ফন্ট সাইজ:
থিম:
রানী মাধুবী

পর্ব 11

লেখক: কেয়া চৌধুরী

_____ মাধুবী' জমিদার বাড়ি ছেড়ে ' পাগল এর মতো দৌড়ে যাচ্ছে ' ফুলমতি বাড়ি তে'
রাস্তার মানুষ মাধুবী'র সৌন্দর্য অবাক হয়ে দেখছে'
মাধুবী'র গায়ের কালো শাড়ী' টা সহ লম্বা চুল এলোমেলো হয়ে আছে"" রাস্তায় থাকা কাটা' মাধুবী'র পায়ে ঢুকতেই' মাধুবী' আল্লাহ কে ডেকে চিৎকার করে উঠল!
ফুলমতী বাড়ি'তে লোকজন এর ভীর' বাড়ি থেকে কান্না শব্দ ছাড়া আর কিছু আসছে না' মাধুবী' টিনের গেট টা লাথী দিয়ে খুললো' নির্বিকার চোখে একবার সবার দিকে ' তাকিয়ে! দেখল'
চোখ গেলো' উঠান এর মাঝে' মাহি' শুয়ে শুয়ে কান্না করছে' জরিনা বেগম দরজার সামনে বসে' হাউ মাউ করে কাঁদছে!
মাহি মাধুবী কে দেখে' দৌড়ে এসে জরিয়ে ধরলো বোন কে' মাধুবী' এখন কাঁদছে না-হ তাকিয়ে আছে নির্বিকার চোখে সে লতা বেগম ' এর মাথা কাটা**! দেহের দিকে!
___মাধুবী' মাহি কে সরিয়ে হেঁটে গেলো' মায়ের পাশে! মাথা*কে*টে আলাদা করে হয়ে গেছে!, মাধুবী' র* মাখা মা'য়ের কোপালে চুমু দিলো!
:আম্মা ও আম্মা দেখো তোমার আদরের মেয়ে এসেছে আমায় আদর করবে না আর আম্মা? আমাকে রান্না করে খাওয়াবে না!
___ মাহি হাউ মাউ করে কাঁদতে কাঁদত এসে বসলো আরেক পাশে! মাধুবী' আবার শান্ত কন্ঠে বললো: ও আম্মা উঠো না-হ আমার কলিজা টা ছিরে যাচ্ছে আম্মা''' আম্মা রেহহহহহহহহহহহহহ আল্লাহহহহহহহহহহহহহহ!
মাধুবী'র চিৎকার! পুরো বাড়ি জুরে বার বার আওয়াজ হচ্ছে ' মাধুবী পাগল এর মতো করছে'
তার আম্মা আর আসবে না? তাকে খাওয়াবে না তাকে আদর করবে না এই আম্মা টা ছাড়া তো আর কেউ নেই তার' তারা এতিম হয়ে গেলো!

___________ এদিকে' কুমার' কিছু কাজে বাহিরে ছিলো জমিদার বাড়ি'র এসে এই কথা শুনে নিজেও' দৌড়ে আসলো'
ফুলমতী বাড়ি'তে আসতেই' মাধুবী'র কান্নার শব্দ শুনলো সে' কুমার এর বুক টা ছ্যাত করে উঠলো', মাধুবী কাঁদছে '
______কুমার উঠানে আসতেই' দেখলো' মাধুবী লতা বেগম এর বুকে মাথা রেখে কাঁদছে ' র* মাধুবীর গালে লেগে'আছে' কুমার' দ্রুত পায়ে' গিয়ে মাধুবী কে ধরলো' মাধুবী' আবারো চিৎকার করে উঠলো' তার বুকে ভীষণ কষ্ট হচ্ছে '
: আমার আম্মা কে ফিরিয়ে দে আল্লাহ ফিরিয়ে' দে আমি কেমনে থাকবো আমার আম্মা কে ছাড়া!
দীর্ঘ সময় ধরে কাঁদার ফলে' মাধুবী' অঙ্গার হয়ে গেছে কুমার' মাধুবী কে কোলে করে নিয়ে' ঘরে শুয়ে দিয়ে আসলো'
কুমার' জরিনা বেগম' কে শান্ত সুরে বললো: কি ভাবে হয়েছে এমন?
জরিনা বেগম' কান্না শুরু কন্ঠে বললো: দুপুরে কইছিলো '' মধু রে দেখবার লাগি যাইব রেডি হইয়া বের ও হইছিলো কিন্তু আমার মাইয়া ডা যাইয়া কুলাইতে পারে নাই কেডা জানি শেষ করে দিলো রেহহহহহহহ..
কুমার' মাথা নিচু করে চোখের পানি টা মুছলো '
,,ইতি মধ্যে পুলিশ এসে পরেছে' লতা বেগম এর নিথর' ভয়ংকর ভাবে কাটা'* মা* এক পাশে' আরেক পাশে তার দেহ খানা!
মাধুবী' টিনের দরজার সামনে কোপালে হাত দিয়ে লতা বেগম এর দিকে এক দিষ্টি তে তাকিয়ে আছে'
একটা পুলিশ বললো: লাশ মর্গে নিতে হবে পোসমাডাম হবে এরপর কবর দিবেন!
,,এ' কথা শুনে মাধুবী সঙ্গে সঙ্গে উঠে' পুলিশ টার কাছে গিয়ে দাঁড়িয়ে বললো: আমার মাকে লাশ বলবেন না আর আম্মা কোথাও যাবে না!
,,পুলিশ তা ভোরকে গেলো কুমার' তারাতাড়ি এসে দারালো' মাধুবীর পাশে' শান্ত শুরে বললো
: না নিলে হবে না চন্দ্রাবতী ওরা......
মাধুবী হাত দিয়ে কুমার কে থামিয়ে' পুলিশ কে কড়া গলায় বললো: আমার মা আমারা বুঝে নিবো আপনারা যান আমার মাকে কোথাও নিতে দিবো না!
,,পুলিশ টা কিছু সময় তাকিয়ে' বিরক্ত হয়ে চলে গেলো'
________________ আসরের আযান দিছে' লতা বেগম এর দেহ খানা একটু পর নিয়ে যাবে' মাধুবী সব নিয়ম ভেঙ্গে নিজের হাতে লতা বেগম কে গোসল করিয়ে দিয়েছে' লতা বেগম কে সাদা কাপর পরিয়ে কােপালে চুমু দিয়ে' কানের কাছে ফিসফিস করে!
বললো: তুমি ওপারে শান্তি তে থেকো আম্মা " তোমার মেয়ে ' তার মায়ের খু*নির* মা* কেটে তোমার কবরের সামনে' দিয়ে' আসবে! কথা দিচ্ছি মা!
_______________ লতা বেগম এর নিথর দেহ ' চলে যাচ্ছে ' ফুলমতী বাড়ি পেরিয়ে'
ফেলে গেলো কিছু না বলা কথা না বলা জিনিস যেটা মাধুবী কে খুঁজে বের করতে হবে! মাধুবী' কি খুঁজে পাবে তার মায়ের খু* কে?
সামনে কি তার জন্য ভয়ংকর লড়াই' অপেক্ষা করছে!

__________________________________________
বর্তমান! মিরা' ডাইরি টা বন্ধ করে চোখের পানি টা মুছে নিলো' রানী মাধুবী'র জীবন টা কত কষ্টের ছিলো' মিরা' উঠে' অন্দর মহলে গেলো' আপাততঃ সে ছাড়া কেউ নেই' সারা' বাড়ীতে লাইট জালানো! বাড়ি টি পুরোনো হলেও এখনো আগের মতোই সুন্দর লাগছে'
মিরা' ঘুরে ঘুরে দেখলো অন্দর মহল ' সেই রান্না ঘর' সেই কক্ষ'

মিরা সিঁড়ি বেয়ে' উপরে গেলো' ঠিকি লেখা ছিলো ৮ টি ঘর
মিরা'র চোখ গেলো
বা পাশের ঘর টার দিকে' কি মনে করে মিরা দরজা খুলে ঢুকলো'
একদল' ইঁদুর পালিয়ে' ছুটলো' মিরা' লাইন অন করলো' কিন্তু নষ্ট! মিরা নিজের ফোন এর লাইট অন করলো'' ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে পুরো রুম টা দেখল' ডাইরীর লেখা অনুযায়ী এটাই ছিলো আহিয়ার ঘর (আলভীর বোন) মিরা'র চোখ গেলো' জানালার পাশের দেওয়ালে! কারো দু'হাতের ছাপ' র* মাখা মিরা'র শরীল শিউড়ে উঠলো' পাশে একটা পেন্ট এর বেল' পচে' পরে আছে!

মিরা' দরজা বন্ধ করে' নিচে এসে রানী মাধুবীর ঘরে ডুকলো'
________ লাইন অন করলো' রানী মাধুবীর ভাঙ্গা পুরোনো আলমারী টা খুললো' মিরা' সাথে সাথে একটা দূর গন্ধ এলো' মিরা' হাত দিয়ে মুখ চেপে ধরলো'
পোচে যাওয়া কালো শাড়ী' ইঁদুর এর কাটা' টুকরো হয়ে আছে! মিরা মৃদু হাসলো' এটাই নিয়তী ছিলো!
মিরা' আলমারী' বন্ধ করে' চলে যেতে যাবে' তখনি চোখ গেলো' বারান্দার দিকে..!
মিরা' হেঁটে গেলো' বারান্দায় দাঁড়িয়ে বিরবির করে বলে উঠলো: এখানে দাঁড়িয়ে থাকতো রানী মাধুবী? মিরা' তাকালো পুকুর টার দিকে! লাল রং দিয়ে ' ব্রিগেড দিয়েছে!
"" তখনি শব্দ করে মিরা'র ফোন বেজে উঠলো'
মিরা রিসিভ করল! ওপাশ থেকে কিছু শুনা গেলো না মিরা বললো:চলে আসবো কিছু দিন পর তবে জানিস', রানী মাধুবীর একটা ডাইরী পেয়েছি' ওনার জীবন এর কাহিনি'
,,ওপার থেকে কেউ জোরে বললো: তাহলে তারাতাড়ি পরে ফেল দেরি করছিস কেন,?

মিরা' হেসে বললো: তারাতাড়ি পরার থেকে একটু একটু করে পরায় বেশি মজা' তুই জানীস? আমি শুনেছিলাম
রানী মাধুবী পৃথিবী সাসন করেছিলো' ওনার কাছে' পুরো পৃথিবী মাথা নত করতো', কিন্তু এখন তিনি কোথায় কেউ জানে না!

___________ মিরা রুমে এসে ডাইরী টা খুললো ' একটা পৃষ্ঠা ' খালি বড় করে লেখা!
(মৃত্যুর খেলা শুরু)

চলবে?
কমেন্ট এ রিভিউ জানান! পরের পাট এর জন্য অপেক্ষা করুন! সম্পুর্ন কল্পনিক! কোন উপন্যাস এর সাথে আমার উপন্যাস এর লাইন মিলে গেলে! ক্ষমা করবেন! আমি নিজের মন থেকে লিখেছি! আশা করি শেষ পযন্ত পাশে থাকবেন!

#tiktok I'd :keyachowdhury014
(Pream er story)

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 11 শেষ করেছেন।

আগের পর্ব উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন