ফন্ট সাইজ:
থিম:
মায়ারজাল

পর্ব 1

লেখক: মেহরিন হাওলাদার ইনায়া

লেখিকার নাম : মেহেরিন হাওলাদার ইনয়া
গল্পের নাম : মায়ার জাল
এটা একটা আপুর আমাকে দিতে বলছে তাই দিচ্ছি উপন্যাস টা অনেক সুন্দর
.
.
.
ইনারা তারাতারি উপরে উঠে যায় আর নিজের রুমে যে বিছানায় বসে কান্না করে করতে থাকে
ইনায়া : আমি কি এতটাই খারাপ কেন আমার ভাগ্য এরকমটা লেখা ছিল আমাকে ভালবাসলে কি হতো আরিয়ান ভাই কেন আপনি আমাকে ভালবাসলেন না আমি গ্রামের মেয়ে বলে আমি তো আপনার মতই হতে চেয়েছিলাম
এর মধ্যে দরজায় টোকা ইনায়া তাড়াতাড়ি কান্না মোচলো
ইনায়া : কে
বাবা : আমি মা কি করছিস
ইনায়া : কিছু না বাবা
বাবা : তোকে যে বললাম রুদ্রের সাথে কথা বলতে বলেছিলি
ইনায়া :😔না বাবা
তার মধ্যেই আরিয়ানের মা আরিয়ানার বাবাকে ডাক দিল
বাবা : আচ্ছা ঠিক আছে তাড়াতাড়ি কথা বল আর ওকে বলিস তুই তিন মাস পরে যাবি আর পারলে তোর বাবাকে মাফ করে দিস পারলাম না তোর সুখ এনে দিতে তোর বাবাকে যে ওয়াদা দিয়েছিলাম তাও রাখতে পারলাম না
ইনায়া : তুমি কেনো মাফ চাইবে তোমার কোনো দোস নেই আমার কাছে মাফ চেয়ে তুমি নিজেকে ছোট করছো আর আমাকেও 😔
বাবা: আমি জানিনা আমার ছেলেটার কি হয়েছে কিন্তু আমি দোয়া করব সব যেন ঠিক হয়ে যায়। ও তোর মা আমাকে ডাকল আমি যাই আর তুই তোর ভাইয়াকে ফোন দে
ইনায়া : আচ্ছা বাবা
অফিস রুমে আরিয়ান নিজের চেয়ারে বসা নিজের চুল নিজেই খামচি ধরে রাখছে চোখগুলো লাল
আরিয়ান : আমার এমন কেন লাগছে মনে হচ্ছে কিছু নেই কিছু নেই ওর কথা কেন বারবার মনে পড়ছে ও আমাকে পুরোই পাগল বানিয়ে ছাড়বে ওকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এখান থেকে তাড়াতে হবে "
স্যার আসবো
আরিয়ান : হ্যাঁ এসো
মিনু : স্যার আপনার মিটিং এর জন্য লেট হচ্ছে আটটা বাজে মিটিং ছিল এখন সাড়ে সাতটা বাজে আমাদের যেতে যেতে লেট হয়ে যাবে
আরিয়ান : আচ্ছা ঠিক আছে তুমি যাও আমি আসছি
মিনু : ওকে স্যার
বাসায় ইনায়া কান্না করতে করতে ঘুমিয়ে যায় তার কিছুক্ষণ পরেই রুদ্র ফোন করে ফোন বাঁচতে বাঁচতে একবার কেটে যায় এরকম করতে করতে তিন চার বার কেটে যায় ফোন লাস্ট বার ইনায়া ফোন ধরে ঘুম জড়ানো কন্ঠে বলে
ইনায়া : হ্যালো কে
রুদ্র : আমি ইনায়া রুদ্র
ইনায়া : ও ভাইয়া হ্যাঁ ভাইয়া বল
রুদ্র: তুই আমাকে টেক্সট করেছিলি কি যেন বলবি বলেছিলে
ইনায়া : হ্যাঁ আসলে আমি বলতে চাই
রুদ্র : হ্যাঁ বল
ইনায়া : ভাইয়া আমি এখানে আরো তিন মাস থাকতে চাই
রুদ্র অবাক হয়ে যায় আর বলে
রুদ্র : তুই না বললি আমাকে দুই দিনের ভিতরে চলে আসতে
ইনায়া : হ্যাঁ বলেছিলাম কিন্তু আমি এখানে কলেজে ভর্তি হয়ে গেছি
রুদ্র : আচ্ছা বুঝলাম তাহলে তুই আমার সাথে চলে গেলে কলেজে পরীক্ষা দিবে কে তিন মাসের ভিতরে তার সব শেষ হয়ে যাবে না
ইনায়া : ভাইয়া আমি ওখান থেকে এসে আবার পরীক্ষা দিব প্লিজ না করো না তিন মাস পরে আসো
রুদ্র দীর্ঘশ্বাস ফেলে আর বলে
রুদ্র : ঠিক আছে
ইনায়া : থ্যাংক ইউ ভাইয়া আচ্ছা রাখি
রুদ্র : আচ্ছা
রুদ্র কল কেটে দেওয়ার পরে ইনায়া দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে চোখ দিয়ে গড়িয়ে পড়া পানি মুছে ফেলে
_______ এক সপ্তাহ পর ---
ইনায়া ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে কলেজে জন্য তৈরি হয় আজকেও প্রথম দিন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ভাবে আমি জীবনটা আবার নতুন করে শুরু করব তারপর নিচে নেমে আসে
____ সবার সাথে ব্রেকফাস্ট করতে বসে পড়ে
তখন আরিয়ানের বাবা বলে
বাবা : আজকে তো তোমার কলেজের প্রথম দিন তোমাকে ড্রপ করে দেওয়া লাগবে
ইনায়া : না বাবা লাগবে না আমি যেতে পারব
বাবা: সাবধানে যেও
তখন আরিয়ান সবার দিকে অবাক চোখে তাকিয়ে থাকে মনে মনে ভাবে খুব কলেজে ভর্তি হয়েছেন আমাকে কেউ জানালেও না আর খুব রাগ হয় তারপর ওখান থেকে উঠে চলে যায় সবাই ওর চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে থাকে
তারপর ইনারা উঠে চলে যায়
------
কলেজের সামনে এসে দাঁড়ায় আর ভাবে আজকে আমার প্রথম ক্লাস আমি সবার সাথে মিশতে পারবো তো একটু কেমন আনেযি ফিল হতে থাকে
তারপরও ভয় ভয় কলেজের ভিতরে ঢুকে আর ওর সাথে একটা মেয়ের দেখা হয় এটা হাসি দিয়ে ওকে বলে
নুপুর: আমি নুপুর তোমার নাম কি
ইনায়া : আমিন ইনয়া
নুপুর : চলো একসাথে ক্লাসে যাই তুমি কি এখানে নতুন
ইনায়া :জি
নুপুর : ও সমস্যা নেই আমি তোমাকে সব কিছু চিনিয়ে দিব আর তুমি আমাকে তুই করে বলতে পারো আমি ওখান থেকে তোমাকে তুই করেই বলবো
ইনায়াত এখন হাসি আর ক্লাসে চলে যায়
-----
অন্যদিকে আরিয়ান তখন অফিসে বসে একই কথা ভাবতে থাকে মনে মনে বাবা মা আমাকে বলল না ওকে যে কলেজে ভর্তি করিয়েছে আমি কি না করতাম আমাকে জানানোর প্রয়োজনও মনে করল না আমি ওর হাজব্যান্ড তারপরে হঠাৎ ওর মনে পড়ে হাসবেন্ড? এসব আমি কি ভাবছি ওই মেয়েটা আমাকে সত্যি পাগল করে দেবে ড্যামেট । তারপর কম্পিউটার নিয়ে কাজ করতে থাকে
---- ইনায়া করিডোর দিয়ে হাঁটার সময় কেউ ওকে পিছন থেকে ডাক দেয়
ইনায়া
ভাবতেছি এই গল্পটা আর দিব না তোমাদের কোন রেসপন্স পাই না তোমরা লাইক ও করো না কমেন্ট ও করবা না আরে কিভাবে বুঝবো তোমরা আমার এই উপন্যাসটা পছন্দ করছে যদি এই গল্পে কমেন্ট আর লাইক না আসো তাহলে আমি আর এই গল্পটা দিব না এজন্য বেশি বেশি কমেন্ট আর লাইক করো 🫵

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 1 শেষ করেছেন।

উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন