আসসালা মুয়ালাইকুম আমি একজন নতুন লেখিকা 🥰 সবাই আমার উপন্যাস টা পইরেন ইনশাআল্লাহ ভালো লাগবে 🙈🤎
(বানান ভুল ক্ষমা প্রাপ্তি)
পুষ্প নিকুঞ্জ: আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে গড়ে ওঠা সুন্দর একটি বিলাসবহুল আলিশান বাড়ি পুষ্প নিকুঞ্জ। বিশাল এই বড়িটা দেখতে অনেক সুন্দর বাইরে যেমন সুন্দর ভেতরে আরও বেশি সুন্দর। বাড়িটার অর্থ বুঝতে পরে না আমেরিকার লোকজন, পুষ্পনিকুঞ্জ অর্থ ফুলের বাগান 🌼 নামের সাথে বাড়িটার মিল অনেক। বিশাল গেট পেরিয়ে বড় বড় প্রাচির দেওয়া দেওয়া এই বাড়ির চারপাশে,।বাড়ির বাগানে,ছাদে বেলকনিতে নানা রকম ও রঙের হাজার হাজার ফুলের গাছ বিশাল এই বাড়ির স্থায়ী সদস্য সাত জন।চল এবার সকলের পরিচয় দি। প্রথমেই বলি বাড়ির কর্তা সাজ্জাদ ইসলাম এর কথা তিনি একজন সফল ও বিত্তশালী বিজনেসম্যান ভদ্রলোক বাইরে বেশ গম্ভীর হলেও বাড়ির সকলের সাথে মিশুক প্রকৃতির আচারন করে। এজন্য বাড়ির সকলের সাথেই তার বন্ডিং বেশ ভালো। এবার বলি সাজ্জাদ ইসলাম এর স্ত্রী ও এই বাড়ির কর্ত্রী মৌসুমী ইসলাম এর কথা তিনি অনেক ভালো মনের মানুষ তার আচরণ তার মনের উপর ডিফেন্ড করে তার মন তো
ভালো থাকলে সেও সবার সাথে অনেক ভালো কিন্তু মন ভালো না থাকলে কারও সাথে কথা পযন্ত বলতে চান না। তবুও তিনি বাড়ির একজন যোগ্য বউমা।ছেলে মেয়ে সকলের সব আবদার তার কাছেই তিনি ও সকলের আবদার পূরণ করেন। এবার বলি সাজ্জাদ ইসলাম এর ভাইয়ের ছেলে মেয়ের কথা সাজ্জাদ ইসলাম এর একটি মাত্র ছোট ভাই আছে যার নাম শাহেদ ইসলাম। তিনি পেশায় একজন এসপি, কিন্তু তিনি আমেরিকায় স্থায়ী নয় । শাহেদ ইসলাম তার মা -বাবা ও , ফারজানাও সোহরাব ইসলাম ও তার স্ত্রী ইলমা ইসলাম কে নিয়ে বাংলাদেশেই বেশি থাকন । সুযোগ পেলে সবাই আমেরিকায় বেড়াতে আসেন 🙈 শাহেদ ইসলাম এর একটা ছেলে ও একটা মেয়ে আছে।তার ছেলে সাইমান ইসলাম লাবিব ও ,সাইমান পেশায় একজন প্রফেশনাল ডাক্তার।ছেলেটা বেশ হাসি খুশি ও ভালো একজন মানুষ। শাহেদ ইসলাম এর মেয়ে শিমরিন ইসলাম লুবাবা সেও পেশায় একজন প্রফেশনাল ডাক্তার কিন্তু তার পড়াশোনাও এখনো পুরোপুরি শেষ হয় নি লুবাবা মেয়েটা অনেক সরল সোজা ও মজার একটা মেয়ে কিন্তু সে তার দায়িত্ব গুলো সঠিক ভাবে পালন করে।এবার বলি এই বাড়ির সবচেয়ে ছোট সদস্য সেরাফিনা শারমিন সুখ এর কথা।সুখ সাজ্জাদ ইসলাম ও মৌসুমী ইসলাম এর একমাত্র মেয়ে।সে বাড়ির সকলের আদরের মেয়ে। মেয়েটার পাড়াশোনা এখনো শেষ হয়নি, ভার্সিটিতে প্রথম ইয়ারের বিজ্ঞান বিভাগের একজন বেষ্ট ছাত্রী সে। বাবার কাজেও অনেক হেল্প করে সে। কিন্তু মেয়েটা বেশ রাগি জেদী ও বদমেজাজি ।এ বাড়ির আর ২টি স্থায়ী সদস্য হলো এ বাড়ির ২টা হেল্পিংহ্যান্ড।এই মিলিয়ে পরিপূর্ণ বাড়ি পুষ্প নিকুঞ্জ।🫠💜💭
চৌধুরী ভিলা: আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরের প্রায় শেষ প্রান্তে অবস্থিত একটি বিলাসবহুল বাড়ি চৌধুরী ভিলা। বিশাল একটা বাড়ি এটা কিন্তু এই বাড়ির লোকসংখ্যা বেশি নয় এই বাড়ি কর্তা ও কতী অনিক চৌধুরী ও ফাইজা চৌধুরী।অনিক চৌধুরী একজন বিজনেসম্যান। তিনি বেশ ভালো আবর রাগী একজন মানুষ, এবার বলি ফইজা চৌধুরী তিনি একজন ভালো ও মিশুক প্রকৃতির মানুষ।তাই তিনি এই বাড়ির প্রায় সকলের পছন্দের মানুষ। অনিক ও ফাইজা চৌধুরীর একটা ছেলে ও একটি মেয়ে আছে। তাদের মেয়ে আরফিন চৌধুরী আরা, মেয়েটাও তার মায়ের মতোই মিশুক ও ভদ্র একজন মেয়ে
এবং তাদের ছেলে আফরান চৌধুরী পূর্ব পেশায় একজন প্রফেশনাল ডাক্তার ।পূব বেশ ভালো ও মজার একজন মানুষ ।আর ,আরা এবার ভার্সিটিতে প্রথম ইয়ারের পড়ালেখা করে ।
পূব এই বাড়ির বড় ও একমাত্র ছেলে এবং সে তার পেশা নিয়ে অনেক বেশি সচেতন । পূর্বের একটা চাচু ও একটা ফুপ্পি আছে তারা দুজনেই বিবাহিত।তার চাচা আহাদ চৌধুরী ও চাচি সাইমা চৌধুরী তাদের মেয়ে আনহা চৌধুরী সানহা কে নিয়ে বাংলাদেশে বেশি থাকেন । এবং তার ফুপ্পি আফসানা বিশ্বাস তার স্বামী মাশরিফ বিশ্বাস ও দুই ছেলে মেয়ে মাহির ও মাহিরা বিশ্বাস কে নিয়ে লন্ডনে বাসবাস করেন। তার স্বামী মাশরিফ বিশ্বাস একজন ইন্টারনেশনাল পাইলট। সুযোগ পেলেই তারা আমেরিকায় আসেন পূর্ব দের বাসায় বেড়াতে। পূর্বর দাদি ও দাদা প্রায় ৫বছর আগে একটা গাড়ি এক্সিডেন্ট এ মৃত্যু বরণ করেছেন। চৌধুরী ভিলার মানুষ গুলো বেশ আন্তরিক হওয়ার তারা এখন ও ভুলতে পারে নি সেই মৃত্যু কে তাই অনেক কষ্ট বুকে চেপেও চৌধুরী ভিলা একটা হ্যাপি ফ্যামিলি 🤟🫠💜
মূল গল্প:-
রাত প্রায় নয়টা কিন্তু ব্যাস্ত শহর নিউইয়র্কে কারও চোখে ঘুম নেই তাদের কাজের যেন অন্ত নেই। ভার্সিটি, কোচিং শেষ করে গাড়ি নিয়ে বাড়ির দিকে যাচ্ছে সুখ। নিউইয়র্ক এক ব্যাস্ত শহর কিন্তু আজ একটু নীরব লাগছে মনে হয় আজ প্রতিদিনের মতো রাস্তায় এত জ্যাম নেই মাঝে মাঝে দু,একটা গাড়ি যাচ্ছে।সুখ চলছে তির নিজস্ব গন্তব্যে , হঠাৎ দেখতে পেল কয়েকজন লোক রাস্তায় তার গাড়ির সামনে এসে দাড়িয়েছে । সুখ গাড়ি ব্রেক করে নেমে গিয়ে দাড়াল লোকগুলোর সামনে,তারপর বলল what? এবার লোকগুলোর মধ্যে থেকে একজন খাটি বাংলায় বলল ভালোভাবেই বলছি তোর কাছে দামি মূল্যবান জিনিস যা যা আছে সব দিয়ে দে নয়তো তোকে একে বারে মেরে ফেলব।সুখ একটু অবাক হলো আমেরিকায় প্রথম বারেই কারও মুখে বাংলা শুনে 🙃আরও অবাক হলো আমেরিকায় এতো কঠোর সিকিউরিটি ব্যবস্থা থাকা সত্বেও এরা প্রকাশ্যে থ্রেট দিচ্ছে দেখে।সুখ এবার একটু হাসল তারপর পায়ের হায় হিল খুলতে খুলতে বলল আই আমার জীবন নিতে। লোকগুলোর মধো থেকে একজন এগিয়ে এলো সুখের দিকে সুখ হাতের হায় হিল দিয়ে তার মাথায় একটা জোরে বারি দিল ,লোকটা তৎক্ষণাৎ মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়ল , তাই দেখে বাকি সবাই এগিয়ে এলো সুখের দিকে 💭