ফন্ট সাইজ:
থিম:
শেষ ভালোবাসা

পর্ব 1

লেখক: আখি আক্তার

রহিমা, রহিমা কই তুমি..
জী মেডাম আমি এইহানে আমারে আমারে খুজতা ছিলেন মেডাম.. হুম তুমার স্যার আসছে তাড়াতাড়ি তার খাবারের ব্যবস্থা করো যাও, আমি রিমঝিম কে ডেকে আনি, আচ্ছা মেডাম, রিমঝিম মা এখনো কি ঘুম ভাংগে নাই তুমার এই উঠো সকাল হয়ে গেছে, মা আর একটু ঘুমাই, না তোমার বাবা তোমার জন্য অপেক্ষা করতাছে যাও ফ্রেশ হয়ে আসো, ওকে মা তুমি যাও আমি আসতাছি, আচ্ছা , এই বলে চলে গেল আসমা বেগম তার স্বামীর কাছে এসে বসলেন তার স্বামীর নাম আশরাফ খান তাদের একমাএ মেয়ে রিমঝিম খান বয়স ১৯ বছর আর কোনো সন্তার নেই তাদের, রিমিঝিম মাশাল্লাহ দেখতে অনেক সুন্দর এবার ভার্সিটির অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী, সে এখন খাবার খেয়ে ভার্সিটিতে যাবে সে নিচে নামতে নামতে তার বাবাকে বললো তাকে যেন তার বাবা ভার্সিটিতে দিয়ে আসে. আশরাফ খান বললো আচ্ছা আম্মা জান তুমি এখন খাবার খেয়ে রেডি হয়ে নেও, আচ্ছা বাবা বলে খাবার খেতে বসে পরে রিমঝিম খেয়েদেয় রেডি হতে চলে যায় ।
।
।
ক্লাসে বসে থাকার মাজে তার কাধে কেউ হাত রাখে হাতে মালিকে না দেকেই পিছে ঘুরে লাগায় এক থাপ্পর রিমঝিম৷ যখন সে খেয়াল করে এটা তার বেস্ট ফ্রেন্ড মাহি তখন রিমিঝিম ভয়ে লাগায় এক দূর কারন সে জানে এখন যদি সে না পালায় তাহলে আজ আর বাড়ি ফিরে যেতে পারবে না তার যে আজ কপালে শনি আছে, মাহি তাকে যেখানে পাবে সেখানে মেরে দিবে রিমঝিম জান হাতে নি দৌড়াচ্ছে তার পিচে দৌড়াচ্ছে মাহি আর বলছে, কানি, আদাপাগল, ডাইনি, রাক্ষসী, গোড়ার ডিম, দারা বলছি তুকে আজ আমার হাত থেকে কে বাচায় আমিও দেখে নিব এই বলে সারা ক্যাম্পাস ঘুরে বেরায় দুইজনে তাদে কে ক্যাম্পাসের সবাই চেনে, এই দুই দুষ্টু একসাথে হলে সেই খানে আর সয়তানের দরকার হয় না এই দুইটা এমন সয়তান, দৌড়াতে দৌড়াতে রিমঝিম ধাক্কা খায় ক্লাসের সবচেয়ে ভয়ংকর ছেলের সাথে যার নাম শুনলে ভার্সিটির সবাই ভয় পায়, নাম আশিক রহমান, আর রিমঝিমের সবচেয়ে বড় শত্রু, তারা কেউ কাউকে দেখতে পারে না রিমঝিম সোজা গিয়ে পরে আশিকের বুকের উপর তারা দুইজনে উল্টে পড়ে শক্ত মেঝেতে মাহি আর আশিকের বন্ধুরা অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে কারন তারা যানে এখানে একন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হবে ।
।
।
রিমঝিম আসতে আসতে চোখ খোলে যখন দেখে সে তার প্রিয় শত্রুর উপর এসে পরেছে, তখন লাভ দিয়ে উঠে বসে, আশিক ও উঠে বসে তার মেজাজ তখন ১৮০ ডিগ্রী গরম আর আরেকটু গরম করার জন্য তোর রিমঝিম আছেই রিমঝিম বলে এই কাউয়া কোথা থেকে উদয় হল শালার শান্তিতে একটু দৌড়াতে পারিনা ☹️বালের, তার এই কথা শুনে আশিক দিল এক ধমক তর চোখ কি আসমানে রেখে চলিস কানি আর এই ভাবে দৌড়াচ্ছিস কেন জিন পিছো নিছিল ছিল নাকি আর আমি কাকে কি বলছি তুই তো নিজে এক নাম্বার পেত্নী তর পিছনে আবার জিন আসবে কোথা থেকে 😆, আপনার পেছন থেকে আসবে জিন শালা আমায় বলে পেত্নী আপনার বউ পেত্নী দেখে চলতে পারেন না গাধা 😒, এই বলে তার পাশ কাটিয়ে চলে যায় রিমঝিম আর সেখানে রাগে ফুসতে থাকে আশিক মনে মনে বলে আমি তোকে পরে দেখে নেব শাকচুন্নি 😠 । আশিকের একটা জরুরি কাজ আছে তাই তাকে তাড়াতাড়ি যেতে হবে নয়তো সে এই মেয়ের সব কটা দাত হাতে দরিয়ে দিতো কত বড় সাহস এই মেয়ের তার মুখে মুখে কথা বলে মনে মনে এসব ভাবতে ভাবতে চলে যায় আশিক....!
দুপুরে দিকে ক্যাম্পাসের মাঠে বসে থাকে কথা বলে মাহি আর রিমঝিম মাহি বলে তুই যে আশিক ভাইকে এত গুুলা কথা বলে আসলি পরে যদি তর কোন খতি করে তখন কি করবি রিমঝিম,সে বলে আরে ছাড় এমন কত আশিকি আসবে যাবে আমি কোনো ভয় পাইনা আর সরি তখন কার জন্য আমি মনে করছিলাম অন্য কেউ হয়তো 😮‍💨,মাহি তাকে আরেকটা থাপ্পর মেরে বলে জানিস আমি কতটা ব্যাথা পেয়েছি 😔 সরি বেবি আর এমন হবে না তাই বলে কান দরে উঠবস করতে থাকে রিমঝিম 😔, আর এমন হবে না পাখি।
আচ্ছা মাফ করলাম এখন চল ক্লাসে নয়ত দেরি হয়ে যাবে।
ক্লাস শেষে রিমঝিম বলে কাল তো ছুটি তাহলে পরশু দিন দেখা হবে জান তকে ছাড়া আমার একটা দিন ২৪ ঘন্টার মতো লাগে... 🥲
😃 নাটক কম করো প্রিয় তুমি যে ডিস্টিং ডিস্টং আমি সব জানি 😏
।
।
বিকাল চারটা বাজে রিমঝিম বাসায় আসে এসেই রহিমা খালাকে বলে এক গ্লাস ঠান্ডা পানি দিতে, রহিমা আচ্ছা বলে চলে যায়, ঠান্ডা পানি নিয়ে এসে রিমঝিম কে বলে মেডাম নেন আফনের পানি গ্লাস্টে গিয়ে ধরতেই বেকায়দায় হাত ফসকে পানি পরে রিমঝিমের উপর মুখ থেকে চ সূচক শব্দ বের করে রিমঝিম আর বলে তোমাকে বাড়ি থেকে বের করতে হবে রহিমা খালা তুমি কোনো কাজ পারো না এই বলে উপরে উঠে যায় রিমঝিম সারাদিনের ক্লান্তিতে বিছানায় গা এলিয়ে দিতেি ঘুম এসে হানা দেয় চোখে।
।
।
রিমঝিমের ঘুম ভাঙতে ভাঙতে তখন মাগরিবের আজান দিয়ে দেয় সে না গোসল করে না খাবার খায় তার মা যদি তাকে এই অবস্থায় দেখে তাহলে তার আজকে খবর আছে, আসলে আসমা বেগম একটু বাইরে গেছে কিছু কেনা কাটা করতে আর কিছুখন পর এসে যাবে তার মধ্যে তাকে গোসল আর খাবার খেতে হবে। সে তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হতে চলে যায়।
।
।
নাম : শেষ ভালোবাসা
লেকিকা : আখি আক্তার

আমার প্রথম উপন্যাস শেষ ভালোবাসা

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 1 শেষ করেছেন।

উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন