ফন্ট সাইজ:
থিম:
ঘুণে খাওয়া মেঘ

৫২তম পর্ব

লেখক: সারা সামিয়া
#ঘুণে_খাওয়া_মেঘ
#সামিয়া_সারা
#কাজিন_রিলেটেড_গল্প
পর্ব -৫২
ইনায়া খুব বিরক্তি প্রকাশ করে তাকায় নীলের দিকে। শক্ত কন্ঠে বলল,
-আমার এসব কথা শুনতে বিরক্ত লাগছে নীল ভাই....
-কেন বউ?
-আমি তো আপনার বউ নই।
-আপনি আমার বউ-ই।
ইনায়া ফুঁপিয়ে কান্না করে দেয়। পরপর দুবার বড় বড় শ্বাস নিয়ে নীলের কাঁধে মাথা রেখে বলল,
-আমি আপনাকে আর ভালোবাসি না..একটুও বাসিনা..
গম্ভীর কণ্ঠে নীল বলল,
- ভালোবাসতে জোড় করেছি? তুই ভালোবাসলেও আমার,না বাসলেও আমার। 
কিছুক্ষণ থেমে পুনরায় বলল,
-আমাকে প্রেমের প্রস্তাব কে দিয়েছে?
-আমি...
-তুমি স্বেচ্ছায় আমার জীবনে এসেছো,আর সারাটা জীবনই আমার সাথে থাকবে। আমার তো একটা নাম ডাক আছে,একবার কিছু আমার করে নিলে তা আর ছাড়ি না। তাই কষ্ট হলেও থাকতে হবে।
নীল কথাগুলো গম্ভীর হওয়ার ভনিতা ধরে বলল। ইনায়া আবেগী মেয়ে, ম্যাচুরিটি কম বললেই চলে। সে সুযোগ নিয়ে নীল বোঝালো,ইনায়া ভুল করে হলেও তার জীবনে এসেছে,নীল তো আসতে বলেনি। 
একটু ভাব নিয়ে বলল,
-এমন তো না যে আমি তোকে বলেছিলাম আমাকে প্রোপোজ কর। যেহেতু তুই করেছিস এটা তোর ভুল। তাই চাইলেও আমার থেকে দূরে সরে যাওয়া যাবে না। বুঝেছিস তো?
ইনায়া জবাব দেয় না। তবে সে অনুতপ্ত হয়। কান্নার রেশ কাটতে বলল,
-ইহান ভাইয়াকে আপনি ভালোবাসেন না নীল ভাই। একটুও বাসেন না। বাসলে ঐ মেয়ের সাথে কথা বলতেন না।
-বলি না তো।
-এলো কেন?
-তার শ্বশুরের কাছে দোয়া চাইতে এসেছিলো। তোর বাবা কাকার উপর রাগ দেখাবি। আমার উপর না।
-বাবা,বড় বাবা?
-ইয়েস ম্যাম।
-আপনার সাথে যোগাযোগ নেই তো?
-প্রশ্নই ওঠে না। যার জন্যে আমার মায়াবতী কষ্ট পায় তার সাথে আমি যোগাযোগ রাখবো? 
ইনায়া ভাবুক কন্ঠে বলল,
-উহু...
.
.
.
.
দেওয়ান বাড়ির পরিবেশ থমথমে। সবার মন খারাপে পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে। ইনায়া কিছুক্ষণ সদর দরজার সামনে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে। নীল পেছন ঘুরে তাকে এক ঝলক দেখে বলল,
-বরণ করে ঘরে তুলতে হবে আপনাকে?
ইনায়া জবাব দেয় না। নীলের পেছন পেছন বাড়ির ভেতরে 
যায়। আকবর দেওয়ান সোফায় বসে ছিলেন মাথায় হাত রেখে। নীল-ইনায়াকে দেখে ছোট করে শ্বাস ফেলে নীলকে বললেন,
-ফিরিয়েই যখন আনবে তবে তখনই আটকালে না কেন 
নীল? 
নীল ভেবেছিলো কিছুই বলবে না।তবে গন্যমান্য ব্যক্তি কে এড়িয়ে যাওয়া ভদ্রতার বাইরে চলে যায়। নিচের দিকে তাকিয়ে বলল,
-আপনারা আপনাদের মেয়েকে চিনেন না? ও যে কারণে রাগ করেছিলো তা না মিটিয়ে তাকে ফিরিয়ে আনা যেতো না।
আকবর দেওয়ান দাঁড়িয়ে যান। উচ্চ কণ্ঠে বললেন,
-মারপিট করেছো তুমি নীল?
নীল এবার আর কোনো কথা বলে না। মাথা পূর্বের ন্যায় নিচু রেখেই উপরে চলে যায়। আকবর দেওয়ান চিন্তিত হন। তবে নিজের অনুভূতি চেপে রেখে ইনায়াকে ইশারায় দেখিয়ে শিমু জাহানকে বললেন,
-ও খাবে নাকি কিছু দেখো। অল্প বয়স। আবেগ বেশি থাকবে স্বাভাবিক। 
কিছু সময় থেমে বললেন,
-কিন্তু তোমার ছেলের বয়স তো কম না শিমু। নিজের রাগকে কন্ট্রোল করতে বলবে তাকে।
শিমু জাহান জবাব দেন না কোনো। ইনায়ার মাথায় আলতো করে হাত রেখে বলে,
-মা কোথায়?
ইনায়া খুব আস্তে বলল,
-গাড়িতে আসছে...
-চল আমার সাথে,আমার ঘরে।
শিমু জাহান ইনায়াকে নিয়ে যায় নিজের ঘরে। বিছানায় বসিয়ে বললেন,
-কী হয়েছিলো ইনু? ঘটনাটা খুলে বল তো আমায়?
-কী হবে বড়মা?
-ঐ মেয়েকে নিয়ে কী হয়েছে? আমি যা শুনতে চাচ্ছি তুমি তার সরাসরি জবাব দিবে। ঠিক আছে মা?
ইনায়া কিছুটা ইতস্তত বোধ করলেও মাথা হেলিয়ে হ্যাঁ বলে।
শিমু জাহান বললেন,
-মেয়েটা কিছু বলেছিলো তোমাকে?
-উহু...
-তবে কে বলেছে ওকে নিয়ে? চিনলে কী করে?
-.......
-ওকে চিনলে কী করে? নীল বলেছিলো?
-উহু..
-তবে?
-আনান ভাইয়া.।
শিমু জাহান থমকে যায় কিছুক্ষণের জন্য। বললেন,
-আনান? কী বলেছে ও?
-বলেছে...নীল ভাই ফারিনের সাথে এখনো যোগাযোগ রেখেছে। এজন্যই সে আমাদের ভার্সিটিতে এসেছিলো। 
-তারপর?
-আমি বললাম,"কোন ফারিন?" ভাইয়া বলেছিলো, আমার ভাই এর খুনী..ইহান ভাইয়ার খু*নী।
শিমু জাহান আঁৎকে ওঠেন। "মেয়েটাকে মানসিক ভাবে দূর্বল করলো কেন আনান? " 
মাথায় প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে তার।
-আনান কল করেছিলো তোকে?
-হু,কল করে বলেছিলো উনি আমাকে যা বলেছিলেন সব মিথ্যা। 
শিমু জাহান নিজের মনে আওড়ালেন,
"এই সমস্যা সমাধানের কথাই তাহলে নীল বলল? না জানি ছেলেটার কী অবস্থা।"
শিমু জাহান উদ্বিগ্ন হন আনানকে নিয়ে। তবে ইনায়াকে আর কিছু বুঝতে দেয় না। কাছে টেনে নিয়ে বলেন,
-আয়,চুলে তেল লাগিয়ে দেই। কী অবস্থা হয়েছে!
.
.
.
.
আনানকে র*ক্তাক্ত অবস্থায় ভার্সিটির ছাদে রেখে এসেছিলো নীল। বাড়ি ফিরে মনটা তার আনচান আনচান করছে।যতই হোক নিজের র*ক্ত,একই সাথে বড় হওয়া ভাই।আপনের চেয়ে কম তো নয়। ভাবতে ভাবতেই নীল ভার্সিটির গেটম্যান কে কল করে দ্রুত।
-মামা,আনান কি বেরিয়েছে?
-জ্বী স্যার। ওনার বন্ধুরা ধরে নিয়ে গেলো কিছুক্ষণ আগেই। অসুস্থ ছিলো।আমি সাহায্য করতে গেলে বলল, "অসুবিধা নেই ।আশেপাশে ক্লিনিকে নিয়ে যাবে।"
-আশেপাশে?
-জ্বী
নীল বাইকের  চাবি হাতে নেয় কল কেটে। 
.
.
.
ছেলেটার কয়েকদিন যাবৎ নাওয়া খাওয়া বন্ধ। প্রত্যেকবার দম বন্ধকর পরিস্থিতির স্বীকার হচ্ছে সে।দরজা টেনে বেরিয়ে আসতে সম্মুখীন হয় শিমু জাহানের।
-কোথায় যাচ্ছিস?
-আসছি একটু....
-আনানের কাছে?
নীল জবাব দিলো না। শিমু জাহান পুনরায় বললেন,
-মাথা এমন গরম থাকে কেন সব সময়? ভেবে চিন্তে কাজ করা যায় না? তুই এ পরিবার একদম ধ্বং*স করে দিবি নীল!
-মা,সত্যি বলি? দুনিয়ায় আমার একজন ব্যতিত সবকিছু ধ্বং*স হয়ে গেলেও আমার কিছু যায় আসে না।
-সবকিছুর মধ্যে তোর মা থাকলে?
-স্বয়ং নীল থাকবে সে লাইনে। নীল তার মাকে আগলে রাখবে। অসুবিধা আছে?
-একদম মশকরা করবি না! তোর একটা কাজ ও ভালো লাগছে না আমার। কী চলছে তোর মনে বল তো? আমি আজই তোর বাবাকে সব কথা বলবো। নিজের চোখে এতো কিছু দেখা আমার সহ্য হচ্ছে না!
-ইনু কী করে? ও না খেয়ে আছে অনেকক্ষণ মা,খেতে দাও।
-আর তুই? কী করছিস? আয়না দেখিস? তামাটে হয়ে গেছে মুখ টা।
শিমু জাহান আঙ্গুল জড়ো করে ছেলের মুখ বুলিয়ে এনে চুমু খায়।ছলছল চোখে তাকিয়ে বললেন,
-যত্ন নে একটু। শরীরের যত্ন নে বাবা....
নীল মায়ের হাত ধরে শান্ত কণ্ঠে বলল,
-ইনুকে ঠিক করে খায় কি না খেয়াল রেখো,আমি আসছি..
.
.
.
আনানের ক্ষত স্থানে অ্যান্টিসেপটিক লাগিয়ে দিচ্ছে ডক্টর। পাশে সামিরা দাঁড়িয়ে। নীলকে দেখে কাছে এগিয়ে বলল,
-ভাইয়া দেখেন না! কী অবস্থা হয়েছে... কীভাবে কী করে উনি বুঝি না। কোথাও মারামারি করেছে নাকি। কথাও বলছে নাতো। 
সামিরা আনানকে দেখে আবার বলল,
-কীভাবে এসব হলো আপনার? কথা বলেন?
আনান সরাসরি তাকায় নীলের দিকে। তবে কোনো কথা বলে না। সামিরা পুনরায় নীলকে বলে,
-ভাইয়া আপনি জিজ্ঞেস করেন তো। আমাকে কিছু বলবে না জানি।
নীল আমতা আমতা করে বলল,
-হুঁ ....হুঁ আমি শুনছি। কিন্তু তুমি এখানে কেন?
-আমি ? আমি এই তো চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ফর্ম তুলতে বেরিয়েছিলাম। আসার পথে দেখি এই অবস্থা। তাই সাথে এলাম.... ইনুকে কল করেছিলাম। ও তো ধরলো না।
-ওকে জানানোর দরকার নেই। অযথা চিন্তা করবে। আমি দেখছি, অসুবিধা নেই।
নীল আনানের কাছে এগিয়ে যায়। ডক্টর ক্ষত স্থান ড্রেসিং করে দিয়েছে,তবে এতোক্ষণেও আনানের কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। যেন তার শরীরে কোনো ব্যাথা ই নেই। নীল আনানের  কাঁধে হাত রাখে। বলে,
-কোনো সমস্যা হচ্ছে?
আনান জবাব দেয় না নীলের প্রশ্নের। ডক্টরের দিকে তাকিয়ে বলল,
-হয়েছে না?
-আসার পর থেকেই খুব তাড়াহুড়ো করছেন। যাই হোক,একটা প্যারাসিটামল খেয়ে নিবেন ব্যাথা কমাতে।
-আমার যে ব্যাথা! প্যারাসিটামলের কাজ না! 
আনান উঠলে সামিরা এগিয়ে যায়। আবদার করে বলে,
-আমি যাবো আপনার সাথে?
 
আনান ভ্রু কুঁচকে প্রশ্ন করে,
-আপনি কে ভাই?
সামিরা থতমত খেয়ে যায় আনানের কথা। মাথায় কাপড় ঠিক করে বলল,
-আপনি আমায় চিনেননি? আমি সামিরা...ইনু...
-পথ ছাড়ুন।আসার পর থেকে কথা বলেই চলেছেন। সরে যান সামনে থেকে।
আনান খুঁড়িয়ে হাঁটলেও বেশ দ্রুত চলে যায়। সামিরার চোখ দিয়ে টপটপ করে পানি পড়ছে। নীল এক ঝলক সেদিকে দেখে কিছু বলে না। বেরিয়ে আসে ক্লিনিক থেকে। কষ্ট পাওয়ার সময় বাইরের মানুষের সান্তনা বিষের মতো লাগে। ধ্রুবসত্যও তখন বিষ হয়ে যায়।
.
.
.
.
আনান বাড়িতে ঢোকার কিছুক্ষণ পরেই নীল বাসায় এসেছে। নিচে কাউকে দেখতে না পেয়ে চলে যায় ইনায়ার রুমে। দরজায় ঠক ঠক আওয়াজ করে বলল,
-আসবো?
ভেতর থেকে সাড়াশব্দ না পেয়ে নীল উঁকি দেয় ঘরের দিকে। ইনায়া বারান্দায় পা ভাঁজ করে মাথা ঝুঁকিয়ে বসে রয়েছে। দরজা খোলার শব্দ পেতে তড়িঘড়ি করে তাকালো সেদিকে। 
ক্লান্ত শরীরে দাঁড়িয়ে রয়েছে নীল। ইনায়ার কপালে ভাঁজ পরে চিন্তায়। ধীর কন্ঠে বলল,
-কী হয়েছে?
-খেয়েছিস?
-হু...
-ভেতরে আসি?
-হু...
নীল বারান্দায় পা রাখে। ইনায়ার পাশে চেয়ার টেনে বসে একটু ঝুকে গিয়ে বলে,
-মন খারাপ?
-উহু....
-মন ভালো?
-না।
নীল ইনায়ার থুতনিতে হাত রাখলো। বলল,
-কী হয়েছে?
ইনায়া মুখ সরিয়ে নেয়। ভাঙা কন্ঠে বলে,
-অসুখে আছি নীল ভাই।
-অসুখ? আমারো হয় মাঝে মাঝে। এই যেমন এখন হয়েছে। বুঝতে পারছিস?
ইনায়া মুচকি হাসে।বলে,
-হু,বুঝতে পারছি তো, অসুস্থ লাগছে আপনাকে। তবে আমার অসুখ কিন্তু ঐ অসুখ না,যে ওষুধ খেলেই
 ঠিক হয়ে যাবে।
-আমারো তো ঐ অসুখ হয় না। 
-তবে? 
নীল অপেক্ষা করে বলল,
-ওয়েট বলছি।
পকেট থেকে একটা চকলেট বের করে ইনায়াকে দিয়ে বলল,
-একটা কাহিনী শুনবি?
ইনায়া চকলেট নিয়ে আগ্রহী হয়ে বলল,
-কী??
-তুই যেদিন হলি, প্রথম আমিই তোকে কোলে নিয়েছিলাম। সে ব্যবস্থা অবশ্য ইহান করে দিয়েছিলো। বাড়ির বড় ছেলের ক্ষমতা দেখাতে বলল,"আমার বনুকে প্রথম ইনান কোলে নিবে। তার আগে কেউ ধরবে না!" দু হাত ভাজ করে মুখ ফোলানো দেখে তার কথা মতোই তোকে আমার কোলে দেওয়া হলো।আর তোকে কোলে তুলে আমি কী গিফট করেছিলাম জানিস?
ইনায়া চকলেটে কামড় দিয়ে বলল,
-উহু..কী?
-চকলেট
ইনায়া ফিক করে হেসে দেয়। বলে,
-এতোটুক বাচ্চাকে চকলেট দিয়েছিলেন?
ইনায়া বেশ কিছুক্ষণ ধরে খিলখিল করে হাসে। নীল আড়চোখে সেদিকে তাকিয়ে বলল,
-আমিও তো বাচ্চাই ছিলাম। তখন সবে মাত্র দশ হয়েছিলো।
-হাআ...দশ বছর! কত্তো বড় নীল ভাই। আপনার বিয়ের বয়স শেষ হয়ে এলো যে!
নীল উঠে দাঁড়ালো। ইনায়ার মন যথেষ্ট ভালো হয়েছে এখন। নীল পেছন ফিরে দরজা পর্যন্ত গিয়ে ইনায়াকে উচ্চস্বরে ডাক দেয়,
-এই যে নীলের নীলা! শুনছো?
ইনায়া একটু অবাক হয়ে চোখ বড় করে তাকায় নীলের দিকে। চকলেট মুখে নিয়েই হাতের ইশারায় বোঝায় "কী?"
-এখন আমায় আর অসুস্থ লাগছে?
ইনায়া অবাক হয়। নীলকে কতো ঝরঝরে লাগছে। মনে হচ্ছে মাত্র ঘুম দিয়ে, ফ্রেশ হয়ে এলো। মুখে হাসি লেপ্টে আছে। ইনায়া দ্রুত এপাশ ওপাশ মাথা নাড়িয়ে বলল,
-না নীল ভাই...লাগছে না...
নীল সোজা হয়ে দুহাত ভাঁজ করে দাঁড়ায় । দরজার গন্ডির বাইরে এক পা আর ভেতরে এক পা। যেন কিছু একটা বলার প্রস্তুতি নিয়ে দাঁড়িয়েছে,বলা মাত্রই চলে যাবে কোনো অপেক্ষা ছাড়া। ডান হাতের ঘড়ি ঝাকিয়ে সময় দেখে নীল। অতঃপর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে ঘাড় হালকা কাত করে বলল,
তুমি আমার অসুখ নীলা ,আবার তুমিই আমার ওষুধ!
(চলবে......
দীর্ঘদিন পরে আবার ।আমার প্রিয় পাঠক পাঠিকারা, গল্পটি নিয়ে আপনাদের মন্তব্য শুনতে চাই। একদম সব্বাই কমেন্ট করে জানিয়ে দিন,কেমন লেগেছে আপনাদের কাছে। আর আগের পর্বে এতো ভালোবাসা দেওয়ার জন্য অনেক কৃতজ্ঞতা। ভালোবাসা নিবেন 🥺🫶🏻

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৫২তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন