ফন্ট সাইজ:
থিম:
BLOOD BOUND

পর্ব 1

লেখক: Samira appi

### 🖤 BLOOD BOUND

A Novel by Samira

অতীত কখনো হারিয়ে যায় না। কখনো পুরোনো ছবির পাতায়, কখনো বন্ধ দরজার ওপাশে, আবার কখনো আপন মানুষের মুখোশের আড়ালে ফিরে আসে।

### সকাল ৮টা

সিকদার বাড়ির সকালটা অন্য দিনের মতোই শুরু হয়েছে। রান্নাঘর থেকে খাবারের গন্ধ আসছে। বাড়ির কাজের লোকেরা যে যার কাজে ব্যস্ত।

কিন্তু মেহরীনের রাতটা একদম ভালো কাটেনি।

গত রাতের সেই ছবিটা, অচেনা চিঠি আর রায়ানের বলা কথাগুলো বারবার তার মাথায় ঘুরছে।

বিশেষ করে একটা কথা—

"এই বাড়ির সবাই যাকে মৃত বলে জানে!"

কে সেই মানুষ?

কেন সবাই তার মৃত্যুর কথা জানে?

আর কেনই বা রায়ান ছবিটা তার কাছ থেকে লুকিয়ে ফেলল?

মেহরীন বিছানা থেকে উঠে জানালার পর্দা সরিয়ে দিল।

বাইরে রোদ উঠেছে।

সে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুলগুলো ঠিক করতে করতে নিজেকেই বলল,

— আজ সব রহস্যের একটা না একটা উত্তর বের করেই ছাড়ব।

ঠিক তখনই দরজায় টোকা পড়ল।

— আপু, নিচে সবাই আপনাকে ডাকছে।

মেহরীন দরজা খুলে দেখল বাড়ির কাজের মেয়ে পাখি দাঁড়িয়ে আছে।

— কী হয়েছে?

— বড় স্যার আপনাকে ডেকেছেন।

— বাবা?

— জি আপু।

মেহরীন মাথা নেড়ে বলল,

— আচ্ছা, আসছি।

### সকালের নাশতা

ডাইনিং টেবিলে পরিবারের সবাই বসে আছে।

মেহরীনের বাবা কামরুল সিকদার পত্রিকা পড়ছেন। পাশে তার মা নাসরিন বেগম।

রায়ানও সেখানে উপস্থিত।

মেহরীন এসে চেয়ারে বসতেই তার বাবা বললেন,

— মা, তোমার সঙ্গে আমার কিছু কথা আছে।

— বলো বাবা।

— তোমাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করতে চাই। গত রাতে তুমি কি উত্তর দিকের করিডোরে গিয়েছিলে?

মেহরীন একবার রায়ানের দিকে তাকাল।

রায়ান নির্বিকারভাবে চায়ের কাপ হাতে বসে আছে।

— হ্যাঁ, গিয়েছিলাম।

কামরুল সিকদারের মুখের ভাব বদলে গেল।

— কেন?

— এমনি। ওই ঘরটা সবসময় বন্ধ থাকে কেন?

— ওই ঘর নিয়ে তোমার কোনো কৌতূহল থাকার প্রয়োজন নেই।

মেহরীন এবার একটু বিরক্ত হয়ে বলল,

— বাবা, আমি এই বাড়ির মেয়ে। নিজের বাড়ির একটা ঘর সম্পর্কে জানতে চাইলে সমস্যা কোথায়?

কামরুল সিকদার পত্রিকাটা নামিয়ে রাখলেন।

— সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া ভালো নয়, মা।

মেহরীন চুপ করে গেল।

কিন্তু তার মনে হলো, বাবা কিছু একটা লুকাচ্ছেন।

পাশ থেকে রায়ান বলে উঠল,

— আমি আগেই বলেছিলাম, ওকে এই বিষয় থেকে দূরে রাখতে।

মেহরীন সঙ্গে সঙ্গে বলল,

— আপনাকে কেউ কিছু জিজ্ঞেস করেছে?

রায়ান তার দিকে তাকাল।

— তোমার সঙ্গে কথা বলার সময় আমার অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন নেই।

— আর আমার জীবন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারও আপনার নেই।

টেবিলের পরিবেশ মুহূর্তেই ভারী হয়ে গেল।

কামরুল সিকদার কঠিন গলায় বললেন,

— যথেষ্ট হয়েছে। সকালের খাবারের টেবিলে আর কোনো ঝগড়া চাই না।

সবাই চুপ হয়ে গেল।

কিন্তু মেহরীন মনে মনে ঠিক করে ফেলেছে, আজই সে ওই ঘরের রহস্য জানবে।

### দুপুর ১২টা

মেহরীন বাড়ির বাগানে বসে ছিল।

হঠাৎ তার ছোট চাচাতো বোন নীলা এসে পাশে বসল।

— কী রে আপু, কী ভাবছিস?

— কিছু না।

— মিথ্যা বলছিস। সকাল থেকে দেখছি তোর মুখটা কেমন গম্ভীর।

মেহরীন একটু হেসে বলল,

— আচ্ছা নীলা, একটা কথা জিজ্ঞেস করব?

— বল।

— আমাদের বাড়িতে আগে কি কেউ নিখোঁজ হয়েছিল?

নীলার মুখের হাসি মুহূর্তেই মিলিয়ে গেল।

— হঠাৎ এমন প্রশ্ন কেন?

— এমনি। পুরোনো ইতিহাস জানতে ইচ্ছে করছে।

নীলা কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল,

— আপু, তুই এসব নিয়ে মাথা ঘামাস না।

— তুইও কিছু জানিস?

নীলা চারপাশে তাকিয়ে নিচু গলায় বলল,

— ছোটবেলায় একটা ঘটনা ঘটেছিল। তখন আমি অনেক ছোট। তবে দাদির মুখে শুনেছি, এই বাড়ির একজন মানুষ হঠাৎ করেই উধাও হয়ে গিয়েছিল।

— কে?

— নামটা ঠিক মনে নেই। তবে সবাই তাকে খুব ভালোবাসত।

— তারপর?

— তারপর থেকে বাড়িতে তার নাম নেওয়া নিষেধ হয়ে যায়।

মেহরীনের বুকের ভেতরটা কেঁপে উঠল।

— কেন নিষেধ?

নীলা মাথা নাড়ল।

— জানি না। তবে দাদি একদিন বলেছিলেন, সেই মানুষটা ফিরে এলে এই বাড়ির সব হিসাব বদলে যাবে।

মেহরীন আর কোনো কথা বলল না।

তার মনে হলো, গত রাতের রহস্যের সঙ্গে এই ঘটনার নিশ্চয়ই কোনো সম্পর্ক আছে।

### বিকেল ৪টা

বাড়ির পুরোনো লাইব্রেরিতে ঢুকল মেহরীন।

ঘরটায় পুরোনো বইয়ের গন্ধ। দেয়ালজুড়ে কাঠের তাক। এক পাশে বড় একটা আলমারি।

মেহরীন পুরোনো অ্যালবাম আর কাগজপত্র খুঁজতে লাগল।

হঠাৎ একটা ডায়েরি তার চোখে পড়ল।

ডায়েরির মলাটে লেখা—

"সিকদার পরিবারের ইতিহাস — ২০০৮"

সে ডায়েরিটা খুলল।

প্রথম কয়েকটা পৃষ্ঠা ছিল সাধারণ পারিবারিক তথ্য দিয়ে ভরা।

তারপর একটা পাতায় এসে তার হাত থেমে গেল।

সেখানে লেখা—

"আজ আমাদের পরিবারের জীবনে এমন একটি ঘটনা ঘটল, যা কোনোদিন ভুলতে পারব না। পরিবারের ছোট ছেলে আরমানকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। সবাই বলছে, সে আর বেঁচে নেই। কিন্তু আমার মন বলছে, আরমান কোথাও না কোথাও বেঁচে আছে।"

মেহরীন নামটা কয়েকবার পড়ল।

আরমান!

এই নামটা সে আগে কখনো শোনেনি।

ডায়েরির পরের পাতায় আরও লেখা ছিল।

"আরমানের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার পেছনে পরিবারেরই একজনের হাত রয়েছে। কিন্তু প্রমাণ ছাড়া কাউকে কিছু বলা সম্ভব নয়।"

মেহরীনের চোখ বড় হয়ে গেল।

পরিবারের একজন?

তাহলে কি নিজের পরিবারের কেউই আরমানকে নিখোঁজ করেছিল?

ঠিক তখনই পেছন থেকে একটা কণ্ঠ শোনা গেল।

— ডায়েরিটা বন্ধ করো।

মেহরীন ঘুরে তাকাল।

রায়ান!

— আপনি আবার!

— আমি কী বলেছিলাম? এসব থেকে দূরে থাকতে।

— এই ডায়েরিতে আরমান নামের একজনের কথা লেখা আছে। তিনি কে?

রায়ান ডায়েরিটার দিকে তাকাল।

তার মুখে অদ্ভুত একটা পরিবর্তন দেখা গেল।

— ডায়েরিটা কোথায় পেয়েছ?

— ওই আলমারিতে।

— এটা তোমার কাছে থাকার কথা নয়।

— কেন? উনি কে?

রায়ান কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল,

— আরমান আমার বাবা'র ছোট ভাই ছিলেন।

মেহরীন অবাক হয়ে গেল।

— আপনার চাচা?

— হ্যাঁ।

— তাহলে সবাই বলে না কেন?

রায়ান দীর্ঘশ্বাস ফেলল।

— কারণ তার নিখোঁজ হওয়ার পেছনে এমন কিছু ঘটনা আছে, যা এই পরিবারের কেউ মনে করতে চায় না।

মেহরীন এবার ডায়েরিটা বুকের কাছে ধরে বলল,

— আমি জানতে চাই কী হয়েছিল।

রায়ান কঠিন গলায় বলল,

— সবকিছু জানার চেষ্টা কোরো না, মেহরীন। কখনো কখনো সত্যি জানার পর মানুষ নিজের পরিবারকেই চিনতে পারে না।

— আপনি কি জানেন, উনি বেঁচে আছেন?

রায়ান কোনো উত্তর দিল না।

তার নীরবতাই যেন অনেক কিছু বলে দিল।

### সন্ধ্যা ৭টা

সিকদার বাড়ির ড্রয়িংরুমে সবাই বসে আছে।

রওশন আরা বেগম সোফায় বসে তসবিহ পড়ছেন।

মেহরীন ধীরে ধীরে তার কাছে গিয়ে বসল।

— দাদি, একটা কথা জিজ্ঞেস করব?

— বল মা।

— আরমান চাচা কে ছিলেন?

তসবিহ পড়তে পড়তে হঠাৎ দাদির হাত থেমে গেল।

তিনি ধীরে ধীরে মেহরীনের দিকে তাকালেন।

— এই নাম তোকে কে বলেছে?

— লাইব্রেরিতে একটা ডায়েরি পেয়েছি।

দাদির চোখে পানি চলে এল।

— আরমান ছিল আমার ছোট ছেলে।

মেহরীন অবাক হয়ে বলল,

— আপনার ছেলে?

— হ্যাঁ। আমার সবচেয়ে আদরের ছেলে।

— উনি কোথায়?

রওশন আরা বেগম কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন,

— জানি না মা। অনেক বছর হয়ে গেল। কেউ বলে সে মারা গেছে, কেউ বলে সে আমাদের ছেড়ে চলে গেছে। কিন্তু আমি আজও বিশ্বাস করি, আমার ছেলে একদিন ফিরে আসবে।

মেহরীন দাদির হাত ধরল।

— আপনি কি জানেন, উনার সঙ্গে কী হয়েছিল?

দাদি মাথা নিচু করে বললেন,

— সেদিন রাতে বাড়িতে খুব ঝগড়া হয়েছিল। তারপর থেকে আরমানকে পাওয়া যায়নি। সেই রাতের পর আমাদের পরিবার আর কখনো আগের মতো হয়নি।

মেহরীন আরও কিছু জিজ্ঞেস করতে যাচ্ছিল।

ঠিক তখনই কামরুল সিকদার ঘরে প্রবেশ করলেন।

— মা, এসব কথা এখন বন্ধ করো।

রওশন আরা বেগম চুপ করে গেলেন।

মেহরীন বাবার দিকে তাকাল।

— বাবা, আমি শুধু জানতে চাইছি।

— আমি বলেছি, এই বিষয় নিয়ে আর কোনো কথা হবে না।

— কিন্তু কেন?

— কারণ আমি চাই না পুরোনো ঘটনা আবার সামনে আসুক।

মেহরীন এবার শান্ত গলায় বলল,

— পুরোনো ঘটনা সামনে আসুক বা না আসুক, সত্যিটা তো বদলাবে না, বাবা।

কামরুল সিকদার কিছুক্ষণ মেয়ের দিকে তাকিয়ে রইলেন।

তারপর কোনো কথা না বলে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন।

### রাত ১১টা ২০ মিনিট

মেহরীন নিজের ঘরে বসে ডায়েরির পাতা দেখছিল।

হঠাৎ তার ফোনে একটা অচেনা নম্বর থেকে মেসেজ এল।

মেসেজে লেখা—

"আরমান সিকদার সম্পর্কে জানতে চাইলে আজ রাত বারোটায় উত্তর দিকের পুরোনো ঘরের সামনে এসো। একা আসবে।"

মেহরীনের বুক ধক করে উঠল।

কে পাঠিয়েছে মেসেজটা?

সে নম্বরটায় কল দিল।

ফোন বন্ধ।

কিছুক্ষণ দ্বিধায় থাকার পর সে সিদ্ধান্ত নিল, যাবে।

রাত বারোটার ঠিক পাঁচ মিনিট আগে সে ঘর থেকে বের হলো।

চারপাশ অন্ধকার।

বাড়ির করিডোর দিয়ে ধীরে ধীরে উত্তর দিকের ঘরের সামনে পৌঁছাল।

দরজার সামনে একটা ছোট কাগজ পড়ে আছে।

মেহরীন কাগজটা তুলে পড়ল।

তাতে লেখা—

"দরজার ওপাশে শুধু অতীত নয়, তোমার নিজের পরিচয়ও অপেক্ষা করছে।"

তার হাত কেঁপে উঠল।

ঠিক তখনই ঘরের ভেতর থেকে একটা শব্দ এলো।

ঠক!

মেহরীন দরজার কাছে কান রাখল।

আবার শব্দ হলো।

ঠক! ঠক!

সে ভয়ে পিছিয়ে গেল।

হঠাৎ পেছন থেকে কেউ তার হাত ধরে ফেলল।

মেহরীন চিৎকার করতে যাচ্ছিল।

কিন্তু মুখের সামনে হাত রেখে একজন ফিসফিস করে বলল—

— চুপ! আমি রায়ান।

মেহরীন রাগে ফিসফিস করে বলল,

— আপনি আমাকে ভয় পাইয়ে দিয়েছেন!

— তুমি এখানে এসেছ কেন?

— মেসেজ পেয়েছি।

— কার কাছ থেকে?

— জানি না।

রায়ান মেসেজটা দেখে কয়েক মুহূর্ত স্থির হয়ে রইল।

তারপর বলল,

— আমাদের বাড়িতে কেউ একজন আছে, যে তোমাকে সত্যিটা জানাতে চাইছে।

— কে সে?

রায়ান দরজার দিকে তাকিয়ে বলল,

— সেটা জানতেই তো এত বছর লেগে গেল।

হঠাৎ ঘরের ভেতর থেকে একটা মেয়ের কণ্ঠ শোনা গেল।

— রায়ান!

দুজনেই চমকে উঠল।

কণ্ঠটা আবার ভেসে এল—

— ওকে সত্যিটা বলে দাও। আর কতদিন লুকিয়ে রাখবে?

মেহরীন রায়ানের হাত থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিল।

— ভেতরে কে আছে?

রায়ান কিছু বলার আগেই দরজার নিচ দিয়ে একটা ছবি বেরিয়ে এল।

মেহরীন ছবিটা তুলে নিল।

ছবিতে একজন নারী কোলে একটা নবজাতক নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। পাশে আরেকজন পুরুষ।

ছবির পেছনে লেখা—

"মেহরীনের জন্মের দিন — ১৫ই আগস্ট।"

মেহরীনের চোখ বড় হয়ে গেল।

ছবির পুরুষ মানুষটিকে সে চিনতে পারছে না।

কিন্তু ছবির নারীর মুখটা তার মায়ের মতো!

সে কাঁপা কণ্ঠে বলল,

— রায়ান, এই ছবিতে আমার মা কেন?

রায়ান চোখ বন্ধ করে দীর্ঘশ্বাস ফেলল।

— কারণ তোমার জন্মের দিনই এই পরিবারের সবচেয়ে বড় রহস্যের শুরু হয়েছিল।

— কী রহস্য?

রায়ান উত্তর দেওয়ার আগেই ঘরের দরজাটা ধীরে ধীরে খুলে গেল।

ভেতরে কেউ নেই।

শুধু একটা টেবিলের ওপর রাখা পুরোনো টেপ রেকর্ডার থেকে একটা কণ্ঠ ভেসে আসছে—

"মেহরীন, যদি এই রেকর্ডিং তুমি শুনতে পাও, তাহলে বুঝবে আমি এখনও আমার কথা রাখিনি। তোমাকে সত্যিটা জানাতে হবে। কারণ তুমি যা জানো, তোমার জন্মের গল্পটা তার চেয়েও অনেক বড়..."

রেকর্ডিংটা হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেল।

মেহরীন নির্বাক হয়ে দাঁড়িয়ে রইল।

তারপর ধীরে ধীরে রায়ানের দিকে তাকাল।

— আমার জন্মের গল্পে কী লুকানো আছে?

রায়ান কোনো উত্তর দিল না।

শুধু অন্ধকার ঘরের দিকে তাকিয়ে রইল।

### অধ্যায়ের শেষ দৃশ্য

সেই রাতেই বাড়ির বাইরে একটা কালো গাড়ি এসে থামল।

গাড়ির ভেতরে বসে থাকা লোকটি ফোন বের করল।

অপর পাশ থেকে প্রশ্ন এল—

— মেয়েটা কি সব জেনে গেছে?

লোকটি মুচকি হেসে বলল,

— না। এখনও অনেক কিছু বাকি।

— তাহলে এবার কী হবে?

লোকটি জানালার বাইরে সিকদার বাড়ির দিকে তাকিয়ে বলল,

— এবার আমি নিজেই ফিরব। এত বছর পর আমার পরিবারের সঙ্গে দেখা করার সময় হয়েছে।

ফোনটা কেটে গেল।

লোকটি গাড়ির দরজা খুলে বাইরে নামল।

তার হাতে একটি পুরোনো ছবি।

ছবির পেছনে লেখা—

"একদিন আমি ফিরব। আর সেদিন কেউ আমাকে আটকাতে পারবে না।"

চলবে... 🖤

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 1 শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন