ফন্ট সাইজ:
থিম:
তোর আসক্ত আমি

পর্ব 1

লেখক: নুসরাত জাহান রাফা

অবশ্যই! ❤️ এবার শুরু হবে একদম নতুন একটি রোমাঞ্চকর প্রেমের উপন্যাস। আগের নিষিদ্ধ অনুভূতি উপন্যাসের কোনো চরিত্র বা নাম এখানে ব্যবহার করব না।
উপন্যাসটি মোট ৫০ পর্বে শেষ হবে। প্রতিটি পর্বে থাকবে ভালোবাসা, অভিমান, রাগ, হিংসা, পারিবারিক ঝামেলা, মিষ্টি দুষ্টুমি আর রোমাঞ্চ।
![Ek Deewane Ki Deewaniyat Box Office Collection: धीरे-धीरे कमाई कर हर्षवर्धन राणे की फिल्म ने कमा लिए 70 करोड़, 18वें दिन के कलेक्शन ने चौंकाया](https://images.openai.com/static-rsc-4/_vwkPe8OCIqv2r2xc5apw4kn91wJNe515-ju_JdvW31CXUKLsTdL5G3_pvRX66GXnFLJW9XwJ_y9Xo6xvh_Vv43ZHc0E2936IlQ3-4VZsnOnjAXvcXecegeQOl4HhUTASRKB3qVn2rcGItpQkPikaA5xxMP7yt4nXhXHWbYwrosEfFHalQFD6qLta66-iA0J?purpose=fullsize)
### তোর আসক্ত আমি
লেখিকা: নুসরাত জাহান রাফা
মোট পর্ব: ৫০
### তোর আসক্ত আমি
লেখিকা: নুসরাত জাহান রাফা
পর্ব সংখ্যা ১
### ❤️ এক অদ্ভুত আসক্তির শুরু
ঢাকার বিখ্যাত খান পরিবারের ছেলে শাহজাদ খান। নামের মতোই ব্যক্তিত্বে রাজকীয়। প্রচণ্ড রাগী, জেদি, আত্মবিশ্বাসী আর নিজের সিদ্ধান্তে অটল। তার কথার বাইরে যাওয়ার সাহস পরিবারের খুব কম মানুষেরই আছে।
অন্যদিকে মায়া। সাধারণ পরিবারের একটি মেয়ে। হাসিখুশি, চঞ্চল, একটু রাগী আর ভীষণ অভিমানী। নিজের সম্মান আর আত্মসম্মানের ব্যাপারে সে কখনো আপস করে না।
দুজনের পৃথিবী সম্পূর্ণ আলাদা। অথচ ভাগ্য যে তাদের জন্য অন্য কিছু লিখে রেখেছে, তা কেউ জানে না।
সকাল ১০টা।
খান বাড়ির বিশাল ড্রয়িংরুমে বসে আছে শাহজাদ। হাতে কফির কাপ। চোখ ফোনের পর্দায়।
এমন সময় বাড়ির একজন এসে বলল,
— স্যার, আপনার বাবা আপনাকে নিচে ডাকছেন।
শাহজাদ ফোন থেকে চোখ না তুলেই বলল,
— বলো আসছি।
কিছুক্ষণ পর সে নিচে নেমে এল।
বাবা সোফায় বসে ছিলেন। ছেলেকে দেখে বললেন,
— শাহজাদ, তোমার সঙ্গে একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে।
— বলো বাবা।
— তোমার বিয়ের ব্যাপারে কথা এগোচ্ছি।
শাহজাদ কফির কাপটা টেবিলে রেখে বাবার দিকে তাকাল।
— আবার শুরু করলে?
— এবার কিন্তু আমি মজা করছি না।
— বাবা, আমার বিয়ে নিয়ে এত চিন্তা করার প্রয়োজন নেই।
— তোমার বয়স হচ্ছে। এবার নিজের সংসার নিয়ে ভাবো।
শাহজাদ হালকা বিরক্ত হয়ে বলল,
— বিয়ে করব, কিন্তু যাকে বিয়ে করব তাকে আমার পছন্দ হতে হবে।
বাবা মুচকি হেসে বললেন,
— মেয়েটিকে দেখার ব্যবস্থা করছি। তারপর তোমার সিদ্ধান্ত।
শাহজাদ আর কিছু বলল না।
অন্যদিকে...
মায়া নিজের ঘরে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুল আঁচড়াচ্ছে। হঠাৎ নিচ থেকে মায়ের ডাক এল।
— মায়া! একটু নিচে আয় তো মা।
মায়া বিরক্ত হয়ে বলল,
— কী হয়েছে আবার? একটু শান্তিতে থাকতে দেবে না?
— নিচে আয়, গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে।
মায়া মুখ বাঁকিয়ে নিচে নেমে এল।
— বলো মা, কী হয়েছে?
মা মেয়েকে পাশে বসিয়ে বললেন,
— তোর বিয়ের জন্য একটা ভালো সম্বন্ধ এসেছে।
মায়া যেন আকাশ থেকে পড়ল।
— কীইই! আমার বিয়ে? মা, তোমার মাথা ঠিক আছে?
— চুপ কর। আগে ছেলেটার কথা শোন।
— আমি এখনই বিয়ে করব না।
— ছেলেটা অনেক ভালো পরিবারের। ছেলেও নাকি খুব ভালো।
মায়া মুখ গোমড়া করে বলল,
— ভালো হলেই কি বিয়ে করতে হবে? আমি কি কোনো জিনিস?
মা মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন।
— তোকে কেউ জোর করবে না। আগে একবার দেখা কর।
মায়া আর কথা বাড়াল না।
সন্ধ্যা ৭টা।
খান বাড়িতে আজ অন্যরকম আয়োজন। বাড়ির সবাই ব্যস্ত। কারণ আজ মায়াকে দেখতে আসার কথা।
শাহজাদ নিজের ঘরে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে শার্টের হাতা গুটাচ্ছিল।
তার ছোট বোন মজা করে বলল,
— ভাইয়া, আজকে কিন্তু তোমাকে বর বর লাগছে!
শাহজাদ চোখ রাঙিয়ে বলল,
— বেশি কথা বললে তোমার ফোনটা নিয়ে নেব।
— আচ্ছা বাবা, রাগ করো কেন? বউ আসবে, একটু হাসো!
শাহজাদ কিছু না বলে মুচকি হাসল।
ঠিক তখনই নিচ থেকে খবর এল, অতিথিরা চলে এসেছেন।
কিছুক্ষণ পর মায়া পরিবারের সঙ্গে ড্রয়িংরুমে প্রবেশ করল।
শাহজাদ তখন সোফায় বসে ছিল।
একবার চোখ তুলেই থমকে গেল সে।
মায়ার পরনে ছিল সুন্দর একটি পোশাক। মুখে কোনো বাড়তি সাজ নেই। চোখেমুখে স্পষ্ট বিরক্তি।
মায়া বসার পর শাহজাদ তার দিকে তাকিয়ে রইল।
মায়া বিরক্ত হয়ে একবার তাকাতেই চোখাচোখি হয়ে গেল।
শাহজাদ মুচকি হাসল।
মায়া মনে মনে বলল,
লোকটা এমনভাবে তাকাচ্ছে কেন?
কথাবার্তার একপর্যায়ে সবাই তাদের দুজনকে কিছুক্ষণ আলাদা কথা বলার সুযোগ দিলেন।
শাহজাদ শান্ত গলায় বলল,
— আপনার নাম মায়া?
মায়া ভ্রু কুঁচকে বলল,
— জি। আপনার নাম তো শাহজাদ খান, তাই না?
— ঠিক ধরেছেন।
— আপনার সঙ্গে আমার কিছু কথা আছে।
শাহজাদ একটু অবাক হয়ে বলল,
— বলুন।
মায়া স্পষ্ট গলায় বলল,
— আমি এখনই বিয়ে করতে চাই না। আর আমাকে পছন্দ হলেও আগে আমার মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে।
শাহজাদ কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল,
— আপনার কথাগুলো আমার ভালো লেগেছে।
— কেন?
— কারণ আপনি নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে জানেন।
মায়া এবার একটু অবাক হলো।
শাহজাদ আবার বলল,
— তবে একটা কথা বলি?
— বলুন।
— আপনাকে প্রথম দেখাতেই আমার ভালো লেগেছে। কিন্তু আপনাকে পাওয়ার জন্য আমি তাড়াহুড়ো করব না। আপনার বিশ্বাস অর্জন করতে চাই।
মায়া কোনো উত্তর দিল না।
শাহজাদ মৃদু হেসে বলল,
— আর হ্যাঁ, আপনি আমাকে পছন্দ না করলে আমি জোর করব না।
মায়া উঠে দাঁড়াল।
— দেখা যাক, শাহজাদ খান। কথায় সবাই ভালো হয়।
শাহজাদও উঠে দাঁড়াল।
তার ঠোঁটে তখনও সেই রহস্যময় হাসি।
মনে মনে শুধু একটি কথাই বলল—
এই মেয়েটি অন্য সবার মতো নয়। আর আমি ওকে ভালোবাসলে, ওর সম্মান আর ইচ্ছার মূল্য দিয়েই ভালোবাসব।
সেদিন রাতেই শাহজাদের বাবা ছেলের ঘরে এলেন।
— কী সিদ্ধান্ত তোমার?
শাহজাদ জানালার বাইরে তাকিয়ে বলল,
— বাবা, মেয়েটাকে আমার পছন্দ হয়েছে।
— তাহলে কথা এগোব?
শাহজাদ এবার বাবার দিকে ফিরে দৃঢ় গলায় বলল,
— হ্যাঁ বাবা। তবে মায়ার মতামতটাই আগে জানতে হবে।
তারপর নিজের ঘরের দরজা বন্ধ করে ফোন হাতে নিল শাহজাদ।
মায়ার সঙ্গে কথা বলার ইচ্ছেটা ক্রমেই বাড়ছিল।
অন্যদিকে মায়াও বিছানায় শুয়ে ভাবছিল, ছেলেটা আসলে কেমন?
একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে সে চোখ বন্ধ করল।
কিন্তু সে জানত না, এই একটি পরিচয়ই তার জীবনে কত গল্পের জন্ম দিতে চলেছে!

চলবে... ❤️

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 1 শেষ করেছেন।

উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন