পর্ব ১ ` লেখিকা : পাপিয়া ইসলাম- |একটি কলেজের সামনে দুইটি মেয়ে দাঁড়ানো হাফিজ এখন তো গাড়ি পাচ্ছিনা , হ্যাঁ রে আছিয়া ভাবছি কি করা যায় একটিও গাড়ি নেই গাড়ি না পেলে তো বাসায় যেতে পারবো না হে কি কি করা যায় হাফিজা চল হেঁটে হেটে যাই আরে না না কেন আরে আছিয়া দেখিস নি.._ আসার সময় কতগুলো° ছেলে ওখানে দাঁড়ানো বাইক নিয়ে হেরে হাপিজা তাইতো কি করা যায় হঠাৎ কালো একটি গাড়ি দুজনে সামনে দাঁড়ালো দুজনেই ভয় পেয়েছি সরে গেল............° গাড়িটিকে একটি ছেলে ~নামল কালো স্যুট সাথে একটি প্যান কালো কালার আরে আলামিন ভাইয়া তুমি এখানে আলামিন হ্যাঁ আব্বু বলল তোরা দুজন নাকি এখনো বাসায় আসিস নি তাই আমি আসলাম } হাপিজা পরিবারের ছোট মেয়ে হলেও তার রাগ খুব বেশি সাথী বেগম হাপিজার মা| তারা স্বামী পারভেজ খান তারা তিন ভাই সে ছোট তার একমাত্র মেয়ে হাপিজা পারভেজ খান তার বড় ভাই ওছমান খান এর স্ত্রী জুলিয়া বেগম তাদের এক মেয়ে এক ছেলে মেয়ের নাম আছিয়া ছেলের নাম আরিয়ান খান তুহিন খান মেঝো তার স্ত্রী আদিবা বেগম তার এক ছেলে নাম আলামিন খান তো গল্পে ফেরা জাক } ও আচ্ছা হে চলো হে হে ওঠ ওকে তা বলে দুজনে উঠে পরলো কিছুক্ষণ গাড়ি চলল কিছুক্ষণ পর গাড়ি খান বাড়ির সামনে থামল দুজনে নেমে পরল দৌড় দিয়ে দুজনে বাড়ির বড় গেটের সামনে দাঁড়ালো হঠাৎ বাড়ির বড় গেট খুলে গেল সামনে বড় দুটি সোফা দুজনে গিয়ে ব্যাগ থুয়ে হেলান দিয়ে শুয়ে পড়ল আম্মু আম্মু আছিয়া বলতে লাগলো কিচেন থেকে আদিবা বেগম বেরিয়ে তোরা দুজন এসে হে হে ছোট আম্মা গ্লাস পানি দাও তো হে হে আমাকেও এক গ্লাস বলতেই আলামিন খান হে আম্মু আমাকেও দাও বলেই দুজনের পাশে এসে বসলো তোরা দুজন যে আমাকে থুয়ে আসলি হাপিজা সরি ভাইয়া আছিয়া হাফিজার কথায় হ্যাঁ হ্যাঁ বলে উঠলো ও আচ্ছা কিছুক্ষণ| তিনজনের ভিতর কথা হচ্ছে আবার তিনজনেই হেসে উঠছে আদিবা বেগম আরো আগে তিনজনকে এক গ্লাস করে পানি দিয়ে গেছে হঠাৎ করে বাড়ির বড় গেটটা খুলে গেল তিনজনেরই চোখ গেল একজন লোক কালো স্যুট পরা কালো প্যান্ট পর লম্বা সে আর কেউ না খান বাড়ির বড় ছেলে আরিয়ান কে দেখে তিনজনের ভয় পেয়ে উঠলো কারণ তিনজনেই আরিয়ানকে প্রচন্ড রকমের ভয় পেত কারণ আরিয়ানের রাগ অনেক বেশি ও তার গম্ভীরতা কে বেশি ভয় |পেত হাপিজা কারণ ছোট্ট বেলায় একবার আরিয়ান তাকে একটি চোর মেরে অজ্ঞান করে দিয়েছিল তাই সে আরিয়ানকে দেখলে বা আরিয়ানের এর ঘরে সেবা অন্য কেউ যেতে সাহস পায় না শুধু বড়রা যেতে পারে আরিয়ান গিয়ে সোজা সোপায় বসলো ছোট আম্মু আমাকে একটু কোলকপি বানিয়ে দাও তিনজনই উঠে আস্তে আস্তে করে উপরে চলে |যেতেই যাবে তখনই কোথায় যাচ্ছিস তিনজনে তিনজনের পা অমনি দাঁড়িয়ে পরল আরিয়ান এখানে আঁশ তিনদিনে বস তিনজনে গিয়ে আরিয়ানের কাছে গিয়ে বসলো তিনজনের চুপচাপ তিনদিন এই তিন| দিনের মুখোমুখি চাই যে করছে আদিবা বেগম এসে আরিয়ান কে কফি দিয়ে গেলো আরিয়ান তোদের তিনজনের পড়ালেখা কেমন চলছে আছিয়া আরিয়ান ভাইয়া আমি আর হাফিজা কলেজে গেছি কিন্তু আলামিন ভাইয়া যায় নাই আরিয়ান গম্ভীর দৃষ্টি নিয়ে আলামিনের দিকে তাকিয়ে বলল তুই কলেজে যাস নাই |কেন আলামিন বলে উঠলো ভাইয়া আমার তো আজকে পেট খারাপ ছিল আছিয়া আর হাপিজা ওর দিকে তাকিয়ে বলল মিথ্যা কথা মিথ্যা কথা ভাইয়া আজকে |সকালেও সুস্থ ছিল ____ { আলামিনের বয়েস : ২০ - আছিয়ার:১৯ - আরিয়ানের বয়স : ২৫ - হাফিজার বয়েস : ১৭ `} আরিয়ান ও তোর পেট খারাপ ছিল তো এখনো তো আমার সামনে বসে আলামিন বুঝতে পেরেই তোর দিয়ে নিজের রুমে চলে গেল হাফিজা আর আসিয়া দুজনে আরিয়ানের দিকে তাকিয়ে বলল ভাই আমরাও কি যেতে পারি |অনেকক্ষণ হয়েছে আমরা স্কুল ড্রেস টাইপ পড়ে আছি আরিয়ান যা তোরা দুজন উপরে যা দুজনে দৌড় দিয়ে নিজেদের রুমে চলে গেল বিকেল টাইম সাথী বেগম জুলিয়া বেগম| দুজনে বাইরে থেকে এসে ভিত্রে এসে বসলো দুজনে গিয়েছিল আছিয়ার মামাতো বোন মারিয়ার দের |বাড়ি সাথি বেগম উপরে চলে গেল নিজের মেয়ের রুমে আর জুলিয়া চলে গেল আছিয়ার রুমে জুলিয়ে গিয়ে আছিয়া কে বলল সোন মা আসিয়া বলো কি হয়েছে কোথায় গিয়েছিলে জুলিয়া বেগম এতগুলো প্রশ্ন করলে| কি আর বলতে পারি একটা একটা করে প্রশ্ন কর আসিয়া আচ্ছা থাক তুমি বলো জুলিয়া বেগম হুতোর মামার বাড়ি গিয়েছিলাম আছিয়া মামার বাড়ি মামার বাড়ি কি হয়েছে কেউ কি আবার| মারা গেল নাকি জুলিয়া আসিয়ার মাথায় থাপ্পড় মেরে বলল কি মা মানুষ মরার কথায় ঘুরে আছিয়া মাথা ডলতে ডলতে বলল সরি আম্মু জুলিয়া বেগম হ্যাঁ তোর মামাতো বোন মারিয়ার বিয়ে ঠিক হয়েছে }আছিয়ার মামা রাকিব| মাতব্বার তার স্ত্রী অজিহা বে গোম তার একমেয়ে মারিয়া } জুলিয়া বেগমকথা বলে চলে গেল সাথি বেগম মেয়ের রুমে গিয়ে হাফিজামা হ্যাপি যে অষ্টম থেকে চুল মুছতে মুছতে বের হয়ে বল হ্যাঁ মা বলো সাথী বেগম বললো আসিয়ার মামার মেয়ে কে তুই চিনিস হাফিজা বলে উঠলো হ্যাঁ আমি তো চিনি। মারিয়া আপুকে ও চিনলেই ভালো পাপিচা কেন মা কি হয়েছে সাথী বেগম আসি আর মামার মেয়ে মানে মারিয়ার কাল-পরশু বিয়ে কি মারিয়া আপুর বিয়ে আসিয়া জানে হ্যাঁ এতক্ষণে মনে হয় তোর বড় আম্মু বলছে ও কোন সময় যাবে আজকেই যাব আমি আমি রেডি হবো ? হ্যাঁ তুই রেডি হয়ে নেই বলে সাথী বেগম বেরিয়ে আরিয়ান কে খুঁজলে লাগলো |( তো এখানেই আমার উপন্যাস শেষ করলাম )
পর্ব 1
পর্ব সম্পন্ন!
আপনি সফলভাবে পর্ব 1 শেষ করেছেন।
আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?
প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
Google Play থেকে অ্যাপ নামান