ফন্ট সাইজ:
থিম:
ত্রিকোণমিতি

৬ষ্ঠ পর্ব

লেখক: আয্যাহ্ সূচনা

ত্রিকোণমিতি ~ ৬

রচয়িতা- আয্যাহ সূচনা
শেষ সেটটা শেষ করে বারবেলটা র‍্যাকে রেখে কয়েক সেকেন্ড সেখানেই দাঁড়িয়ে রইল কাশিফ। বুক দ্রুত ওঠানামা করছে, কপাল বেয়ে ঘাম গড়িয়ে পড়ছে। তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে এক ঢোক পানি গিলল। শরীর ভারী লাগছে, পেশিগুলোতে টান ধরেছে। আজ আর ওয়ার্কআউট করা সম্ভব নয়। মাথার জেদ শরীরের উপর দিয়ে গেল। অন্যান্য দিনের চেয়ে বেশি সময় দিয়েছে আজ জিমে। শেষমেশ শরীরটাও নিতে পারল না রাগের ভার। হয়রান লাগতে শুরু হয়েছে।
কোনরকম ড্রাইভ করে বাড়ি ফিরেছে কাশিফ। এসেই লম্বা শাওয়ার নিয়েছে। রোজকার নিয়ম অনুযায়ী কাশফিয়া প্রোটিন শেক বানিয়ে ঘরে রেখে গেছে। গোসল শেষে কোমরে তোয়ালে পেঁচিয়ে বেরিয়ে এলো কাশিফ। বিছানার পাশে রাখা সাইড টেবিল থেকে প্রোটিন শেকারটা তুলে ঢাকনা খুলে কয়েক ঢোকে শেকটা খেতে খেতে একপলক ঘড়ির দিকে চেয়ে দেখল, নয়টা বেজে পনেরো মিনিট। কিন্তু কায়া এখনো বাড়ি ফেরেনি। তপ্ত নিশ্বাস বেরিয়ে এল বুক চিরে। সে এত কেন ভাবছে? তারা হবু স্বামী-স্ত্রী। যা ইচ্ছে করুক! তাতে কি আসে যায়?
নিজের উত্তপ্ত মাথা ঠাণ্ডা করে কাপড় বদলে বেরিয়ে গেল কাশিফ। রাতের খাবার তো নিয়ম করে একসাথে বসেই খেতে হবে।
ঘর থেকে বেরোতেই দেখল সকলেই খাবার টেবিলে হাজির। কাশফিয়া সবসময়ের মতো ফোনে মুখ গুঁজে আছে। কাফি তার ফোনে উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে আর মায়ের হাতে খাবার খাচ্ছে। শায়লা বেগম একটু পরপর মেয়েকে ফোন রাখতে বলে ধমকে উঠছেন। কাশিফকে আসতে দেখেই তিনি পাতে ভাত বারলেন। কাশিফ চেয়ার টেনে বসতেই ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে চিন্তিত গলায় শুধালেন,
“কী হয়েছে, বাবা? এমন দেখাচ্ছে কেন?”
কাশিফ মায়ের প্রশ্নের জবাবে বলল, “ক্লান্ত লাগছে।”
“তাড়াতাড়ি খেয়ে ঘুমিয়ে পড় তাহলে।”
“হুম।”
শায়লা বেগম স্বামীর উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করলেন, “কায়া কোথায়, কাশিফের বাবা?”
কায়সার শিকদার বললেন, “রাকিনের সাথে আছে। আমাকে কল করে জানালো তারা রাতের খাবার বাইরেই খাবে। আর কায়াকে বাড়ি দিয়ে যাবে।”
কাশিফ নীরবে শুনল। মনোযোগ দিয়ে শুনল। কিন্তু বাঁধ সাধলেন সাহেরা বেগম। ভ্রু কুটি করে বললেন,
“শুধু আংটি বদল হয়েছে। এখনই সে ছেলেকে নিয়ে রাত বিরেতে ঘুরে বেড়াচ্ছে।”
মেজাজটা তড়াক করে বিগড়ে গেল ঘরের প্রতিটা পুরুষের। শায়লা বেগমও ভালোভাবে নিলেন না সাহেরা বেগমের কথাকে। কবির সাহেব রাগী সুরে বললেন,
“প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে আমার। হিতাহিত জ্ঞান আছে ওর। ওর ফোনের লোকেশনও ওন। তোমার ওর ব্যাপারে মাথা ঘামানোর কোনো প্রয়োজন নেই।”
আজ আর কায়সার শিকদারের কায়ার পক্ষ হয়ে দাঁড়াতে হলো না। কবির শিকদারের এমন জবাবে মনে মনে বেশ খুশি হয়েছেন তিনি। আলগোছে স্মিত হাসলেন। কিন্তু কাশিফের ঠোঁটে হাসি নেই। কায়ার আপন মা আর সৎ মা– দুজনের মধ্যে আকাশ পাতাল তফাৎ। কায়ার মা বড্ড রসিক মানুষ ছিলেন। পুরো ঘরটাকে হাসি ঠাট্টায় মাতিয়ে রাখতেন। কাশিফকেও ভীষণ ভালবাসতেন। কিন্তু তার মৃত্যুর পরপর যখন সাহেরা বেগম এলেন, শিকদার বাড়ির পরিবেশ সম্পূর্ণ বদলে গেছে। আগের মতো মিলমিশ নেই। তার কুমন্ত্রণায় বাড়িটাও দুইভাগে বিভক্ত হয়েছে, এমনকি পারিবারিক ব্যবসাও। তিনি পারলে হয়তো রক্তের সম্পর্ক একেবারে মুছে ফেলতেন। নিজের আপন সন্তান এবং স্বামীকে নিয়ে চলে যেতেন। একই বাড়িতে থাকা সত্ত্বেও সকলের অপছন্দের একজন মানুষ তিনি।
কাশিফ খেতে খেতে সাহেরা বেগমকে শুনিয়ে বলল, 
“সিরিয়াস একটা টপিক, কায়ার যেহেতু বিয়ে সেহেতু ওর অংশ ওকে বুঝিয়ে দিলে বেটার, আই গেস। বলা তো যায় না, পরবর্তীতে কার মতলব বদলে যায়। ব্রেনে শর্ট সার্কিট হওয়ার পূর্বে বাড়ির বড়োরা মিলে আমার কথার অর্থ হচ্ছে বাড়ির পুরুষেরা মিলে ডিসিশন নিয়ে ফেলুন কীভাবে কী করবেন।”
সাহেরা বেগমের পিত্তি জ্বলে উঠল। তিনি ভাতের প্লেট ঠাস করে টেবিলে রেখে বললেন,
“তুমি কি আমাকে ইঙ্গিত করলে, কাশিফ? আমার মতলবের কথা বললে? আমি বয়সে তোমার বড়ো, সম্পর্কে তোমার চাচী হই। এতটা বেয়াদব হলে কী করে?”
কাশিফ চোখ ঘুরিয়ে বলল, “কী আশ্চর্য! সাইজে মিলছে না তারপরও সিন্ড্রেলার জুতো জোর করে নিজের পায়ে ঢুকাচ্ছেন। আমি আপনাকে কিছুই বলিনি।”
কাশফিয়া ব্যঙ্গ করে বলল, “এটা ঠাকুর ঘরও না। এখানে কলাও রাখা নেই। রাখা আছে ভাত…”
কাশিফ বোনের কথার অর্থ বুঝে মাথা নামিয়ে হাসলো। শায়লা বেগম কাশফিয়াকে চোখ রাঙিয়ে বলল,
“কাশফি, বড়োদের মধ্যে কথা বলতে হাজারবার বারণ করেছি।”
কাশফিয়া মুখ ভেংচি কেটে চুপ হয়ে গেল। কিন্তু সাহেরা বেগম তেলে বেগুনে জ্বলে উঠেছেন। ছেলেকে খাওয়াচ্ছিলেন। অর্ধেক খাবার খাইয়ে আর খাওয়ালেন না। দেমাগ দেখিয়ে হাত ঝেড়ে চলে গেলেন। কাফি তার গোল চশমার আড়াল হতে কাতর চোখে তাকায়। তার খাওয়া কী হবে না আজ?
শায়লা বেগম ছেলেটির নাদান মুখ দেখে নিজে হাতের প্লেট হাতে নিয়ে বললেন,
“আমি খাইয়ে দিচ্ছি, আয়।”
খাবার শেষে কবির সাহেব ঘরে এলেন। তার স্ত্রীর কথা প্রচণ্ড রকমের গরম। অন্য কোনো বিষয় হলে হয়তো স্ত্রীকে মানানোর চেষ্টা করতেন। কিন্তু আজ করলেন না। নিজের মতো বিছানার একপাশে গিয়ে বসলেন। সাহেরা বেগম স্বামীর থেকে কোনো পাত্তা না পেয়ে নিজেই চেঁচিয়ে উঠলেন,
“আপনার বড়ো মেয়ের নামে ব্যাংকে ১০ লক্ষ টাকা আছে। আর কত লাগবে, ফকিরনির মেয়ের? আমি বলে রাখছি, কাফির বাবা, যদি ওই মেয়েকে তুলোধোনা করে আমার আর আমার ছেলের অধিকার মেরেছেন আমিও ছাড়বো না আপনাদের। দরকার পড়লে থানায় যাব।”
________
কোনো মৌসুম কী মানুষের অনুভূতি নিয়ে খেলতে পারে? শীতল হাওয়া গায়ে মাখতেই পাশে থাকা মানুষের প্রতি দৃষ্টি বদলে যেতে পারে? পূর্বের এবং বর্তমানের তফাৎ অনুভব করছে কায়া। রাকিনকে নিয়ে ভাবছে তারই পাশে মহানগরীর ব্যস্ত সড়কের একপাশ ধরে হাঁটতে হাঁটতে। তার মনে প্রথম দোলা অন্য কেউ দিয়েছিল। কিন্তু সময় থাকতেই বুঝে উঠেছিল, সেটা শুধু গ্রীষ্মের উষ্ণ বাতাস ছিল। যা বেশিক্ষণ টিকেনি। তবে শীতল বাতাস? শীতল বাতাসের আবহাওয়াও তো সবসময় থাকে না। রাকিনকে সে শীতল বাতাস মনে হচ্ছে। তার আশপাশে কনফোর্টেবল অনুভব করছে। সে কায়াকে তার স্বকীয়তা থেকে বের করে বের করতে চাইছে না। সে তাকে আকাশের মতোই নীরব থাকতে দিচ্ছে।
কায়ার ভাবনার মধ্যে রাকিন হুট করেই ফুটপাতের ওপরে বসা অস্থায়ী ফুলের দোকানে দৌঁড়ে গেল। চোখের পলকে চারটে দোলনচাঁপা ফুল কিনে আবার দৌড়ে ফিরে এসেছে। সবসময়ের মতো নিদারুণ হেসে বলল,
“দোলনচাঁপা…”
কায়া বলল, “এটার কোনো দরকার ছিল না।”
“সেটা আপনার কাছে।”
“হু?”
“আপনিই তো বলেছিলেন মেয়েদের সম্মান দিলে তারা অল্পতেই খুশি থাকে। আপনাকে সে অল্পটাই দিলাম।”
কায়া ফুলগুলো গ্রহণ করল। কারো মন থেকে দেওয়া উপহার ফিরিয়ে দিতে নেই। সবখানে নিজের মনের ইচ্ছা খাটে না। কখনো কখনো অন্যের খুশির কথাও ভাবতে হয়। কায়া বিনয়ের সঙ্গে বলল,
“ধন্যবাদ, এবার বাড়ি যাওয়া যাক?”
রাকিন মাথা দুলিয়ে বলল, “শিউর!”
কায়াকে বাড়ির দরজা অবধি এনে পৌঁছে দিয়ে গেছে রাকিন। বাড়িতে ডাকলেও আসেনি সে। রাত তখন নয়টা পঁয়তাল্লিশ। কায়া ভেতরে ঢুকতেই সাহেরা বেগমকে দেখতে পেল। ডাইনিং রুমে বসে আছেন। যেন কারো অপেক্ষা করছেন। এই সময় সবাই যারযার ঘরে থাকে। ডাইনিং রুম সম্পূর্ণ ফাঁকা থাকে।
কায়া ওসব নিয়ে মাথা ঘামালো না। এটা সাহেরা বেগমেরও তো বাড়ি। সে যেখানে ইচ্ছে থাকুক। কায়া নিষ্পৃহ ভঙ্গিতে নিজের ঘরের দিকে এগোতে শুরু করলেই সাহেরা বেগম বাজখাঁই গলায় বলে উঠলেন,
“নিজের বাপের মাথাটাও খেয়েছিস? হ্যাঁ! আমার ছেলের হক মেরে নিজে রাণীর হালে থাকার প্ল্যান করেছিস?”
কায়া সাহেরা বেগমের হঠাৎ রেগে যাওয়ার কারণ বুঝল না। সে নির্বিকার ভঙ্গিতে বেশ স্বাভাবিক কণ্ঠে জিজ্ঞাসা করল,
“বুঝিনি।”
“ওওওও! বাপের অর্ধেক সম্পত্তি খাওয়ার ফন্দি এটে এখন নাদান সাজা হচ্ছে?”
কায়ার ভঙ্গি বদলালো না। সে একই সুরে বলল, “এসব ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না।”
সাহেরা বেগম তেড়ে যাচ্ছিলেন কায়ার দিকে। কিন্তু বেশিদূর এগোতে পারলেন না। পেছন থেকেই কারো পায়ের আওয়াজ পেলেন। থেমে গিয়ে ঘাড় ঘোরাতেই দেখলেন কাশিফ আসছে। বড্ড হেলেদুলেই আসছে। এসেই সরাসরি ডাইনিং টেবিলের চেয়ার টেনে বসল। নিজের ল্যাপটপ খুলে অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকাল সাহেরা বেগমের দিকে।
সাহেরা বেগমও থম মেরে দাঁড়িয়ে আছেন, সাথে কায়াও। কাশিফের দৃষ্টিও স্থির। এমন চোখে চোখে ভাষা আদান প্রদান কাশিফের ভালো লাগল না। সে বলে উঠল,
“এভাবে চেয়ে আছেন কেন?”
“তুমি এখানে?”
“হ্যাঁ, আমি আজ সারারাত এখানে থাকব। এখানেই কাজ করব, ঘুমোবো। কেন কোনো সমস্যা?”
সাহেরা বেগম কপাল কুঁচকে নিজের ঘরের দিকে এগোতে এগোতে বললেন,
“আমার কেন সমস্যা হবে?”
“হতেও পারে, আপনার কাজে বাগড়া দিলাম যে। থাপ্পড়টা মারার পর এলে ভালো হতো হয়তো..”
সাহেরা বেগম সঙ্গেসঙ্গে স্থান ত্যাগ করলেন। এদের কারণে কায়ার সঙ্গে গলা উঁচু করা যায় না। নয়তো মেয়েটাকে তার মায়ের সঙ্গেই দাফন করে দিয়ে আসতেন।
কায়া মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে আছে। হাতে দোলনচাঁপা ফুল। কাশিফ কায়ার নির্বিকার মুখের চেয়ে বেশি হাতে থাকা ফুলগুলোর প্রতি মনোযোগী হলো। রাকিন দিয়েছে নিশ্চয়ই? ফুলগুলো যদি মুহূর্তেই শুকিয়ে নষ্ট হয়ে যায়, তবে কেমন হবে? পচে গেলেও মন্দ হবে না।
কাশিফ এসব উদ্ভট চিন্তাভাবনা মাথা থেকে ঝেড়ে বলল,
“ঘুরেফিরে মন যদি ভরে যায় তাহলে কালকে সেকেন্ড কোম্পানির ডিজাইনগুলো সাবমিট করে দিবি।”
কায়া মাথা দোলালো। কিছু না বলেই চলে গেল। কিন্তু যাওয়ার পথে জমিনে কিছু একটা ফেলে গেছে। হাঁটার সঙ্গেসঙ্গে মসৃণ চুল বেয়ে সাদা রঙের মখমলের স্ক্রাঞ্চিটা জমিনে গড়িয়ে পড়েছে, কিন্তু সেদিকে কায়ার কোনো হুশ নেই। সে হেঁটেই চলেছে নিজের ঘরের দিকে।
কাশিফ চেয়ার থেকে উঠে জমিন থেকে স্ক্রাঞ্চিটা তুলে নিল। দুয়েকটা ঝড়ে যাওয়া চুল পেঁচিয়ে আছে সেখানে। কাশিফ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে স্থির দৃষ্টিতে দেখল সেটা। একহাতে স্ক্রাঞ্চি আর অন্যহাতে নিজের ল্যাপটপ নিয়ে ডাইনিং রুমের বাতি নিভিয়ে ঘরে নিজের ঘরে চলে গেল।
দরজা বন্ধ করতেই অনুভব করল খুব সুন্দর একটা ঘ্রাণ আসছে। কীসের ঘ্রাণ? কোনো ফুলের নয় তো? ঘ্রাণের উৎস খুঁজতে খুঁজতে কাশিফের চোখ গেল স্ক্রাঞ্চিটার ওপর। নাকের কাছে এনে শুঁকে নিল। সঙ্গেসঙ্গে চোখজোড়া আবেশে বন্ধ হয়ে আসে। মস্তিষ্কটাও শীতল হয়ে এল। মাতাল করা ঘ্রাণের মোহে মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইল।
ঘরের বাতি নিভিয়ে বিছানায় দেহ ছেড়ে নিয়ে কিছুক্ষণ আঁধারে নিশ্চল দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল। আঁধারে কিছুই দেখা যায় না। তারপরও তাকিয়ে আছে কাশিফ। হাতে কায়ার চুলে প্যাঁচানো স্ক্রাঞ্চিটা, নাকের কাছে ধরে রেখেছে। একটা অদ্ভুত শান্তি অনুভব করছে। ঘ্রাণটা ধীরে ধীরে মাথায় চড়ছে। শরীরের সমস্ত ক্লান্তি যেন নিশ্বাসের সঙ্গে বেরিয়ে আসছে। কসরতের ফলে যে শরীরকে ভারী মনে হচ্ছিল সেটাও আর রইল না। হালকা হয়ে এলো তুলোর ন্যায়। নিজেকে বাতাসে ভাসমান মনে হল। সামান্য একটু সুন্দর ঘ্রাণই তো! আহামরি তো কিছু না। তারপরও কেন?
কাশিফ ফটাফট নিজের ফোনের নোটপ্যাড খুলে লিখে ফেলে,
“That scent is going straight to my head. Feels almost like a drug.”
ফোনটা বিছানার একপাশে ফেলে স্ক্রাঞ্চিটা নাকের কাছে রেখেই চোখ বুঁজল কাশিফ। ভালো লাগছে তার ভীষণ ভালো লাগছে। চোখ ভেঙে ঘুম আসছে। নিজের অজান্তেই মাতাল ঘ্রাণ নিজের মধ্যে ধারণ করে ঘুমিয়ে পড়লো….
চলবে….
#ত্রিকোণমিতি 
#আয্যাহ_সূচনা

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৬ষ্ঠ পর্ব শেষ করেছেন।

আগের পর্ব উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন