ফন্ট সাইজ:
থিম:
শুধু তোমাকে ভালোবেসে

পর্ব 1

লেখক: মোমো রহমান

সালটা ছিল ২০২৫ গ্রীষ্ম মাস দুপুরের কড়া রোদ্দুরে মানুষ অবস্থা নাজেহাল গ্রামের কৃষক রা মাঠে কাজ করছে সবাই সবার কাজ নিয়ে ব্যস্ত। কিরে ভাই এত গরম কেন মনে হচ্ছে মারাই যাবো কথাটা বলে হাতে থাকা ইটের কনা চুড়ে মারলো ইশা ঠিক তখনই মৃদু চিৎকারের আওয়াজ বেসে আসলো তখন ইশা ও তার বান্ধবী সামনে তাকালো, সামনে তাকাতেই তার চোখ কপালে উঠে গেলো কারন ইশার ইটের কনা টা একটা ছেলের কপালে পরেছে, ইশা আর তার বান্ধবী নিশা তৎক্ষনাৎ আম গাছ থেকে নেমে এলো ইশা ছেলেটা সামনেএসে ছেলেটার মুখের দিকে তাকাতেই আরো একটা শক্ট খেলো তারপর ইশা ছেলেটা কে বললো সরি ইশান ভাই ইশান পরিচিত কন্ঠ সুনে মাথা তুলে তাকালো তখন সে ইশা কে দেখতে পেলো ইশাকে দেখে ইশান জিগ্যেস করলো তুই এখানে কি করছ তখন ইশা উত্তর দিলো আমি এমনি এখানে এসেছি, তারপর আবার বললো ভাইয়া তোমার কপাল থেকেতো রক্ত বের হচ্ছে বাসায় চলো তোমার কপালে মলম লাগাতে হবে, তখ৷ ইশান ছোট করে বললো হু চল। এতক্ষণ দারিয়ে তাদের কথা শুনলো নিশা তারপর ইশার কানে ফিসফিসে বললো কিরে ইশু তুই ছেলেটাকে চিনিস ইশা বললো হু চিনে তোকে পরে বলবো এখন বাসায় যাই বায়, তারপর দুই বান্ধবী বিদায় নিয়ে যে যার বাসায় চলে গেলো ইশা ইশানকে নিয়ে আহামেদ মন্জিলের সামনে এসে দারালো এটা ইশান দের বাসা ইশা আর ইশানদের বাসা পাশাপাশি দুই টা বাসা পুরো সেম একটু অমিল নেই বাসায় ডুকতেই বড় একটা গেট গেট থেকে মেন দরজা পর্যন্ত চিকন রাস্তা একপাশে একটা দোলনা বসার জন্য সোফা আর ছোট একটা টি টেবিল যেখানে সবাই আড্ডা দেয় আরেক পাশে ফল গাছ ফুল গাছ শাকসবজি গাছ আছে একটু সামনে সুইমিং পুল আছে বাড়িটা দোতালা ভিতরে প্রবেশ করতে বড় একটা ড্রয়িং রুম একপাশে কিচেন রুম কিচেন রুমের সামনে ডাইনিং রুম নিচে মোট ৬ টা রুম এবং উপড়ে ৬ টা রুম ইশারা ইশানদের বাসায় ডুকলো ইশানের মা মিসেস রাজিয়া আহামেদ ইশানের দিকে তাকিয়ে চিন্তিত কন্ঠে বললো কিরে ইশান তোর কপালে কি হয়েছে, ইশা কিছু বলার আগে ইশান বললো সামান্য চোট লেগেছে, ইশানের কথা শুনে রাজিয়া আহামেদ ইশা বললো কপাল পরিস্কার করে মোলম লাগিয়ে দিছে ইশা তাই করলো ইশানের মা কিচেন রুমে গিয়ে শরবত বানিয়ে ইশান কে দিলো শরবত খেয়ে ইশান রুমে গেলো ফ্রেশ হতে দুপুর হয়ে এসেছে, রাজিয়া আহামেদ ইশা কেও বলবো ফ্রেশ হয়ে আসতে ইশা কিছু দিন ইশান দের বাসায় থাকবে কারন ইশার বাবা মা ও তার ছোট ভাই মালেশিয়া গেছে ২ মাসের জন্য ইশাকেও বলেছে যেতে ইশা যায়নি কারন সে ২ বার গিয়েছে প্রায় অনেক দেশে ঘুরুছে সে এখন তার ভাই গুরতে যাবে বলেছে তাই তার বাবা মা ঘুরতে গেছে তার ভাই কে নিয়ে ইশা উপড়ে ছলে গেলো ইশানের রুমের পাশে ইশার রুম ইশা ওর রুমে গিয়ে গোসল করে ব্লু অ্যান্ড হোয়াট কালারের মধ্যে একটা কুর্তি ও সাথে ম্যাচিং প্যান্ট ও ম্যাচিং হিজাব হলায় জুলিয়ে কোমড় সমান লাল এবং কালো মিশ্রিত চুল গুলো ছেড়ে দিয়েছে চুল গুলো একটু অন্য রকম কেউ দেখলে বলবে চুলগুলো কালার করা ওর ইশা শ্যমলাও না আবার দবদবে ফর্সা না ওর ডান গালে একটা তিল আছে তা আরো সুন্দর লাগে এবং beauty bone একটা তিল আছে যা ইশাকে আরো আকর্ষণীয় লাগে ইশা ঠোঁটে লিভ বাম দিয়ে নিছে আসে এসে ডাইনিং টেবিলে বসে তার একপাশে ইশান বসে আরেক পাশে ইশানের ছোট বোন আনিশা ইশানদের ফ্যামিলি বলতে ইশান আনিশা আর তার বাবা মা ইশানের বাবা আর ইশার বাবা ব্যবসা করে ইশানের বাবা আর ইশার বাবা ছোটবেলার বন্ধ ইশা আর ইশান রা শহরে থাকতো গত ১২ বছর হলো তারা গ্রামে এসেছে আসার কারন ইশা আর ইশানের শহরে ভালো লাগে না তাই তারা গ্রামে এসেছে। ইশান গোসল করে কলো সার্ট কালো প্যান্ট করেছে ইশানের গায়ের রং উজ্জ্বল শ্যমলা চুল গুলো একপাশে সেট করে রেখেছে ইশানের নিচের ঠোঁটে একটা তিল আছে ওর উচ্চতা ৬ ফুট ৫ ইঞ্চি রাজিয়া আহামেদ খাবার পরিবেশন করতাছে আজ ইশা ও ইশানের পছন্দের খাবার গরুর মাংস রান্না করেছে আরো বিভিন্ন আইটেম রয়েছে খাবার শেষ করে ইশা ইশান উপড়ে ছলে যায় ইশান নিজের কিছু কাজ করতেচে সেও তার বাবার সাথে ব্যবসা করে, ইশা রুমে গিয়ে উপন্যাসের বই পড়তাছে বিকাল ৪:১২ বাজে ইশা ফ্রেশ হয়ে নিচে নামলো বই পড়তে পড়তে কখন ঘুমিয়েছে নিজেও জানে না নিচে আসতেই রাজিয়া আহামেদ ইশা হাতে কফি দিয়ে বললেন ইশানকে দিয়ে আসতে ইশাও কফি নিয়ে উপড়ে গেলো গিয়ে ইশানের দরজা নক করলো ইশান দরজা খুলে ইশাকে দেখে বললো ভিতরে আসতে ইশা ভিতরে গিছে টি টেবিলের উপড় কফি রেখে যাওয়া উদ্দেশ্য পা বাড়ায় ঠিক তখনই ইশান ডাক দেয় ইশানের ডাকে ইশা পিছন গুরে বললো কি বলবেন ইশান ভাই ইশান ছোট করে জবাব দিলো হু ইশা ইশানের কাছে গেলো তারপর বললো কি বলবে বলো ইশার কথা শুনে ইশান বললো এত তাড়া কিসের কই যাবি হু, ইশা জবাব দিলো বাহিরে মেঘলা ওয়েদার কি সুন্দর লাগছে তাই সাইকেল নিয়ে একটু বাহিরে যাবো, তখন ইশান বললো একা যাবি, ইশা বললো না, তখন ইশান বললো কার,সাথে যাবি তাহলে,ইশা উওরে বললো আমার বান্ধবী নিশার সাথে, তখন ইশান বললো ও, এইবার ইশা বললো কি বলবে বলো আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে, কিছু বলবো না তুই যা এই কথা শুনার পর..
চলবে..
কেমন হয়েছে রিভিউ দেয়ো আল্লাহ হাফেজ 👋

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 1 শেষ করেছেন।

উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন