ফন্ট সাইজ:
থিম:
ONE SIDE LOVE

১ম পর্ব

লেখক: NAHAR

~আকাশের কালো মেঘ বাতাসে হামাগুড়ি দিচ্ছে।


৯ বছরের এই নিস্তব্ধ মন আজ বাতাসের হামাগুড়িতে চিৎকার দিতে চাচ্ছে।

এই ৯ বছর আমার বুকের ভিতর বয়ে গেছে এক তরফা ভালোবাসার বেদনা।

আগে অবশ্য এই ভালোবাসা ভালোই লাগতো হাজারো কল্পনার মাফলার বুনেছি বুকে। তবে এখনো বুনা শেষ হলো না এতটাই বড় হয়ে যাচ্ছে পরবর্তী তে এটা আমাকেই বয়ে বেড়াতে হবে যার জন্য বুনেছি সে ছুঁয়েও দেখবে না।

(আমি ইয়ারা)

বাস্তবে কিন্তু আমার নাম ইয়ারা না।আমি তখন ছোট চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ি। ভালোবাসা কি তখন আমি বুঝতাম না।

দাদি চাচিরা টিভি সিরিয়ালে যা দেখতো ওগুলোতে দেখতাম আর বলতাম ভালোবাসা কি মা তখন আমাকে বলত ভালোবাসা হচ্ছে বিয়ে। কোনো মেয়ের যদি কোন ছেলেকে ভালো লাগে তাহলে ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে। ১৮ বছর হয়ে গেলেই সেই মানুষটাকে ভালোবাসি বলে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে বিয়ে করে নেয় আর হালাল জীবন কাটায়। আমি যেনো ভুল পথে না যাই তাই এভাবে বুঝিয়ে বলে ছিল।এই কথাটা মনের মধ্যে গেঁথে গেছিল। আমার বাসা ঠাকুরগাঁও। মধ্যবিত্ত পরিবার আমার আব্বুরা তিন ভাই এক বোন। আমার আব্বু মেজো। আমার আব্বু ছাড়া সবাই বিয়ে করে ঢাকায় চলে যায়। দাদি একদিন বলে আমার চাচাতো ভাই কে দেখার ইচ্ছা করতেছে। তাই আমি আব্বুকে বলি রাইয়ান কে দেখতে যাবো না। আব্বু বলে হে দেখবো তো আমি টাকা জমাচ্ছি তোমার ভাইকে দেখতে আমরা সবাই ঢাকা যাবো। এভাবে ঢাকা যাওয়ার সময় চলে আসে তখন ঠাকুরগাঁও থেকে ঢাকা সরাসরি ট্রেন চালু হয়নি তাই বাসেই যাবো। আগেও গিয়েছি যখন রাইয়ান এর মুসলমানি হয়েছিল কিন্তু তখন কার কথা মনে নেই। এবার ঢাকা যাওয়ার সময় আমার ভালোই বুঝ ছিল। আমার একটা ছোট বোন ও আছে ২ বছর বয়সী। অনেক আগ্যহে আমরা ঢাকায় চাচার বাসায় যাই কত আনন্দ কত খুশি কত হইচই। এই আনন্দ এখন আর নেই সেই আনন্দ সেখানেই থমকে গেছে। আমার চাচারা যেই বাসায় থাকে ওই বাসার সবার সাথে আমাকে দেখা করায় কত বড়লোক তারা কিন্তু মনে ছিটেফোঁটাও অহংকার নেই। সাবাইকে সালাম দিয়ে কথা বলে চলে আসবো দেখি একটা ছেলে মনোযোগ দিয়ে পড়তেছে। চোখে চিকন গ্লাস এর চশমা মার্জিত ভাবে চুল কাটা উজ্জ্বল চাঁদের মত গায়ের রং ফর্সা । আম্মুরা বলা বলি করতেছে ছেলে টা অনেক ভদ্র মেধা অনেক ওই বাসার এক মাএ ছেলে আদর্শ বাবার আদর্শ ছেলে। আমি মনে মনে বলি কত ভদ্র ছেলেটা। কিন্তু একটু বেশি ফর্সা এত ফর্সা ভালো লাগে না। আমার ছোট ভাই কানের কাছে আসে বলে কি বেপার আপু এভাবে তাকায় আছো কেনো ভালো লাগছে নাকি। কান টানে বলি ভালো লাগা কাকে বলে তুমি বুঝ হে আমিতো বুঝিনা। দুঃখিত আপু মজা করছি এমন মজা আর করবো না। কান ছাড়ে দিয়ে বলি হুম এখন ভাগো। চলে যাওয়ার সময় বলে ওমন মজা করবো না এর থেকেও বেশি করবো। আমি বলি থামো ওই গলুমলু শরীর নিয়ে কত দূর যাও দেখি পাইলে এমন মাইর খাবা।

এভাবে বিকেল হয় দেখি ওই ছেলেটা সাইকেল নিয়ে বের হচ্ছে পাশে নাকি একটা বড় গুরুস্থান ওখানে তখন এতটাও কবর ছিল না সবাই বিকেল হলে বেরাতে যায় আমার ছোট ভাই টাও ওর সাথে যায়। একটু পর আমারা সবাই যাই। এক সাইডে বসে ওদের দুই জন কে দেখতেছি। ওদের কান্ড দেখে মুচকি মুচকি হাসতেছি। আমার পিচ্চি ভাইটা কাছে আসে বলে এভাবে হাসতেছো কেন হেএ~~~ আমার মত হাসো হা হা হা করে মাথায় বারি দিয়ে বলি চুপ। আচ্ছা ওই ছেলেটার নাম কি। ও বলে কোন ছেলে টা মামার কথা বলতে ছো।

কিহ মামা :)

হে মামাই তো তুমি এমন চমকে উঠলা কেন।

আপু___আপু কি হইলো।

কিছু না,,,,,,,

হি হি হি কষ্ট পাইলা নাকি

নাহ কষ্ট পাবো কেন।

তাহলে ঠিক আছে। আর হে মামা বলেই ডাকবা জানি মামা একটু বেশি সুন্দর কিন্তু মামা করে বলবা নাম তোমাকে শুনতে হবে না। বলেই দৌড় দেয়।

আমি চিল্লাই বলি রাইয়ান এর বাচ্চা তোমাকে খালি পাই।

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ১ম পর্ব শেষ করেছেন।

উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন