ফন্ট সাইজ:
থিম:
উপন্যাস : এক জীবনের চাওয়া তুমি

পর্ব 1

লেখক: Mahiya Islam Riya

উপন্যস: এক জীবনের চাওয়া তুমি
লেখিকা : মাহিয়া ইসলাম রিয়া
পর্ব ১

“বাঁচান আমায়, প্লিজ! ওরা আমায় মেরে ফেলবে!”
ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে মেয়েটি গাড়ির জানালায় অনবরত টোকা দিচ্ছিল।
“প্লিজ, আমাকে বাঁচান! ওই জানোয়ারগুলো আমাকে মেরে ফেলবে!”
মেয়েটির কণ্ঠে আতঙ্ক স্পষ্ট। চোখেমুখে ফুটে উঠেছে অসহায়ত্ব। যেন একটু সাহায্যের আশায় আঁকড়ে ধরতে চাইছে পৃথিবীর শেষ আশাটুকু।
ঠিক তখনই গাড়ি থেকে বেরিয়ে এল এক যুবক।
সে ধীর পায়ে মেয়েটির দিকে এগিয়ে এসে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল।
—·—
নোহার পরনে ছিল পিংক রঙের একটি গোল ফ্রক। এলোমেলো চুলগুলো কাঁধের ওপর ছড়িয়ে আছে। কপাল বেয়ে রক্ত ঝরছে। পাটাও কেটে গেছে, যার কারণে ঠিকমতো হাঁটতেও পারছে না।
নোহা আবারও কাঁপা গলায় বলল,
“প্লিজ, আমাকে বাঁচান। ওই জানোয়ারগুলো আমাকে মেরে ফেলবে।”
নোহার কথায় যেন লোকটির হুঁশ ফিরল।
তার পরনে কালো শার্ট আর কালো প্যান্ট। মুখের গাম্ভীর্য দেখে নোহার ভয় আরও বেড়ে গেল।
লোকটি গম্ভীর স্বরে জিজ্ঞেস করল,
“কী হয়েছে তোমার?”
নোহা কাঁপা কণ্ঠে বলল,
“ওই লোকগুলো আমাকে পাচার করে দিতে চায়। আমি যেতে চাই না। আমাকে মেরে ফেলবে।”
লোকটি কিছুক্ষণ নীরবে নোহার দিকে তাকিয়ে রইল।
ভয়ে কাঁপতে থাকা মেয়েটির মুখটা অদ্ভুত রকমের নিষ্পাপ। উজ্জ্বল ফর্সা মুখ, এলোমেলো চুল—সব মিলিয়ে তাকে ভীষণ সুন্দর লাগছে।
কিন্তু লোকটির মুখে সেই সৌন্দর্যের কোনো ছাপ পড়ল না।
সে শুধু গম্ভীর গলায় বলল,
“গাড়ির ভেতরে যাও।”
নোহা অবাক হয়ে তাকাল।
“কি?”
লোকটির কণ্ঠ এবার আরও কঠিন হলো।
“বললাম না, গাড়ির ভেতরে যেতে?”
একটু থেমে বিরক্ত হয়ে বলল,
“কানে শোনো না? ননসেন্স!”
লোকটির ধমকে নোহা কেঁপে উঠল।
আর কোনো কথা না বলে চুপচাপ গাড়ির ভেতরে গিয়ে গুটিসুটি মেরে বসে পড়ল।
তার আর কিছু করার নেই।
আজকের রাতটা যেন তার জীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর রাত।
—·—
নোহা একটু পর সাহস করে জানালার বাইরে তাকাল।
হঠাৎ তার চোখ বড় বড় হয়ে গেল।
লোকটির হাতে একটি রিভলভার।
নোহা আতঙ্কে নিঃশ্বাস আটকে ফেলল।
লোকটিকে দেখে তার ভীষণ ভয় লাগছে। পালিয়ে যেতে ইচ্ছে করছে, অথচ শরীরের প্রতিটি অংশ যেন অবশ হয়ে আছে।
নোহা গুটিসুটি হয়ে সিটে বসে রইল।
মাথাটা প্রচণ্ড ব্যথা করছে। ক্লান্তিতে চোখ দুটো ভার হয়ে আসছে।
কিছুক্ষণ পর চোখ বন্ধ করে গাড়ির সিটে মাথা এলিয়ে দিল সে।
কতক্ষণ কেটে গেল জানে না।
হঠাৎ পাশে কারও উপস্থিতি টের পেয়ে চোখ মেলল নোহা।
চমকে দেখল—ওই লোকটিই এসে তার পাশে বসেছে।
নোহার সঙ্গে লোকটির চোখাচোখি হতেই সে দ্রুত চোখ সরিয়ে নিল।
কিছু একটা বলতে যাবে নোহা, ঠিক তখনই গাড়ি স্টার্ট দিল।
হঠাৎ গাড়ি চলতে শুরু করায় নোহা ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যেতে নিলে লোকটি দ্রুত তার কোমর ধরে ফেলল।
অচেনা একজন মানুষের স্পর্শে নোহার পুরো শরীর কেঁপে উঠল।
সঙ্গে সঙ্গে লোকটি তার কোমর ছেড়ে দিল।
নোহা ভয়ে চোখ শক্ত করে বন্ধ করে রাখল।
—·—
রাত প্রায় নয়টা।
গাড়িটি এসে হাসপাতালের সামনে থামল।
নোহা চোখ মেলে বাইরে তাকিয়ে অবাক হয়ে বলল,
“গাড়ি থামালেন কেন?”
লোকটি কোনো উত্তর দিল না।
গাড়ি থেকে নেমে দরজা বন্ধ করে নোহার দিকে তাকিয়ে শুধু বলল,
“বের হও।”
নোহা কাঁদো কাঁদো মুখে বলল,
“প্লিজ, আমাকে এখানে রেখে যাবেন না। আমাকে বাড়ি দিয়ে আসুন, প্লিজ।”
নোহার কথা শুনে লোকটি বিরক্ত হলো।
“ননসেন্স! বের হয়ে আসো।”
নোহার আর কিছু বলার সাহস হলো না।
চুপচাপ গাড়ি থেকে নেমে দাঁড়িয়ে রইল।
তারপর বিড়বিড় করে বলল,
“অসভ্য লোক একটা! আমাকে একটু সাহায্য করেছে দেখে নিজেকে কী মনে করে, হুম!”
কথাটা বলে মুখ ভেংচি কাটল নোহা।
—·—
কিছুক্ষণ পর হাসপাতাল থেকে বের হলো নোহা।
মনে মনে ভাবতে লাগল, লোকটাকে যতটা খারাপ মনে করেছিল, আসলে হয়তো ততটা খারাপ নয়।
ভাবনাটা মনে আসতেই নিজের অজান্তে হেসে ফেলল সে।
নোহাকে এভাবে হাসতে দেখে লোকটি ভুরু কুঁচকে তাকাল।
“এই ননসেন্স! এভাবে হাসছো কেন?”
নোহা সঙ্গে সঙ্গে হাসি থামিয়ে বলল,
“না, মানে... এমনি।”
নোহা ঠিকমতো হাঁটতে পারছিল না। পায়ে প্রচণ্ড ব্যথা।
কয়েক পা এগিয়েই থেমে গেল সে।
লোকটি তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল,
“কী হয়েছে?”
নোহা নিচের দিকে তাকিয়ে বলল,
“হাঁটতে পারছি না। পা অনেক ব্যথা করছে।”
কথাটা শেষ হওয়ার আগেই লোকটি নোহাকে কোলে তুলে নিল।
নোহা চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে বলল,
“এই! কী করছেন? নামিয়ে দিন আমায়!”
লোকটি তার দিকে তাকিয়ে বিরক্ত স্বরে বলল,
“ননসেন্স! চুপ থাকতে পারো না একটু?”
নোহা সঙ্গে সঙ্গে চুপ হয়ে গেল।
—·—
পুরান ঢাকার ভেতরে নোহার বাড়ি।
গাড়িটি এসে একটি দোতলা বাড়ির সামনে থামল।
বাড়িটা দেখেই নোহা চিনে ফেলল।
এটাই তার বাড়ি।
বাইরে তখন ঝিরিঝিরি বৃষ্টি পড়ছে।
নোহা গাড়ি থেকে নেমে লোকটির দিকে তাকিয়ে মৃদু স্বরে বলল,
“ধন্যবাদ আপনাকে।”
লোকটি কোনো উত্তর দিল না।
গাড়ি স্টার্ট দিয়ে মুহূর্তের মধ্যেই চলে গেল।
নোহা স্থির চোখে গাড়িটির চলে যাওয়া দেখতে লাগল।
তারপর বিড়বিড় করে বলল,
“এ কেমন লোক! আমি তাকে ধন্যবাদ দিলাম, অথচ লোকটা একটা কথাও না বলে চলে গেল!”
পায়ে ব্যথা থাকায় আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারল না নোহা।
ধীরে ধীরে বাড়ির ভেতরে ঢুকে গেল।
বাড়িতে ঢুকেই দেখল, সবাই বসার ঘরে বসে আছে।
তার বাবা আলী হোসেন, বড় চাচা ইসমাইল হোসেন এবং ফুপি জাহানারা শেখ।
নোহাকে দেখামাত্র হাসি শেখ ছুটে এসে মেয়েকে জড়িয়ে ধরলেন।
“কই ছিলি মা? তোকে কত খুঁজেছি! কোথাও পাইনি!”
মেয়েকে ফিরে পেয়ে হাসি শেখের চোখে পানি চলে এল।
নোহা মায়ের বুকে মুখ লুকিয়ে রইল কিছুক্ষণ।
তারপর যা যা ঘটেছে, সব খুলে বলল।
তবে অচেনা লোকটির কথা একবারও বলল না।
একসময় চারপাশে তাকিয়ে নোহা বুঝতে পারল, বাবা আর অর্ণব ভাইয়া নেই।
সে জিজ্ঞেস করল,
“বাবা আর অর্ণব ভাই কই?”
ইশা বলল,
“তোকে খুঁজতে গেছে।”
নোহা খুব একটা অবাক হলো না। সে জানত, তাকে খুঁজতে তারা সেখানেই যাবে।
ইসমাইল হোসেন মেয়ের দিকে তাকিয়ে বললেন,
“ওকে আর কিছু জিজ্ঞাসা করো না। অনেক ক্লান্ত।”
তারপর মাহিকে বললেন,
“মাহি, ওকে নিয়ে ওপরে যাও।”
মাহি বাবার কথা শুনে নোহাকে নিয়ে দোতলায় চলে গেল।
—·—
রুমে গিয়ে নোহা ফ্রেশ হয়ে বেরিয়ে দেখল, মাহি এখনো বসে আছে।
নোহা কিছু বলার আগেই মাহি চোখ ছোট করে বলল,
“তুই ওখানে মিথ্যা বললি কেন?”
নোহা অবাক হওয়ার ভান করে বলল,
“কই? আমি মিথ্যা কথা বলছি? তুই কী বলিস!”
মাহি ভুরু কুঁচকে বলল,
“তুই তাদের পুরো ঘটনা বলিসনি। কাহিনি কী বল তো?”
নোহা বুঝতে পারল, মাহি কী বলতে চাইছে।
দীর্ঘ একটা নিঃশ্বাস ফেলে সে যা যা ঘটেছে, সব খুলে বলল।
সব শুনে মাহির মুখ আপনাআপনি হাঁ হয়ে গেল।
“তুই ভয় পাসনি?”
নোহা কিছু বলার আগেই মাহি বলল,
“আমি হলে তো পালাতাম!”
নোহা মাহির মাথায় হালকা একটা থাপ্পড় দিয়ে বলল,
“তুই তো পালাতি! আমিও পালানোর চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু তখন আমার কিছু করার ছিল না।”
আরও কিছু বলতে যাবে, ঠিক তখনই অর্ণব রুমে ঢুকল।
নোহা আর মাহি দুজনেই হকচকিয়ে গেল।
অর্ণব নোহার দিকে তাকিয়ে বলল,
“কী হয়েছে তোর? কই গেছিলি? কত খুঁজেছি জানিস?”
নোহা মাথা নিচু করে রইল।
মনে মনে নিজের বন্ধুদের ওপর ভীষণ রাগ হচ্ছে তার। তাদের জন্যই তো আজ এত কিছু হয়েছে!
নোহা কিছু বলছে না দেখে অর্ণবও আর কিছু জিজ্ঞাসা করল না।
কিছুক্ষণ নীরব থেকে বলল,
“কিছু খেয়েছিস?”
নোহা মাথা তুলে মৃদু স্বরে বলল,
“না, খাইনি।”
অর্ণব এবার মাহির দিকে তাকাল।
কিছু বলার আগেই মাহি বলে উঠল,
“হুম, বুঝেছি। খাবার আনতে হবে, তাই তো?”
অর্ণব মাহির মাথায় একটা চাটি দিয়ে বলল,
“বুঝতে পেরেছিস যখন, তাহলে এখানে দাঁড়িয়ে আছিস কেন?”
কথাটা বলেই অর্ণব রুম থেকে বেরিয়ে গেল।
মাহি আর নোহা দুজনেই বোকা চোখে একে অপরের দিকে তাকিয়ে রইল।
—·—
নোহা আর মাহি একই কলেজে পড়ে—ঢাকা কলেজে।
বাড়ি থেকে কলেজ অনেক দূরে হওয়ায় তারা হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করে।
প্রথমদিকে হাসি শেখ মেয়েকে হোস্টেলে রাখতে একদমই রাজি ছিলেন না। অনেক বুঝিয়ে-সুঝিয়ে অবশেষে তাকে রাজি করানো হয়েছিল।
—·—
পরের দিনও নোহার শরীর পুরোপুরি ভালো হয়নি।
সে মন খারাপ করে বসে ছিল।
হঠাৎ মাহি দৌড়ে এসে বলল,
“নোহা! অর্ণব ভাইয়া কী করছে দেখ!”
নোহা ভুরু কুঁচকে তাকাল।
“কেন? কী হয়েছে?”
মাহি হেসে বলল,
“চল, দেখবি!”
দুজনেই সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে রান্নাঘরের সামনে গিয়ে চুপিচুপি উঁকি দিল।
নোহার পরনে কালো রঙের গোল জামা। আর মাহির পরনে সবুজ রঙের গোল জামা।
রান্নাঘরের ভেতরের দৃশ্য দেখে দুজনেই মুখে হাত চাপা দিয়ে হাসতে লাগল।
অর্ণব মাথায় হেলমেট পরে রান্না করছে!
নোহা আর নিজেকে সামলাতে পারল না। জোরে হেসে ফেলল।
হাসির শব্দ শুনে অর্ণব পেছনে তাকাল।
“এভাবে না হেসে এখান থেকে যা।”
নোহা হাসতে হাসতে বলল,
“তুমি রান্না করছ, আবার হেলমেট পরে! বাহ বাহ! এখানেই দাঁড়াও, আমি আম্মুকে ডাকছি—বান্দর!”
কথাটা বলেই দৌড় দিল নোহা।
অর্ণব রাগে হেলমেট খুলে নোহার পেছনে দৌড় দিল।
“এই দাঁড়া, বেয়াদব!”
মাহি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দুজনের কাণ্ড দেখছে।
তাদের দৌড়াদৌড়ি দেখে হাসি শেখ বললেন,
“এই তোদের কী হয়েছে? এভাবে দৌড়াচ্ছিস কেন?”
অর্ণব সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগ করল,
“মামি, তোমার মেয়েকে কিছু বলো! তোমার মেয়ে আমাকে বান্দর বলে!”
নোহা দূর থেকে হেসে বলল,
“বান্দরকে বান্দর বলব না তো কী বলব? হুম?”
অর্ণব বিরক্ত চোখে তাকিয়ে বলল,
“আমি হেলমেট পরে রান্না করছি দেখে আমাকে বান্দর বলে দিল এই বিচ্ছুটা!”
জাহানারা শেখ এগিয়ে এসে বললেন,
“কী হয়েছে তোদের?”
নোহা সঙ্গে সঙ্গে ফুপির পেছনে লুকিয়ে পড়ল।
“দেখো ফুপি! তোমার ছেলে আমাকে মারতে আসছে!”
জাহানারা শেখ ছেলের কান টেনে বললেন,
“তুই কখনো ভালো হবি না!”
নোহা আড়াল থেকে মিটিমিটি হাসতে লাগল।
অর্ণব কাতর স্বরে বলল,
“মা, লাগছে! আমি তো ওকে কিছুই করিনি। তাহলে আমাকে বকছো কেন?”
মাহি কিছু বলতে যাচ্ছিল।
তার আগেই নোহা হাত দিয়ে মাহির মুখ চেপে ধরে ফিসফিস করে বলল,
“চুপ! উল্টাপাল্টা কিছু বললে তোর খবর আছে।”
মাহি নোহার হাত সরিয়ে মুচকি হেসে বলল,
“কোন চ্যানেলের খবর, আফা? একটু বলবেন?”
নোহা কটমট করে তাকাল।
“এই মাইয়া কখনো ভালো হবে না!”
মনে মনে নিজের মাথায় একটা থাপ্পড় দিতে ইচ্ছে হলো তার।
নোহা আর মাহিকে ফিসফিস করে কথা বলতে দেখে সবাই ওদের দিকে তাকিয়ে রইল।
ইশা জিজ্ঞেস করল,
“এত ফিসফিস করে কী কথা বলছিস তোরা?”
দুজনেই একসঙ্গে সবার দিকে তাকাল।
মাহি আমতা আমতা করে বলল,
“কই? কিছু বলছি না তো!”
—·—
রাত প্রায় এগারোটা।
নোহা আর মাহি হোস্টেলে ফিরে যাওয়ার জন্য জামাকাপড় গুছাচ্ছে। সামনে তাদের পরীক্ষা।
হঠাৎ মাহি নোহার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল,
“আচ্ছা, তুই হারিয়ে গেলি কীভাবে?”
নোহা উদাস চোখে তাকিয়ে বলল,
“মানুষ যেভাবে হারায়, আমিও সেভাবেই হারিয়ে গেছি। বুঝলি?”
মাহি ভুরু কুঁচকে বলল,
“মানুষ যদি হাওয়ায় হাওয়ায় হারিয়ে যায়, তাহলে

নোহা কোনো উত্তর দিল না।
শুধু ছাদের দিকে তাকিয়ে রইল।
তার মাথার ভেতর তখন বারবার ভেসে উঠছে সেই অচেনা লোকটির মুখ...
কে ছিল সে?
আর কেনই বা তার জীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর রাতে সেই মানুষটিই নোহার সামনে এসে দাঁড়িয়েছিল?

@hhighlig

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 1 শেষ করেছেন।

উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন