ফন্ট সাইজ:
থিম:
বদনা নসিব

পর্ব 1

লেখক: রিম ঝিম রিমা

বদনা নসিব..🤣🤣
পর্ব: ০১

কিছুদিন আগে বলতে ৭\৮ মাস আগে কোচিং ক্লাস শেষ করে বাসায় যাচ্ছি তো এমন সময় দেখি একটা বাড়ির সামনে গাছেতে খুব সুন্দর ফুল হইছে।অবাক করা বিষয় হলো এক গাছে বিভিন্ন কালারের ফুল। যেমন বেগুনি, হালকা মিস্টি, সাদা, লাল, আর একটা অনেক গুলো কালারের মিশ্রন। তো এইভাবে নানা রকম কালারে ফুলে গাছটা ভরা। আমি পরে আপনাদের পিক তুলে দেখাবোনে।

তো ফুল দেখে লোভ সামলাতে পারলামনা। গেইটের কাছে দাড়োয়ান আংকেল ছিলোনা বিধায় ফুরুত করে ভিত্রে ঢুকলাম। আহহহ কি ভালো লাগছে দেখতে। 😁
সমস্যা হলো একটাই গাছটা আমার থেকেও বড়ও😭। যদি আমি আরও একটু লম্বা হতাম তাহলে ঠিক নিতে পারতাম। একটা ঠিকঠাক লম্বা ছেলে ফুল গুলো খুব সহজেই পেরে আনতে পারবে😶।
তো আমার স্কুল ব্যাগ টাইপ হওয়ায় ব্যাগ আর নিচে রাখতে হলোনা।
এখন আমি নানা ভাবে টেকনিক খাটাচ্ছি যে কিভাবে ফুলগুলো পারবো।

ব্যাংগের মতো লাফাইতাছি ইচ্ছা মতো🐸। আর ভাবতাছি ক্যান যে আরও বেশি কইরা ছোডোবেলায় হরলিক্স, কমপ্লান খাইলাম না তাই আজ এই দশা😑। তবে হুম আমি আমার পোলাপাইনরে হরলিক্স আর কমপ্লান দুইডাই দরকার পড়লে মিক্সড কইরা খাওয়ামু। 😁 বাহ নিজের এই ভাবনা নিয়া ততক্ষনে গৌরব হইতেছিলো খুব।
আমার পিছনে যে কেউ আইসা দাড়াইছে আমি তা খেয়ালি করিনাই...তখনো আমি ফুল পারার জন্য লাফাইতে ব্যাস্ত🤗।

কেউ একজনঃ কি হচ্ছে এখানে??

আমিঃ (না বুইঝা) চোক্ষে দেখছ না কি করি?? কানা নাকি??

কেউ একজনঃ হু দেখছি তো। তা লাফিয়েই কি যাবে??

আমিঃ ধুরো বিরক্ত করিস নাতো বাল ফুল পারতে দে( আসলে আমি আমার কোচিং এর এক ফ্রেনড রে বুঝছিলাম আসলে ওয়োতো ওই রাস্তা দিয়া যায় ভয়েস টাও প্রায় ওমনি, আর ওই মগাডায়ও আমারে তুমি কইরাই বলে তাই অতো খেয়াল করিনাই😭)।
কেউ একজনঃআচ্ছা তা ফুল পারছোই যখন এ বাড়ির মালিকের কাছ থেকে পারমিশন নিয়েছো??
আমিঃ (ফুল এর দিকে হা করে তাকিয়ে থেকে) পারমিশন ক্যান নিমু তুই জানছ এইটা আমার শশুর বাড়ি😎....( আসলে আমি গল্পে এমন পড়ছিলাম নায়কে জিগায় আর নাইকা না জাইনাই এমন উওর দেয় পরে দেখা যায় ওইডা নায়ক টাই ছিল তো আমি ভাবলাম এইডা তো নাটক না আসল জিবন, যদি টের পাইতাম যে এইডা জীবন না গীবন.....😑)।

কেউ একজনঃ আচ্ছা এই বাড়ির বউ তারমানে?? তা তোমার সামী দেখতে কেমন??

আমিঃ হেব্বি নাইস। অহন অফ যা। জালাইস নাতো।

কেউ একজনঃ অকে🤐

আমার হঠাৎ খেয়াল আইলো আমি ওমনে না লাফাইয়া ওরেইতো কইতে পারি তাইলেইতো আমি আমার সোনা মানিক ফুলগুলা পাইয়া যামু😘। যেই ভাবা সেই কাজ। আরও একবার আমার টেলেন্ট কে নিজে নিজে বৃওি পাওয়াইয়া ওর দিগে না তাকাইয়া ফুলের দিকে হাত ইশারা কইরা দেখাইয়া বললাম......
আমিঃ কথা কম কইয়া আমারে ওই ফুল গুলা তারাতারি পাইরা দে তো। আমাকে তারাতারি যেতে হবে। আমার সামি আমার পথ চেয়ে বসে আছে🙈🙈।(বেশি কইয়া ফালাইছিলাম🥵)

হাসির শব্দ যাইয়া আল্লাহর ওয়াস্তে পিছন ফিরা চাইলাম। ওমা...🤤 এ কেডা এ দেহি আরেকটা পুলা। কেমন ডা লাগে😣। এই পোলায় যদি কইয়া দেয় বাড়ির মালিকরে তাইলে আমারে তো হাত পা বাইন্ধা পুলিশে দিবে। কি করমু অহন আমি😓

আমিঃ ইয়েএএ মানে দেখেন আমি আসলে দেখছিলাম 😁
ছেলেটিঃ কি দেখছিলেন🤔

(পোলাডায় দেখতে কিঊট আছিলো আর হেব্বি লম্বা পা হইতে মাথা পরযন্ত একবার চাইলাম দেখি একটা লং ট্রাউজার পড়া, টি শার্ট, হালকা চাপ দাড়ি, গায়ের রং ফরসা, চুলগুলা কপালে বিছানো। বাহ ভালাই দেখতে🤔। তয় আমি এইসব দেহার কারন আছে যদি ভালো প্যান্ট শার্ট পড়া থাকতো তাইলে বুঝতাম যে এডা এই বাসার মানুষ তাইলে আমার অন্য নাটক কইরা এইখান থিকা কাইটা পড়তে হইতো। কিন্তু এখন অন্য কিছু করতে হইবো।)
"ভৌতিক গল্প ও রহস্যময় কাহিনী" পেজের সাথেই থাকুন। আমাদের পেজের লিংক facebook.com/voutik03 পেজটাতে লাইক এবং ফলো দিয়ে রাখবেন যাতে পরবর্তী গল্প গুলো সহজেই আপনি পেতে পারেন।

আমিঃ শুনেন যা দেখছেন ভুলে যান। বিনিময়ে আমি আপনাকে টাকা দিবো😎।
ছেলেটিঃ ওহ তাই বুঝি?? তা কত টাকা দিবে??

আমিঃ ৭০ টাকা😊।
ছেলেটিঃ হ্যা..😯??
আমি ভাবছিলাম যে ছেলেটাকে হয়তো টাকার পরিমান বেশি বইলা ফেলছি তাই অবাক হইছে।
কতক্ষন পর দেখি মিটু মিটু হাসে। আর আমারতো গা ডা জলতাছে।
তারপর দিলাম ৭০ না না ভালা পাইয়া আরও ৫ টাকা বেশি দিলাম ৭৫ টাকা দিলাম। দয়ালু গিরি দেখাইলাম😁।

এরিমধ্য দারোয়ান আইসা পরলো।
আমিতোঃ😰।
দারোয়ানঃ আরে ছোটা বাবা তুমি এখনো বাইরে যে বাসায় যাও।
(মানে উনি ওই ছেলেটার সাথে এমন ভাবে কথা বলছিলো যে আমার যা বুঝার আমি বুঝে নিছি। আর এই বড়লোক পোলার গাছের ফুল চুরি করতে আইসা ওর মুখ বন্ধের জন্য ওরেই ঘুষ দেই তাও আবার ৭৫ টাকা!!!😥😓😰😭😭😭)
দারোয়ান আংকেল কে পাঠিয়ে দিছে তারপর আমার দিকে তাকাইয়া বলতেছে.....
ছেলেটিঃ তা ম্যাডামজি.... কি যেনো বলছিলে...??

আমিঃ🥺🥺🥺 আ.. স..লে আমি ফুল চুরি করতে আসিনাইতো😔

ছেলেটিঃতাহলে??😏

আমিঃ (কি বলবো কি বলবো... হঠাৎ) বাহ বাহ বাহ এই গাছের পাতা খুব সুন্দর। আহারে ময়লা পরছে( মুছতে মুছতে... তারপর কইতাছি) আসলে আমি উইইইইই দূর থেকে দেখলাম যে ময়লা পাতায় তাই ভাবলাম ইকটু মুছে দিয়ে যাই😁

ছেলেটিঃ🤣🤣😂😂😆😄

আমি আর কিতা কইতাম আল্লাহরে ডাকতাছি যে কেমনে বাইর হমু কোন কুক্ষনে যে এই বাড়িতে ঢুকছিলাম😓।
আবার বললো ছেলেটি.....
তা এটা আপনার শশুর বাড়ি বুঝি??

আমি শুইন্না বিশ্বাস করেন আপুরা শকড হইয়া ছেলেটার দিকে তাকাইলাম আমি যা বুঝার বুঝছি। 😭😭। আমার দিকে আগাইতে আগাইতে বলতেছে আর আমি মুভির নাইকাগো মতো পিছাইতাছি।
.
ছেলেটা আবারো বলতেছেঃ তা এইবাড়ির ছেলে কে তা কি তুমি জানো??

আমিঃ(মনে মনে) আমার জানার দরকার নাই, তুই সর ফহির😑।

ছেলেটিঃ এইবাড়ির একমাত্র ছেলে আমি... তাহলে কি আমি তোমার.....

আমিঃ(শুনতে চাইনা)🙊🙊😷😷।

ছেলেটিঃ পিছোচ্ছ ক্যানো?? তুমি না বললে আমি তোমার জন্য ওয়েট করতেছি?? কি হলো এখন সরছো ক্যানো।

আমিঃ( মনে মনে বলতেছি) সরতাছি কি সাধে হারামজাদা লুইচ্চা পোলা। কি করিযে এখন😞... ইউরেকা পাইছি।

ছেলেটা প্রায় আমার কাছাকাছি চইলা আসছে এরি মধ্য....

আমিঃ স্ট্যাচু....( বইলাই দিলাম ভো দৌড়। এক ঝলক চাইছিলাম দেখি অবাক হইয়া তাকাইয়া আছে। থাকুক গা আমার কি আমিতো কাইটা পড়ছি এই অনেক😁)

এরপর ৩\৪ দিনে আর কোচিং এ যাওয়া হয়নায় বন্ধ থাকার কারনে। এই কয়দিনে ভুইল্লা খাইয়া ফেলছি ওই করুন কাহিনীডা😑। আগেই কইছি আমিতো হেব্বি টেলেন্টেড মাইয়া।
তো যাউকগা, ৪দিন পর......
ক্লাস শেষ করে বাসায় যাইতাছি.... কতডি পুটুস পুটুস পোলাপাইন🤔ক্রিকেট খেলতাছিলো। তো খেলার এক সময় বল গিয়া পরলো একটা বাড়ির ভিত্রে😅। আপুরা জানেননা কি জাউরা পোলাপাইন ফালাইছে যেডায় হেডায় না যাইয়া হুদ্দা ওগো মধ্য ছোট্র একটা পোলারে ঠেইলা মেইলা পাডাইতা আছে যা যা বইলা। দেইখা আমারতো সিরিয়াস জিদ উঠছে😡। যাইয়া কইলাম....."ভৌতিক গল্প ও রহস্যময় কাহিনী" পেজের সাথেই থাকুন। আমাদের পেজের লিংক facebook.com/voutik03 পেজটাতে লাইক এবং ফলো দিয়ে রাখবেন যাতে পরবর্তী গল্প গুলো সহজেই আপনি পেতে পারেন।

আমিঃ 🤨 খেলোনের সময় কোনোদিগে চাসনা, এহন বল উইরা গেছে দেইখা ওরে পাঠাইতাছিস ক্যান?? তোরা যাইতে পারোছনা?? ( বালডি রে আমি বকতাছি উডিতে আমার কথা শুইন্না হাসে... কি লজ্জার কথা ভয় পায়না😣) বাহ কি বাহার👏তরা দাত মাইজা আহস নাই সকালে?? দাতে কি পরছে উডি। আবার উই দাতগুলা মাইনশের সামনে বাইর করস লজ্জা নাই তগো।( পোলাপাইন গুলা অহন চুপ কইরা রইছে😁হুই তার মানে ভয় পাইছে💃😉)

আমি কইলামঃ শোন আমি আন্তাছি বুঝলি খারা তরা😎।

এই বইলা বিলকিস মারকা মুড নিয়া যাইতাছি বল আনতে আর ভাবতাছি বল দিয়া কয়োডারে চটকানা দিমু... বজ্জাতের হাড্ডি তহন কিনা আমার কথা শুইনা হাসতাছিলি?? ভাগ্যিস আমার ফ্রেন্ডসারা ছিলোনা🙊।(নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন থাকলে কি কইতো হারামি বান্তুপিরা)

যাউকগা বাসার গেটের ভিত্রে ডুকার পর মনে হইলো গেটের বাইরে কিছু লেখা ছিলো🙃। যাউকগা হয়তো টুলেট ফুলেট.....

আপুরা....😭😭যেই বলডা হাতে নিছি ওই বাড়ির পালা কুত্তা ঘেউ ঘেউ কইরা উঠছে। আমি চাইয়া দেইখা তো শেষ। 😑এমনি কুত্তা ভয় পাই তার উপরে এই কারবার এখন আমার কি হবে😶। আমি বেদিগ হইয়া বলডা নিয়াই একখান কালা কাউয়ার নাহান বিশাল চিৎকার দিয়া দিলাম দৌড়🤐।

আমিতো আমার সাদা মনে সামনের দিগে দৌড়াইতাছি, ভাবছি কুত্তা আইতাছে ওরে আল্লাহ😥। আমি কি আর জানি ওই কুত্তায় আমার চিল্লানিতে ভয় পাইয়া পিছনের দিগে দৌড়াইয়া গেছে😑। বাল তহন আমার আরেক খারার ঘা দেহি সামনে দিক দিয়া একটা পোলায় সাইকেল চালাইয়া আইতাছি... আমি দৌড়ের চোটে নিজেরে ব্যালেন্সকরতে পারতাছিলামনা। আর আমার এমন অবস্থা দেইখা উই পুলায় কোন দিগ যাইবো এই নিয়া হয়তো টেনশান করতাছিলো🤔না মানে সাইকেল এইদিক ওইদিগ নিতাছিল। আমিতো শ্যাশ ভয়ের চোটে মাঝখানেই খারায়া রইছি সাইকেলের নাচন দেইখা আর চক্ষু দুইডা বন্ধ কইরা ভাবতাছিলাম😪কালকে এইসময় খবরের কাগজে বের হইবে নাবালক এক ছোট্র তরুনি কিশোরি সাইকেলের দারা রোড এক্সিডেন্ট করিয়া মারা গিয়াছে😭। কিছুক্ষন পরেই শুনি ফট্টাসসসসসসসসস....

আমি বিশশাস করো আপুরা এত সাহসি যে ভাবছি আমি মনে হয় গেছি😞। ওমা চাইয়া দেহি আমি ঠিকাছি সাইডে ওই পুলাডায় সাইকেল নিয়া পইররা গেছে😄।

আমি কাছে যাইয়া কইলামঃ আহারে ছুডো মানুশ রাস্তায় নামতে হয়?? সাইকেল জানোনা আগেতো প্র‍্যাক্টিস করতে হয়😊(মাথা নিচা ছিলো তাই দেহি নাই..... আর ছুডো ভাবছি ক্যান জানো?? কইতাছি কয়েকদিন আগে এক ভুটকা আন্টির সাথে তারাতারি কইরা যাইতে যাইয়া ছেচরি খাইয়া পরছিলাম.... তয় বিষয় ওইটা না। পড়ছি ভালা কতা উনি আমার শরিরের একসাইডের উপরে পড়ছিলো। তারপর পইরা যাইয়া আমারে খুজে😔। আমি উনার মাইনকা চিপায় আটকাইয়া হুয়াস ছাড়তে পারতাছিলাম না অনেক কষ্টে ডান সাইডের হাত উচা কইরা ইন্দুরের মতন মুখটা সামনে বাড়াইয়া কইলাম খালাম্মা আমি এইযে আপনার পাছার নিচে😑। উইঠা পুইঠা খালাম্মায় দেহি ম্যাম্মা কইরা চিল্লাইয়া উঠছে...
আমি ভয়ের চোটে বুক ধইরা আছি। পতে দেহি উনার আম্মা আইছে তারপর উনি বিচার দিতাছে.... ম্যাম্মা এই মেয়েটা আমাকে খালাম্মা বলছে😭।
আমি ভাবলাম যে চিপায় ছিলাম তাতে মডারন ডাক আর মুখে আনতে পারিনাই😑। তাও অনেক কষ্টে ব্যাথার শরির নিয়া কইলাম ওহ সর‍্যি আন্টি🙏। "ভৌতিক গল্প ও রহস্যময় কাহিনী" পেজের সাথেই থাকুন। আমাদের পেজের লিংক facebook.com/voutik03 পেজটাতে লাইক এবং ফলো দিয়ে রাখবেন যাতে পরবর্তী গল্প গুলো সহজেই আপনি পেতে পারেন।

ম্যাম্মা দেখো আমাকে আবারো আন্টি বলছে।
আমিঃ( মনে মনে ধুর বাবা একি জালায় পড়লাম তায় কইবে কি ওডারে) আচ্ছা সরি আন্টস🙄।

ওর মায়ঃ এই মেয়ে তুমি এই বাচ্চা মেয়েকে কি সব ডাকতেছো।
আমিঃ (ইডা বাচ্চা!!!🤔 আমি কি তাইলে!!! আজকেই আম্মারে যাইয়া কমু আম্মু আমি ওহনো জন্মাইনাই😐) আমি কইলিম তাইলে কি কমু আফা??
যাউকগা কতা আর বাড়াইলামনা তহনি শিক্ষা হইছিলো। আল্লাহগো আল্লাহ, ভাইগ্যিস চাচী কইয়া ফালাইনাই😫

(মুল ঘটনায় আবার)
পোলাডা চিকনা দেইখা ভালা পাইয়া কইছি আহো পিচ্চি আমার কুলে আহো বাসায় দিয়া আসি তোমারে😑।(বেশি কইলে যা হয় আর কি....)

ছেলেটাঃ(রাগি চোখে আমার দিকে তাকাইয়া) what?? R u crazy?? 😠

আমিঃ(ইডাতো ওই লুইচ্চা পোলাডায়🤤 আমার ভয়ের চোটে শীত লাগতাছিলো🥶( এটা অভ্যাস আমার ভয় পাইলে শীত করে)

ছেলেটাঃ তুমি??

আমিঃ( বরিশালের মেয়েতো তাই বেশি ভয়েই কইলাম) হয় মুই🙄।

ছেলেটিঃ😆

আমিঃ আজ্ঞে আপনার এমন দশা হইলো ক্যামনে?( বিলিভ মি আপুরা আমি ভুইলাই গেছিলাম উনাকে দেইখা ভয়ের চোটে যে উনি আমার জন্যই পইরা গেছিলেন)

ছেলেঃ 😫কি মেয়েরা বাবা। এই তোমার জন্যিতো আমি পড়ে গেছি😡। রাস্তায় অমন দৌড়া দৌড়ি করছিলে ক্যানো?? পাগলা কুকুরে কামরেছিলো??

আমি আর কিতা কমু কিছুডা হইলেওতো সত্যি যে কুত্তা দেইখা ডরাইছি😭।কিন্তু না কইতামনা আমারে তাইলে ভীতু ভাববো।
আমি কইলামঃ আসলে গরম লাগতেছিলো তো তাই দৌড়াইতেছিলাম, গায়ে বাতাস লাগানোর জন্য😁। ( এমন কথা কি তোমরা কখনো শুনছো বইনেরা?? আমিও শুনিনাই ভয়ের চোটে কইলাম আর কি😷)

ততক্ষনে ছেলেটা উঠতে উঠতে (আমি হেল্প করিনাই ঠ্যাকা পড়ছি নাকি উডারে উডাইতে হেল্প করমু আমি মুভিতে দেখছি যে উঠাইতে গেলে আবার গায়ের উপরে পরে😑ভাবাগো বাবা😶)
ছেলেটাঃ মাথার নাট কি ঢিলা নাকি তোমার??

আমিঃ( না বুইঝাই) জিনা😊

ছেলেটা আমার পা থিকা মাথা অব্দি তাকাইয়া কইলো.... ( ধুরো কি কইলো আমি ক্যামনে কইতাম)

আমিঃ জি আমি তাহলে আসি আসসালামু আলাইকুম😊।

আমারে পিছন থিকা প্রচুর ডাকতেছিলো কি কইয়া জানেন?? ফুলির মা কইয়া মেজাজটাই গরমা গরম হইয়া গেছিলো😠। কিছু কইলাম না পিছুও চাইলামনা যেনো আমি বয়রা। পুলাডার পায়ে ব্যাথা নইলে ঠিকি আইসা হাত ধইরা টান দিতে😷। সত্যি ফুডা কপাল হইলেও কিছুডা ভালা আছিলো😶।

আমি বাসায় আইসা পড়ছি তারপর খাইতে হবে তো যে দৌড় খানাই না দিলাম আমি....!!! 😑 ভাগ্যিস কেউ দেখেনাই কারন আমি জানি যখন আমি দৌড়াইতেছিলাম আমার বোরকা উপরে দলা কইরা গোছাইয়া উঠাইয়া দৌড় দিতাছিলাম। যেমন কোনো পোলা দৌড় দেয়ার সময় লুংগি অরধেক খুইলা গেলে লুংগি আধা পড়া অবস্থায় যেমনে দৌরায়। ভাবা যায় এগ্লা😒।

......চলবে.......

রিমঝিম রিমা

"ভৌতিক গল্প ও রহস্যময় কাহিনী" পেজের সাথেই থাকুন। আমাদের পেজের লিংক facebook.com/voutik03 পেজটাতে লাইক এবং ফলো দিয়ে রাখবেন যাতে পরবর্তী গল্প গুলো সহজেই আপনি পেতে পারেন। আর গল্প ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন...👹 লাইক কমেন্ট করে আপনার মূল্যবান মতামত জানাবেন...💖

Collected...🥰
#Kalponik_F___ 😊

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 1 শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন