ফন্ট সাইজ:
থিম:
তুমি আমার প্রেম

পর্ব 1

লেখক: তানজিনা মীম

তুমি আমার প্রেম
লেখিকা : তানজিনা মীম
চৌধুরী বাড়ি সকাল আটটা সবাই হলরুমে বসে আছে সবাই মুখে একটু চিন্তা। আফতাব চৌধুরী গম্ভীর কণ্ঠে বলল : আহিয়ান তোমার সাথে আমার কিছু কথা আছে।
আহিয়ান : কি বলবে বল?
আফতাব চৌধুরী :আমরা তোমার বিয়ে ঠিক করেছি।
আহিয়ান : What তোমরা আমার বিয়ে ঠিক করেছ আমাকে না জানিয়ে।
আপতাব চৌধুরী : আমরা তোমার মা বাবা আমরা কি তোমার বিয়ে ঠিক করতে পারি না?
আহিয়ান : আমি সেইটা বলেনি।
সানিয়া চৌধুরী :তো তুমি কি বলতে চাইস?
আহিয়ান :আমি এখন বিয়ে করবো না।
আরিবা : ভাইয়া আগে তুমি মেয়ে ছবি দেখ।
আফতাব চৌধুরী : হে আগে তুমি মেয়ে ছবি দেখ।
আহিয়ান : আমি এখন বিয়ে করবো না। মেয়ের ছবি দেখে কি করবো?
সবাই জোরাজুরিতে আহিয়ান একবার ছবিতে তাকালো। হঠাৎ আহিয়ান এর ঠুটের কুনে হালকা হাসি ফুটে উটল তার পর গম্ভীর কণ্ঠে বলল : তোমাদের যা ইচ্ছে।
এই বলে আহিয়ান নিজের রুমে চলে যায়।
সবার মুখে হাসি ফুটে উটল।
আফতাব চৌধুরী : সবাই গ্রামের উদেশে যাওয়ার জন্য রেডি হও।
সবাই যে যার রুমে চলে যায় । রেডি হওয়ার জন্য।
আহিয়ান এর পরিচয়
বাবা আফতাব চৌধুরী
মা সানিয়া চৌধুরী
বোন আরিবা চৌধুরী
আরিবা শান্ত শিষ্ট একটা মেয়ে। আহিয়ান রাগী বদমেজাজি।
_
মীমদের বাড়ি 💝
মা আমি এখন বিয়ে করবো না
আকলিমা বেগম : তুই তো জানিস ফাহাদের বাবা কি রকম।
মীম : তাই বলে তুমি আমাকে বিয়ে দিয়ে দিবে?
আকলিমা বেগম : আমি তোর ভালোর জন্য করি আর তুই এখানে থাকলে তুই আরো কষ্ট পাবি। আমি চাই না তুই কষ্ট পাস।
এই বলে তিনি চলে যান। আর মীম মন খারাপ করে দাঁড়িয়ে রইলো । হঠাৎ কলিং বেল বেজে উঠল । মীম দরজার দিকে এগিয়ে গেলো। দরজা খুলতে দেখতে পেল। তাঁর বান্ধবী দাঁড়িয়ে আছে।
মীম : তুই এখানে?
ইভা: তুই আমার কেমন বান্ধবী একটা স্বার্থপর ।
মীম : আমি আবার কি করলাম?
ইভা: তোর বিয়ে ঠিক হয়েছে আর তুই আমাকে একটু বললি না।
মীম : আরে আমি তো আজকে জনলাম।
মেয়েটাকে তুই ভাহিরে দাঁর করিয়ে রাখবি।
আকলিমা বেগম : আমি ওকে ডেকেছি তোকে সাজিয়ে দেওয়ার জন্য।
মীম : মা আমি বিয়ে করতে চাই না।
ফাহাদ: কি মদা আপুইর বিলে হবে।
ফাহাদের কথা শুনে ইভা হাসতে হাসতে ফাই পাগল হওয়ার উপক্রম।
আকলিমা বেগম : ইভা তুমি ওকে রুমে নিয়ে জাও আমি একটু আসছি।
আকলিমা বেগমের কোথায় ইভা মিমকে নিয়ে রুমে চলে যায়। রুমে আসার পর ইভা মীমকে বলে :বান্ধবী তোর জামাইয়ের একটা ছবি দেখা।
মীম ইভা দিকে রাগী কন্ঠে বলল : আমি কি ছবি দেখেছি।
ইভা সিরিয়াসলি কণ্ঠে বলে : সত্যিই তুই দেখিস নি তোর বাবা আবার কন ভুরুর সাথে বিয়ে দিয়ে দিবে ।
তোর বাবা উপর কোন বিশ্বাস নেই।
মীম: চুপ করবি তুই।
আকলিমা বেগম রুমে ঢুকে ইভাকে বললে এই শাড়িটা মিম কে পরিয়ে দিতে ইভা তাই করল
মীম একবার শাড়ির দিকে তাকালো আরেকবার তার মায়ের অভিমান চোখে তাকালো ।
ইভা মিমকে শাড়ি পরিয়ে আরেকটু সাজিয়ে দিল

ইভা: বান্ধবী তোকে আজ সত্যি বউ বউ লাগছে।
ফাহাদ মিমের কোলে এসে বসলো।
ফাহাদ : আপুই তুমি কেন এত সেজেছো?
মিম ফাহাদের অবুঝ প্রশ্ন শুনে কিছু বলল না শুধু তার ভাইয়ের মাথায় হাত ভুলিয়ে দিল।
ইভা: কারন তোমার আপুই বিয়ে।
ফাহাদ : আমি তোমাল সাথে কথা বলেতি না আমি আমাল আপুই সাথে কথা বলতি।
মিম ফাহাদ কে বলল :তুমি নিচে যাও ভাইয়া আমি একটু আসছি। ফাহাদ মিমের কথা শুনে নিচে চলে গেলে।
মীমের আজকে কিছু ভালো রাগরচে না মিম বসা থেকে উঠে আয়নার সামনে গিয়ে দাঁলো তার পর নিজেকে একটু খুতিয়ে খুতিয়ে দেখলো।
ইভা:বান্ধবী তোর বিয়ে হয়ে গেলে আমাকে তুই ভুলে যাবি?
মীম ইভা দিকে তাকালো উত্তরে কিছুই বলতে পারল না । অজান্তে তার চোখে দুই ফোটা জল গরিয়ে পড়লো।
আকলিমা বেগম :সত্যি আমার মেয়েটাকে আজকে নতুন বউ লাগছে । মিম আকলিমা বেগমকে জড়িয়ে ধরল।
মিম : মা আমি তোমার কাছে সত্যি বোজা হয়ে গেছি তাই বলে আমাকে বিয়ে দিয়ে দিবে।
আকলিমা বেগম মীমের মাথায় হাত বুলিয়ে বলল : আমার তো কিছুই করার নেই তুইতো ফাহাদের বাবার কথা জানিস।
মিম আর কিছুই বলল না।
ফাহাদ : আপুয় তোমাকে সুন্দর লাদছে।
আজকে সত্যি মীমকে সুন্দর লাগেছে। তার পড়নে লাল টকটুকে শাড়ি। হাতে কিছু লাল চুড়ি। আর মুখে হালকা মেকআপ । মাথার উপর একটা উরনা। সব মিলিয়ে মেয়েটাকে সুন্দর লাগছে।
ফাহাদের বাবা এসে বলল : ছেলে পক্ষ চলে আসছে। সব কিছু রেডি করি রাখো।
ফাহাদের বাবার কথা শুনে মীম পিছে তাকালো।
ফাহাদের বাবার উপর তার অনেক রাগ।কিন্তু মুখে কিছুই বলল না।
ইভা : তুই একটু থাক আমি একটু নিজচে থেকে আসি।
মিম কিছুই বলল না শুধু মন খারাপ করে বসে রইল । তার কার সাথে বিয়ে হচ্ছে সে কিছুই জানে না।

_চৌধুরী বাড়ি
সবাই গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দিল ।
আহিয়ান এক হাতে ড্রাইভিং করছে আরেক হাতে মোবাইলে কথা বলছে। তার মুখে বিরক্ত চাপ । রাহাত আহিয়ানে বিরক্ত বুঝে আহিয়ানকে জ্বালানোর জন্য বলল : আহিয়ান তোর মেয়ে পছন্দ না হলে আমাকে বলিস আমি আমি বিয়ে করে নিব
আহিয়ান রাহাতে দিকে রাগী চোখে তাকানো ।
আহিয়াদের গাড়ি এসে থামলো মেয়েদের বাড়ি
গাড়ির থেকে নামল সবাই
ফাহাদে বাবা চৌধুরী বাড়ি সবাইকে বাড়ির ভিতরে নিয়ে গেলো।
আহিয়ানের মুখে বিরক্ত চাপ ।
ফাহাদ খুশিতে তার আপুই কাছে গিয়ে বলল: জামাই এসেছে কি মদা কি মদা।

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 1 শেষ করেছেন।

উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন