আজকে আরশির মন ভীষণ খুশি কেননা এতদিন পর তাদের কলেজ খুলেছে কলেজে পা রাখতে তার পাঁচ বন্ধুর গ্রুপে এসে হাজির তারা মোট পাঁচজন তাদের গ্রুপে দুইজন ছেলে এবং সে তিনজন মেয়ের মধ্যে সেও আছে তাদের সকলের বন্ধুর নাম হল ঝিলিক রুদ্র আবির তানিশা আর সে এতজন
তাদের গ্রুপের নাম সে দিয়েছে শয়তানের আড্ডা কেননা সকলেই শয়তান সকালে দুষ্টামিতে মেতে উঠে সব সময় তানিশা হেসে জিজ্ঞেস করল কিরে কেমন আছিস তোরা আরশি বলল ভালো তোরা কেমন আছিস সবাই সকালে বলল ভালো আছি এতদিন তোদের সকলকে অনেক মিস করেছি আরশি কথাটি বলতে সকালে বলল আমরা অনেক মিস করেছি সকালে কতক্ষণ গল্প করল এরপর তারা কলেজে গেল কলেজে ঢুকতে দেখতে পেল তাদের স্যার দেখে আরশি ভয়ে বলল দেখ জাম দাঁড়িয়ে আছে সকলে ভয় পেল কেন না এই স্যার কে দেখলে সকলের জান যায় যায় অবস্থা কেননা এই স্যার অনেক রাগী নাম তার ইকবাল মাহমুদ আলভী এবার সকলে নিজেদের জড়তা কাটিয়ে ক্লাসে দরজার সামনে দাঁড়ালো আলভী তাদের দেখে বলল কয়টা বাজে তানিশা থতমতো খেয়ে বলল স্যার পাঁচ মিনিটই তো লেট হয়েছে আলভী বলল তোমরা তো অনেক আগেই কলেজে এসেছো আমি তো তোমাদের দেখছি তাহলে তোমাদের এত দেরি হয়েছে কেন তোমাদের শাস্তি দরকার তোমরা পাঁচজন করা
রোদে কান ধরে দাঁড়িয়ে থাকো আবির বলল প্লিজ স্যার আজকের মত ক্ষমা করে দিন আর কোনদিন এরকম ভুল হবেনা আলভী বলল তোমাদের শয়তানদের অনেক সুযোগ দিয়েছি আর না প্রত্যেকবার তোমরা এরকম করো বেশি কথা বললে প্রিন্সিপাল স্যারের অফিসে পাঠাবো সকলের কথাটি শুনে আলভী স্যারের কথা অনুযায়ী তীব্র রোদে কান ধরে দাঁড়িয়ে থাকল আরশি বলল আলভির বাচ্চা কুত্তা জানোয়ার হাতি তোর কোনদিনই বিয়ে হবে না কথাটি শুনে আবির বলল আলভী স্যার আপনি এখানে কি করছেন কথাটি শুনে আরশি সামনে তাকালো দেখলো কেউ নেই আবরির দিকে কটমট করে তাকালো আবির হাসলো বলল কেমন লাগলো আরশি বলল একবার শুধু ক্লাসে যায় তারপর দেখব তোর কি হয় আবির ঢং করে বলল আমি তো ভয় পেয়েছি তানিশা বলল হাম তোরা সারাদিন কত ঝগড়া করবি আবির তুই সারাদিন ওকে জ্বালাস কেন আরবি বল তোর কি তানিশা বলে আমি কি মানে আমিও তোদের বান্ধবী ভুলে যাস না আবির বলল তুই তো আমাদের বান্ধবী না তুই আমাদের চাকর আমাদের বাড়িতে বাথরুম সাফ করিস শুনে তানিশা আবিরের দিকে কটমট করে তাকালো সকালে হেসে দিল আরে আরশি তোমরা এখানে কি করছ আরশি বলে আরে সাব্বির ভাইয়া তুমি হ্যাঁ আমি পাঁচজন আবার কি করেছিস যে তোদের দাড়ি রেখেছে কান ধরে তানিশা বলে ৫ মিনিট দেরি করেছি তাই কান ধরিয়ে রেখেছে সাব্বির বলে কোন স্যার তানিশা বলে আলভী স্যার সাব্বির বলল তোরা জানিস তাও এত দেরি করিস কেন আর তোরা তো আগেই আসিস তানিশা বলে এতদিন পর কলেজে এসেছিলাম তাই উত্তেজনার ঠেলায় সকালে কথা বলছিলাম কথা বলতে বলতে দেখি ক্লাস শুরু হয়ে ৫ মিনিট হয়ে গেছে দেখে আমরা তাড়াতাড়ি যায় গিয়ে দেখি আলভী স্যার তারপর এতক্ষন ধরে রোদে কান ধরে দাঁড়িয়ে আছে সাব্বির বলল আচ্ছা তোরা থাক আমি যায় তাহলে তানিশা বলল ঠিক আছে ভাইয়া সাব্বির সেখান থেকে চলে গেল তানিশা বলল কি করবি তোরা এখন আরশি বলল আর কিছুক্ষণ পর আলভি স্যার চলে যাবেন তারপর ক্লাসে ঢুকবো বুঝছিস তানিশা বলল ঠিক আছে প্রায় আধাঘন্টা পর আলভী ক্লাস থেকে চলে গেল চলে যেতে তারা সকলেই ক্লাসে চলে গেল এবং বেঞ্চে বসে পড়লো তানিশা বলল আজকে বেঁচে গেছি না হলে কি যে হতো আমাদের আরশি বলল ঠিক বলেছিস এরপর তারা আরো কয়েকটি ক্লাস করল এরপর তারা নিজ নিজ বাসায় চলে গেল আরশি নিজের বাসায় পৌঁছে ফ্যানটা চালিয়ে মোবাইল ধরে বসলো এতক্ষণ পর ভালো লাগছে ধরে কতক্ষণ মোবাইল টিপতে লাগলো এর কিছুক্ষণ পর আইসা বেগম মেয়ের ঘরে এলেন বললেন আরশি যাও মা ফ্রেশ হয়ে নাও তোমার জন্য ভাত বেড়ে রেখেছি আরশি বলল মা আজকে কি রান্না করেছো আয়েশা বেগম বললেন আমার মায়ের প্রিয় খাবার মুরগির মাংস রান্না করেছি বলতেই আরশি বলল সত্যিই মা আয়েশা বেগম মাথা নাড়লো আর সে তাড়াতাড়ি কাপড় নিয়ে ফ্রেশ হতে চলে গেল ফ্রেশ হয়ে তাড়াতাড়ি খেতে বসল আইসা বেগম মেয়ের পাতে মাংস তুলে দিলেন মুরগির লেগপিস টা আরশির পাতে তুলে দিল হাসি খুশিতে বলল থ্যাংক ইউ মা আইসা বেগম বললেন ওয়েলকাম মা তাড়াতাড়ি খেয়ে নাও আমি চলে যাচ্ছি তোমার কিছু লাগলে রান্না ঘর থেকে খেয়ে নিও আরশি মাথা নাড়লো আইসা বেগম চলে গেল ঘুমাতে আরশি খেয়ে দেয়ে হাতমুখ ধুয়ে নিজের রুমে গেল ভীষণ ক্লান্তি রাখছে তার বিছানাগা এলিয়ে দিল কিছুক্ষণের মাঝে তার ঘুম চলে আসলো সকাল সন্ধ্যা আরশির ঘুম ভেঙেছে মাথাটা ভীষণ ব্যথা করছে মা বলে ডাক দিল আইসা বেগম আরশি রুমে এলো বলল মা কি হয়েছে আরশি বলল মা মাথাটা ভীষণ ব্যথা করছে আয়েশা বেগম মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে দিল এবং বলল মা আমি তোর জন্য এক কাপ চা নিয়ে আসছি মাথা ব্যথা ঠিক হয়ে যাবে আরশি মাথা নাড়লো আইসা বেগম রান্না ঘরে চলে গেল এবং মেয়ের জন্য এক কাপ চা নিয়ে ফিরে আসলো আরশি না খেয়ে ফেলল মাথা ব্যথা এখন কিছুটা কমেছে। আয়েশা বেগম মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে দিল বলল মা এখন কেমন লাগছে আরশি বলল ভালো লাগছে
হ্যালো গাইস কেমন আছেন এটা আমার প্রথম গল্প আপনারা ভালভাবে সাপোর্ট দিন তাহলে আর নতুন নতুন পাট আনব বাই
পর্ব 1
পর্ব সম্পন্ন!
আপনি সফলভাবে পর্ব 1 শেষ করেছেন।
আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?
প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
Google Play থেকে অ্যাপ নামান