ভালোবাসার উন্মাদনা ~
লেখিকা:" কুয়াশা কন্যা "
পর্ব:১
🚫🚫কপি করা নিষিদ্ধ 🚫🚫
(সাধারণ চিন্তাধারা আর মন মানসিকতার খুঁতখুঁতে রুচি সম্পন্ন পাঠক পাঠিকাদের জন্য এই উপন্যাসটি পড়া কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ। যাদের এই উপন্যাসটি পড়ার আগ্রহ হচ্ছে কোনটাই নেই তারা এই উপন্যাসটি থেকে দয়া করে দুরে থাকবেন)🚫🚫🚫
(কঠোর মন মানসিকতা আর মস্তিষ্ক সম্পন্ন পাঠক পাঠিকাদের জন্য প্রযোজ্য)
(গল্প টা কাজিন রিলেটিভ+থ্রিলার+মাফিয়া)
এশিয়া মহাদেশের মানচিত্রে থাইল্যান্ড এক মায়াবী দেশ।
তবে এই জৌলুসের ঠিক পেছনেই লুকিয়ে আছে এক আদিম অন্ধকার যার নাম "কেয়াং ক্রাচান জাতীয় উদ্যান" এটি থাইল্যান্ড থেকে যেতে তিন ঘণ্টা লাগে জায়গা টা প্রায়ি ২,৯১৫ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই জঙ্গলটি যেন এক জীবন্ত গোলক ধাঁধা। এখানে যারা ঢোকে তারা হয় প্রকৃতির প্রেমে পড়ে,
না হয় চিরতরে হারিয়ে যায়। স্থানীয় কারেন আদিবাসিরা বলেন এই জঙ্গলের প্রতেক টা গাছের চোখ আছে তারা সব দেখে।
জঙ্গলের একেবারে উওর প্রান্তে যেখানে কুয়াশা পাহাড়ের গায়ে চাদরের মতো লাগে।
সেখানে একটি কাঠের বাংলো কাঠের বাংলো হলেও ভিতরে রহস্য ঘেরা এই বাংলো।
রাত তখন ২ টা বাহিরে ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক হঠাৎ থেমে গেছে। বাংলোর বারান্দায় দোলনায় বসে আছে এক মানব তার মুখ টা অন্ধকারে ডাকা,
শুধু সিগারেটের আগুন এর লাল আভা দেখা যায় আর মাঝে মাঝে তা চিবুকের রেখা স্পষ্ট করে তুলেছে।
ঠিক তার পায়ের কাছে পাথরের মূর্তির মতো বসে আছে একটি দানবীয় রুপালি ধূসর রঙের সাইবেরিয়ান নেকড়ে ওর নাম "ভলকান"
ভলকানের বরফ নীল চোখ জোড়া অন্ধকারে মধ্যে ও জ্বলজ্বল করছে।
সে কোনো সাধারণ পোষা- প্রাণী নয় সে এক জীবন্ত সংকেত।
হঠাৎ ভলকান কান খাড়া করে একটা নিচু স্বরে গর্জন করলো।
সেই মানব শান্ত স্বরে বললেন
"শান্ত হও ভলকান এখন ও সময় হয়নি"
তার কন্ঠস্বরে এমন এক রাজকীয় আদেশ আছে যা কেবল কোনো বড় শাসক বা ধ্বংসকারীর হতে পারে।তার সামনে একটা ছোট টেবিলের উপর একটা খাম পরে আছে,
যেটাতে একটি,
"ড্রাগন"
লোগো আঁকা।
কে এই মানব?
তা শুধু এই কায়েং ক্রাচানের বাতাস জানে।
জঙ্গলের ঠিক বিপরীত দিকে,
একটি পাহিড়ী ঝর্ণার পাশে ছোট এলাকায় একটি কুঠির।
এই কুঠিরের নিচে আছে গভীর এক মায়াজাল এবং কুয়াশা ছন্ন যেমন ধরা ছোঁয়ার বাইরে এই কুঠিরের রহস্য।
কুঠিরের একটা রুমের ভিতর থেকে এক অদ্ভুত নীলচে আলো ছুঁইয়ে আসছে।
সেখানে এক রমনী একটি ডায়েরিতে নিবিষ্ট মনে কিছু লিখে চলছে।
তার গলার চারপাশে পেঁচিয়ে আছে একটি কালো কুচকুচে সাপ-সাপটি বিষধর
"BLACK MAMBA"
প্রজাতির সাপটি।
তাকে ডাকা হয় ,
"সিভ্যান"
নামটি দিয়ে এক প্রকার শীতল ও মারাত্মক বিষকে বোঝানো হয়।
সিভ্যান শুধু তার মালিকের কথা শুনে এবং তার শত্রুদের গন্ধ চিনে নিতে পারে।
রমনীটি ডায়েরির পাতায় একটি জটিল ছক আঁকছে যা দেখতে অনেক টা রসায়নিক সংকেত বা সামরিক ম্যাপের মতো।
তার ঘরের কোনায় পরে আছে একটি ব্যাকপ্যাক যার ভিতর থেকে উঁকি দিচ্ছে অত্যাধুনিক যন্ত্র।
হঠাৎ জানালার কাছের উপর ওপর কেউ টোকা দীল।
সিভ্যান তার ফণা তুলে হিসহিসিয়ে উঠলো কিন্তু রমনীটি ভয় পেলো না।
সেই ডায়েরিটা বন্ধ করে ধীরে পায়ে জানালার দিকে এগিয়ে গেলো বাইরের অন্ধকারে একটা ছায়া সরে গেলো দ্রুত।
রমনীটি বিড়বিড় করে বললো
"সিভ্যাষ দাবা খেলার প্রথম চালটা ওরাই দিলো"
কে এই রমনী?
যার মধ্যে রহস্য লুকিয়ে আছে আর কোন খেয়াল কথা বলছে,
তার ডায়েরিতে আঁকা ম্যাপটায় বা কি?
হঠাৎ কায়েং ক্রাচানে এই জঙ্গলে প্রবেশ করলো অন্য এক গ্যাং যারা
"এশিয়ান আন্ডারওয়ার্ল্ড মাফিয়া গডফাদার "
এবং
"এশিয়ান লেডি মাফিয়া"
কে খোঁজ নিতে আসছে যাদের সবাই যে নামে পরিচিত দুটি গ্যাং
"দ্যা ড্রাগন"
এবং
"অগ্নিকন্যা"
তারা সফল হলো না কারণ ওই সব ছোট খাটো গ্যাং কখন ও আন্ডারওয়ার্ল্ড মাফিয়াদের খুঁজে পাই নাকি শুধু শুধু মৃত্যু পুরিতে এসে হাজির হইছে।
দুজন ধরা পরলো এক তরুণীর হাতে,
দুজন কে নিয়ে গেলো সেই উওরের জঙ্গলে।
জিজ্ঞেস করলো এই খানে কেন এসেছো কার কথায় আসছো কে পাঠিয়েছে ।
তাদের অনেক বার জিজ্ঞেস করার পরো মাগির পোলারা মুখ খুলে নায়।
উল্টো সেই তরুণীর কাছে জিজ্ঞেস করে কে তুমি?
আর আমাদের কাজে বাধা দিতে আছো কেন,
ওদের কথা শুনে একটা রহস্য ময় হাসি দিলো যা ওরা দেখতে পারলো না।
আর এই তরুণী কে চেনার কোনো উপায় নাই সে নিজেকে পুরোপুরি কাভার করে রাখছে।
কালো লেদার ড্রেস,মাথায় ক্যাপ, মুখে ম্যাক্স, চোখে ডার্ক আই সানগ্লাস এবং পায় "YSL" ব্যান্ডের হাইহিল পরা ।
যেমন তার আউটফিট তার থেকে ও ভয়ংকর তার হিম শীতল কন্ঠ স্বর।
যা প্রত্যেক টা মানুষের রুহ পর্যন্ত কেঁপে উঠবে।
এরি মধ্যে ভেসে এলো লোকদুটির কন্ঠস্বর কে তুমি আর কি তোমার পরিচয়,
একি প্রশ্ন শুনতে শুনতে তরুণীটা বিরক্ত হয়ে গেছে।
যার ফলে ওদের উওর দিলো আমি তোগো মা লাগি,,
এখন বল কে তোদের এই এরিয়ায় পাঠাইছে
ওই লোকের মধ্যে একটা বললো তা দিয়ে তোর কাজ কি
আর তুই যেই হও না কেন তোরে আমাদের গ্যাং ছাড়বে না ।
এই কথা শোনার সাথে সাথে বিদ্যুতের গতিতে যেয়ে এক ঝটকায় গলা চেপে ধরলো আর চিৎকার দিয়ে বললো,,
বাইনচোদ তোর সাহস হয় কি করে আমার এরিয়ায় এসে আমার সাথে উঁচু গলায় কথা বলো।
জিপ টেনে ছিঁড়ে ফেলবো মাদারচোদ বলে গলা ছেড়ে দিলো,,
গলা ছাড়া পাওয়ার সাথে সাথে কাশতে লাগলো।
এর দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা হইছে কারণ গলা এতোটাই জোরে চেপে ধরছিলো
চোখ এ রক্ত জমাট বেঁধে গেছে। তার পর পাশের লোকটার উদ্দেশে বললো,,
আমি বাল ভিজিয়ে রাখবো তোর কোন বালের গ্যাং আইবে আইতে কইস।
এই বলে লোক দুই টার একদম কাছে গিয়ে ফিসফিস করে বললো,,
তোরা ভুল মানুষের খোঁজ নিতে আসছো যার খোঁজ এখন পর্যন্ত কেউ পায় নায়।
আর যে পাইছে সে বেঁচে ফিরে নায়।
এই বলে সিভ্যান বলে ডাক দিলো
আর সেই তরুণীর গলায় পেঁচিয়ে থাকা সিভ্যান বেরিয়ে এলো,, তা থেকে লোক দুটির আত্মা কেঁপে উঠলো
আর সেই তরুণী সিভ্যান কে আদেশ দিলো,,
ওর জিভ এ কামর দিতে সিভ্যান ও কথা মতো কামর দিলো। লোক দুটো চিৎকার দিয়ে উঠলো কিন্তু ওদের চিৎকার শোনার মতো কেউ নাই এই গভীর জঙ্গলে,,
তখন তরুণী টা বললো তোদের সময় শেষ,,
"আল্লাহ হাফেজ "
বলে কোমরে গুঁজে রাখা পিস্তল দিয়ে চার টা গুলি করলো
লোক দুইটার কপাল বরাবর।
আর এই সম্পন্ন দৃশ্য কেউ একজন দেখলো,,
খুব মনোযোগ সহকারে আর সেই লোকটা ভাবতে লাগলো।
আগে জানতাম না,,
আমি ছাড়া ও আর এক জন এই জঙ্গলে রাজত্ব করে।
"Very interesting"
সেই তরুণী এসে থামলো "KAWASAKI NINJA H2R" বাইকের সামনে যেটাতে চরে সেই রহস্যময় তরুণী হারিয়ে গেলো চোখের পলকে।
আর সেই লোকটা বিড়বিড় করে বললো,,,
আমি খুব দ্রুত তোমার পরিচয় এবং তোমাকে খুঁজে বের করবো "baby"
চলবে .........