ফন্ট সাইজ:
থিম:
যতনে রাখিব তারে

২৯তম পর্ব

লেখক: সুরাইয়া জান্নাত সুমী

#যতনে_রাখিব_তারে

#পর্ব_২৯

#লেখনিতে_সুরাইয়া_জান্নাত_সুমী

(কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ)

আজ প্রথমদিন মেহরিমা ও রুহি ইউনিভার্সিটিতে আসলো ক্লাস করতে। তাদের দেরি হয়ে গেছে আসতে। ক্লাস না মিস হয়ে যায় একথা ভেবেই রুহি দৌড় দিল ক্লাসে যাওয়ার উদ্দেশ্যে। রুহিকে যেতে দেখে মেহরিমা নিজেও তার পিছু দৌড় দিল। দৌড়াতে গিয়ে মেহরিমাকে পড়তে হলো বিপাকে। একজনের কাধের সাথে তার কাধে ধাক্কা লেগে গেছে। ছেলেটাও সামনে থেকে দৌড়েই আসছিলো। মেহরিমা সেদিকে না তাকিয়েই উচ্চস্বরে বলল,

"দুঃখিত ধাক্কা লাগার জন্য।"

কথাটা বলেই না দাড়িয়ে পুনরায় পা আগাতে নিলে পিছন থেকে ভারি পুরুষালী গলার একজন তাকে বলল,

"এই মেয়ে দাড়া বলছি।"

মেহরিমা ভ্রু কুচকে পিছন ফিরে তাকায়। এমনিতেই দেরি হয়ে যাচ্ছে তারউপর এই লোক তাকে ডাকছে কেন।সে তো স্যরি বলল। মেহরিমা ভদ্র ভাবে বলল,

"জ্বী ভাইয়া? কিছু বলবেন?"

মেহরিমাকে পা থেকে মাথা পর্যন্ত অবলোকন করে ছেলেটা বলল,

"আজকেই ফার্স্ট?"

মেহরিমা জোরপূর্বক মুচকি হেসে বলল,

"জ্বী।"

ছেলেটা হাত দিয়ে কপাল চুলকালো। রুঢ় কন্ঠে সে বলল,

"সিনিয়রকে ধাক্কা দিয়েছিস তোর তো সাহস কম না! নাম কি?"

মেহরিমার কপালে ভাজ পড়ে এমন কথা শুনে। তুইতোকারি করা ভালো লাগনো না। থমথমে গলায় সে বলে,

"আমি মেহরিমা চৌধুরী।"

"আমি নাওয়াফ হোসাইন।"

মেহরিমাকে না দেখে রুহি পুনরায় পিছনে এসে তার হাত ধরে টেনে নিয়ে যায়। নাওয়াফের মেজাজ বিগড়ে গেল রুহি মেহরিমাকে টেনে নিয়ে যাওয়াতে। মনে মনে কিছু ভেবে নাওয়াফ মুচকি হাসলো।

শিষ বাজাতে বাজাতে সে এগিয়ে গেল নিজের বাইকের কাছে। সেখানেই দাড়িয়ে তার অন্য বন্ধুরা আড্ডা দিচ্ছিলো। সে আর আড্ডায় সামিল হলো না। সবুজ ঘাসের উপর দু'হাতে ভর দিয়ে হেলিয়ে বসলো। চোখের সামনে নীল রঙা থ্রিপিস পরিহিত মেয়েটার মুখটা ভেসে উঠছে বারংবার। সোনালী হিজাবে মুখটা জ্বলজ্বল করছিলো। কতটা স্নিগ্ধ মেয়েটা। পকেট থেকে সিগারেট বের করে লাইটার দিয়ে তাতে আগুন ধরায় নাওয়াফ।

এখন সিগারেটে দু'টো টান দিতে না পারলে তার নিজেকে পানসে অনুভব হবে। অলওয়েজ ঝাক্কাস থাকা নাওয়াফ পানসে জীবন পার করতে অনিচ্ছুক। ছোট্ট এই জীবন টা সে পানসে ভাবে অবশ্যই কাটাবে না।

সিগারেটে কয়েকটা টান দিয়ে তা সবুজ ঘাসের উপর ফেলে দিয়ে সে উঠে দাড়ায়। তার বন্ধুরা অবাক নয়নে তার দিকেই তাকিয়ে আছে। তাদের মধ্যে ওয়েস্টার্ন ড্রেস পরিহিত রুপ এগিয়ে আসে নাওয়াফের কাছে। নাওয়াফের ভাবগতি দেখে সে তার কাঁধে চাপড় মেরে বলে,

"কিরে নাওয়াফ? এভাবে মুচকি মুচকি হাসছিস যে?"

নাওয়াফ রুপকে দেখে শব্দ করে হেসে বলে,

"আমার পিছু ছেড়ে দে এবার রুপ। এবার হয়তো আমি সত্যি সত্যি প্রেমে পড়ে গেছি। তোর আর চান্স নেই বুঝলি।"

রুপ ভ্রু কুচকে নেয়। বোঝাই যাচ্ছে নাওয়াফের কথা তার পছন্দ হয়নি। সে নাওয়াফের কাঁধ ঝাঁকিয়ে বলে,

"তোর মাথা ঠিক আছে তো নাওয়াফ? আমরা কত বছর একসাথে আছি সেই খেয়াল আছে? এমন কিছু হলে আমি তোকে আর ওই মেয়েকে জাস্ট ধ্বংস করে দিব। তুই আমাকে ভালো করেই চিনিস।"

নাওয়াফ তার কাঁধে থাকা রুপের হাত ঝারা দিয়ে বলল,

"আমি তোকে ভালো করেই চিনি রুপ সোনা। তুই আমাকে ধ্বংস করবি? আমি এক্সাক্টলি কেমন সেটা আদোও জানিস তুই? একটু হলেও তো ধারণা থাকার কথা তাই না? তুই বন্ধু আমার রুপ। হতাশ করিস না আমাকে। পুরো পৃথিবীর কাছে খারাপ মানুষ হলেও তোরা বন্ধুরা আমার প্রাণ রুপ।"

রুপের চোখ অশ্রুতে টইটম্বুর হয়ে যায়। তাদের থেকে একটু দূরেই দাড়িয়ে থাকা ইহসান আর রাইদ নাওয়াফের কথা শুনে এগিয়ে এসে দুই বন্ধু নাওয়াফকে জড়িয়ে ধরে। হঠাৎ করে নাওয়াফকে জাপ্টে ধরায় নাওয়াফ দুপা পিছিয়ে যায়। ব্যাপারটা বুঝতে পেরে নাওয়াফ ইহসান আর রাইদের পিঠে চাপড় দেয়। রুপ অভিমানী দৃষ্টিতে তাদের দিকে তাকিয়ে থাকে। নাওয়াফ মুচকি হেসে রূপকে উদ্দেশ্য করে বলে,

"বাড়ি যা শাঁকচুন্নি। তোকে আমাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হলো।"

রুপের চোখ দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ে। ইহসান আর রাইদ রুপের অবস্থা দেখে শব্দ করে হাসে। নাওয়াফ রুপের মাথায় হাত রেখে বলে,

"শোন রুপ, আমরা সারাজীবন বন্ধু থাকবো কেমন?"

রুপ নাওয়াফের চোখে চোখ রাখে। টলমল করা চোখ দুটো তে আত্মবিশ্বাস নিয়ে বলল,

"তবে শুনে রাখ আমার হাতেই ওই মেয়ের ধ্বংস নিশ্চিত।"

নাওয়াফ মুচকি হাসলো রুপের কথা শুনে। হাসি মুখ নিয়েই সে বলল,

"কথার মধ্যে এত নিশ্চয়তা দিতে নেই রুপ। সৃষ্টি আর ধ্বংস মানুষের হাতে নেই রে পাগলী।"

রুপ নিজের মাথা থেকে নাওয়াফের হাত সরিয়ে নিল। চোখের অশ্রু হাতের উল্টো পিঠ দিয়ে মুছে সে প্রস্থান করলো সেই জায়গা থেকে। রাইদ হামি দিয়ে বলল,

"মাথা ঠিক হলে আবার চলে আসবে বাদ দে। মেয়েরা এমন একটু মাথামোটাই হয়।"

নাওয়াফ আর কিছু না বলে সেখান থেকে তার বাইকের কাছে এসে হেলান দিয়ে দাঁড়াই।

নীল আকাশ পানে তাকিয়ে নাওয়াফ কিছু ভাবে। তার এখন হয়তো ভাবাভাবি আর শেষ হবে না।

ইহসান আর রাইদ দু'জন চাচাতো ভাই। তাদের বাড়িতে যাওয়ার ডাক পড়েছে। তাই তারা নাওয়াফের থেকে বিদায় নিয়ে চলে যায়। নাওয়াফ সেখানেই দাড়িয়ে থাকে। তার যেতে ইচ্ছে করছে না কোথাও। টানা কয়েকঘন্টা সে সেখানেই দাড়িয়ে থাকে। ওইতো নতুন শিক্ষার্থীরা সবাই বের হয়েছে। নাওয়াফ মুখের সামনে হাত রেখে হামি ছাড়লো। হাতে চুটকি বাজিয়ে ডাকলো,

"এইযে নীল পোশাকের নীলাদ্রি এইদিকে আয়।"

মেহরিমা আর রুহি নাওয়াফের পাশ দিয়েই যাচ্ছিলো। রুহি মেহরিমার হাত ধরে আটকে দিয়ে বলে,

"তোকেই ডাকছে বোধহয় মেহরিমা।"

"আমাকে কেন ডাকবে?"

মেহরিমার কোথায় রুহি কপাল কুচকে বলল,

"আরেহ বুদ্ধু! তুই নীল জামা পড়ে আছিস। আয় শুনে আসি কি বলে।"

রুহি মেহরিমাকে টেনে নিয়ে আসলো নাওয়াফের সামনে।

মেহরিমার মন চাইলো রুহির মাথা ফাটাতে।

মেহরিমা আবারো ভদ্রভাবে বলল,

"জ্বী, আমাকে ডেকেছেন?"

নাওয়াফ আগের মতোই মেহরিমার পা থেকে মাথা পর্যন্ত অবলোকন করল। মেহরিমা নাওয়াফের দৃষ্টি নিজের উপর পড়তে দেখে নিজেকে গুটিয়ে নিল। নাওয়াফ বাঁকা হেসে বলল,

"সময়মতো ভার্সিটিতে আসবি। ক্লাস করবি আবার সোজা বাড়িতে চলে যাবি। অহেতুক কোনো ছেলের সাথে যাতে ঘোরাঘুরি বা কথা বলতে যেন না দেখি। আমার কথামতো চলবি। তাহলে ভালো থাকবি। আর তা নাহলে ভুলে যাবি কখনো ভালোভাবে জীবনযাপন করেছিস।"

মেহরিমার মেজাজ খারাপ হলো নাওয়াফ নামের ছেলেটার কথা শুনে। কথা শুনে মনে হচ্ছে সে এই লোকের কেনা গোলাম। যা বলবে সে যেন তা শুনতে বাদ্ধ। আর যদি না শোনে তো তার জন্য শাস্তি বরাদ্দ। মেহরিমা ব্যঙ্গাত্বক হাসলো। নাওয়াফকে বলল,

"আমি কারো গোলাম নই যে যা বলবেন তা শুনতে বাধ্য হব। আচ্ছা আপনার কথা আমি কেন শুনবো? কে আপনি?"

নাওয়াফের কপালে ভাজ পড়ে। তার কথা শুনবে না মানেহ! প্যান্টের পকেটে দুহাত গুজে নাওয়াফ মেহরিমাকে বলে,

"আমি বলেছি তাই তুই শুনতে বাধ্য। আর যদি বলিস আমি কে? তো আজ থেকে আমি তোর প্রেমিক। পছন্দ হয়েছে তোকে। তোর সাথে শুরু হলো আজ থেকে সম্পর্ক। তুই আর আমি প্রেমিকযুগল। ক্লিয়ার?"

রুহি মেহরিমার বাহু চেপে ধরলো। মেহরিমার কপালে গাঢ় ভাজ পড়তে দেখলো নাওয়াফ। তা দেখে নাওয়াফের ঠোঁটের কোণে হাসির দেখা মিলল।

মেহরিমা শান্ত গলায় বলল,

"আমি বিবাহিতা।"

নাওয়াফ দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলল,

"প্রেমের প্রস্তাব পেলে কিছু মেয়ে নিজেকে বিবাহিতা দাবি করে। সমস্যা নেই। আজকে রেস্ট কর। কালকে থেকে আমরা প্রেম করবো।"

মেহরিমার মুখ দিয়ে উচ্চারিত হলো পাগল শব্দটি। নাওয়াফ সেই শব্দটাকে সাদরে গ্রহণ করে বলল,

"শুধু তোর জন্য।"

মেহরিমা রুহিকে টেনে নিয়ে যায়। নাওয়াফ পিছন থেকে বলে,

"সিনিয়র প্রেমিককে সম্মান দিতে শেখ নীলাদ্রি।"

পিছনে না তাকিয়েই মেহরিমা বাজখাঁই গলায় উত্তর দেয়,

"সিনিয়র ভাইকে সম্মান দিতেই পারি। আমি নীলাদ্রি নই মেহরিমা।"

মেহরিমা রুহিকে নিয়ে গেট পেরিয়ে চলে যায়।

নাওয়াফের কপালে চিন্তার ভাজ পরে।

পরক্ষনেই হেসে উড়িয়ে দিয়ে নিজেকে নিজেই বলে,

"যা আমি পছন্দ করি তা শুধুই আমার। নাওয়াফ হোসাইন যা চায় তাই পায়।"

--------------------------------------------------------------------

মেহরিমা বাসায় আসার কয়েক মুহুর্ত পড়েই তাহসিন ভার্সিটি থেকে আসে। সে এসেই গোসল সেরে নেয়।

মেহরিমা মুখ গোমড়া করে বিছানায় বসে থাকে। তারা নতুন বাসা নিয়েছে। এই ছোট বাসাতেই এখন তাদের বসবাস। তাহসিনকে এসেই কোনো কথা না বলে গোসল করতে যেতে দেখে মেহরিমার মন খারাপ হলো। এখন বুঝি তাহসিনের তার জন্য সময়ের স্বল্পতা দেখা দিয়ছে?

তাহসিন গোসল করে বের হয়। মেহরিমাকে বসে থাকতে দেখে বলে,

"প্রথম দিন কেমন কাটলো? সব কিছু ঠিকঠাক ছিল তো?"

মেহরিমা ঠোঁট উল্টায়। ভার্সিটিতে ঘটে যাওয়া ঘটনা তাহসিনকে বলার জন্য মনটা আকুপাকু করছে। সে কোনোকিছু গোপন করতে চায় না। তাহসিন যেমন তার কাছে খোলা ডায়েরির ন্যায়। মেহরিমাও ঠিক তেমন ভাবে তাহসিনের সামনে থাকতে চায়। সে চায় না তার বিষয়ে কোনো কথা সে ব্যতিত অন্য কারোও মুখ থেকে কিছু জানুক। তাহসিন মেহরিমার থেকে উত্তর পায় না।

এগিয়ে এসে ভেজা চুল গুলো হাত দিয়ে মেহরিমার মুখের সামনে ঝাড়া দেয়। মেহরিমা পিটপিট করে চায়।

তাহসিন বিছানায় উঠে মেহরিমার কোলে মাথা দিয়ে শুয়ে পড়ে। মেহরিমার হাতটা টেনে নিজের মাথায় রাখে।

মেহরিমা তাহসিনের চুলের ভাজে ভাজে হাত বুলিয়ে দেয়।

তাহসিন মেহরিমার কোমর জড়িয়ে ধরে শক্ত করে।

ধীর কন্ঠে বলে,

"কি হয়েছে আমার বউটার?"

"কান্না পাচ্ছে খুব।"

"আমার কোনো কাজে কি কষ্ট পেয়েছেন?"

"সবসময় দুই লাইন বেশি বোঝেন আপনি।"

"তাহলে কেন কান্না পাচ্ছে?"

"আপনি রাগ করবেন?"

তাহসিন মেহরিমার কোল থেকে মাথা তুলে উঠে বসে।

মেহরিমার হাত দুটো নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে বলে,

"রাগ করার মতো কথা হলে অবশ্যই রাগ করব। আর যদি তেমন না হয় তাহলে রাগ করার প্রশ্নই আসে না।"

মেহরিমা মাথা নিচু করে নেয়। তাহসিন মেহরিমার থুতনি ধরে নিচু করে থাকা মুখটা উপরে তুলে বলে,

"কোনো কিছু না বলেই মাথা নিচু করে নেওয়া আমার পছন্দ নয়। আগে নিজের কথা শেষ করুন।"

মেহরিমা বলতে শুরু করে এবার,

"ভার্সিটিতে আজকেই প্রথম দিন ছিল। আর আজকেই একজন সিনিয়র বলে, সে নাকি আমার সাথে প্রেম করতে চায়। আমি বলেছি, আমার বিয়ে হয়ে গেছে। কিন্তু মনে হয় বিশ্বাস করেনি।"

তাহসিন মেহরিমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলে,

"যদি আর কখনো এমন বলে তাহলে সাথে সাথে আমাকে কল দিবেন। আমরা অধ্যক্ষের কাছে এ বিষয়ে বিচার দিব। এটা নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। ছোট থেকে বড় সব কথা আমাকে এসে বলবেন।"

মেহরিমা মাথা নাড়িয়ে সায় জানায়। তাহসিন আর বসে না থেকে প্লেটে খাবার বেড়ে এনে মেহরিমাকে খাইয়ে দিয়ে নিজেও খেয়ে নেয়।

তাকে এখন কাজে যেতে হবে। কাজে যাওয়ার জন্য তৈরি হয়ে তাহসিন মেহরিমার সামনে এসে তার মুখ দু'হাতের আজলায় নিয়ে টপাটপ কয়েকটা চুমু দেয়।

দরজা খুলে যেতে নিলে মেহরিমা ডাক দিয়ে বলে,

"এইযে ময়নার বাপ শুনুন"

তাহসিন এগিয়ে এসে বলে,

"হুমম, জলদি বলুন ময়নার মা। দেরি হয়ে যাবে তা নাহলে।"

মেহরিমা মুখ গোমড়া করে বলে,

"সারা মুখে চুমু দিলেন। আমার ঠোঁট কি দোষ করল?"

তাহসিন হেসে দেয়। আর দেরি না করে এগিয়ে এসে মেহরিমার কোমর একহাতে চেপে ধরে তার ঠোঁটে নিজের ঠোঁট মিলিয়ে দেয়। তাহসিনের শার্ট আঁকড়ে ধরে মেহরিমা।

কিছুক্ষণ পরে মেহরিমার ঠোঁট থেকে নিজের ঠোঁট ছাড়িয়ে নেয় তাহসিন। লম্বা শ্বাস টেনে বলে,

"ভালোবাসিই।"

চলবে,,,,,,,,,,,,,,,

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ২৯তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন