিস থেকে চলে আসলেন যে? ( অজন্তা )
- এতদিন পর আমার ছেলে আসছে আমি আসবো না। ( আব্বু )
এইবার অজন্তা ইসসস বলে উঠলো বিড়বিড় করে বলল তাহলে ঐসব সত্যি ছিলো। এখন কি করে উনার সামনে যাবো, এখনি যা লজ্জা লাগছে।
- বিড়বিড় করে কি বলছো এমন। ( আব্বু )
- কিছু না বাবা, আমি যাই! ( অজন্তা )
- হুম।
এখন কি করে রুমে যাবে অজন্তা লজ্জায় লাল হয়ে যাচ্ছে। আর ইথান একটা কথা ভেবে অবাক হচ্ছে এই পিচ্ছি মেয়ে এত পরিবর্তন হল কি ভাবে, এত ম্যাচুরিটি আসলো কি ভাবে। সবার সাথে কেমন মানিয়ে নিয়েছে নিজেকে।
ইথান রুমে শুয়ে আছে এমন সময় অজন্তা লম্বা ঘোমটা টেনে এসে বলল...
- ভাইয়া খেতে আসেন! মা ডাকছে? ( অজন্তা )
- আচ্ছা যাও আমি আসছি। ( ইথান )
ইথানের কথা বলা শেষ হলো আর অজন্তা রুমে লজ্জায় দাঁড়িয়ে থাকতে পারছিলো না।
কোথাও ভুলত্রুটি হলে কমা করবেন। পরবর্তী পর্ব পড়তে সবাই সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৭ম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন