ফন্ট সাইজ:
থিম:
প্রেয়সীর প্রেম বাধন

২য় পর্ব

লেখক: হিমু ইসলাম

#পর্ব_২

#প্রেয়সীর_প্রেম_বাধন
#লেখিকাঃ হিমু ইসলাম


"ধরে শব্দ করে কান্না করতে লাগলো🥺

এসব দেখে
নিলুফা সামনে এগোতে লাগলো
রায়ছুল চৌধুরী সামনে দারিয়ে আরফার দিক ইসারা দিয়ে বললো মেয়ে টা কে ভাইজান আর ভাবি মেয়ে টাকে দেখে কান্না  করতেছে কেনো
রায়ছুল চৌধুরীঃ আগে ওদের কান্না থামাও তারপর আমি সব বলতেছি কথা টা শুনে
নিলুফা পিছন ফিরে আরফা দের কাছে গেলো গিয়ে,
আরফা কে মাহমুদা কাছ থেকে নিজের কাছে নিলো নিয়ে হাতের ইসারায় সায়লা কে ডাক দিলেন
উনি  এতক্ষন সিরির এক পাসে দারিয়ে ফেল ফেল করে তাকিয়ে ছিলেন কারণ উনি কিছুই বুঝতে পারছিলেন না যেহেতু উনাকে ডাক দিয়ে ছে তাই সে দিকে যাছে
নিলুফা কাছে যেতেই উনি বলেন তুমি ভাবি কে নিয়ে গিয়ে বসাও আর পানি খাওয়া ও আমি ওকে নিয়ে fresh করে নিয়ে আসি।

" তারপর সবাই মিলে নাস্তা করবো  করার পর সব কিছু জানা জাবে বলেই
আরফাকে নিয়ে উপরে চলে গেলেন
সায়লা মাহমুদা কে নিয়ে গিয়ে একটা সোফায় বসালো বসিয়ে এক গ্লাস পানি দিলো
মাহমুদা পানির গ্লাস টা হাতে নিয়ে এক নিঃশ্বাস সে ঢোক ঢোক
করে খেলো খেয়ে পাসে থাকা সায়লা কে জরিয়ে ধরে শব্দ করে কান্না করে উঠলো কান্না করতে করতে বললো দেখ আজকে আর কেও বাড়ি বয়ে এসে কথা শুনিয়ে জায়না
সায়লা বুঝলো না যে কি বলে সান্তনা দিবে তাও
মাহমুদার মাথায় হাত দিয়ে বললেন আনন্দের দিন  কি কান্না করলে হবে চলেন সবাই মিনে খুসির দিনে উৎসব করি। 😄

" বলেই পিছনে সিরির দিক তাকাতেই দেখলো নিলুফা, ও আরফা কে
উনি তো আরফা কে দেখে যেনো  উনি চোখ ফেরানোর কথা ভুলে গেছে 😯 উনি বি-র বি-র  করে বললো এ মেয়ে টাকে বড়ো ভাই জান কথায় রাগবে মনে হয় সিন্দুক এর ভিতর রাগবে না হয়
যে দেখবে সেই বলবে এই মেয়ে কে আমি নিয়ে জাব বলেই উনি,
মাহমুদা কে তর্জনি আংগুল দিয়ে একটা গুতো দিলো
দিতে মাহমুদা ফুপিয়ে কান্না টা  বন্দ করে বিরক্ত
হয়ে তাকালো সায়লার দিক দেখলো সায়লা কোথায় জানি
তাকিয়ে আছে ওনার দৃষ্টি দেখে উনিও তাকালো সিরির দিক দেখল
নিলুফা, আর আরফা নামছে আরফা কে সাদা
রংয়ের জামা পরিয়েছে জামা টা একটু ছোট কিন্তু 
আরফা কে দেখতে মারাত্মক সুন্দর লাগছে
কথা গুলো ভাবতে ভাবতে হুঠ করে
সায়লা উনার হাত ধরে মায়াবী চেহারা বানিয়ে
ভাবি তোমার মেয়ে টাকে আমাকে দিয়ে দাও আর 
আমার ছেলে মেয়ে সব তুমি নিয়ে যাও।☺️

" তাও আমাকে এই বার্বি ডল দিয়ে দাও আমি কিন্তু  মন খারাপ করবোনা,  😆
বলতেই 
মাহমুদাঃ না আমি দিবো না আমার মেয়ে আর তোর মেয়ে মানে কি তোর মেয়ে মানে  আমার মেয়ে
আমার মেয়ে মানে তোর মেয়ে বলেই সায়লা কে জরিয়ে ধরলো
মাহমুদাঃ চলো সবাই মিলে কিছু খায় অনেক খুদা
লেগেছে বলে ওনারা সবাই ডাইনিং টেবিলে গিয়ে বসলো কিছু খাওয়া দাওয়া করলো করে সবাই ডাইনিং রুমে গেলো গিয়ে সবাই সোফায় বসলো
এর মধে দৌড়ানো  শব্দ পেলো সবাই ঘার ঘুরিয়ে সদর দরজার দিক তাকালো দেখল...
সায়না দৌড়ে আসতেছে তা দেখে 
সায়লা হায় হায় করে উঠলো উঠে বলেন
যদি একবার পরে জাস তাহলে তোর খবর আছে
সায়না মায়ে কথা শুনতে পেয়ে এদিকে তাকালো
তাকিয়ে দেখলো এখানে সবাই তাই আর উপরে গেলো না সবার কাছে এলো আসতেই
রায়ছুল চৌধুরীঃ ডাকলো মা এদিক আসো
সায়না বাধো মেয়ে দের মতো ওর বড়ো বাবা কাছে গেলো গিয়ে বড়ো বাবা ডান পাসে বসলো বসে
রায়ছুল চৌধুরী কে জিজ্ঞেসা করলো
সায়নাঃ বড়ো বাবা এই আপু  টা কে ?
বলতেই নাহিয়ান এসে সায়না হাত।

"ধরে চোখ রাঙিয়ে বলে চল আমি বলতাছি বলে
সায়নার হাত ধরে উপরে নিয়ে গেলো গিয়ে নাহিয়ান নের রুমে নিয়ে গেলো সায়না কে বেডে বসিয়ে কাকে জানি ফোন দিলো দুই বার রিং হলো তারপর তার পর ফোন ধরলো ধরে নাহিয়ান বিপরিত ছেলে টাকে কিছু বলতে না দিয়ে আজ কে  যা কিছু হয়েছে সবই বলল সব কিছু শুনার পর ছেলে টি  ফোনের ওপাশ থেকে বলল আছা আমি বড়ো বাবা সাথে কথা বলবো এখন একটু বিজি আছি তো আমি ফ্রি হয়ে আমি কথা বলবো
বলেই ফোন কেটে দিলো,
সায়না সব কিছুই শুনলো শুনেই খুসিতে আত্মহারা হয়ে বললো ভাইয়া সত্যি ওই আপু টা আমাদের সাথে থাকবে, 🤩
নাহিয়া নিলিপ্ত চাহুনি তে বললো সঠিক জানি না কারণ তুই ও যেখানে আমিও সেখানে 
সায়নাঃ চলো ভাইয়া নিচে যাই আপুর সাথে খেলবো
নাহিয়ানঃ আমাদের নিচে জেতে না করেছে বলতেই রুমের বাহির থেকে শুনা গেলো
নিলুফা ডাক শুনতে পেলো
যেহেতু নাহিয়া নের দরজা খুলা ছিলো তাই নাহিয়ানে এর রুমে ঢুকলো ঢুকে বললেন তরা এখানে আমি আরো তদের খুঁজছি উনার পিছনে থাকা আরফা কে বললো তুমি ওদের সাথে থাকো বলে নিচে গেলো
গিয়ে দেখলো,
সাজেদুল চৌধুরী  ও সায়লা ওঠে রুমে দিক যাছে দেখে  উনি ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে থেকে ওনার বড়ো  ভাই জান কে বললো ওনারা দুই জন কথায় যাচ্ছে
রায়ছুল চৌধুরীঃ আরে  ওরা কি জানি বলবে আমাদের
তাই দুই জন কিছু কথা বলতে গেছে...।
বলতেই ওখানে কিছু খন নীরবতা চললো....... পুনরায় ওনারা দুই জন চলে আসলো এসে
সাজেদুল চৌধুরী এসে সোফায় বসলো বসে গলা খাকারি দিলো দিয়ে ওনার স্ত্রী দিক তাকালো তাকাতেই।

"সায়লাঃ বললো কি বলেছি ভাই জান কে বলো
সাজেদুর চৌধুরীঃ ভাই জান তোমার কাছে একটা জিনিস চায়বো বলো ফিরিয়ে দিবানা
রায়ছুল চৌধুরীঃ সোন ভাই যদি আমার সামর্থ্য  থাকে তাহলে আমি তোকে কখনো ভিরিয়ে দিবো না,
সাজেদুর চৌধুরীঃ তোমার সামর্থ্য আছে ভাই জান
তুমি চাইলেই আমাকে দিতে পারবা
রায়ছুল চৌধুরীঃ তকে বললাম তো তোদের সুখের  জন্য আমার জীবন দেওয়ার লাগলেও দিব এখন বল আমার থেকে কিচাস
সাজেদুর চৌধুরীঃ স্বস্তির নিঃশ্বাস নিলো তারপর চোখ বন্ধ করে এক নিঃশ্বাসে বলতে লাগলো ভাইজান আরফা মামু নি যখন প্রাপ্তবয় হবে আমি এবং সায়লা চায় আমাদের ছেলের সাথে আরফা মামুনি বিয়ে হোক এখন তুমি কি বলো ভাইজান..?।
রায়ছুল চৌধুরীঃ হেসে বললো এতোটুকু বলার জন্য এত সাফার করতে হলো  কথা টা বলেই
সায়লা দিক তাকালো.. 👁️👁️
রায়ছুল চৌধুরীঃ দৃষ্টি  ওনার  দিক দিখে মাথার কাপড় ঠিক করে নিজে দৃষ্টি নিচে নিবদ্ধ করল
রায়ছুল চৌধুরীঃ আমার মেয়ে কে একবার দেখে তোমার এতো পছন্দ হয়েছে যে ছেলের বউ বানিয়ে নিতে চাচ্ছো
সায়লাঃ একটু মাথা উঁঠালো তারপর  হেসে বললো
ভাইজান আরফা মামুনির চোখ গুলো অনেক সুন্দর
নিলুফাঃ  কেমন সুন্দর ভাবি আমাদের একটু বলো শুনি।

"সায়লাঃ ওর চোখ গুলো ডিফরেন্ট যেমন ওর চোখের মনিটা বাদামি কালার আর ওই মনির পাসে ছোট একটা তিল চোখের ঘনো পাপরি সব মিলিয়ে মারাত্মক সুন্দর মার এক দেখায় পছন্দ  হয়েছে তাহলে আমার ছেলেরো হবে ইনশআল্লাহ
বলতেই সবাই হেসে উঠলো
মাহমুদাঃ তোর সুধু পছন্দ হলেই হবে হবু বিয়ান আমারো তো আপনার সুদর্শন ছেলে কে দেখতে হবে
বলতেই আর এক দফা সবাই হাসলো
সবাই কিছু খন কথা বললো বলার পর ওনারা দুই ভাই কাজে চলে গেলো নিলুফা বাচ্চাদের কাছে গেলো আর ওনারা
দুই জা রান্না ঘরে গেলো টুকটাক কিছু কাজ করতে
নিলুফা নাহিয়ান এর ঘরে গিয়ে দেখলো তিন জন মিলে গল্প করতেছে
আরফা খুব সহজে ওদের সাথে মিসে গিয়েছে....। 🥰🥰🥰

চলবে....😉

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ২য় পর্ব শেষ করেছেন।

আগের পর্ব উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন