ফন্ট সাইজ:
থিম:
শেষ কবিতা তুমি

পর্ব ১

লেখক: সামিয়া সুলতানা

শেষ কবিতা তুমি
লিখিকা : সামিয়া সুলতানা
পর্ব: ১

খান বাড়ি
সকাল ৮
সবাই ডাইনিং টেবিলে বসে নাস্তা করছে৷
সামিয়ার মা ও তার কাকি সবাই নাস্তা দিচ্ছে
খান বংশের সবাই অনেক খুশি
কারণ আছকে আসতে চলেছে খান বংশের বড় ছেলে আরিয়ান
হে আমেরিকার পড়ালেখা করতে গিয়েছে আজ তিন বছর হলো তাই বলেইতে সবাই এত খুশি৷
কিন্তু সামিয়া আরিয়ানকে একটু পছন্দ করে না
কারন আরিয়ান অনেক দেমাকেশ আগে ছেলে
আমি আর তো এরকম ছেলে একদম পছন্দ নয়
সবাই রান্না করে আরিয়ানের জন্য রান্না করছে
সামিয়া এই সুযোগে টেনশনে চলে যায়
তখন তার ভাই মিরাজ ও তানজিনা মিলে আরিয়ানটা আনতে যায়
আমিও রাস্তায় যেতে যেতে মনে মনে ভাবে আমিতো
পড়াই পারিনা
এই ভেবে সে বলল পড়া না পারলে কি হয়েছে
সয়তানটার মুখ টাতো দেখতে হবেনা
ভাবতে ভাবতে সে কখন যে টিউশনে চলে এলো নিজেই জানে না
সামিয়া যার কাছে টিউশন পড়ে তার নাম জাইন
জাইন সামিয়াকে অনেক ভালোবাসি কিন্তু কখনো মুখে প্রকাশ করতে পারেনি
অন্যদিকে মেয়েরা তানজিনা ও আরিয়ান বাড়ি ফিরে এসেছে
সবাই আরিয়ানকে দেখে অনেক খুশি
তার মা তাকে দেখে কান্না করতে লাগলো
তার বাবা তাকে দূর থেকে দেখছেন
আরিয়ানা এটা বুঝতে পারল তোমার বাবার কাছে তারপর বলল বাবা কেমন আছো
তুমি ভালো আছো তো আপনার শরীরের কি অবস্থা
আরিয়ানের বাবার নাম আরমান
আরমান খান বললেন : ভালো আছি তুই কিরকম আছিস নিজের যত্ন নিয়েছিস
আরিয়ান বলল : হুম বাবা আমি নিজে যত্ন নিয়েছি
তারপর তারা তার কাকি বলল বউকে কবে আনবি ঘরে
হারিয়ানি হিসুর উত্তর দিল খুব শীঘ্রই আনতে চলেছি বুঝিনি না হলে বউকে কি খাওয়াবো
এই কথা শুনে সবাই হাসতে লাগলো
তারপর তাকে চাও না ছেড়ে দেওয়া হলো
আরিয়ান নাস্তা খেতে খেতে বলল মিরাজ লাগেজগুলো নিয়ে আয় তো
মিরাজ দিনটা লাগেজ নিয়ে এলো
সে সবার জন্য গিফট নিয়ে এসেছে
তার মায়ের জন্য এক জোড়া স্বর্ণের কানের দুল নিয়েছে
তার ছোট কাকির জন্য এনে চারটি স্বর্ণের বেসলাইট
তার বাবা ও কাকার জন্য ব্যান্ডের ঘড়ি নিয়ে এসেছে
তানজিনার জন্য একটি ল্যাপটপ
মিরাজের জন্য আইফোন
এভাবে সবাই গিফট দিয়ে দিল আরিয়ান
তখন তার ছোট চাচী বলল আর একটা লাগে তো রয়ে গেল ওটা কার
এটা যার জন্য ও তো এখানে নেই
এই বলে ওই লাগের টা নিয়ে উপরে চলে গেল
তারপর তার মাকে ডাক দিল
তার মা গিয়ে বলল কি হয়েছে বাবা
আমার রুম কোনটা
তার মা বলল সামিয়ার রুমের সাথে আর একটা রুম আছে
ওই রুমটাই তোর
তারপর আরিয়ান বলল মা স্বামী কোথায় ওকে তো দেখতে পাচ্ছি না
তারপর তার মা বলল টিউশনে পড়তে গিয়ে
তারপর আরিয়ান বলল ও জানেনা আমি যে
আজকে আসবো
আরিয়ানের মা বলল জানো তো
ওকে বললাম আজ যেন টিউশনে না যায় কিন্তু সে বলল আছে নাকি গুরুত্বপূর্ণ একটা পড়া আছে তাই চলে গেল
তারপর তার মাথাকে রুমটা দেখিয়ে দিয়ে চলে গেছে
আরিয়ান সাওয়ার
নিয়ে বেরিয়ে আসলো
ততক্ষণে সামিয়া টিউশন থেকে বাড়ি ফিরে এসেছে
তখনিই তার মা তাকে কফি নিয়ে আরিয়ানকে দিয়ে আসতে বলল
বেচারা সামিয়ার না চাইতে যেতে হচ্ছে
আমি আর যখনই আরিয়ানের রুমে ঢুকে
এখনই আরিয়ান সাওয়ার করে বেরিয়ে এলো
আরিয়ানা কোমরে গামছা পেরানো চুলগুলো উসকো খুষ্কু হয়ে আছে
আই এম কে দেখে অনেক সুন্দর লাগছে
তিনটা সামনেরটা রাতে কোন খেয়ালই নেই
আমিও কফিটা দিয়ে বেরিয়ে আসছিলাম
তখন আরিয়ান বলল কিরে কই যাস
সামিয়া দারালো কিন্তু কোন কথা বলল না
তারপর আরিয়ান রোমের দরজা
বন্ধ করে দিল
আমি বলল কি করছো ভাইয়া
আরিয়ান বলল তোর জন্য গিফট এনেছি নিবিনা
না ভাইয়া আমার গিফট লাগবে না এই কথাটি বললো সামিয়া
আরিয়ান গম্ভীর কন্ঠে বলল নিবি না তাহলে মার খা
তারপর না ভাইয়া আমি গিফট নিব দেও
তারপর আরিয়ান ঐ অবশিষ্ট লাগেজটা বের করে ধরিয়ে দিয়ে বলল এরমধ্যে যা আছে সব কিছুই তোর
আমিও লাগেজটা নিয়ে তাড়াতাড়ি মুখ দেখে বেরিয়ে আসলে
তারপর নিজের রুমে যেতে যেতে বলল নিজেরা মেরেছে না ইচ্ছা থাকলে আনতে হলো না হলে যে কি পানিশমেন্ট দিত
তারপর সে লাগেজ টা রোগে রেখে
যে মোবাইলটা নিয়ে ছাদে চলে গেল
কিছু tiktok বানাবে বলে
কিন্তু ছাদে এসে দেখলাম সাথে তো কেউ নেই তাকে ভিডিও বানিয়ে দেবে কে
এই বলে সে নিজে অনেক চেষ্টা করছে কিন্তু পারছিনা একটা ভিডিও সুন্দর হচ্ছে না
পাশে যখনই রাগী হয়ে ছাদ থেকে নেমে যাবে
তখনই হারিয়ান বলল আমি বানিয়ে দি
আমি আর বলল না ভাইয়া আমার লাগবে না ভিডিও
আমি tiktok বানাবো না এখন
আমি বানিয়ে দিচ্ছি আমি অনেক সুন্দর বানাতে পারি
আমিও বলল যদি ভিডিও না শুনতে হয় তাহলে ৫ দিন আমার সঙ্গে কথা বলবে না
তারপর এই কথা বলেছে আমি আরিয়ানের হাতে মোবাইলটা ধরিয়ে দিল
তারপর আরিয়ান বলল
যদি সুন্দর হয় তাহলে আমি তোকে দুইটা কিস করব
এই কথা শুনে সামিয়া মনে মনে ভাবলো এতো ভালো করে দেখতে পাড়াতেই পারে না এই চান্সটা হাতছাড়া করা যাবে না
তারপর সামিয়া তা সরতে রাজি হয়ে পড়ে
সত্যি আসবেন অনেক সুন্দর টিক টক বানাবো
যা দেখেছ আমি সুন্দর মত কেটে পড়তে চায়লো
কিন্তু আরিয়ানকে ফাঁকি দিতে পারল না
আরিয়ান বলল আমার দুইটা কিস কোথায় যাবে
সামিয়া বলল কিসের কিস
আরিয়ান বলল আমার বাজির কি
আমিও বললাম আমি কোন কিস টিস দিতে পারব না
তখন আরিয়ান বলল তার আগে ভেবে দেখলি না কেন
এখন তো তোকে কিস খেতেই হবে

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব ১ শেষ করেছেন।

উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন