ফন্ট সাইজ:
থিম:
রানী মাধুবী

পর্ব 8

লেখক: কেয়া চৌধুরী

( গল্পের আনুভাত!
একজন সাধারণ নারী জমিদার বাড়ির বউ হয়ে ৫৫ টা খুন* করে পুরো পৃথিবী শাসন করে! এটা কি ভাবে সম্ভব? জানতে হলে পুরো গল্প টা পরতে হবে!)

__________________________________________
মাধুবী ' অন্দর মহলে, এসে দেখে তার নানী আর মাহি এসেছে' মাধুবী দৌড়ে গিয়ে জরিয়ে ধরে' ;মাহি কে! বড় আপা দেখে, মাহি তো ভীষণ খুশি!

:আপা চলো তোমাকে নিয়ে যাবো' আম্মা বলচে নিয়ে যেতে!

মাধুবী' বোন আর নানীর সাথে গল্প করে' নিজের কক্ষে গেলো! রুমে এসেই দেখে ' কুমার ঘুমাচ্ছে এখনো! মাধুবী'গুটি গুটি পায়ে! কুমার এর কাছে বসে আলতো করে ডাক দিলো!

:এই যে শুনছে? এই শুনুন না-হ

কুমার' নড়ে উঠে, তাকালো মাধুবীর দিকে' সকাল সকাল মাধুবীর মায়াবী চেহারা দেখে' কুমার মুচকি হেসে উঠে বসলো!

মাধুবী ' মাথা নিচু করে নরম সুরে বললো: নানী আর মাহি এসেছে, নিয়ে যেতে' চলুন না যাই' বেশি থাকবো না একটু থাকবো!

,,কুমার চোখ ছোট ছোট করে মাধুবী, চোয়াল' টা ধরে উপরে উঠিয়ে ঘুম জরানো', নেশাক্ত কণ্ঠে বললো:

___
হে চন্দ্রমুখী,
তোমার মুখশ্রী দেখিলে
চাঁদও লজ্জায় মেঘের আড়ালে যায়।
তুমি আমার রাতের প্রদীপ,
তুমি আমার হৃদয়ের একমাত্র রানী' আমার রানী'! আমার মাধুবী!

_____

মাধুবী লজ্জা পেলো' কুমার' মুচকি হেঁসে বললো : ও'বাড়িতে গেলে' যদি আমার চন্দ্রাবতী
খুশি হয় তাহলে আমি ' সারাজীবন থেকে যেতে প্রস্তুত !

মাধুবী' কুমার দিকে তাকিয়ে একটা হাসি দিয়ে উঠে, চলে গেলো, আলমারী খুলে' কলাে জামদানী শাড়ী টা বের করে পরে নিলো!

_______ এদিকে' অন্দর মহলে' বর্ণা, খালি বলছে' রুমি কে কোথাও পাচ্ছে না রুমি হচ্ছে এ' বাড়ির কাজের মেয়ে! কাল রাএ থেকে হাওয়া!

মালিহা' বেগম ' নিজের রুমে গিয়ে জানালা খুলে' কিছু একটা দেখলো' মাঝি রহমান আর আলভী কে নীল পুকুর থেকে আসতে দেখে' ভারী নিশ্বাস ফেলে' জানালা অফ করলেন!

____________ ঘোড়ার' গাড়ি এসে থামলো' ফুলমতি বাড়ির সামনে' মাধুবী' যেন প্রাণ ফিরে' পেলো' এ বাড়ি তে' ১৬ টা বছর কাটালো! সে

কুমার মাধুবী মাহি ভিতরে গেলো', লতা বেগম ' মেয়ে কে দেখে এগিয়ে গিয়ে জরিয়ে ধরলো' মাধুবী মা কে দেখে ভীষণ খুশী!

কুমার সালাম করলো লতা বেগম কে লতা বেগম খুশি হয়ে বললো: তোমাদের আসতে কোন সমস্যা হয় নি তো?

,,মাধুবী মাথা নেড়ে না বললো! মাধুবী মায়া ভরা চোখে তাকিয়ে আছে, জননী মায়ের দিকে! মুখ টা কেমন সুখিয়ে' গেছে একদিনে! মাধুবী কুমার কে নিয়ে ঘরে গেলো!

___লতা বেগম রান্না করছে' সাথে মাহি ও সাহায্য করছে' মাধুবী' কুমার কে খাবার বেরে দিচ্ছে '

লতা বেগম আজ হাঁসের মাংস' কচু দিয়ে চিংড়ি মাছ' নদীর ইলিশ মাছ রান্না করেচে! এই খাবার গুলো কুমার এর অনেক পছন্দ!

____ তখনি পান খেতে খেতে ঘরে আসলো' মাধুবীর নানি জরিনা'!

মাধুবী নানি কে দেখে ' হাস ফাঁস করতে শুরু করলো' না জানি কখন কী বলে!

জরিনা বেগম' বিছানায় বসলো' কুমার' হাসলো'

জরিনা বেগম' পান খেতে খেতে বললো: তা নাত জামাই কিমন (কেমন) ছিলো? জিনিস ঠিক ঠাক আছে তো?

''কুমার' একবার মাধুবীর দিকে' তাকিয়ে বললো:: এখনো তো দেখতেই পারলাম না নানী তাই ভাবছে' আপনাকে নিয়ে যাবো!

'মাধুবীর কান দিয়ে গমর হাওয়া বের হচ্ছে ' এমন কথা শুনে!,

জরিনা বেগম' শব্দ করে হেঁসে দু-হাত তুলে 'নাচতে নাচতে গেয়ে উঠলো!

:--তুমি হইলা পুরুষ মানুষ ★
আমি হইলাম নারী!
আমি কি আর গায়ের জুড়ে
তোমার সাথে পারি
তুমি ছাড়া এই সব কথা বলব যে কারে!
যাকাইয়ো না বারে বারে,!

_________

মাধুবী' অস্থির হয়ে পরলো' এ কেমন লাগাম ছাড়া কথা? মাধুবী দ্রুত পায়ে কারো দিকে না তাকিয়ে' চলে গেলো'

কুমার মাধুবীর যাওয়ার পথের দিকে তাকিয়ে' মুচকি হাসলো!

:: নাতী আমার সরম পায় মেলা!

"" হুম তাই ভাবছি আপনাকেও নিবো' দু'জন দু'পাশে থাকবেন?

,,জরিনা বেগম' লজ্জা পাওয়ার ভঙ্গিতে শাড়ীর আঁচল টা মুখের সামনে একটু টেনে দিল!

কুমার এবার শব্দ করে হেঁসে দিলো!

___________ রাএ 8 টা মাধুবী বিছানার বসে সেই কখন থেকে বলে যাচ্ছে ' সে আজ লতা বেগম এর সাথে ঘুমাবে কিন্তু কুমার যেতে দিচ্ছে না ' তার এক কথা বউ ছাড়া সে ঘুমাতে পারবে না
: দেন না একটু যাই শুধু আজকেই তো কাল তো চলেই যাবো!

: না যাওয়া যাবে না

মাধুবী কাঁদো মুখ করে বললো: কিন্তু কেন? একটু যাই!

কুমার' মাধুবীর দিকে' ঝুঁকে বললো: আমার কাজ বাকি না হাওয়া পযন্ত আমি ছাড়ছি না তোমায়!চন্দ্রাবতী!

মাধুবী মাথা নিচু করে ফেললো! কুমার' মাধুবী'র শাড়ীর ভিতর' দিয়ে! কোমর জরিয়ে ধরলো '

মাধুবী' ভিতু চোখে তাকিয়ে আছে!

কুমার' মাধুবীর কোপালে চুমু দিয়ে বললো:: যাও

সঙ্গে সঙ্গে মাধুবীর মুখে হাসি ফুটলো' সে
তরি গরি করে নেমে পরলো!

দরজার কাছে, যেতেই কুমার ডাক দিলো!

:চন্দ্রাবতী

মাধুবী তাকালো' কুমার এর দিকে' কুমার বাঁকা হেঁসে বললো: যাওয়ার সময় তোমার নানী কে পাঠিয়ে দিও!

____ মাধুবী রাগি সুরে বললো: আপনাকে এখন সত্যি সত্যি ওই বুড়ির সাথে বিয়ে পরিয়ে দিবো!

বলেই মাধুবী চলে গেলো! কুমার বিছানায় (ঠাস) করে পরে' কোপালে হাত দিয়ে একটা হাসি দিলো!

________গভীর রাএ"কুকুর এর আওয়াজ শুনা যাচ্ছে! মাধুবীর ঘুম ভেঙ্গে গেলো, কারো (উমম শব্দে, মাধুবী, উঠে বসলো, হারিকেন যালিয়ে দেখলো বিছানার মাহি, কেমন বাঁদর এর মতো ঘুমাচ্ছে কিন্তু লতা বেগম? লতা বেগম নাই কেন

দরজা ও খুলা? মাধুবী বাহিরে এলো! শব্দ শুনা যাচ্ছে ! হয় তো কেউ প্রাণ বাঁচার চেষ্টা করছে!

মাধুবী' পাগল হয়ে যাচ্ছে! তার মা কোথায় গেলো? মাধুবী' আম্মা বলে ডাকতে ডাকতে কল পারে' চলে আসলো! তখনি(আহহ) বলে একটা আওয়াজ আসলো!

মাধুবী তারাহুরো করে ভিতরে ঢুকলো! লতা বেগম কে গলায় হাত! দিয়ে' এমন শুয়ে থাকতে দেখে! বুক টা ছ্যাত করে উঠলো!!

মাধুবী' হারিকেন রেখে চিৎকার করে উঠলো: আম্মা.....,

মাধুবী ' মা কে কোলে বসিয়ে' মুখে পানি দিলো!

মাধুবীর আওয়াজ শুনে কুমার তরি'গরি করে উঠে বসলো! মাহি' জরিনা বেগম! সহ সবাই কল পারে আসলো!

মা,কে এমন হাস ফাঁস করতে দেখে মাহি! শব্দ করে কেঁদে দিলো!

কুমার' মাধুবীর' কাছে গিয়ে বসলো!,

শান্তনা দিয়ে ' আস্তে করে লতা বেগম কে ঘরে নিয়ে আসলো!,

মাধুবী আর ঘুমায় নি! সারা'রাএ জেগে মায়ের খেয়াল রেখেছে! কুমার থাকতে চেয়েছিলো!, কিন্তু মাধুবী থাকতে দেয় নি!

_______________ ভোরের আযান পরতেই! লতা বেগম উঠে, বসলো! পাশে তাকাতেই' মাধুবী কে দেখলো! লতা বেগম এর চোখ বেয়ে দু’ফোটা পানি গরিয়ে পরলো!

লতা বেগম! কোন কথা' না বলে উঠে, নামাজ করে রান্না ঘরে গেলো!,

_______ লতা বেগম সুস্থ! তাই মাধুবী আর কুমার' বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা দিলো!, মাধুবী অনেক বার জানতে চেয়েছে! মায়ের কাছে! কি ভাবে এমন হলো? কিন্তু লতা বেগম! এড়িয়ে গেছে কথা টা!

ঘোড়ার গাড়ি তে বসে আচে' কুমার মাধুবী'

গাড়ির দু'পাশে বড় দরজা! রাজকীয় ঘোড়ার গাড়ি যেমন!

মাধুবী' ঘুমাচ্ছে সারারাত ঘুমায় নি! সে

কুমার' তাকিয়ে আছে ঘুমন্ত মাধুবীর দিকে!

হঠাৎ মাধুবী নড়ে উঠতেই' তার শাড়ীর আঁচল সরে গেলো! আচমকা এমন ঘটনায় ভোরকে কে গেলো! কুমার‌!

মাধুবীর উন্মুক্ত ফর্সা বুক পেট গলা স্পর্শ!

কুমার কে যেন ভীষণ ভাবে টানছে!

কুমার' মাধুবী'র' একটু কাছে গিয়ে বসলো! মাধুবীর গলার চুল গুলো সরিয়ে দিলো! কারো ঠান্ডা হাতের ছোঁয়া পেয়ে' মাধুবী' সঙ্গে সঙ্গে চোখ খুলে ফেলল! কুমার কে এতো কাছে দেখে!

চোখ বড়' বড় হয়ে গেলো তার! মাধুবী কিছু বলতে যাবে তখনি' কুমার একা আঙ্গুল দিয়ে ঠোঁট চেপে ধরল ! কুমার নেশাক্ত কণ্ঠে বললো'!

"" চুপ আজ কোন কথা নয় কোন বাঁধা নয়! আজ শুধু আদর! হবে!

কুমার মাধুবী কে নিজের কোলে বসিয়ে দিলো' কুমার তার ঠান্ডা হাত রাখলো' মাধুবীর পেটে' মাধুবী কেঁপে উঠলো!

কুমার' তার ঠোঁট জোরা ছুঁয়ে দিলো মাধুবীর গলায়! মাধুবীর শরীল শিউরে ' উঠছে!,

কুমার' মাধুবীর গলায় কামর দিতেই ' মাধুবী শব্দ করে উঠলো! কুমার' গলা ছেড়ে তাকালো! মাধুবীর দিকে! কুমার মাধুবীর বন্ধ চোখের দিকে তাকিয়ে উচ্চ স্বরে বলল : ফকির চাচা গাড়ি টা থামান! আপনি ৩ ঘন্টা পরে আসুন!

ফকির চাচা : কপাল কুঁচকে বললো: কেন বাবা যাবা না?

""যাবো তবে এখন এখানে কিছু কাজ করে আছে!

ফকির চাচা আর কথা না বাড়িয়ে ' গাড়ি টা একটা গাছের সাথে বেঁধে চলে গেলো!

কুমার' মাধুবী' কে নিজের দিকে ' ফিরিয়ে বসালো! এক' টানে তার শাড়ী খুলে ফেললো!

কুমার' মাধুবী ঠোঁটে ঠোঁট বসিয়ে দিলো!
কুমারের চুম্বন তীব্র থেকে তীব্র হচ্ছে কুমারের হাত! এলোমেলো ভাবে ছুঁয়ে দিচ্ছে মাধুবী কে!
তবে আজ মাধবী বাধা দিচ্ছে না তার ভালো লাগছে স্বামীর ভালোবাসা!

___________ মাধুবী' কুমার কে জরিয়ে ধরলো' প্রিয়সির' সম্মতি পেয়ে' কুমার' আরো ডুবে গেলো! মাধুবীতে!

_________ মাধুবীর চোখ বেয়ে দু’ফোটা পানি গরিয়ে পরলো মাধুবী অতিরিক্ত কাঁপছে!

কুমারমাধুবীর দিকে' তাকিয়ে বললো: কেঁপো না বউ আমার ডিস্টাপ যাচ্ছে!

__________ কেটে গেলো ৩০ মিনিট ' কুমার এর এমন ভালোবাসা আদর আর সয্য করতে না পেরে! মাধুবী' শব্দ করে কেঁদে দিলো!

কুমার' মাতাল করা কণ্ঠে আবারো বললো: কেঁদো না বউ আমার এখনো হয় নি!

_______ খোলা' হাওয়া! প্রকৃতির মাঝে' গাছের নিচে' ঘেড়ার গাড়ি টি তে কেটে যাচ্ছে! একটি পবিত্র সুন্দর দৃশ্য!

কুমার' এর ভালোবাসা আরো তীব্র হচ্ছে ! আচমকা ঘোড়ার গাড়ির' কাঠের' সিক' টা ভেঙ্গে গেল !

কুমার! বিরক্ত হয়ে!, মাধুবী কে ছেড়ে পেন্ট পাঞ্জাবী পড়ে নিলো! কুমার তাকালো মাধুবীর দিকে! শাড়ী টা দিয়ে নিজে কে কেমন ঢেকে আছে! শুকনো চোখের পানি লেগে আছে! কুমার' মাধুবীর কোপালে চুমু দিয়ে হেঁচকি সুরে বলল : আমার হয় নি কিন্তু অসম্ভব কাজ টা সমাপ্ত চাই!

বলেই নেমে পরলো গাড়ি থেকে!!

কুমার দেখলো! গাড়ির চাকা' সহ কাঠ! ভেঙ্গে গেছে তা দেখে কুমার ঠোঁট বাঁকিয়ে বাঁকা হাসলো!

কুমার' মাধুবী কে কোলে নিয়ে! হাঁটা শুরু করলো! এতো সময় এ মাধুবী শাড়ী টা পরে নিয়েছে!

_____ জমিদার বাড়ি তে আসতেই' দেখা হলো মালিহা বেগম এর সাথে ' তিনি কপাল কুঁচকে বললো: কি হয়েছে মাধুবীর?

কুমার মাধুুবীর দিকে তাকিয়ে বললো!

"মিশনে নেমে ছিলাম!,

বলেই সে হাটা দিলো রুমের উদ্দেশ্য!

মালিহা বেগম ভোরকে গেলো! কিসের মিশন এর কথা বললো কুমার?

বর্ণা রুমের কাছে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মুচকি হেঁসে বড় মা কে বললো!

" এতো ভেবো না বড় মা তোমাকে দাদী বানানোর মিশন এর কথা বলছিলো!

চলবে?

কমেন্ট এর নিজের রিভিউ জানান পরের পাট এর জন্য অপেক্ষা করুন!

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 8 শেষ করেছেন।

আগের পর্ব উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন