ফন্ট সাইজ:
থিম:
এক মুঠো চাঁদের আলো

৩৯তম পর্ব

লেখক: নুসরাত ফারিয়া

-“শীট!”

রাত নিজের শার্টের দিকে তাকিয়ে চিল্লিয়ে উঠল। তড়িঘড়ি করে কল কেটে দিয়ে, ফোন পকেটে রেখে রাগান্বিত চেহারায় সামনে দাঁড়িয়ে থাকা রমণীর দিকে তাকায়। ঈশিতা অস্থির গলায় বলল,

-“সরি, সরি! আমি খেয়াল করিনি।”

রাত দাঁতে দাঁত পিষলো,

-“কেন? চার চোখ লাগিয়েও কি চোখে দেখতে পারেন না?”

ঈশিতা চোখের চশমা খুলে শান্ত গলায় বলল,

-“দেখুন মিস্টার! আমি ইচ্ছে করে আপনার ওপর কফি ফেলিনি।”

-“আমিও ওইদিন আপনার ফাইলে ইচ্ছে করে কফি ফেলিনি। ওটা জাস্ট আ এক্সিডেন্ট ছিল। কিন্তু আপনি আমাকে অহেতুক সবার সামনে অপমান করেছেন। তাহলে এখন আপনাকে কি করা যায়?”

-“আপনি আমার সারাদিনের পরিশ্রম নষ্ট করে দিয়েছিলেন, তাই রেগেমেগে উল্টাপাল্টা কথা বলেছি। তারজন্য সরি।”

-“সরি ধুয়ে এখন আমি পানি খাবো?”

-“আপনাকে খেতে হবে না। আপাতত আপনার শার্ট কে পানি খাওয়ান, মানে ওয়াশরুমে গিয়ে পরিষ্কার করুন।”

-“আমি কেন পরিষ্কার করব? আপনি আমার শার্ট নষ্ট করেছেন। এখন আপনিই আমার শার্ট পরিষ্কার করে দিন। নয়তো আমি আপনাকে কফির মধ্যে চুবানি দিবো।”

ঈশিতা চোখমুখ কুঁচকে তাকায়। যেহেতু তার কিছুটা দোষ আছে, তাই সে ঝামেলা এড়ানোর জন্য বলল,

-“আসুন।”

রাত বড় বড় পা ফেলে করিডোর দিয়ে হেঁটে ওয়াশরুমে গেল। তারপর পরণের কোট খুলে পাশে রেখে শার্ট খুলে মেয়েটার দিকে বাড়িয়ে দিল। ঈশিতা দাঁতে দাঁত চেপে শার্ট নিয়ে আড়চোখে উদোম শরীরের দিকে তাকায়। কতবড় নির্লজ্জ হলে এমন একটা কাজ করতে পারে! ঈশিতা নজর সরিয়ে টিস্যু হালকা ভিজিয়ে শার্ট পরিষ্কার করতে লাগল। তখন হঠাৎই মাথায় একটা বুদ্ধি চাপল। এবং সঙ্গে সঙ্গে ঘটিয়ে দিল এক অঘটন।

শার্ট, কোট মূহুর্তেই বেসিনের মধ্যে ফেলে দিয়ে পিছনে ঘুরে, এক দৌড়ে পালিয়ে গেল। মেয়েটার এহেন কাজে রাত বাকরুদ্ধ হয়ে যায়। সে দ্রুত শার্ট, কোট তুলে নেয়! কিন্তু কোনো লাভ হলো না। অলরেডি সম্পূর্ণ পোশাক ভিজে একাকার হয়ে গেছে। সে এখন পরবে টা কি?

রাত রেগেমেগে শার্ট, কোট ফ্লোরের মাঝে ছুঁড়ে মে'রে দাঁতে দাঁত পিষে বলে উঠল,

-“আমি আপনাকে দেখে নিবো, মিস!”

তিথি আজ ভীষণ খুশি। অবশেষে সে তার ভালোবাসার মানুষটিকে নিজের করে পেতে চলেছে। পড়ন্ত বিকেল বেলায় বাগানে বসে থেকে, দোনলায় দোল খেতে খেতে ভিডিও কলে তিহানের সাথে কথা বলছে আর হাসছে।

-“আমার পরিবার কিন্তু যথেষ্ট কঠোর। সবার মন জয় করতে পারবে তো? নাকি মাঝপথে পালিয়ে যাবে?”

ফোনের অপর প্রান্ত থেকে তিহান মাথার চুলগুলো ঠিক করতে করতে বলল,

-“পালিয়ে যাওয়ার জন্য তোমার হাত ধরিনি।”

একটু থেমে পুনরায় আওরাল,

-“নিজের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করব, তোমার পরিবারের মন জয় করতে৷”

-“আর যদি না পারো?”

-“নিজের ওপর এবং ওপরওয়ালার ওপর আমার সম্পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে। আশা করছি, তিনি আমার থেকে আমার প্রেয়সীকে আলাদা করে দিবেন না।”

-“ইনশাআল্লাহ তিহান। আমাদের ভালোবাসা পূর্ণতা পাবে!”

-“ইনশাআল্লাহ জান।”

🌸

রাত বাজে ন'টা। আধার ফিরেছে অনেক আগেই। তবে এখনো পর্যন্ত বউয়ের দেখা মেলেনি। আর না সে নিজ থেকে খুঁজতে গিয়েছে। রাত কাজের জন্য সারাদিন বাড়িতে থাকে না, এইজন্য সে ভার্সিটিতে গিয়ে নিশ্চিন্তে থাকে। রাতকে এখন একটু বিশ্বাস করলেও পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারেনি। কারণ ছেলেটার আবার হুটহাট নেশা করার স্বভাব আছে। রাতবিরেতে মাঝেমধ্যে মাতাল হয়ে ফিরে, তারজন্য সে আলোকে রাতে ভুলেও বাহিরে যেতে দেয় না। দরকার হলে সে নিজে আসে, তবুও বউকে রুম থেকে বের করে না। সে ওই আধপাগল মেয়েটার প্রতি এত পজেসিভ কবে থেকে হলো, ঠিক বুঝতে পারছে না। তার অবাধ্য মনটা শুধু চায়—ওই বিচ্ছু মেয়েটাকে আগলে রাখতে, যত্ন করতে, ভালোবাসতে আর আদর করতে।

আদর করার কথা মনে পড়তেই আধারের হাত বাম গালে পৌঁছে গেল। শেষমেষ কি-না বউকে চুমু খেতে গিয়ে থাপ্পড় খেল? ভাগ্যিস, থাপ্পড়ের বদলে লাথি খায়নি। নয়তো যেটুকু সম্মান বেঁচে আছে, সেটুকুও থাকত না।

আধার ফোনে কথা বলা শেষ করে, বারান্দা থেকে রুমে এল। আর তখনই সে থমকে গেল। তার ঠিক সামনে আলো দাঁড়িয়ে আছে। চোখমুখ ফুলে উঠে লাল হয়ে গেছে। মলিন মুখটা দেখে আধারের বুকের ভেতরটা কেমন জানি করল। সে ব্যস্ত পায়ে এগিয়ে এসে, মেয়েটার দুগাল আলতো করে চেপে ধরে গম্ভীর কণ্ঠে শুধাল,

-“প্রেমিক ম'রেছে? যার জন্য কেঁদেকুটে এমন পেত্নীর মতো চেহারা বানিয়েছ?”

আলো একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। এক চোখ বেয়ে টুপ করে একফোঁটা নোনা অশ্রুজল গড়িয়ে পড়ল। যেটা দেখে আধার থতমত খেয়ে যায়। সে তো জোরে গাল চেপে ধরেনি। খুবই আলতো হাতে ধরেছে। তবুও মেয়েটা কাঁদছে কেন? তাহলে কি অন্য কোনো ব্যাপার?

আধার ঠোঁট কামড়ে কিছু একটা ভেবে, মেয়েটার পেটের মাঝে হাত রেখে ধীর কণ্ঠে জানতে চাইল,

-“ব্যথা করছে?”

আলো মলিন হেঁসে বলল,

-“করছে তো, কিন্তু ওখানে নয়! এখানে...।”

বলেই নিজের বুকের বাম দিকে তর্জনী আঙুল রাখল। মেয়েটার বুকে ব্যথা হচ্ছে সেটা উপলব্ধি করতেই আধার অস্থির হলো।

-“চলো! এক্ষুনি তোমাকে হাসপাতালে নিয়ে যাবো।”

একথা বলেই আধার আলোর হাতের কব্জি ধরল। কিন্তু মেয়েটা সামনে পা রাখল না। উল্টো হাত ছাড়িয়ে নিয়ে মূহুর্তেই হামলে পড়ল, স্বামীর শক্ত বুকের মাঝে। দুপুর থেকে জমিয়ে রাখা কষ্টগুলো সবটা উগড়ে দিল। ওইদিকে মেয়েটার কান্নার শব্দে আধার স্তব্ধ হয়ে গেল। একই সাথে তার পুরো পৃথিবীটাও থমকে যায়। সে কখনো মেয়েটাকে এইভাবে বাচ্চাদের মতো করে কাঁদতে দেখেনি। তাহলে আজ এমন কি হলো, যার জন্য মেয়েটা এমন করে কাঁদছে?তাহলে কি তার অবর্তমানে কিছু হয়েছে?

-“তুমি কাঁদছ কেন? কি হয়েছে আমাকে বলো। কেউ কিছু বলেছে? বা হার্ট করেছে?”

আধার মেয়েটার চোখের পানি মুছে দিতে দিতে উদ্বিগ্ন কণ্ঠে জিজ্ঞেস করল। আলো কান্নার মাঝে দু'দিকে মাথা নাড়িয়ে "না" বোঝাল।

-“তাহলে এইভাবে ম'রার মতো কাঁদছ কেন?”

স্যারের ধমকে আলোর কান্না থেমে গেল, তবে হেঁচকি উঠা বন্ধ হলো না৷ আধার আড়ালে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে পকেট থেকে রুমাল বের করে, মেয়েটার ভেজা চেহারা মুছে দিল। তারপর দুগালে হাত রেখে ঝুঁকে এসে চোখের দিকে তাকিয়ে বলল,

-“কি হয়েছে, আমায় বলো।”

আলো নাক টেনে বলল,

-“ক...কিছু হয়নি৷ কিন্তু....খুব কষ্ট হচ্ছে।”

আধার কি বুঝল কে জানে৷ সে মেয়েটা টেনে নিয়ে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে, কাঁধে মুখ গুঁজে দিল। আলো দু'হাতে পিঠের টি-শার্টের অংশ খামচে ধরে অসহায় কণ্ঠে বলল,

-“বিশ্বাস করুন। আমি সকালে ইচ্ছে করে আপনাকে আঘাত করিনি। হঠাৎ করে ঘুমের ঘোরে স্পর্শ পেয়ে ভরকে যাই, কারণ আপনি তো বাড়িতে ছিলেন না। তিথিকে নিয়ে হাসপাতালে গিয়েছিলেন। আর আমি এটাও জানতাম না, ছোট মা আর দাদাজান ফিরে এসেছে। তাই আমি ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। এক মূহুর্তের জন্য আপনার ভাইকে ভেবে নিয়েছি। তাই ওমন রিয়াক্ট করে ফেলেছি। তারজন্য আমি খুব সরি৷ আপনি চাইলে আমাকেও থাপ্পড় মা'রতে পারেন। আমি কিছু মনে করব না!”

আধার ঘাড় থেকে মুখ তুলে মেয়েটার অশ্রুসিক্ত নয়নের দিকে তাকায়। তারপর এক ভ্রু উঁচিয়ে জিজ্ঞেস করল,

-“আমার হাতের থাপ্পড় সহ্য করতে পারবে, তোমার ওই নরম তুলতুলে গাল?”

আলো কিছুক্ষণ চুপ থেকে নিজের বাম গালটা এগিয়ে নিয়ে এসে বলল,

-“সহ্য করে নিবো।”

আধার প্রতিত্তোরে কিছু না বলে মেয়েটার পাতলা কোমর চেপে ধরে—গালের মাঝে ঠোঁট ডুবিয়ে দিল। আলো অবাক হলেও পর মূহুর্তে চোখ বুজে স্বামীর আদরটুকু গ্রহণ করল। কিছুটা সময় নিয়ে পুরো চেহারায় ঠোঁট ছুঁয়ে দিল। তারপর কাঁপাতে থাকা গোলাপি ঠোঁটের দিকে এগিয়ে এলে, আলো তৎক্ষনাৎ মুখ সরিয়ে নিল। এতে আধারের কপাল কুঁচকে যায়৷ সে বিরক্তিতে আওরাল,

-“কি সমস্যা?”

আলো নাক ফুলিয়ে বলল,

-“আপনি গত রাতে আমাকে বকেছেন।”

আধার গালে নাক ঘষাঘষি করে ফিসফিসিয়ে বলল,

-“আমিই বকবো, আবার আমিই আদর করব।”

আলো সরু চোখে তাকায়। আধার কপালের সাথে কপাল ঠেকিয়ে ধীর কণ্ঠে বলল,

-“এখন একটা বড় চুমু খেতে পারি? নাকি সকালের মতো আবারো চড় মা'রবেন, মিসেস আধার খান?”

আলো কিছু না বলে চোখদুটো বন্ধ করে নিল। আধার আনমনে হেঁসে মেয়েটার দু'হাত কাঁধের ওপর তুলে দিয়ে, সে দু'হাতে কোমর চেপে ধরে ঘনিষ্ঠ করে নিয়ে, ঠোঁটের মাঝে ঠোঁট ছোঁয়াতেই দরজায় ঠকঠক আওয়াজ হলো। এতে আধার প্রচুর বিরক্ত হয়। সামান্য একটা চুমুও খেতে পারছে না সে। ওইদিকে আলোর খুব হাসি পেল্, তবে হাসল না। সে নিজেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার সময়—দুই পায়ের পাতায় ভর দিয়ে, উঁচু হয়ে স্বামীর ঠোঁটে পরপর দু'বার চুমু খেল।

-“ডিনারের জন্য মনে হয় ডাকতে এসেছে। আসুন!”

একথা বলে আলো নিচ থেকে ওড়না তুলে, মাথায় ভালো করে পেঁচিয়ে নিয়ে ওয়াশরুম থেকে চোখমুখ ধুয়ে এসে

দরজা খুলে দেখে—তিথি দাঁড়িয়ে আছে। ভাবীকে দেখে হাসিমুখে বলল,

-“নিচে এসো, সবাই অপেক্ষা করছে।”

-“চলো।”

আলো মাথা নাড়িয়ে বলল। তিথি আগে আগে যেতে শুরু করল। আলো গিয়ে আবার ফিরে এসে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে স্যারের উদ্দেশ্যে বলল,

-“খাম্বার মতো দাঁড়িয়ে থাকলে, আমি কিন্তু রাত ভাইয়ার পাশে গিয়ে বসব।”

আধার হেঁটে আসতে আসতে দাঁত কিড়মিড় করল,

-“যেদিন তোমাকে ধরব, ওইদিন তোমার সব ত্যাড়ামি বের করে দিবো।”

আলো মুখ ভেংচি কেটে বলল,

-“আর আমি দাদাজান কে বলে আপনাকে এই বাড়ি থেকে বের করে দিবো, হুহ্!”

-“আমাকে ছাড়া থাকতে পারবে?”

-“আলবাত পারব।”

-“ঠিক আছে। এমনিতেই একটা মিটিংয়ের জন্য আমি অন্য শহরে যাবো। সেখানেই কিছুদিন থাকব! তখন তুই মনের আনন্দে একা থেকো। কেউ বিরক্ত করবে না।”

একথা বলে আধার পাশ কাটিয়ে চলে যায়। আর আলো তব্দা খেয়ে গেল। আরেহ, সে তো মজা করছিল। তাই বলে সত্যি সত্যিই লোকটাকে ছেড়ে থাকবে নাকি!

-“আরেএএ থামুন! আমি তো মজা করছিলাম। আপনি শুধু শুধু সিরিয়াস হয়ে যান।”

আলো পিছু ছুটতে ছুটতে চিল্লিয়ে কথাগুলো বলল। আধার সিঁড়িতে থেমে গিয়ে পিছনে ফিরে চোখ রাঙিয়ে বলল,

-“এইভাবে ঘোড়ার মতো না ছুটে, ভদ্রভাবে নেমে এসো। নয়তো এক মাসেও বাড়ি ফিরব না!”

-“যান ফিরতে হবে না আপনাকে। আমিও বাপের বাড়ি চলে যাবো। থাকব না আপনার মতো লোকের কাছে।”

একথা বলে আলো চলে গেল রুমে। আধার কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে চুপচাপ নিচে নেমে এল। কিন্তু ডাইনিংয়ে বসল না। প্লেটে খাবার সাজিয়ে নিয়ে সোজা দোতলায় উঠে গেল।

-“বাপের বাড়িতে যেতে চাইলে যে? তাহলে এখন শুয়ে আছো কেন? আমি ল্যাগেজ প্যাক করে দিবো?”

কথাগুলো শুনে আলোর শরীর জ্বলে উঠল। সে খেঁকিয়ে বলল,

-“যাবো না আমি, কি করবেন আপনি? জোর করার চেষ্টা করলে—নারী নির্যাতনের মামলা ঠুকে দিবো।”

-“আমাকে ভয় দেখাচ্ছো?”

-“কেন? আপনি বুঝি ভয় পান না?

আধার সোজাসাপ্টা জবাব দিল, -“না!”

-“আপনি খুব খারাপ।”

-“আর এই খারাপ মানুষটাকেই তুমি ভালোবাসো।”

স্যারের মুখে এহেন কথা শুনে আলো চুপ হয়ে গেল। সোজা হয়ে উঠে বসে গম্ভীর কণ্ঠে বলল,

-“কে বলেছে আমি আপনাকে ভালোবাসি?”

আধার টি-টেবিলের ওপর প্লেট রেখে দাঁড়িয়ে ছিল। মেয়েটার কথা শুনে বিছানায় দু'হাত রেখে ভর দিয়ে ঝুঁকে এসে ফিসফিসিয়ে বলল,

-“সতিই ভালোবাসো না আমায়?”

আলো কিছু বলল না। আধারও আর জোর করল না। কারণ সে উত্তরটা জানে। ওয়াশরুম থেকে হাত ধুয়ে এসে বিছানার পাশে বসল। তারপর আলোকে টেনে নিজের কোলের ওপর বসিয়ে নিল এবং খাবার খাইয়ে দিতে থাকে।

-“আপনি সত্যিই অন্য শহরে যাবেন?”

আধার খেতে খেতে ছোট্ট করে জবাব দিল, -“হুম।”

-“কবে?”

-“তিনদিন পর।”

-“কতদিন থাকবেন?”

-“সঠিক বলতে পারছি না। কাজ শেষ হলেই চলে আসব!”

আলো গলা জড়িয়ে ধরে কাঁধে মাথা ঠেকিয়ে শান্ত গলায় বলল,

-“আমি আপনার অপেক্ষায় থাকব!”

#চলবে

আপনাদের প্রিয় জুটি আধার, আলোকে নিয়ে পড়ুন এক ভিন্ন প্লটের রোমান্টিক গল্প। যেখানে সকল চরিত্র রয়েছে এবং আধারের প্রেম কাহিনীসহ সবার প্রেম কাহিনী উল্লেখ করা রয়েছে। সেখানে নিরামিষ ব্যাডাকে কিন্তু আমিষ রূপে পাবেন। সাথে ১৪% ডিসকাউন্ট চলছে। এই ই-বুকটি পেয়ে যাবেন মাত্র ৫২ টাকায়। নেওয়ার আগে অবশ্যই প্রোমোকোড ব্যবহার করবেন। কোড: HAMBA14

🍁পড়ুন ই-বই "আঁধার আলো"

https://link.boitoi.com.bd/cZBak

(গত পর্বের মতো সবাই রেসপন্স করবেন।❤️)

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে ৩৯তম পর্ব শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন