ভালোবাসা শব্দটা চার অক্ষরের হলেও এর গভীরতা অনেক। ভালোবাসা একটি রঙিন শব্দ। ভালোবাসা দুটি মানুষের মনকে একসঙ্গে জুরে দেয়। আর তবেই হয় "ভালোবাসার পূর্ণতা"
সকাল হতে না হতেই সূর্যের আলো পুরো কামরায় ছরিয়ে পড়লো। সূর্য রশ্মি চোখে পড়তেই ভ্রু কুচকালো মিমি। এতো সুন্দর ঘুমের ভেগাত ঘটায় বিরক্তও হলো বটে। মিমি নিভু নিভু চোখে ফোন খুজতে তাকে। হাতরাতে হাতরাতে ফোন হাতে নিয়ে মিমি আতকে উঠে। বেলা নয়টা বেজে পাঁচ মিনিট আর সাথে মুনতাহার ১০ টা মিস কল। মিমি লাফ দিয়ে বিছানা থেকে নেমে ওয়াসরুমে যেতে যেতে মুনতাহাকে কল ব্যাক করে। মুনতাহা মিমির বেস্ট ফেন্ড। ওরা ছোট বেলার ফ্রেন্ড। মিমি বাবারা তিন ভাই তাদের বোন নেই। বাড়ির সবার বড় মুছতাকিন চৌধুরী ও তার স্ত্রী মুনা চৌধুরী তাদেের এক ছেলে এক মেয়ে ছেলে বড় নাম হচ্ছে মাহদি হাসান সামি আর ছোট মেয়ের নাম তাশফিয়া চৌধুরী মিহি বাড়ি মেজো কর্তা মাহবুব চৌধুরী ও তার অর্ধাঙ্গিনী মাহবুবা চৌধুরী তাদেরও একছেলে এক মেয়ে ছেলে সাকিব চৌধুরী সাবিদ আর মেয়ে নুসাইফা চৌধুরী মিমি আর সব শেষে ছোট কর্তা আশরাফুল চৌধুরী ও ওনার সহধর্মীনি আমিনা চৌধুরী ওনা দের এক মেয়ে জাহরানুর চৌধুরী জারা।
মুনতাহা কল রিসিভ করতেই মিমি এক নাগারে বলতে থাকে " সরি সরি সরি সরি বেইবি আ'এম রেলি ভেরি সরি "
মুনতাহা ফোস করে শ্বাস ছেড়ে বলে "হয়েছে এবার বল তুই কই "
"কেনো বাসায়"
"বাসায় মানে তুই কি আজ কলেজ আসবি নাহ"
"হুম যাবো রেডি হচ্ছি "
"এখন রেডি হচ্ছিস কটা বাজে দেখেছিস "
মিমি এবার বুজানুর সুরে বলে
"সরি জান আমি নাহ কাল পড়তে পড়তে রাত ২ টা বাজায় ফেলছি তাই ঘুম থেকে উটতে দেরি হয়ে গেছে
আমি পাঁচ মিনিটে রেডি হয়ে আসছি এখন তুই ফোন রাখ "
মুনতাহা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে " ওকে বাই "
মিমিকে তড়িঘরি করে নিচে নামনে দেখে মাহবুবা বেগম বললেন
" হ্যা রে মিমি সিড়ি দিয়ে দিরে সুস্তে নামতে কি তোর অসুবিধা হয় "
মিমি এবার গতি কমিয়ে নামতে নামতে বলে
" আসলে মাম্মা আজ ঘুম থেকে উঠতে দেরি করে ফেলেছি তাই তাড়ায় দৌরে নেমে পড়েছিলাম "
মাহবুবা এবার রাগী সরে বললেন
" দেরিতো নাহয় আজ হয়েছে তুইতো সব সময় এরকম করিস তা কি এমন করলি রাতে যে তর ঘুমতে দেরি আর উঠতে দেরি হলো "
মিমি এবার আমতা আমতা করে বললো
" ও,,,,,ওই আ,,,,,রকি মাম্মা রাতে পড়,,,,,,পড়তে পড়তে দেরি হয়ে গেছিলো "
মাহবুবা এবার রেগে গেলেন রেগে বললেন
" তুই কাকে মিথ্যা কথা বলছিস রাতে রিলস কি আমি দেখি নাকি তুই "
পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে বুঝতে পেরে মুনা বেগম রান্না ঘর থেকে এসে মাহবুবা বেগমকে আটকে বললেন
" ইস মেজো মেয়েটার এমনি দেরি হয়ে গেছে কোথায় নাস্তা করে বেরোতে দিবি তা না ঝগরা করছিস এই মিমি আয়তো টেবিলে বস এসে "
মাহবুবা এবার কিছুটা শান্ত হন তিনি আর যাই করেন বড় জা আার ভাসুরের কথা সব সময় মেনে চলেন নিজের স্বামীর কথাও শুনে তবে মাঝে মধ্যে একটু আরটু অবাধ্য হন আরকি। মিমি মাকে রান্না ঘরে যেতে দেখে টুক করে মুনা বেগমকে একটা চুমু দিয়ে বলে
" Tnx মামনি আমায় বাচা নোর জন্য"
মুনা বেগম তখন মুচকি একটা হাসি দিয়ে বললেন
" সব সময় তো আর আমি বাচাতে পারবো নাহ তাই এখন ভালো হয়ে যা রাত জেগে আর রিলস দেখিস নাহ কেমন "
"ঠিক আছে মামুনি "
মুনা বেগম রান্না ঘরে চলে গেলেন। মিমি নাস্তা করে বেড় হয়ে পড়লো কলেজের উদ্দেশ্য। এসময় সবাই অফিসে তার বাবা চাচাদের সাথে তার ভাইও তাি একন বেচে গেছে। আর জারা স্কুলে। কিন্তু মাহাদি তাকে আমেরিকায়। তাই তার কথা না বলাই ভালো
মিমি কলেজের সামনে মুনতাহাকে দেখতে পেয়ে ড্রাইভার আঙ্কেলকে ওকানে নামিয়ে দিয়ে চলে যেতে বলে। মিমি মুনতাহা টিক পিছনে দাড়িয়ে তার চোখ দুই হাত দিয়ে ধরে। মুনতাহা আতকে উঠে তারপর নিজেকে ধাতস্ত করে মিমির হাতে হাত দিয়ে বলে
"মিমি "
মিমি এবার হাত সরিয়ে মুচকি হাসি দিয়ে বলে
" ইসেয় বেইব"
"এতো দেরি করলি কেনো "
মিমি এবার নিশ্বাস ছেড়ে বলে
"আর বলিস না মাম্মা বকছিলো দেরি করে ঘুম থেকে উঠার জন্য"
"দেরি করে উঠার জন্য নাকি রাত জেগে রিলস দেখার জন্য"
মিমি বিস্ময় নিয়ে বলে
"ত,,তুই কি করে বুজলি আমি তো তকে বলি নি "
মুনতাহা এবার ফিক করে হেসে দিয়ে বলে
" বেইবি আমি তোমাকে ১০ বছর ধরে চিনি তুমি আমায় মিত্যা বলবে আর আমি ধরতে পারবো নাহ তা কি করে ভাবলে"
মিমি এবার নিচু সরে বললো
" এবার তুইও শুরু করিস নাহ প্লিজ সরি "
"ওকে ওকে এবার ক্লাসে চল"
"চল"
**********************
"তুমি আসবা সেটা আমাদের আগে বললে কি হতো ভাইয়া"
সাদিকের কথায় মাহদি মুচকি হাসি দিয়ে বলে
" আমি আসবে আগে বললে তে তুরা চমকাতি নাহ "
"তাই বলে,,,,"
সাদিককে কথা মাঝপ থামিয়ে মাহদি বললে
" হয়েছে আর কথা বলতে হবে নাহ এবার বাসায় চল আম্মু দেরকেও তো কথা বলতে দেওয়া৷ উচিত শুধু তুি বলবি কেনো "
সাদিক শব্দ করে হাসি দিয়ে বলে
" হ্যা চলে "
************
"উফ আম্মু এবার তো থামো আমিতো আর কোথাও যাচ্ছি নাহ এখন থেকে একানেই থাকবো "
মুনা বেগম কান্না করতে করতে বললেন
" আমাদের আগে জানালে কি হতো হ্যা। "
"কিছু হতো নাহ তবে তুমি চমকাতে নাহ "
"আচ্ছা এবার ঘরে চল কতো দূর জার্নি করে এসেছিস"
"হুম চলো"
******
#চলবে