ফন্ট সাইজ:
থিম:
আমরণ আসক্তি

পর্ব 1

লেখক: হাসিবুল হাসিব

#আমরণ_আসক্তি
#অপূর্ব
#পর্বসংখ্যা_০১

🚫❌
(১৮+) প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য। গল্পটা অতিরিক্ত রোমান্টিক চাইলে স্কিপ করে যেতে পারেন। [সবার চিন্তা ধারার সাথে গল্পটি নাও মিলতে পারে]

⚠️
~(ডার্ক রোমান্টিক+ থ্রিলার টাইপ গল্প পছন্দ না করলে এড়িয়ে যান)~
_________________________

আহ্...!" ব্যাথা লাগছে, প্লিজ ছেড়ে দেন আমায়। আপনার পায়ে ধরি!

ফোঁপাতে ফোঁপাতে ব্যাথাতুড় আওয়াজে অর্থর উদ্দেশ্য কথাটি বলল আয়াত।

অর্থ আয়াতের ওষ্ঠদ্বয় গভীরভাবে আকড়ে ধরে সেভাবেই নেশাক্ত কন্ঠে ফিসফিসিয়ে আওড়ালো, Sorry baby. আমি চাইলেও নিজেকে আটকাতে পারবো না। I'am lost within my self.

কথাটুকু বলেই অর্থ সম্পূর্ণ নগ্ন অবস্থায় থাকা আয়াতকে টেবিলের উপর থেকে কোলে তুলে নিয়ে এগিয়ে গিয়ে খাটে শুইয়ে দিলো।
–––
এরপর অর্থ উপুর হয়ে আয়াতকে জড়িয়ে ধরে নিজের কাজে মত্ত হলো।

আয়াত চেঁচিয়ে উঠলো, আহহ্ আস্তে!" আল্লাহ্ গো, উহহ্ আমি আর নিতে পারছি না।

অর্থ আক্ষেপের সুরে বলল, আমি কি করবো! তুমি ভার্জিন হওয়ায়, জায়গাটা অনেক ছোট!

কথাটুকু শেষ করতেই অর্থ জোড়ে জোড়ে পরপর তিনটা ধাক্কা দিলো।

আয়াত ব্যাথায় আর্তনাদ করে, হু হু করে কেঁদে উঠলো।
______________________________

প্রায় এক ঘন্টা আগে.....

স্থান– হোটেল রেড ফ্লাগ।

সারিবদ্ধ ভাবে দাঁড়িয়ে আছে হোটেলের সকল কর্মচারী। সকলের দৃষ্টির কেন্দ্রবিন্দু, হোটেলের মালিক শাহমীর আহমেদ। যিনি সকলের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন।

শাহমীর আহমেদ গলা ঝেড়ে বলতে শুরু করলেন, বি কেয়ার ফুল এভরিওয়ান। সবাই কে এলার্ট থাকতে হবে। আজকে আমরা অনেক বড় একটা সুযোগ হাতে পেয়েছি। দেশের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যাবসায়ী আহসান আবরারের একমাত্র ছেলে অনিকেত আবরার অর্থ আমাদের হোটেলে আসছেন। সবাই জান প্রাণ লাগিয়ে সেবা করবে। কোনো কমতি যেন না থাকে।

সকল স্টাফ একই সাথে বলল, Yes Sir. আমরা সব সামলে নিবো No Tension।

শাহমীর আহমেদ সকলের উদ্দেশ্যে মৃদু হাসলেন অতঃপর ম্যানেজারের দিকে তাকিয়ে বললেন, –মিস্টার ফারহাজ, পদ বিবেচনায় আপনি এখানে সবার সিনিয়র। তাই আপনার দায়িত্ব হলো সবকিছু সঠিক ভাবে পরিচালনা করা।

ফারহাজ চৌধুরী সৌজন্য মূলক হেসে বলে, আপনি কোনো চিন্তা করবেন না স্যার। আমি সব সামলে নিবো।

শাহমীর আহমেদ ফারহাজের কাঁধে হাত রেখে সামনের দিকে তাকিয়ে ঠোঁটে এক চিলতে হাসি ঝুলিয়ে সকলের উদ্দেশ্যে বললেন, I believe you can do it.

এরপর শাহমীর আহমেদ হোটেল থেকে বেড়িয়ে গেলেন।
__________

মালিকের প্রস্থান লক্ষ্য করে ম্যানেজার গুটিগুটি পায়ে এগিয়ে এসে আয়াতের সামনে দাঁড়িয়ে গলা চড়িয়ে সকলের উদ্দেশ্যে বলে, সবাই নিজেদের কাজে যাও।
----
ম্যানেজারের নির্দেশ পেয়ে সকলেই নিজেদের গন্তব্যে পা বাড়ায়।
----
সুযোগ পেয়ে আয়াতও পাশ কাঁটিয়ে যেতে চায় তবে, ম্যানেজার আপত্তির সুরে বলে,
–তুমি গেলে তো হবে না পাখি। তোমাকে কতোবার করে বলি আমি তোমাকে ভালোবাসি। তুমিতো বুঝতেই চাও না।

আয়াত মাথা নুইয়ে রেখেছে। মিনমিন করে বলে, ভাইয়া আমি যাই?
ফারহাজ বিরক্তিতে ভ্রু কুঁচকে বলে, আমি কি বলছি আর তুমি কি বলছো?
একটু থেমে একটা বিরক্তির নিশ্বাস ফেলে ফারহাজ আবার যুক্ত করে, আচ্ছা যাও।

আয়াত দ্রুত পায়ে স্থান ত্যাগ করলো। ফারহাজ অপলক চেয়ে আয়াতের গমন দেখলো।

(নাম–আশ্মিন রহমান আয়াত। বয়স– ২৩। একটা মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। পরিবার বলতে শুধু মা আর ছোট ভাই আয়াশ আছে। আয়াশ অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। মূলত আর্থিক টানা-পোড়েনের কারণে আয়াত কে হোটেলে কাজ করতে হয়।)

_____________

সময় বেলা ১১ টা ১৭.......
একটা ব্লাক ফেরারি কার এসে থামে সাত তলা ভবন বিশিষ্ট রেড ফ্লাগ হোটেলের সামনে।
ফেরারি ব্রান্ডের কালো রঙের গাড়িটা থেকে নেমে দাঁড়ালো লম্বা, ফর্সা গড়নের সুঠাম দেহি একটা পুরুষ। ছেলেটার পড়নে কালো রঙের একটা ঢোলা হুডি ও কালো প্যান্ট। হুডির টুপি টা মাথায় দিয়ে রাখা। হুডির পেছেনে সাদা রঙের ফেব্রিক্স দিয়ে একটা সিংহের মুখমণ্ডল আঁকা।

সে যাই হোক,,,,
( এই সুদর্শন ছেলেটাই অনিকেত আবরার অর্থ। বয়স- সাতাশের ঘরে। অর্থ'র পুরো শরীরের সবচেয়ে আকর্ষনীয় জিনিসটা হলো তার নিলচে চোখ জোড়া )

........এবার গল্পে ফেরা যাক.......

ব্যাকসিটের দরজা খুলে বেড়িয়ে আসলো আয়ন আর তুরাগ। অর্থর কাঁধে হাত রেখে তুরাগ বলল,
—তাহলে ব্রো চলো ভেতরে যাওয়া যাক।

অর্থ মাথা নাড়িয়ে সম্মতি দিয়ে হোটেলের দিকে হাটা ধরলো, পেছন পেছন আয়ন আর তুরাগও হাঁটলো।
———
অর্থর গাড়ির পাশে এসে থামলো আরো ছয়টা গাড়ি। কালো ড্রেস পড়া মোট ২৩ জন লোক এক এক করে গাড়ির থেকে বেড় হয়ে অর্থর পেছনে ছুঁটলো। তারা মূলত অর্থর বডিগার্ড।

__________

ম্যানেজার সহ কয়েকজন স্টাফ এগিয়ে এসে অর্থকে সাদরে বরণ করে হোটেলে নিয়ে গিয়ে ভি.আই.পি রুমে বসালেন।
______________

আলীশান একটা চেয়ারে বসে ফোন স্ক্রল করছে অর্থ। সামনে বসে আছে আয়ন আর তুরাগ। তারা নিজেদের গল্পে মত্ত।বডিগার্ডেরা কেবিনের বাইরে রাইফেল হাতে দাঁড়িয়ে আছে।

একের পর এক ওয়েটার এসে টেবিলে নানা ধরনের খাবার সার্ভ করছে।

——
হঠাৎই ফোন থেকে সামনের দিকে চোখ পড়লে অর্থর দুনিয়া থমকে যায়। তার সামনে দাঁড়িয়ে আছে একটা মেয়ে। ওহ্! Sorry মেয়ে ভুল হবে she is Angel.

অর্থ অপলকভাবে তাকিয়ে আছে রমনীর দিকে। মেয়েটার গোলাপী অধরদ্বয় তাকে আকৃষ্ঠ করছে বারংবার।

অর্থ একটা শক্ত ঢোক গিলল।
মেয়েটা খাবার পরিবেশন শেষ করে কেবিন থেকে বেড়িয়ে গেলে অর্থ ফট করে উঠে দাঁড়িয়ে আয়নের উদ্দেশ্যে বলল, এই মাত্র যে মেয়েটা এসেছিলো তাকে পাঠিয়ে দিস, আমি রুমে গেলাম।

আয়ন আগ্রহী কন্ঠে বলল, কেন ব্রো? ওই মেয়েটাকে দিয়ে তুমি কি করবে?

অর্থ ভাবলেশহীনভাবে উত্তর করে, বাসর করব।

অর্থ'র কথায় তুরাগ আর আয়ন থতমত খেয়ে তার দিকে তাঁকায়। অর্থ একমুহূর্ত সময় নষ্ট করলো না দ্রুত রুম থেকে বেড়িয়ে গেলো।
_____________________________________

আয়াত ধীর পায়ে এগিয়ে এসে ১০৪ নম্বর রুমের সামনে থামলো। দরজাটা হালকা খোলা দেখে, দরজায় আঙুল দিয়ে দুটো টোকা দিয়ে বলল,
–স্যার আসবো?
অর্থ বিছানায় অধৈর্যের মতো বসে পা নাড়াচ্ছিলো। মূলত সে আয়াতের জন্যই অপেক্ষা করছে। কারো আওয়াজ পেতেই অর্থ তড়িঘড়ি করে উঠে দাঁড়িয়ে বলে,
—ইয়েস কামিং!"

আয়াত দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকতেই কিছু বুঝে ওঠার আগেই অর্থ তার ঠোঁট জোড়া আকড়ে ধরে! আচমকা কাণ্ডে আয়াত হতবম্ভ হয়ে যায়,তার চোখ গুলো বড় বড় হয়ে গেছে। আয়াত ছটফট করলো নিজেকে ছাড়ানোর জন্য তবে অর্থর শক্তির সাথে পেরে উঠলো না। চেঁচানোর ট্রায় করলো, তবে সেটাও পারলো না। অর্থ আয়াতের ঠোঁট আকড়ে ধরেই, একহাতে শক্ত করে আয়াতের দুই হাত ধরে অতঃপর অপর হাতে আয়াতের পরনের সাদা শার্টটার একটা একটা করে বোতাম খুলতে শুরু করে। আয়াতের নিশ্বাস আটকে আসছে তবে অর্থ আর মুখ থেকে মুখ সরাচ্ছে না। আয়াতের চোখ বেয়ে পানি পড়ছে। তবে সেসবে অর্থর হুশ নেই, সে আয়াতের শার্ট টা একটানে খুলে রুমের এক পাশে ছুড়ে ফেললো। আয়াতের পুরো শরীর জুড়ে অর্থর হাত বিচরণ করছে।
---
প্রায় মিনিট ১৫ পর অর্থ আয়াতের ঠোঁট ছেড়ে দিলে আয়াত জোড়ে জোড়ে শ্বাস নেয়,দম আটকে আসছে তার। আবারও কিছু বুঝে ওঠার আগেই অর্থ আয়াত কে এক ধাক্কায় বিছানার উপর ফেলে দিয়ে তার উপরে উঠে পরে। আয়াতের দুই হাত নিজের দুই হাতে বিছানার উপর চেপে ধরে, অর্থ আবারও গভীর ভাবে তার ঠোঁট জোড়া নিজের দখলে নিয়ে নেয়। আয়াতের চেহারায় স্পষ্ট আতঙ্ক তবে অর্থ পাত্তা দিলো না। আয়াতের ঠোঁট ছেড়ে তার গলায় মুখ গুজে নেশাক্ত কন্ঠে বলে,
— ইউ আর রিয়েলি বিউটিফুল! এঞ্জেল!

এরপর অর্থ আয়াতের ওই দুইটা কমলা লেবুর একটা ডান হাতে টিপ*তে আর অপরটা মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করে।

আয়াত তখনও ছটফট করেছে! অর্থর রাগ হয় সে আয়াতের ওইটাতে জোড়ে কামড় দিয়ে বসে! আয়াত আর্তনাদ করে ওঠে! হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে বলে,
আহহহহহ!" লাগছে! আমার এতো বড় সর্বনাশ কইরেন না! প্লিজ আমাকে ছেড়ে দেন!

অর্থ একটানে আয়াতের স্কার্ট টা খুলে আয়াত কে সম্পুর্ন নগ্ন করে ফেলে। এরপর আগের মতোই মাতাল কন্ঠে বলে,
—স্যরি এঞ্জেল! ছাড়া যাবে না একদম! ছাড়ার জন্য তোমাকে ধরিনি!

এরপর অর্থ এক এক করে আয়াতের পুরো শরীরে ছোট ছোট অগণিত চুমু এঁকে নিচের অংশে এসে থামে! আয়াতের দুই পা দুদিকে ফাঁক করে তার ওই জায়গায় মুখ গুজে জীভ দিয়ে চাঁটতে শুরু করে!

আয়াত চোখ মুখ খিঁচে বন্ধ করে দুইহাতেই বিছানার চাদর মুষ্টিবদ্ধ করে ধরে!

__________________

কয়েক মূহুর্ত পর অর্থ আয়াত কে ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে নিজের শরীরের সকল বস্ত্র এক ঝটকায় খুলে নিজেকে সম্পূর্ণ আনড্রেস করে ফেলে!

এরপর নিজের ওইটা হাত দিয়ে কয়েকবার পাম্পিং করে আয়াতের ওই জায়গায় আস্তে করে ঢুকাতে শুরু করে!

আয়াত বলে ওঠে,
—আহ্ আস্তে! ওহ্ মা গো...!
অর্থ মৃদু ঠোঁট বাঁকিয়ে আস্তে আস্তে ঢুকাতে শুরু করে!

আয়াত চোখ বন্ধ করে,
—উফ্!আহ্! উমহ্!আস্তে!
এসব বলে মৃদু আর্দনাদ করে। অর্থর নিজেকে আরো বেসামাল মনে হচ্ছে। ছেলেটা আয়াতের অধরে মুখ ডুবিয়ে নিজের কাজে মত্ত হলো।
______________

বর্তমান..........

অর্থর কপালে ঘাম জমেছে,ক্লান্ত হয়ে গেছে ছেলেটা। তার মনোস্কামনা পূর্ণ হয়েছে। সে আর দাঁড়ালো না বড় বড় ধাপ ফেলে নিজের জামা কাপড় হাতে নিয়ে ওয়াশরুমে চলে গেলো।
___________

আয়াতের মুখ চুপসে গেছে। কেমন নেতিয়ে পড়েছে মেয়েটা,অনেক লোড নিতে হয়েছে তাকে।

আয়াত কোনো মতে নিজেকে সামলে কষ্ট করে উঠে বসে, বিছানার এক কোণায় পড়ে থাকা সাদা চাদর টা গায়ে জড়িয়ে নেয়। এরপর মেয়েটা ফুপিয়ে কেঁদে উঠলো।
________

ফ্রেশ হয়ে, ড্রেস পড়ে ওয়াশরুম থেকে বেড়িয়ে আসে অর্থ।
আয়াত কে কাঁদতে দেখে ভ্রু কুঁচকে বিচলিত কন্ঠে বলে, What Happened, Angel..?

আয়াত নাক টেনে কাঁদতে কাঁদতে অভিযোগের কন্ঠে বলে,
—আমার এতো বড় সর্বনাশ কেন করলেন? আমি কি ক্ষতি করেছিলাম আপনার? আমার চরিত্রে কেন দাগ লাগালেন?

অর্থ কয়েক মূহুর্ত স্তব্ধ হয়ে আয়াতের দিকে চেয়ে রইলো। আসলেই তো, সে মেয়েটার এতো বড় ক্ষতি কেন করলো? সে তো এমন ছিলো না!
---
কিছু একটা ভেবে অর্থ মেঝে থেকে আয়াতের ড্রেস গুলো তুলে মেয়েটার দিকে সেগুলো বাড়িয়ে দেয়। শান্ত কন্ঠে বলে,
—ডোন্ট ক্রাই! আই উইল ম্যানেজ এভরিথিং!

আয়াত কান্না থামিয়ে দাঁতে দাঁত চেপে রাগে কিরমির করতে করতে বলল,
—আপনি আমার বা*ল*ডা ম্যানেজ করবেন! অসভ্য লোক!

অর্থ নিষ্পলক চেয়ে কয়েক মূহুর্ত আয়ত কে দেখে। ছেলেটার ঠোঁটে বাঁকা হাসি ফুটে ওঠে।

অর্থ নির্লিপ্ত কন্ঠে জানায়,
—ঠিক আছে! চরিত্রে দাগ টা যখন আমিই লাগিয়েছি, ওই দাগ তোলার দায়িত্বও আমার!

আয়াত কপাল কুঁচকে বিস্ময় কন্ঠে বলে,
—কিভাবে?

অর্থ স্বাভাবিক ভাবেই উত্তর করে,
—ড্রেস পড়ে বাইরে আসো। আমি ওয়েট করছি। আমার সাথে গেলেই বুঝতে পারবে।

এটুকু বলেই অর্থ হনহন করে রুম থেকে বেড়িয়ে গেলো।

আয়াত প্রসারিত দৃষ্টিতে চেয়ে রইলো অর্থর গমন পথে।

.........চলবে........

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 1 শেষ করেছেন।

উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন