উপন্যাস: তোমার নেশায় মরি আমি
লেখিকা : নূর জান্নাত ইসলাম চাঁদনী
____________________
জান্নাত আর রোজা কথা বলতে বলতে হাঁটছে জান্নাতের উপন্যাসের বই ওরা ক্লাসমেট পড়ার জন্য নিয়েছিল ওই ক্লাসমেট পড়া শেষ হলে জান্নাত কে বলে আমার বাসায় এসে নিয়ে যা জান্নাত আর ওর ফ্রেন্ড রোজা গিয়ে উপন্যাসের বই নিয়ে জান্নাত রোজা কে নিয়ে ওদের বাসায় যাচ্ছে জান্নাত ওদের বাড়ির সামনে আসতে একটা গাড়ি ওর সামনে হঠাৎ ব্রেক কষলো রোজা ভয় পেয়ে লাফ দিয়ে সরে গেলো কিন্তু জান্নাত শরলো না । জান্নাত কিছু বলতে যাবে তার আগে গাড়ি থেকে বের হলো একটা লোক জান্নাত দেখলো লোকটা অনেক লম্বা গায়ের রং ফর্সা চুলগুলো বড় বড় ঘাড় ছুই ছুই বিশেষ করে চোখগুলো সবুজ বর্ণের জান্নাত প্রথম এরকম কারো চোখের মনি দেখলে জান্নাত মনে মনে আওড়ালো চোখগুলো তো মাশাল্লাহ জান্নাত বলো এই আপনি কি গাড়ি চালাতে পারেন না যদি না পারেন তাহলে গাড়ি নিয়ে কেন বের হন রাস্তাঘাটে সামনে থাকা লোকটি ব্লু কুচ কে তাকিয়ে আছে জান্নাতের দিকে জান্নাত বলল শরুন আমি বাড়িতে যাবো লোকটি বলল আপনি কি এই বাড়ির মালিকের মেয়ে নাকি জান্নাত বলল না তবে এই বাড়ির ম্যানেজারের মেয়ে আর এই কারখানার মালিকের মেয়ে সামনে থাকা লোকটি বলল এমন ভাব নিচ্ছেন মনে হয় কি এই বাড়ির মালিকের মেয়ে জান্নাত বলল না চাপুন তো বাড়ির ভিতরে যাব বলে
___________________
জান্নাত আর রোজা চলে গেলো । রোজার জান্নাত ছাদে গেলো গিয়ে উপন্যাসের বই পড়তে লাগলো এমন সময় একজন ছাদে প্রবেশ করল রোজা বলল এই আপনি এখানে জান্নাত বলল কে এসেছে রোজা বলল নিচের ওই লোকটা জান্নাত বলল এখানে কেন আপনি লোকটি বললো আমি নতুন ভাড়াটিয়া জান্নাত বলল কয় তালার লোকটি বলল পাঁচ তলায় জান্নাত বলল আগের ভাড়াটিয়া চলে গেছে লোকটি বলল হ্যাঁ। জান্নাত আর রোজা লোকটির পাশ কাটিয়ে নিচে নেমে গেল জান্নাত আর রোজা ড্রয়িং রুমে বসে টিভি দেখছে জান্নাতের মা হাজেরা বেগম ওদের নাস্তা দিচ্ছে এমন সময় কলিং বেল বাজলো রোজা গিয়ে গেট খুললো রোজা বলল আপনি এখানে জান্নাত বলল কে রোজা বললো আরে ছাদে আর নিচে কান্ড ঘটালো না ঐ লোকটা জান্নাত বলল শালা এখানে কেন হাজেরা বেগম বললো কে লোকটি বলল আমি জায়ান আন্টি হাজেরা বেগম বলল বাবা তুমি কবে আসলে ভিতরে আসো জান্নাত বলল এটাকে আর তুমি তাকে আগে থেকে চিনো কিভাবে হাজেরা বেগম বলল বাড়িওয়ালার ছেলে জান্নাত চিল্লিয়ে বলল কি হাজেরা বেগম বললো এভাবে ষারের মতো চিল্লাস কেন জান্নাত বলল তোমরা না বললা তার ছেলে অনেক ছোট হাজেরা বেগম বলো হে জান্নাত বলল কোথায় সে তো বড় হাজেরা বেগম বলল আরে বলদ বলছি তাদের ছোট ছেলে জান্নাত বলল তখন তোমরা যেভাবে বলছিলা ।
আমি তো মনে করছিলাম একেবারে পিচ্চি হাজেরা বেগম বলল বাবা ওর কথা কিছু মনে করো না ও হচ্ছে পাগল তার ছিরা জায়ান বলল না আন্টি পাগলে তো কত কিছুই বলে সেগুলো কি আর মনে করে লাভ আছে জান্নাত বলল আমি পাগল জায়ান বলল হ্যাঁ জান্নাত বলল শালা তুই পাগল হাজেরা বেগম জান্নাতের পিঠে একটা ধারাম করে কিল দিয়ে বলল তোর বড় সম্মান দে জান্নাত বলল পারবো না তুমিই সম্মান দাও কোলে করে নিয়ে খাইয়ে দেও ।হাজেরা বেগম বলল হ্যাঁ খাইয়াই দিবো ও ও আমার ছেলের মতো জান্নাত চুপচাপ সোফায় বসে রইলো জান্নাতের বরাবর জায়ান বসে আছে।
রোজা জান্নাতের কানে কানে বলল
কিরে এই মালটা তোর বাড়ি এসে বসে আছে জান্নাত বলল কি করবো
বল বাড়িওয়ালার ছেলে রোজা বলল তুই না বললি তারা ইতালি থাকে জান্নাত বলল হ্যা রোজা বলল তাহলে এখানে কেন জান্নাত বলল মনে হয় তারা বাংলাদেশে এসেছে জান্নাত জয়ান কে বলল আঙ্কেল আন্টি আপু এরা এসেছে জায়ান বলল না হাজেরা বেগম বলো তুমি একা এসেছো জায়ান বলল হ্যাঁ হাজেরা বেগম বলল ভাইয়া তো আমাদের কিছু বলেনি তুমি আসবে
জায়ান বলল আমার হঠাৎ বাংলাদেশে আসতে ইচ্ছা করলো তাই চলে আসলাম হাজেরা বেগম বলল ও দাঁড়াও বাবা নাস্তা বানিয়ে নি এটা বলে হাজেরা বেগম রান্না ঘরে চলে গেলো ।জায়ান বললো কোন ক্লাসে পড়ো তোমরা রোজা বলল ক্লাস জেনে কি করবেন জায়ান বলল তোমার নাম কি রোজা বলল আমার নাম রোজা জায়ান বলল তুমি ওর কি হও রোজা বলল ওর ফ্রেন্ড ।জায়ান বলল বেস্ট ফ্রেন্ড রোজা বোলো না আমরা একটা ভালো ফ্রেন্ড তবে বেস্ট ফ্রেন্ড না জায়ান বলল ও
_________________
আজকে জান্নাত কে দেখতে আসবে জান্নাত শাড়ী পড়ে খুশিতে নাচ তেছে কারণ ও শখের পুরুষের সাথে ওর আজকে ছোট খাটো ভাবে আংটি বদল। জান্নাত একদিন স্কুলে টুট অর দেয়ার খেলার সময় ও দেয়ার নেয় তখন ওর ফ্রেন্ড মনি ওকে বলে ওর ভাইকে পটিয়ে দুই মাস রিলেশন করতে হবে জান্নাত প্রথমে রাজি হয়নি পরে জান্নাত ওর ভাইয়ের সাথে
রিলেশনে যায় মনির ভাইয়ের নাম জাহিদ রিলেশনে যাওয়ার দুই তিন মাস যাওয়ার পর জান্নাত সিরিয়াস হয়ে যায় পরের জাহিদ ওর নিজের ফ্যামিলি ও জান্নাতের মা-বাবা কে রাজি করায় জাহিদ সৌদি আরব থাকে জাহিদ বলেন দেশে এসে ছোট খাট ভাবে বিয়ে করে বাংলাদেশের রেখে যাবে দুই বছর পরে এশে বড় করে অনুষ্ঠান করে জান্নাত কে সৌদি আরব নিয়ে যাবে । আজকে জাহিদের বাড়ি থেকে লোকজন আসবে আংটি পড়াতে সামনের শুক্রবার ওদের ছোট খাটো ভাবে বিয়ে এই খুশিতে জান্নাত শাড়ী পড়ে ঘরে নাচছে কারণ আজকে ওর আংটি বদলবাসার জাহিদ পরিবার নিয়ে আসলো
মনি জান্নাত কে তাদের সামনে নিয়ে গেলো
[এই গল্পটা আর শুধু তোমাকেই ভালবেসে এই দুইটা গল্প আরো এক বছর আগের লেখা কিন্তু তখন কোনো এপ এ দেইনি এখন দিলাম । আমার মনে হলো গল্প গুলো এখন দেওয়া উচিত তাই দিলাম ]
[চলবে ]