ফন্ট সাইজ:
থিম:
পেত্নীর সঙ্গে প্রেম

পর্ব 1

লেখক: জিম

হ্যালো গাইজ আজকে তোমাদের সাথে আমি একটা গল্প শেয়ার করব যা শুনে ভয় তো দূরের কথা হাসতে হাসতে পেট ব্যাথা হয়ে যাবে তো চলো শুরু করি একটা ছেলে যার নাম জিসান সে বাড়িতে সবার সাথে ভালো ব্যবহার করলে ও বাইরে এসে অনেক দুষ্টু। তোর তার তিন বন্ধু
আকাশ সুমন নিলয় তো আকাশ বলল চল একদিন নদীর ওপারে পুরনো বাড়িতে যাই নিলয় বলল না ওই বাড়িটা অনেক ভয়ংকর সুমন বলল না চল একদিন যাই জিসান বলল চল যাই বাট নিলয় যেতে রাজি হল না তারপরে তারা ওকে অনেক বোঝানোর পরে ও যেতে রাজি হল তারপর জিসান বলল যে কালকে রাত সাতটায় সময় নদীর পাড়ে সবাই দেখা করিস সবাই রাজি হল কালকে তারপরে সাতটার সময় সবাই নদীর পারে এলো আসার পরে একটা দূর থেকে নৌকায় আসছে জিসান বলল সবাই উঠে পড় নৌকা এল জিজ্ঞাসা করল তোমরা কোথায় যাবে
জিসান বলল ওইপার এর পুরনো বাড়িতে হঠাৎ নৌকাওয়ালা থমকে গেল বলল ওইখানে কেন যাচ্ছো আমি তোমাদের নিয়ে যেতে পারবো না জিসান বলল আপনাকে দিগুন টাকা দিব
আপনি আমাদের নিয়ে যান নৌকা ওয়ালা রাজি হল তারপরে ওই পারে কেন তারা ভাঙাচোরা রাস্তা দিয়ে গেল বড় বড় বটগাছ নিলয়ের হাতে একটা বড় লাইট তারপরে তারা চলে গেল সেই বাড়িতে তারা বাড়ির ভিতর ঢুকলো ঢোকার পরে ঘরের দরজা হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে গেল তারপরে কে যেন হাসছে হি হি হি তারপরে নিলয় ভয় পেয়ে বলল ভাই চল এখান থেকে জিসান বলল

আর যেন গলা ভাড়ি বলল তোরা এখানে কি করতে এসেছিস তখন আকাশ বলল আমরা এখানে রহস্য খুঁজতে এসেছি জিসান বলতো ধুর মিথ্যা বলিস কেন জিসান বলল আমরা তো তোমাকে দেখতে এসেছি পেত্নী হি হি করে হেসে উঠলো পেত্নী বলল আমার চেহারা দেখলে তোরা ভয় পেয়ে যাবি
জিসান বলল সামনে আসো তোমাকে দেখি পেত্নী সামনে আসলো জিসান চুপ মেরে দাঁড়িয়ে আছে হটাৎ জিসান বলবো Wow পেত্নী বলে কিহ
আমাকে দেখে তুই ভয় পাস নাই জিসান তুমি এত সুন্দর আগে কেন বলনি তাহলে তো আমি আগেই আসতাম আকাশ সুমন এবং নিলয় দাঁড়িয়ে আছে এবং জিসানের পাগলামি দেখতেছে
হঠাৎ আকাশ বলল ভাই এটা পেত্নী যাই হোক পেত্নী ম্যাডাম আপনি মরলেন কিভাবে এবার পেত্নী বলল তা জেনে তোরা কি করবি জিসান বলল বলোনা পেত্নী বলল আচ্ছা বলছি আমি একটা ছেলেকে অনেক ভালবেসে ছিলাম সে আমাকে ধোঁকা দিয়েছিল তাই আমি গলায় দড়ি নিয়েছিলাম জিসান বলল তুমি ছেলেটাকে এখনো মারোনি পেত্নী বলল মেরেছি তো
কিন্তু আমার শান্তি হয় নাই
জিসান বলল আহারে কত কষ্ট আচ্ছা যাই হোক তোমার বয়স কত পেত্নী বলল 2003 বছর জিসান বলল কিহ তারপরে জিসান বলল তুমি আমার সাথে রিলেশন করবে পেত্নী বলল না আমি তোর মার বয়সী তুই আমার সাথে কিভাবে রিলেশন করার কথা বললি তারপর জিসান বলল তাহলে আমাদেরকে যেতে দেওয়া আপাতত পেত্নী বলল 3 ধাঁধা বলব উত্তর দিতে পারলে তোদেরকে ছেড়ে দিব জিসান আকাশ নিলয় এবং সুমন বলল আচ্ছা তারপরে পেত্নী ধাঁধা শুরু করল প্রথম ধাঁধা উঠতে বসতে জামুর ঝুমুর দেখতে শুনতে ধাঁধা যায় রে পক্ষী আহার করতে লেজ থুয়ে যায় বাধা জিসান ভাবতে লাগলো হঠাৎ করে আকাশ বলে উঠলো এইটা মনে হয় নদীর জাল হবে পেত্নী বললো ঠিক তারপরে পেত্নী আর একটা বলল কোন গাড়ির
ড্রাইভার চারজন প্যাসেঞ্জার একজন ওই গাড়িটা আমাদের সবাইকে উঠতে হবে জিসান ভাবতে লাগলো
নিলয় বলল ঘোড়ার গাড়ি
আকাশ মাথায় টককা মেরে বলল আরে না সুমন উত্তর দিল বলল খাটিয়া
পেত্নী বললো ঠিক তারপরে ভূত বলল এবার শেষ ধাঁধা এটা বলতে পারলে তোদেরকে ছেড়ে দিব ফলের কি গাছের নাম সবাই চিন্তিত হয়ে পড়ল হঠাৎ জিসান বলল এইটা মনে হয় ব্যাত ফল হবে পেত্নী বলল ঠিক তার পরে পেত্নী বলল তোরা এত বুদ্ধিমান আমি আগে জানতাম না তার জন্য তোদেরকে সহজ সহজ ধাঁধা ধরেছি কিন্তু তোরা সবগুলো পেরে গেলি
এখন আর কি করার তোরা যেহেতু জিতেছিস তার জন্য তোদের এই পুরস্কারটা একটা হটাৎ করে বক্স চলে আসলো তারা খুলে দেখল তার ভেতরে চারটা মেডেল এবং চারটা গিফট তারা এগুলো এবং পেত্নী বিদায় জানিয়ে তারা বাইরে চলে আসলো পেত্নী তাদের সাথে একটা ভূতকে পাঠালো ভূতটা তাদের এগিয়ে দিতে এলো। ভূতটা নদীর পাড় পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে গেল বাট অনেকক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছে তবুও একটা নৌকা নেই জিসান ভূতকে বলল
একটাও তো নৌকা নেই এবার আমরা কিভাবে যাব বাড়িতে

ভূত বলল সমস্যা নেই আমার কাছে নৌকা আছে
তারপরে ভূত কোথায় যেন চলে গেল অনেকক্ষণ ধরে তারা চারজন দাঁড়িয়ে আছে ভূত আসার নাম নেই। বিশ তিরিশ মিনিট পার হয়ে গেল তবুও সে আসছে না হঠাৎ করে সে আসলো তারা চারজনে মিলে ভূতকে অনেক কিছু বলল তোদেরকে পার কিন্তু আমি করব
তারপরে সবাই চুপ হয়ে গেল ভূত নৌকাটাকে পানির পারে দিল তারপরে ওই পারে না বিয়ে দিয়ে আসলো তারপরে তারা বিদায় নিয়ে বাড়ি চলে গেল সবাই বাড়ি যেয়ে বক্সটা খুলল খোলার পরে দেখলো জিসানেরটায় পিজ্জা সুমন টায় বার্গার আকাশেরটাই কোকাকোলা এবং নিলয়ের টায় কেক তারপরে তারা সিদ্ধান্ত নিল কালকে তারা পিকনিক করবে ওই গুলা দিয়ে তারপরে তারা চারজন গ্রুপে কল দিল এবং বলল তারপরে তারা পিকনিক করলো

হ্যালো গাইজ এটা শুধু একটা মজা ছিল কেউ মাইন্ডে নিবেন না আমি এই ফার্স্ট গল্প বললাম তাই তাই কি দেখে কি বলেছে আমি নিজেও জানিনা এই গল্পটা ভালো লাগল নাকি 🙂

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 1 শেষ করেছেন।

উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন