ফন্ট সাইজ:
থিম:
কষ্টের জালে প্রেমের প্রদীপ

পর্ব 1

লেখক: Sultana_Notes

গল্পের নাম কষ্টের জালে প্রেমের প্রদীপ

সূচনা পর্ব

সুলতানা স্কুলে যাওয়া উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হল রাস্তায় গিয়ে একটা গাড়িতে উঠে নিজের ইস্কুলের সামনে গিয়ে নামল এরই মধ্যে দেখা হল তার বেস্ট ফ্রেন্ড মারিয়ার সাথে মারিয়া এবং সুলতানা ওরা দুজনের খুব ভালো বন্ধু ওদের দুজনের সম্পর্ক হয়েছে ক্লাস six থেকে আর এখন তারা ক্লাস eight পড়ে মারিয়া সুলতানা কে বলল আজ আমি তোর জন্য জায়গা রেখেছি ক্লাসে আর অংক শিক্ষক কিছুক্ষণের মধ্যে চলে আসবে আমাদের প্রাইভেট এখনই শুরু হবে তুই তাড়াতাড়ি গিয়ে বেনসেন কে ব্যাগ রেখে বই খাতা নিয়ে চলে আয় আমি তিনতলায় যাচ্ছি তুই তাড়াতাড়ি আয় মারিয়ার কথা মত সুলতানা গিয়ে নিজের ব্যাগ রেখে খাতা কলম বই এবং জ্যামিতি বক্স নিয়ে তিনতলায় চলে গেল ও যাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই শিক্ষক চলে এলো তারপর ওদের পড়ানো শুরু করলো। পড়া শেষে মারিয়া এবং সুলতানা নিজেদের ক্লাসে বই রেখে স্কুল ঘুরতে বের হলো।দুজনে ঝালমুড়ি কিনে খেতে খেতে অনেকক্ষণ ঘুরলো এরমধ্যেই স্কুলের ঘণ্টা বাজলো এবং তাদের পিটিও শুরু করা হলো সুলতানা খুব ভালো স্টুডেন্ট ছিল এবং খুব হাসিখুশি এবং একটা মেয়ে ছিল সে বলানটিয়ানের একজন ক্যাপ্টেন ছিলেন তাই পিটিও করানোর দায়িত্ব তার ওপর ছিল সে পিটিও করালো তারপর পিটিও শেষে সবাই লাইন ধরে নিজের ক্লাসে গেল সুলতানা চলে গেল তুই বান্ধবী মিলে অনেক মজা আড্ডা দিলো ওরা দুইজন সবসময় মিলেমিশে থাকতো। ক্লাস শেষ হয়ে গেল বিকেল চারটা বেজে গেছে স্কুল ছুটির পর সবাই সবার বাড়ি যাওয়ার জন্য গাড়ি খুঁজছেন যে যার মতন বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিল মারিয়া ও সুলতানা নিজেদেরকে বিদায় দিয়ে বাড়ির দিকে চলে যাচ্ছে সুলতানা বাড়ি এসেই নিজের ব্যাগটা রেখেই শুয়ে পড়লে বিছানায় যখন রেস্ট নিলো তারপর জামা কাপড় নিয়ে গোসল করতে চলে গেল। সুলতানার আম্মু একজন প্রাইমারি শিক্ষিকা উনার নাম কলি রহমান। কলি রহমান মেয়েকে ডেকে বলল খাবার খাও কিন্তু সুলতানা বলল এখন খাব না ভালো লাগছে না তাই সুলতানার আম্মু খাবার নিয়ে মেয়ের রুমে গেল এবং নিজের হাতে খাবার খাইয়ে দিল। খাবার খেয়ে সুলতানা আম্মুর ফোন নিয়ে বিছানায় শুয়ে শুয়ে ভিডিও দেখছিল সন্ধ্যা হয়ে গেল মাগরিবের আজান দিছে ওযু করে নামাজ পড়ে সুলতানা এবং ওর ছোট বোন আরবি পড়তে বসলো।এবং পাশের রুমে সুলতানা ছোট ভাই আবিরও পড়তে বসলো।কিছুক্ষণ পরে আবীর সুলতানা রুমে চলে এলো নিজের একটা অংকের সমাধান নিতে সুলতানা খুব ভালো পড়াশোনা সকল বিষয় তাই খুব সহজেই ছোট ভাইয়ের অংক সমাধান করে দিল এরপর তিন ভাই বোন মিলে দুই ঘন্টা পড়াশোনা করল এখন সাড়ে আটটা পড়া রেখে তার কিছুক্ষণ দুষ্টামি করলো। ভাই বোনের মধ্যে অনেক মিল ৯ টার দিকে ওদের আম্মু খাবার খেতে ডাকলো। খাবার খেতে প্রায় ৯টা ৩০ মিনিটের দিকে সবাই নামাজ পড়ে ঘুমতে চলে গেলে। পরের দিন সকালে সুলতানা ঘুম থেকে উঠলো ৬ টা ৩০ মিনিটের দিকে। টাইম দেখেই সুলতানা তাড়াতাড়ি করে বিছানার থেকে উঠে ফ্রেস হতে গেলো ওয়াস রুমে ফ্রেস হয়ে সে নিজের বিছানা টা তাড়াতাড়ি করে গুছিয়ে নিলো তারপর নিজের স্কুল ব্যাগ টা। সুলতানার এই তাড়াহুড়া দেখে ওর আম্মু ওকে বললো যে আগে ডাকলাম তখন উঠলি না কেনো। এখন কিছু খেয়ে নে সুলতানা বল্লো এখন খাওয়া সময় নাই। তাড়াতাড়ি যেতে হবে অনেক দেড়ি হয়ে গেছে। বাড়ি থেকে কিছু না খেয়ে সুলতানা স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়লো। আজ রাস্তায় একটা গাড়িও দেখা যাচ্ছে না প্রায় সাতটা ১৫ বেজে গেছে এখন আরো দেরি হলে ঠিকমতো স্কুলে পৌঁছাতে পারবে না এর মধ্যে এটা গাড়ি আসলো ওই গাড়িটাতে উঠে অন্য একটা স্থানে নামল সেখান থেকে আরেকটা গাড়িতে উঠে স্কুলের সামনে গিয়ে নামলো প্রাইভেট শুরু হয় ঠিক আটটা বাজে কিন্তু এখন বেজে গেছে 8 টা ১০ তাড়াতাড়ি করে নিজের ক্লাসে গিয়ে মরিয়মের ব্যাগের পাশে ব্যাগটাকে দেখে বই খাতা নিয়ে তলায় দৌড়িয়ে চলে গেল ক্লাসের সামনে দাঁড়িয়ে শিক্ষককে বলল মে আই কামিং স্যার। স্যার বললেন ইয়েস কামিং। তাড়াতাড়ি করে ক্লাসের রুমে ডুকে বলে সুলতানা আজ কালি পেতে দেরি হয়ে গেছে স্যার তাই দেরি হয়েছে স্যার বললেন ঠিক আছে বোর্ডে উঠানো অংকটা তাড়াতাড়ি সমাধান করুন। প্রায় দশ মিনিট দেরি করে এসেও সবার আগে অংক সমাধান করে স্যারের কাছে জমা দিল সুলতানা স্যার দেখলে অংকটা একদম পারফেক্ট হয়েছে সকল শিক্ষকই সুলতানে অনেক পছন্দ করেন কারণ ও খুব মেধাবী প্রাইভেট শেষ হয়ে গেল প্রতিদিনের রুটিন অনুসারে দুই বান্ধবী মিলে আবার স্কুল ঘুরতে শুরু করলো মজার শুরু করল ওদের আরো একটা বান্ধবী আছে ওর নাম পুনম। পুনম একটা প্লে গাল মেয়ে। অনেক ছেলেদের সাথে রিলেশনে জড়িয়েছে তাই সুলতানা ওকে সব সময় এসব কিসু থেকে দূরে থাকতে বলে কিন্তু ও শুনেনা তাই সুলতানা ও মারিয়া ওর থেকে কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখে সব সময় সুলতানা ও মারিয়া যেভাবে মিলেমিশে থাকে পুনমের সাথে ওরা থাকেনা আজ প্রায় এক সপ্তাহ পর পুনম ওর মামা বাড়ি থেকে বাড়ি এসে স্কুল এসেছে দূর থেকেই সুলতানা এবং মাইয়াকে দেখে হাত নাড়ালো ওরা দেখে ওরাও নাড়ালো ওর এক জায়গায় হল কিছুক্ষণ কথা বলল আর তারপরে বলল ক্লাসে গিয়ে ব্যাগ রেখে আয় পুনাম ওদের কথা শুনে ক্লাসে ব্যাগ রাখতে গেল ব্যাগ রেখে ওদের সাথে আড্ডা দিতে চলে এলো এভাবে দিন পার হতে শুরু করলো কিছুদিন পর একদিন প্রাইভেট শেষে মারিয়া ও সুলতানা তিন তলা থেকে নিচে নাম ছিল ক্লাসে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তখন একটা ছেলে সুলতানা কে প্রপোজ করল কিন্তু সুলতানা তা প্রত্যাখ্যান করলো ওই ছেলেটাকে বারবার করে বলছিল প্রপোজ একসেপ্ট করতে কিন্তু সুলতানা করলো না।

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 1 শেষ করেছেন।

উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন