#বিষাদ_বৃক্ষ
#নূপুর_ইসলাম
#পর্ব- ২৭
রাতের ঝড়তো রাতের ঝড়। দুপুরের পরে গ্রামের মানুষদের খাওয়া গুছিয়ে উঠতে না উঠতে শুরু হয়ে গেছে আরেক তান্ডব। রাতের তান্ডবে বিয়ে বাড়ি আনন্দ ভাটা না পড়লেও এইটায় যেন ঠিক পড়ল। সব কিছু এলোমেলো হয়ে গেল। আর হলো বলেই এই লন্ডভন্ড শেষ হতে হতে সন্ধ্যা গড়িয়ে গেল।
বর সঠিক সময়ে রওনা দিতে পারেনি। তাই আসতেও পারেনি। তবে খবর পাঠিয়েছে তা রাস্তায়। অতি শীঘ্রই আসছে। তাদের খবর পেয়ে শান্ত বিয়ে বাড়িতে আবার আয়োজনে মত্ত হলো। এখন যে আরো বেশি কাজ। ঝড়ে সব লন্ডভন্ড হয়েছে।
একেতো সন্ধ্যা তার মধ্যে ক্যারেন্ট নেই। বউ সাজে বসে থাকতে থাকতে বিথীর অবস্থা কাহিল। এক কাহিল দুই মেজাজ উঠে আছে তুঙ্গে। যাকে সামনে পাচ্ছে তাকেই সমানে ধমকাচ্ছে, ঝারি মারছে। বাড়ির বাচ্চারা তার ভয়ে হুটোপাটি তো করবে দূরের কথা, টু শব্দও করছে না। মুর্শিদার মন মেজাজ এমনিতেও ঠিক নেই। এক তার মেয়েটা চলে যাবে, তার মধ্যে আবার এমন মেঘ বৃষ্টি। বসে একটু দুঃখ প্রকাশ করবে নানান চিন্তায় সেটাও পারছে না। তাই সে কয়েকবার এসে মেয়ের পিঠে মাথায় হাত বুলিয়ে গেছে। যদি একটু ঠান্ডা হয়।
বিথী মিথিকে ডাকল। বাথরুমে যাওয়া দরকার। কতক্ষণ একটা মানুষ এভাবে বসে থাকতে পারে। মিথি এলো নেচে নেচে। এতো ঝড় বৃষ্টি তার আনন্দে ভাটা ফেলতে পারে নি। না পেরেছে বিথীর মেজাজ। বিথীর মেজাজ সে গোনায় ধরে নাকি? সে প্রায় নেচে নেচে হারিকেন হাতে বিথীকে বাথরুমে নিয়ে গেল।
বাথরুমে ঢোকার আগে বিথী মাথার ঘোমটা খুলে ফেললো। এই ছাইয়ের জন্য মাথা পুরো ভার হয়ে আছে। না ডানে নড়ানো যায়, না বামে।
সে খুলেই মিথির হাতে ধরিয়ে হারিকেন নিয়ে গেলো। মিথির কি? সে আছে দুনিয়ার বাইরে। বিয়ে উপলক্ষে তাদের যত আত্মীয় - স্বজন আছে সবাই এসেছে। তার মধ্যে মুনিয়ার শ্বশুর বাড়ির মানুষজনও। সেই মানষজনের মধ্যে এসেছে মুনিয়ার দেবর। সেই দেবরই মিথির পেছন পেছন ঘুরছে। বিয়ে বাড়িতে এ রকম দুই - একটা পেছন পেছন না ঘুরলে বিয়ে বাড়ির মজা আছে নাকি? তাই মিথিও আছে মহা আনন্দে।
সে'ই আনন্দে নায়িকাদের মতো বিথীর মাথার ঘোমটা আকাশে বাতাসে উড়িয়ে ঘুরিয়ে ঘোমটার মতো মাথায় ফেলল। ফেলে লজ্জা মাখা মুখে একটু হাসলো। তখনি কেউ এসে তার নাক, মুখ চেপে ধরল। শুধু হাত দিয়ে না। কাপড় জাতীয় কিছু দিয়ে। সে কিছু ভাবার আগেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলল।
বিথী বের হলো কিছুক্ষণ পরেই। সে ডানে বামে মিথিকে কোথাও দেখল না। সে বিরক্ত হলো। অবশ্য বিরক্ত সকাল থেকেই। এই মরার বৃষ্টি আর আসার সময় পেল না। সে বিরক্ত মুখেই হারিকেন হাতেই এগিয়ে গেল।
আনতারা, শবনম সবাই রুমে। তাদের দেখে বলল, -- মিথি কই?
শবনম ভ্রু কুঁচকে বলল, --- তোমার সাথেই না গেল।
-- এই মেয়েকে আমি পেলে থাপড়ে দাঁত খুলিয়ে ফেলবো। আমার ঘোমটা নিয়ে গায়েব। ঘোমটা যদি নষ্ট হয় ভাবি আমি বলে রাখলাম, ঝড়ে যা হয়নি তাই আমি করে ফেলব। এই বাড়ি ঘর সব লন্ডভন্ড করে ফেলবো।
শবনম মনে মনে বিরক্তি নিয়ে সাথে সাথেই দাঁড়ালো। ধুর! এই মিথি আবার কোন ঢং শুরু করল। সে হারিকেন হাতে বেরিয়ে গেল।
আনতারা কি করবে বুঝতে পারল না। তবে বিথীর সামনে থাকারও সাহস হলো না। সেও একটা মোববাতি নিয়ে বেরিয়ে এল। এই অন্ধকারে তার কোথাও যাওয়ার সাহস হবে না। তাই বরং নিজের রুমে গিয়েই বসে থাকা যাক। সে এগিয়ে গেল।
প্যান্ডেল ঠিক করতে গিয়ে আজাদের কাপড় নষ্ট হয়েছে। সে এসেছে রুমে। লাইট থাকতেই সে কিছু খুঁজে পায় না। আর এই অন্ধকারে ? সে তার পকেটের লাইটার জ্বালাতেই দেখল দরজায় রাফিয়া দাঁড়িয়ে। এই বিয়েতে তাদের যত পরিচিত মানুষ আছে সবাইকেই বলা হয়েছে। রাফিয়াও বাদ যায়নি। তবে বিয়ের জন্য এতো দূর থেকে রাফিয়া আসবে আজাদ ভাবেনি। তাও আবার এই ঝড় বৃষ্টির মাথায় করে। তাকে দেখে সে অবাকই হয়েছিল, আর এখনো ও হলো। তার এই রুমে কাজ কি ?
রাফিয়া ঠোঁট টিপে হাসলো। হেসে একবার বারান্দায় তাকালো। আনতারা ধীরে ধীরে আসছে। আজাদ কিছু বলবে তার আগেই রাফিয়া দৌড়ে এলো। আজাদকে আষ্টপৃষ্টে জড়িয়ে ধরল। ঠিক তখনি আনতারা দরজায় এসে দাঁড়ালো। দাঁড়াতেই থমকে গেল।
শুধু সে থমকাইনি আজ নির্বিকার আজাদও থমকেছে। সে না নড়লো, না কিছু বলল। না রাফিয়াকে ধাক্কা দিয়ে সরালো। শুধু এক পলকে আনতারার দিকে তাকিয়ে রইল।
আনতারাও কোন টু শব্দ করল না। সাথে সাথেই চোখ ফিরিয়ে নিলো। । নিয়ে যেভাবে ধীরে ধীরে এসেছিল, সে ভাবেই চলে এল। পার্থক্য তখন আনতারা ছিল স্বাভাবিক। আর এখন তার শরীর থরথর করে কাঁপছে।
সেই কাঁপা শরীর নিয়েই সে বাড়ির সদর দরজার সামনে এসে দাঁড়ালো। এখান থেকে বাহিরের সবই দেখা যায়। সে তাঁকিয়ে রইল। এর মাঝেই একজনের আহাজারিতে সে আবারো কেঁপে উঠল। এক মহিলা বাইর বাড়িতে বিলাপ করে কাঁদছে। তার পাশেই ছোট্ট একটা মেয়ে। তার কাঁদার ভাষা বড়ই জঘন্য। সে চিৎকার করছে আর বলছে। সে আমজাদের দ্বিতীয় বউ। আরতে রাতের পর রাত তার সাথে নাকি থেকেছে। সন্তান পেটে আসায় তাকে নাকি বিয়ে করেছে। সন্তান হয়েছে মেয়ে। এখন আর তাকে বউ বলে মানে না। তাই তার সাথে অন্যায়ের বিচার চায়। যদি না করে এখানে দাঁড়িয়েই সে আর তার মেয়ে বিষ পান করবে।
আনতারার মাথা ঘুরছে। হচ্ছে কি এ বাড়িতে। তার নানা ভাই কই? আনতারা সহ্য করতে পারল না। তার শরীর দুলিয়ে উঠল। সে পড়ে যেতে গিয়েও দরজার গ্রিল আঁকড়ে ধরল।
তখনি ইব্রাহিম তার পাশে এসে দাঁড়ালো। চিন্তিত ভাবে বলল, -- কি হয়েছে আনতারা? তুমি ঠিক আছো?
আনতারা চোখে মুখে অন্ধকার দেখছে। সেই অন্ধকারের মধ্যেও সে ইব্রাহিমের চোখের দিকে তাঁকালো। তাঁকাতেই কেন জানি তার শরীর হিম হয়ে এলো। সে আর দাঁড়াতে পারল না। ধপাস করে নিচে পরে গেল।
আনতারার ঘখন জ্ঞান ফিরলো তখন মধ্যরাত। মধ্যরাত হলেও এই বাড়ির প্রতিটা মানুষ নির্ঘুম। মিথিকে পাওয়া যাচ্ছে না। একদিকে মেয়ে, আরেক দিকে স্বামী আমেনা বসে আছে মূর্তির মতো। তাকে জড়িয়ে ধরে বসে আছে মুনিয়া। বসে আছে আরেক জনও বধু বেশে। এখন সে, না দেখাচ্ছে মেজাজ, না কাউকে ধমকাচ্ছে। শান্ত চোখে এক পলকে তাঁকিয়ে আছে হাতের মেহেদীর দিকে। তার বড় যাত্রী ফিরে গেছে। এমন বাড়ির মেয়ে তারা নেবে না।
অলি আবসার জায়নামাজে। মন তার বিক্ষপ্ত হলেই তিনি রবের দরবারে যান। আজও গিয়েছেন। শুধু যাওয়ার আগে শান্ত ভাবে বলে গিয়েছেন, -- আজ থেকে আমার এক ছেলে, দুই মেয়ে। আমজাদ নামের আমার কোন ছেলে ছিল না। এই বাড়িতে তার নাম দ্বিতীয় বার উচ্চারণ হবে না। আজ থেকে আমেনা আমার দ্বিতীয় মেয়ে। সে এই বাড়িতে আমার মেয়ে হয়েই থাকবে।
মুর্শিদার গলায় এবার বিলাপ উঠে নি। কাল আরেকজন কে হেয় করতে যেই দুঃখ সবাইকে বিলাপ পেরে কেঁদে দেখিয়েছে। সেই দুঃখ আজ যেন কাউকেই দেখাতে পারল না। পারবে কি ভাবে, সেই দুঃখই তার গলায় যে ফাঁস হয়ে পড়েছে। তার মেয়ের এখন কি হবে? গাঁও গ্রামে বিয়ে ভাঙা যে একটা মেয়ের মৃত্যুর সমান। এতো এতো অহংকার যেন এক নিমিষেই ধুলিসাৎ। কার নজরে এমন হলো? সেই অস্থিরে গলা কাটা মুরগির মত সে ছটফট করতে লাগলো।
আর এই সবের মধ্যে নির্বিকার আছে আজাদ। নিজের রুমে নিচে পা ছড়িয়ে বসে । বাসায় সে কখনও সিগারেট খায় না। তবে আজ চোখ বন্ধ করে অবিরাম টানছে। সব সময় হেসে ফেলা আজাদ আজ বাইরের প্রকৃতির মতোই শান্ত, নিশ্চুপ।
জামিল এসে ইব্রাহিমের পায়ের কাছে বসলো। বসে মাথা চুলকে বলল, -- জীবনে পরথম কাজে গোলমাল করে ফেললাম ভাই। অন্ধকার, চিকচিক ওড়না দেইখা ভাবলাম বউ। বাড়িত আইনা দেখি বউর বইন। এহন কি করি বলেন তো ভাইজান?
ইব্রাহিম চোখ বন্ধ করে পুকুর ঘাটে ইজিচেয়ারে শোয়া। সে সেই ভাবেই হাসলো! হেসে বলল, -- আজকে তোমার সব ভুল মাফ জামিল।
জামিলও দাঁত কেলিয়ে হাসলো। হেসে বলল, -- তা না হয় ঠিক আছে, তবে এই মাইয়ারে করবো টা কি?
-- তার বোনের সাথে যা হওয়ার কথা ছিল তাই করো।
জামিল আবার হাসলো! হেসে উঠে দাঁড়ালো। কপাল খারাপ মাইয়া। বোনের পাপের শাস্তি নিজে পাইবো।
সে এগিয়ে গেল।
মিথির এখনো জ্ঞান ফিরেনি। বউঘোমটা জড়িয়ে এলোমেলো ভাবে খাটে পরে আছে। তার সামনে পাথরের মতো জহির বসে আছে।
জামিল জহিরের রুমে এসে বলল, -- মাইয়াতো মাইয়াই। বদল হইছে তো কি হইছে। বাতি নিভাও কাজ কাম খালাস করো। আর না করলে না করো। আমার কাজ বডি দামাচাপা দেওয়া। আমি দেব। এখন যদি জিন্দা থাকে তাহলে ভাই আমার কি দোষ?
জহির মিথির দিকে তাঁকালো। তাঁকাতেই তার ভেতর কেঁপে উঠল। বিথীর অহংকার সে ভাঙতে চেয়েছিল তবে মিথির না। সে হড়বড়িয়ে বেরিয়ে এলো। ইব্রাহিমের সামনে এসে বলল, -- মিথি কে যেতে দিন বড় আব্বা।
ইব্রাহিম চোখ বন্ধ করেই বলল, --- সেটা সম্ভব না।
-- মিথির কোন দোষ নেই।
-- জানি। তবে আমি কোন ঝুঁকি নেব না। তাছাড়া ফিরে গিয়েও হবে কি? পুরো গ্রাম ছড়িয়ে গেছে। একদিকে বাপের কেলেঙ্কারি, এক দিকে নিজের। বিয়ে তো দূরের কথা কেউ ফিরেও তাঁকাবে না। এখন একমাত্রা রাস্তা গলায় দড়ি দেওয়া। তার চেয়ে এ'ই ভালো না, এভাবেই শেষ হোক। না জেনে না বুঝে মৃত্যুর চেয়ে এই দুনিয়ায় ভালো কিছু নেই।
জহির কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। কি করেছে সে? নিজের জেদের জন্য নিষ্পাপ একটা মেয়ের জীবন এভাবে শেষ করল। সে ইব্রাহিমের পাশেই ধপ করে বসে পড়ল।
ইব্রাহিম মুখ বাঁকিয়ে হাসল! হেসে বলল, -- রাত শেষ হচ্ছে জামিল। আলো ফোটার আগে কাজ সমাধা কর। আর একটা কথা পুরো গায়েব করবে। কোন চিহ্ন যেন না থাকে।
জহির সাথে সাথে কঠিন স্বরে বলল, -- না।
ইব্রাহিম তাঁকালো! এবার অবশ্য হাসলো না। তবে আগের মতোই শান্ত ভাবে বলল, -- ঝামেলা করবে না জহির। ঝামেলা আমার পছন্দ না।
-- আমি এটা হতে দেব না।
ইব্রাহিম বড় একটা শ্বাস ফেলল। ফেলে বলল, -- এটা আমাদের সবার জন্য ঝুঁকি। আর আমি ঝুঁকি নেই না। কারো জন্যই না। এমনি তোমার জন্যও নেবো না। ভালোয় ভালোয় মুখ বন্ধ রাখো। তা না হলে আমি তোমার ব্যবস্থাও করবো।
-- যদি ঝুঁকি না থাকে?
ইব্রাহিম আবার হাসলো। হেসে বলল, -- তার সাথে তো আমার কোন জনম জনমের শত্রুটা নেই। যে, যে কোন বিনিময়ে তাকে মারতেই হবে। বরং না মারলে একটা পাপ কমে। তবে ঝুঁকির গ্যারান্টি টা নেবে কে?
-- আমি।
-- কথা রাখতে পারবে?
-- হ্যাঁ।
-- বেশ! তাহলে তাই হোক।
জহির মিথির চোখে মুখে পানি দিয়ে জ্ঞান ফেরালো। ফিরতেই বলল, -- তোর সামনে দু-টো রাস্তা এক. মৃত্যু দুই. বিয়ে। এখন বল মিথি তুই কি করবি?
মিথির মাথায় কিছুই ঢুকলো না। তবে তাকে ভয় জেঁকে ধরল। কারণ তার মন বলছে কিছু ঠিক নেই, কিছুই নেই। তার চোখে টলমলো পানি। সেই পানি নিয়েই সে কাতর ভাবে ডেকে বলল, -- জহির ভাই আমার ভয় করছে।
জহিরের ভেতর ছিঁড়ে যেতে চাইল। কোন দুঃখে সে এই পাপের সাথে যুক্ত হয়েছিল। সে ঢোক গিলে বলল, -- আমাকে বিয়ে কর মিথি। আর এই মুখ সব সময়ের জন্য বন্ধ। তা না হলে আমি তোকে বাঁচাতে পারব না।
মিথি আর টু শব্দও করল না। ভোর রাতে মিথি আর জহিরের বিয়ে হল। মিথির তরফ থেকে সাক্ষী হলো জামিল। বিয়ের পরে জামিল মিথির মাথায় হাত রেখে বলল, -- এই হাতে বহুত মানুষেকে লাশ বানাইছি তবে পরথম বার বিয়ের সাক্ষী হইলাম। আজ থাইকা তুমি আমার ধর্মের মাইয়া। যে কোন বিপদে আপদে নিসঃকোচে আমারে কইবা। কোন সংকোচ রাখবা না। বলেই জহিরের দিকে তাঁকালো। তাঁকিয়ে বলল, -- জামাই বাবাজি আমার মাইয়ারে দেইখা রাখবা। যদি চোখ থিকা এক ফোটা পানি পড়ছে। তুমি খতম। বলেই তার পান খাওয়া ঠোঁট ছড়িয়ে হাসলো। সেই হাসি এই ভোর রাতে জহিরের কাছে বড়ই ভয়ংকর লাগলো ।
চলবে......
এমনিতেই প্রচুর ভুল ভ্রান্তি করি। তার মধ্যে আজকে রিচেক দেওয়ার সময় পাইনি। একটা দৌড়ের উপরে আছি। আশা করি সবাই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।