~প্রণয়ের মহাকাব্য ~
~প্রণয়ের মহাকাব্য ~
লেখিকা :"ঈশিতা হাওলাদার"
পর্ব : ১
🚫🚫কপি করা নিষিদ্ধ 🚫🚫
(সাধারণ চিন্তাধারা আর মন মানসিকতার খুঁতখুঁতে রুচি সম্পন্ন পাঠক পাঠিকাদের জন্য এই উপন্যাসটি পড়া কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ। যাদের এই উপন্যাসটি পড়ার আগ্রহ হচ্ছে কোনটাই নেই তারা এই উপন্যাসটি থেকে দয়া করে দুরে থাকবেন)🚫🚫🚫
(কঠোর মন মানসিকতা আর মস্তিষ্ক সম্পন্ন পাঠক পাঠিকাদের জন্য প্রযোজ্য)
চারপাশে রাতের শুনশান নীরবতা বিরাজমান রাতের বেলায় রাশিয়ার মস্কোর মতো একটা ব্যস্ত শহরকেও রাতের এই নিরবতা গ্রাস করে নিয়েছে। রাতের এই আন্ধকারের শুনশান নীরবতা যেমন সুন্দর ঠিক তার থেকেও বেশি ভয়ানক কারণ এই রাতের আধারেই লুকিয়ে আছে কারো না কারো ভয়ংকর ভয়াবহ অতীত আর সেই অতীতকেই বহমান বর্তমানের ভয়াবহ মর্মান্তিক নিষ্ঠুরতা এই রাতের অন্ধকারই বুঝিয়ে দেয় মানুষকে এক নৃশংস যন্ত্রণা। তবে মস্কোর মতো একটা শহরের কাছে রাতের ঘুটঘুটে অন্ধকার আর দিনের চকচকে আলো দুটোই সমান কারণ দুটোর আড়ালেই লুকিয়ে আছে ক্ষমতার লোভ আর তা আদায়ের মর্মান্তিক ভয়াবহতা। ফলস্বরূপ এই ব্লাক ফরেস্ট সহ তার চারপাশে এমনকি পুরো এক কিলোমিটারের মধ্যেও মানুষের আনাগোনা নেই। জঙ্গলটা শহর থেকে বেশ কিছুটা দুরে অবস্থিত তাই মানুষ রাতের বেলা এই জঙ্গলের আশেপাশে তো দুর পুরো এক থেকে দুই কিলোমিটারের মধ্যে আসার সাহস করে না। কেননা এটা সরকারি ভাবে নিষিদ্ধ একটা জঙ্গল। নিষিদ্ধ হওয়ারই কথা কারণ একে তো এতো বড় জঙ্গল তার ওপর এটা রাশিয়ার মস্কোর সবচেয়ে বড় জঙ্গল। রাশিয়া যেমন উন্নত একটা দেশ ঠিক তার থেকেও বড় কথা রাশিয়া দূর্নীতির শীর্ষ স্থানীয়।রাশিয়ায় সাধারণ মানুষের থেকে মাফিয়া দের বসবাস বেশি তাই রাশিয়াকে আন্ডারওয়ার্ল্ডের মাফিয়াদের পাওয়ার হাউসও বলা হয়। এই নিষিদ্ধ জঙ্গলের মাঝে কেউ নিজের রাজত্ব জুড়ে বসলেও কাক পক্ষীও টের পাবে না সেখানে মানুষ খুন তো পানি ভাত। তাই এই ভয়ে দিনের বেলা এই জঙ্গলের আশেপাশে মানুষের আনাগোনা থাকলেও সন্ধ্যার পর এই জঙ্গলের আশেপাশে তো দুর পুরো এক থেকে দুই কিলোমিটারের মধ্যে মানুষ আশার দুঃসাহস করে না।
রাতের অন্ধকারের এই শুনশান নীরবতার মাঝে এই নিষিদ্ধ জঙ্গলের মধ্যে নৃশংস খুনের খেলায় মেতে উঠেছে এক রমনীএক হাতে ছুরি অন্য হাতে লোকটার গলা চেপে ধরা। হঠাৎই লোকটাকে লাথি মেরে মাটির ওপর পড়ে থাকা শুকনো পাতার ওপর ফেলে দিল গিয়ে বসে পড়ল লোকটার পেটের ওপর। মুখে কালো মাস্ক গায়ে কালো হুডি পড়নে কালো কার্গো প্যান্ট হুডি ক্যাপ দিয়ে সম্পূর্ণ মাথা ঢাকা হাত কালো রাইডিং গ্লাভস দিয়ে মোড়ানো পায়ে রাইডিং ব্লাক সু সম্পূর্ণ কালোতে আবৃত এমনকি চোখেও কালো চশমা তার শরীর আর মুখ দেখার এক চুল পরিমাণও সুযোগ নেই।হঠাৎই চোখের কালো চশমাটা খুলে পাশের শুকনো পাতার ওপর ছুড়ে ফেলল প্যান্টের পকেট থেকে বের করল অনেক গুলো সরু ধারালো ছুরি।
আকষ্মিক এক হাতে লোকটার ডান হাত ধরে অন্য হাতের সাহায্যে একটা ছুরি নিয়ে ছুরির সাহায্যে হাতটা গেঁথে ফেলল মাটির সাথে পরপর অন্য হাতটাও সাথে সাথে লোকটার গগন ফাটানো চিৎকার। কিন্তু এই নিষিদ্ধ জঙ্গলে কে শুনবে তার চিৎকার লোকটার গগন ফাটানো চিৎকারে ঘুমন্ত পাখি গুলোও সজাগ হয়ে উড়ে গেল তবুও কোনো হেলদোল নেই তার পেটের ওপর বসে থাকা নিষ্ঠুর পাষাণ এই রমনীর নারী জাতিও যে এত নিষ্ঠুর পাষাণ হৃদয়ের হতে পারে তা হয়তো এই লোক এই রমনী কে না দেখলে বুঝতে পারত না। এই নিষ্ঠুর পাষাণ হৃদয়ের রমনী লোকটার বুকে আঘাত করতে উদ্যত হলো তখন কি লোকটা জিজ্ঞেস করে উঠল,
-কে তুমি আর কেনই বা আমাকে মারতে চাও ছেড়ে দাও আমাকে আমার দলের সদস্যরা যদি জানতে পারে তাহলে কিন্তু তোমাকে ছাড়বে না
তাচ্ছিল্য হাসল রমনী সহসাই প্রতিত্তোর করল,
-হু কেয়ারস
হতভম্ব হয়ে তাকিয়ে আছে লোকটা রমনীটির দিকে আবারও হুংকার ছুড়ল রমনীকে,
-কে তুমি আর কেনই বা আমাকে মারতে চাও
-NAT আর কি বললি আমি তোকে কেন মারতে চাই সেটা তুই নিজেকেই প্রশ্ন কর যে আমি তোকে কেন মারতে চাই
-কিহহহ NAT। ছেড়ে দাও আমাকে আমার দলের সদস্যরা জানতে পারলে ছাড়বে না তোমাকে
-ধরতে পারবে তবে তো ছাড়বে
কাঁধ থেকে ব্যাগটা নামিয়ে ব্যাগের চেইন খুললেই পূর্ণিমার চাঁদের আলোয় দৃশ্যমান হয় অপারেশন করতে ব্যবহার করা হয় এমন কিছু সরঞ্জাম আর কাচের শিশি গুলোতে অবস্থানরত চকচকে তরল। সেখান থেকে একটা সার্জিক্যাল নাইফ হাতে তুলে নিল এগিয়ে গিয়ে আবারও বসে পড়ল লোকটার পেটের ওপর বসেই ছুরি দিয়ে লোকটার মুখে বিভিন্ন ধরনের কারুকাজ করতে শুরু করল। ছুরি চালানোর সাথে সাথে লোকটার মুখের চামড়া ভেদ করে দরদরিয়ে বেরিয়ে আসলো চকচকে লাল তরল।
প্যান্টের পকেট থেকে বের করল ব্লিচিং পাউডারের একটি প্যাকেট ছিটিয়ে দিল লোকটার পুরো মুখে সাথে সাথে মুখে চামড়া মাংস গলে পড়তে শুরু করল। এবার হাতে তুলে নিল লোকটার একটা হাত হাতে চামড়া কেটে আলাদা করতে শুরু করল লোকটার কনুই পর্যন্ত অবস্থানরত রগগুলো। নারী জাতিও যে এত নিষ্ঠুর পাষাণ হৃদয়ে পাশাপাশি জঘন্য উপায়ে মানুষ খুন করতে পারে তার বাস্তব প্রমাণ এই নিষ্ঠুর দয়ামায়াহীন রমনী। অবশেষে তার কাজ শেষ করে উঠে দাড়ালো লোকটার শরীরের এমন অবস্থা করেছে যে কোনো সাধারণ মানুষ এই দেহটাকে দেখলে সে আতঙ্কে আপনা আপনি কোমায় চলে যাবে। তাতেও কোনো হেলদোল নেই এই রমনীর না থাকারই কথা দীর্ঘ কয়েক বছরের অবিঙ্গতা আছে বলে কথা। একে একে সব সরঞ্জাম গুছিয়ে বন্দুক টাকে আবারও কোমরে গুঁজে হুডি দিয়ে ঢেকে নিল পড়ে নিল পাতার ওপর ছুড়ে ফেলা চশমা টা উঠিয়ে।
এখন পুরো পুরি সে কালোতে আবৃত এক চুল পরিমাণও জায়গা কালোতে আবৃত ব্যতীত নে দুর থেকে কি কাছ থেকে তাকে দেখলেও কালো ছায়া ব্যতীত অন্য কিছু মনে হবে না সেখানে মানুষ তো দুরের কথা। ধীরে ধীরে বের হয়ে যাচ্ছে জঙ্গল থেকে। এই জঙ্গল ব্যতীত কেউ দেখেনি এই নারীর নৃশংসতা।জঙ্গল থেকে বের হতেই জঙ্গল একদম শেষ প্রান্তে নজর আটকায় তার। মেইন রোডের ওপর রাখা একটা Lamborghini black version তার কিছুটা দুরেই রাখা চারটা BMW আর দু'দিকের গাড়ির মাঝখানে দাঁড়িয়ে লড়ছে তার মতোই কালোতে আবৃত এক পুরুষ বিশ জনের মতো দুর্বৃত্তের সাথে। দেখেই বোঝা যাচ্ছে লোকটা একাই এরকম হাজার জনের সাথে লড়তে সক্ষম আর দক্ষ। লোকটার পড়েন সুট তার ওপর আবার লাং কোট পায়ে হবে দামিও কোনো ব্র্যান্ডের সু মাথায় ক্যাপ মুখে মাস্ক শুধু পূর্ণিমার চাঁদের আলোয় চোখ দুটোই দৃশ্য মান একদম রাজকীয় বেশ দেখেই বোঝা যাচ্ছে অনেক ক্ষমতাশালী কেউ একজন হবে তবে এই দৃশ্য দেখেও কোনো হেলদোল নেই এই রমনীর।
অদ্ভুত ভয়ে কাতর দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে লোকটা সেই ভয় লুকিয়ে আবারও বলল,
-ছেড়ে দাও আমাকে আমার দলের সদস্যরা কিন্তু তোমাকে ছাড়বে না
-আরে বাল কি তখন থেকে চিল্লিয়ে যাচ্ছে তোমাকে ছাড়বে না ছাড়বে না বলে তরে কে মাফিয়া বানাইছে রে ওই নটকির পুতে বাঁইচা থাকলে আমার হাতেই মরবে এটা আমি নিশ্চিত তবে যদি মইরা থাকে তাইলে ওর সৌভাগ্য আর তরে আমি কেমনে বুঝাই যে Bratva এ সংযুক্ত সবগুলো টিমই মানে সবগুলা কুত্তাই একজন আরেক জনকে নিজ নিজ স্বার্থ আদায়ের জন্য ভাই সম্মোধন করে তাই আমার মনে হয় আমি যদি তোকে ওদের চোখের সামনেও মারি তবুও ওরা তোরে বাঁচানোর জন্য আগাইয়া আসব না উল্টো আমাকে তোকে মারার জন্য যা যা প্রয়োজন তার ব্যবস্থা কইরা দিব তোর কি মনে হয় কুত্তা যদি বেশি খাবারের অফার পায় তাইলে কি সে সেই সুযোগ কখনও হাত ছাড়া করে?
-Bratva এর কেউ সাহায্য না করুক আমার লোকেরা জানতে পারলে তোমাকে ছাড়বে না।
-তুই যে আসলেই একটা বলদ মাথামোটা তা তুই নিজেই বারবার প্রমাণ করতাছো তোর কি মনে হয় তোর লোকেরাও কি কুত্তার থেকে কোনো অংশে কম আমার তো মনে হয় না কারণ কুত্তারে যদি বেশি খাবারের জায়গায় সব খাবারই কেউ তাকে দিয়ে দেওয়ার লোভ দেখায় তাইলে সে দ্বিতীয় বার কেন একবার ও ভাবে না তার গুরুকে আঘাত করতে।
-প্লিজ আমাকে ছেড়ে দাও তুমি যা বলবে আমি তাই করব প্লিজ আমাকে ছেড়ে দাও
-আরে বাল তোদের সবগুলার মুখে কি টেপ রেকর্ডার রাগানো নাকি যেই ডারে মারতে যাই ওই ডাই বইলা ওঠে, "প্লিজ আমাকে ছেড়ে দাও তুমি যা বলবে আমি তাই করব প্লিজ আমাকে ছেড়ে দাও " ব্যাঙ্গো করে বলল তারপর আবারও বলে উঠল,
-Bratva এ এমন কোনো নিয়ম আছে বলে তো আমি জানি না আমি যতদুর জানি bratva এর নিয়ম হলো নিজের জীবন গেলেও শত্রুর কাছে মুখ খোলা যাবে না আর আত্মসমর্পণ তো নাই সেখানে ক্ষমা চাওয়া তো বিলাসিতা তো কোন ধরনের মাফিয়া আমি বুঝতে পারি না তোদের মতো কিছু মাথামোটা বলদ আছে যেইগুলায় খাইয়া না খাইয়া অন্যায় করে তাতে ছোট হোক বা বড় ফলাফল নিজেদের বাঁচার সুযোগ হারায় শালার বলদ কোথাকার ;
-দঅ!
কথা শুরু করার আগেই কোমরে গুঁজে রাখা বন্দুক বের করে লোকটার মুখে ঠুকিয়ে দিল গর্জে উঠে বলল,
-ইয়োর টাইম ইস ওভার নাউ
বলেই ঠাসস এক গুলিতেই নিস্তেজ করে মৃত্যুর কোলে শুয়িয়ে দিল লোকটাকে উঠে দাড়িয়ে আবারো ঠাস ঠাস পরপর দুটো গুলি বুকের দুপাশে প্রাণপাখি টাও উড়ে গেল লোকটার।
আকস্মিক দুর্বৃত্তদের মধ্যে থেকে একজন বন্দুক তাক করল সেই রাজকীয় বেশভুশায় আবৃত লোকটার দিকে। দুর্বৃত্ত বন্দুকের ট্রিগার চাপার আগেই পরপর কয়েকটি গুলি এসে ঠাস..ঝাঁঝড়া করে দিল দুর্বৃত্তটির বুক৷ গুলি আর কেউ করে নি গুলি করেছে স্বয়ং কালোতে আবৃত সেই রমনী। একেক মুহূর্তেই সেই কালোতে আবৃত পুরুষটিসহ সকল দুর্বৃত্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করে নেই কালোতে আবৃত সেই রমনী। পুরুষটি তার হিমশীতল চোখের দৃষ্টি নিক্ষেপ করে আছে সেই রমনীর দিকে। কেমনই জানি এক অদ্ভুত কৌতুহলের দৃষ্টি। সকলের আকর্ষণ নিজের ওপর থাকার পরও সম্পূর্ণ ভাবলেশহীন ভাবে দাঁড়িয়ে আছে সেই রমনী। সকলের ভাবনার ইতি টেনে হঠাৎই এক দুর্বৃত্ত আক্রমণ করে বসে সেই রমনীকে যে কয়েক সেকেন্ড আগে তাদের এক সঙ্গীর প্রাণ পাখি উড়িয়ে দিয়েছে জাহান্নামের উদ্দেশ্যে।
দুই কালোতে আবৃত নর-নারী লড়ে যাচ্ছে দুর্বৃত্তদের সাথে। এক পর্যায়ে সকল দুর্বৃত্তকে রাস্তায় শুয়িয়ে দিয়ে শরীর টানটান করে উঠে দাড়ালো দুজনেই। একজন আরেক জনের দিকে তাকিয়ে আছে অদ্ভুত কৌতুহলের দৃষ্টিতে দুজনের মাঝেই পিতন নিরবতা। সেই নিরবতা ভাঙল গুলির আওয়াজে এই নিষ্ঠুর রমনী যাদের প্রাণ পাখিগুলো খাঁচায় আটকা ছিল তাদের প্রাণ পাখিগুলোও উড়িয়ে দিল তাদের গন্তব্যের উদ্দেশ্যে। লোকটা এখনও তাকিয়ে আছে সেই অদ্ভুত কৌতুহলের দৃষ্টিতে এই রমনীর দিকে। এবার কিছুটা অস্থির কারণ হলো লোকটা এই শীতল দৃষ্টি। কিছুক্ষণ আগের সেই ছোট খাটো যুদ্ধটার কারণে সামনের আন্ডার কাট চুলগুলো জায়গা করে নিয়েছে লোকটার চওড়া ললাটে কিছুটা আলতো হাতে চুল গুলোকে ব্রাশ করে কপাল থেকে সরিয়ে নিল। তাদের মধ্যের সেই নীরবতা এখনও বিরাজমান।নীরবতার দেয়াল ভেঙে কালোতে আবৃত পুরুষটি কালোতে আবৃত রমনীকে প্রশ্ন করল,
-আর ইউ ওকে?
-হয়া আই এ্যাম অলসো ফিট এন্ড ফাইন। হটস ইয়োর?
-আই এ্যাম অলসো ফিট এন্ড ফাইন ঠু। বাইদা ওয়ে হটস ইয়োর নেইম?
এযাবত সব কথাই তারা দুজনেই ভাবলেশহীন ভাবে বললেও এবার কিছুটা গুরুত্ব দিয়ে রমনী প্রশ্নের উত্তর দিল
- আপনাকে দেখে মনে হচ্ছে আমরা একই ঘাটের মাঝি আশা রাখতে পারেন ভবিষ্যতে যখন আবার দেখা হবে তখন না হয় আপনার এই প্রশ্নের উত্তর দেব কিন্তু এখন না। শুধু আমার নাম কেন সব ডিটেইলস বলব একটাও বাদ দেব না আশা রাখতে পারেন।
- ইউ মিন দ্যাট!
সব বুঝতে পেরেও কিছু না বোঝার ভান করে লোকটা বলল।
সহসাই রমনী প্রতিত্তোরে করল,
- আমি আপনাকে কি বোঝাতে চাইছি সেটা আপনি খুব ভালো করেই বুঝতে পারছেন অবুঝ হওয়ার ভান আমার সামনে করে কোনো লাভ নেই। আাশা রাখতে পারেন ভবিষ্যতে আবার যখন আপনার সাথে দেখা হবে তখন আপনার সব প্রশ্নের উত্তর দেব। এখন তাহলে আসি বিদায়।
এই বলে লোকটার সামনে থেকে চলে গেল রমনী গিয়ে বসল তার Kawasaki ninja black version এর ওপর চোখের পলকে হাড়িয়ে গেলো রাতে অন্ধকারে। এই দৃশ্য দেখে লোকটা মনে মনে বিড়বিড় করে বলল,
-ইন্টারেস্টিং
এই বলতে বলতে সেও এগিয়ে গিয়ে উঠে পড়ল তার Lamborghini black version এর মধ্যে। চোখের নিমেষেই রাতের অন্ধকারে হারিয়ে গেল কালো রাজকীয় বেশভুশায় আবৃত সেই নর -নারী। শুধু রাস্তায় পড়ে রইল দুর্বৃত্ত গুলোর মরদেহ আর জঙ্গলে সেই লোকটার মরদেহ। এই রাতের অন্ধকার আর নিস্তব্ধতায় ঢাকা পড়ে রইল এই ধ্বংস যোগ্য। আজকে শুধু ব্লাক ফরেস্টের এই ধ্বংস যোগ্য না হয়তো পৃথিবীর প্রত্যেক প্রান্তেরই কোনো না কোনো নৃশংস ধ্বংস যোগ্য ঢাকা পড়ে গেছে এমনকি যাচ্ছে রাতের এই অন্ধকার আর নিস্তব্ধতায়।
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
চলবে.......
পর্ব 1
পর্ব সম্পন্ন!
আপনি সফলভাবে পর্ব 1 শেষ করেছেন।
আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?
প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
Google Play থেকে অ্যাপ নামান