ফন্ট সাইজ:
থিম:
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা

নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ২৩

লেখক: নাজনীন নেছা নাবিলা

মিহাল না খেয়ে বের হতে পারলো না।তার মা তাকে খাবার খাইয়ে খান্ত হলো।সে খুব দ্রুত খাবার খেল আজ আবার নীলার আ্যপার্টমেন্টে যেতে হবে। খাবার খাচ্ছে আর মুনভির দিকে তাকিয়ে আছে।মুনভির পরনে সাদা রঙের জগিং এর পোশাক।জগার্স, টি-শার্ট, ট্র্যাকস্যুট এবং জগিং সু।

বসে বসে আরামসে মিহালের মায়ের হাতের বানানো পায়েস খাচ্ছে।কাল রাতে এসে কল করে বলে দিয়েছিল যে তার পায়েস খেতে মনে চাচ্ছে তাই আজ কাল রাতেই মিহালের মা মুনভির জন্য পায়েস বানিয়ে ঠান্ডা করে ফ্রিজে রেখে দিয়েছিল। আজ সকালেই জগিং করতে করতে সোজা এখানে এসে পড়েছে। এখন বসে বসে পায়েস খাচ্ছে।মিহাল বরাবরই মিষ্টি জিনিস উপেক্ষা করে চলে।তার এইসব ডেজার্ট একদম পছন্দ না।

খাওয়া শেষ করে উঠে দাঁড়ালো মিহাল। ততক্ষণে মুনভির ও খাওয়া শেষ।সেও মিহালের সঙ্গে যাওয়ার জন্য পা বাড়াল।মিহাল মুনভির হাঁফ সাফ বুঝতে পারলো কিন্তু কিছু বলল না। নিজের মায়ের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে মিহাল মুনভি কে গাড়ির চাবি ধরিয়ে দিয়ে বলল পার্কিং হলে যেতে। মুনভি চলে এলো তারা পার্কিং হলে।মুনভি ড্রাইভিং সিটে বসলো। মিহাল নীলার জন্য বানানো প্রজেক্ট নিয়ে এলো। মিহালের হাতে প্রজেক্ট দেখে মুনভি বেশ অবাক হলো। নিজের কৌতূহল তুমি রাখতে না পেরে মিহাল গাড়িতে বসতেই জিজ্ঞেস করল ______

এইটা কিসের প্রজেক্ট? তুই কি আবার স্টুডেন্ট হিসেবে জয়েন করলি নাকি?

মিহাল ভ্রু কুঁচকে জবাব দিল____

প্রজেক্ট বানানোর জন্য স্টুডেন্ট হতে হবে এমন কথা কোন ডিকশনারিতে লেখা আছে? আর তাছাড়াও এটা আমার না আমার এক স্টুডেন্টের প্রোজেক্ট।

মুনভির ঠোঁটে বাঁকা হাসি ফুটে উঠল। তার আর বুঝতে বাকি রইল না এই প্রজেক্টটা কার। সে বাঁকা হেসে বলল___

তোর নিউ স্টুডেন্টের জন্য বানিয়েছিস বুঝি?

মিহাল প্রজেক্টের দিকে তাকিয়ে থেকে আনমনে বলল___

হ্যাঁ নীলাঞ্জনার জন্য। জানিস ওর প্রজেক্টকা লিসা নষ্ট করে দিয়েছিল। মেয়েটি আমার সামনে কান্না করেছিল। নীলাঞ্জনার চোখের পানি দেখে আমার ভেতর টা

আর কিছু বলতে পারলো না মিহাল।সে কারোর বাঁকা তীক্ষ্ণ দৃষ্টি অনুভব করল নিজের উপর‌‌।অবিলম্বে নিজের ভুল বুঝতে পেরে জ্বিভে কামর লাগলো।কি বলতে চলেছিল সে উপলব্ধি করতে পারলো।এখন যদি মুনভি বুঝে ফেলে তাহলে তো সে গেল।

মুনভি মিহালের অবস্থা দেখে বাঁকা হেসে মনে মনে বলল_____

খুব ভালো করেই নিজের নীলাঞ্জনার মায়ায় আবদ্ধ হয়েছো সোনার চাঁন।এখন দেখো তোমাকে কি করে শায়েস্তা করি।

মিহাল গাড়িতে এসি চালকালীন ঘেমে গেল। গাড়িতে পানির বোতল ছিল সেই বোতল নিয়ে বোতলের মুখ খুলে পানি খেতে লাগলো।

মুনভি মনে মনে কথাগুলো বলে আবার গাড়ি চালানোর দিকে মনোযোগ দিল এবং গলা খাঁকারি দিয়ে বলতে থাকলো___

হ্যাঁ অবশ্যই ওর প্রতি তোর মনের সফট কর্নার কে আমি সম্মান করি। যত যাই হোক দিন শেষে তো সে তোর মামাতো বোন তাই না।মামাতো বোন মানে নিজের বোনের মতোই। তার জন্য এতটুকু তো করাই যায়।

তৎক্ষণাৎ মিহাল মুখের থেকে পানি পরে গেল।মিহালের কাশতে কাশতে অবস্থা খারাপ। বেচারা তালুতে উঠেছে।তা দেখে মুনভি মিট মিটিয়ে হাসছে এবং এক হাত মিহালের পিঠে বুলিয়ে দিচ্ছে।

মিহাল মনে মনে বলল ____

তাকে আমি বানাতে চাচ্ছি আমার বউ,

তাকে আমার বেস্ট ফ্রেন্ড বানিয়ে দিল আমার বোন।

কতটা পোড়া কপাল হলে এমন পরিস্থিতিতে পরতে হয়? একেই তো যাকে আমি আমার বউ করতে চাই সে এখনও বউ হয়নি বরং অন্য কারোর বউ তাও নাকি সে অন্যকেউ টা ই ফর ইদুর।সেই টেনশনেই বাঁচি না।তার উপর এ শা*লা আমার নীলাঞ্জনা কে আমার বোন বানিয়ে দিল‌। আস্তাগফিরুল্লাহ, নাউজুবিল্লাহ। আল্লাহ মাফ করো।

মুনভি বাঁকা চোখে মিহাল কে একবার পরখ করে নিল। মনে মনে পৈশাচিক আনন্দ পাচ্ছে সে। নিজের বন্ধুকে জ্বালাবে না তো কাকে জ্বালাবে। বেচারা মিহাল কিছুই বলল না। প্রসঙ্গ বদলাতে বলল____

ইউনিভার্সিটিতে যাব না এখন নীলার আ্যপার্টমেন্টে যাব।আমি গুগল ম্যাপে লোকেশ

কথাটি সম্পূর্ণ করার আগেই মুনভি নির্দ্বিধায় বলে উঠলো ______

আমি চিনি যায়গা টা‌।

মিহাল যেন আকাশ থেকে পরলো।মুনভি কি করে নীলার আ্যপার্টমেন্ট চেনে এইটা তার মাথায় খেলছে না

কিন্তু এখন চুপ থাকার সিদ্ধান্ত নিল।

আধ ঘন্টার কম সময় ধরে গাড়ি চালানোর পর মুনভি ইকরাদের আ্যপার্টমেন্টর সামনে গাড়ি থামালো।গাড়ি থেকে নেমে এলো দুই সুদর্শন পুরুষ।

মুনভি গাড়ি থেকে নেমে পকেট থেকে ফোন বের করল। এবং মিহাল খুব সাবধানতা অবলম্বন করে প্রজেক্ট হাতে নিল।মুনভি কে যেইনা বলতে নিল

আমি তোকে নীলার নাম্বার বলছি ওকে কল দিয়ে নিচে আসতে বল।

অমনি দেখলো মুনভি কাউকে কল দিয়েছে।মিহাল ভাবল হয়তো হসপিটাল থেকে কল এসেছে। কিন্তু মুনভির বলা কথা শুনে তার চক্ষু চড়কগাছ।

মুনভি ফোনে বলছে____

তুমি তোমার ফ্রেন্ড কে নিয়ে নিচে আসো আমি নিচে অপেক্ষা করছি।

বলেই ফোন কেটে দিল। কিন্তু ফোন কেটে পকেটে রাখতেই মুনভি মিহালের প্রশ্নের সম্মুখীন হলো।

মিহাল তার দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি নিক্ষেপ করে জিজ্ঞেস করল____

তুই নীলার নাম্বার পেলি কি করে?

মিহালের প্রশ্নের মানে বুঝতে মুনভির বেগ পেতে হলো‌। কারণ সে তো নীলা কে না বরং ইকরা কে কল দিয়েছিল। কিন্তু মিহাল ভাবছে সে নীলা কে কল করেছে।আর মিহাল যা ভাবছে মুনভি মিহাল কে তাই ভাবতে দিতে চায়। এজন্য ভাব নিয়ে বলল___

পেয়েছি কোনো এক ভাবে।এখন বেশি কথা না বলে প্রজেক্টটা শক্ত করে ধর। নয়তো পরে গেলে সমস্যা হবে।

মিহালের সন্দেহ দূর হলো না তবুও সে কিছু না বলে প্রজেক্টটা আরো শক্ত করে ধরল।

নীলা আর ইকরা মিলে সকালের খাবার খেয়ে ইউনিভার্সিটির জন্য তৈরি হয়ে গেল। দুজনের বোরকা পরে হিজাব বেঁধে নিল।এমন সময় ইকরার ফোনে কল আসাতে সে দেখল জেন্টলম্যান কল দিয়েছে। নিজের অজান্তেই মুখে হাসি ফুটে উঠল।ফোন ধরতেই মুনভি নিচে আসার কথা বলেই ফোন কেটে দিল।তাই এখন নীলা কে নিয়ে তড়িঘড়ি করে নিচে নামছে।

নিচে আসতেই নীলার চোখ গেল সর্বপ্রথম মিহালের দিকে তারপর তার হাতে থাকা প্রজেক্টে দিকে। নীলার ঠোঁটে স্মিত হাসি ফুটে উঠল।

আর ইকরার নজর গেল জেন্টলম্যানের উপর।সাদা রঙের জগিং পোশাকে বেশ ভালো মানিয়েছে। ইকরার মুখেও হাসি ফুটে উঠল। দুজন মিলে তাদের দিকে যাওয়ার জন্য অগ্রসর হল। বিল্ডিং এর মেনগেট দিয়ে নিজেদের প্রিয়সিদের আসতে দেখে নড়ে চড়ে উঠলো যুবক দু’জন।মুনভি নিজের চুল ঠিক করতে লাগলো।আর মিহাল প্রজেক্টে আরেক দফা চোখ বুলিয়ে নিশ্চিত হবায জন্য যে প্রজেক্টটা ঠিক আছে কিনা।

ইকরা এবং নীলা তাদের সামনে এসে সালাম দিল দু’জন কে। দুজনেই সালামের জবাব দিল।ইকরা গিয়ে দাঁড়ালো মুভির পাশে এবং তাকে এইটা সেইটা জিজ্ঞেস করতে লাগলো। নীলা প্রফেসরের বানানো প্রজেক্ট দেখে অবাক এবং খুশি দুটোই একসাথে হলো। নীলার মুখে হাসি দেখে মিহালের মুখেও হাসি ফুটে উঠল।সে তো এই হাসি দেখতে চেয়েছিল।

নীলা উৎফুল্ল কন্ঠে বলল ____

এই প্রজেক্টটা তো আমার বানানো প্রজেক্ট এর চেয়ে অধিক সুন্দর এবং পারফেক্ট হয়েছে।যাকে বলে এইক দাম বেস্ট অফ বেস্ট।

নীলার কথা শুনে মিহালের হাসি চওড়া হলো।সে নরম স্বরে বলল ___

আমি তো কেবল চেষ্টা করেছি।

নীলা অবাক কন্ঠে বলল___

প্রফেসর এইটা চেষ্টা বলে না এইটাকে অভিজ্ঞতা বলে। দেখেই মনে হচ্ছে আপনি কতটা পারফেক্টলি এই কাজটি করেছেন। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

মিহালের দৃষ্টি নীলার দিকেই ছিল। নীলার হাসি ভরা মুখ সে খুব কাছ থেকে দেখতে পারছিলো। তার হৃদস্পন্দনের গতি দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল।চোখ খুশিতে চিকচিক করে উঠলো। মেয়েটির হাসি দেখেই যদি তার এহেন অবস্থা হয় তাহলে মেয়েটিকে সুখে রাখতে পারলে তার কি অবস্থা হবে?

মিহাল একবার চোখ বন্ধ করে কল্পনা করার চেষ্টা করল। দেখতে পেলে এই মেয়েটিকে খুঁশি রাখতে পারলে সে নিজেও অনেক খুশি থাকবে।এই মুহূর্তেই মিহাল সিদ্ধান্ত নিয়ে নিল নিজের খুশির জন্যে হলেও মেয়েটিকে তার সুখী রাখতে হবে যে করেই হোক না কেন।

নীলার কন্ঠে চোখ খুলল সে।নীলা বলল___

প্রফেসর আমি কি প্রজেক্টা নিতে পারি?

মিহাল সময় বিলম্ব না করে নীলার হাতে খুব সাবধানে প্রজেক্টটি দিল।এমন সময় ইকরা বলল___

চল নীলু নয়তো দেরি হয়ে যাবে।

নীলা এইবার মুনভির দিকে তাকিয়ে ভালো মন্দ জিজ্ঞেস করে বিদায় নিল। তারপর আবার মিহালের দিকে তাকিয়ে বলল___

থ্যাংক ইউ প্রফেসর। তাহলে আসি?

মিহাল বাঁধা দিয়ে বলল___

এই প্রজেক্ট নিয়ে টেক্সি করে যাওয়া লাগবে না চলো আমিও ইউনিভার্সিটিতে যাচ্ছি এক সাথেই যাই।

কিন্তু নীলা সরাসরি নাকচ করে বলল___

না প্রফেসর দরকার নেই। এমনিতেই আপনারা অনেক করেছেন আমাদের জন্য।আর আমার পারবো না আপনার সাথে যেতে।আর তাছাড়াও গতকালই আমি আমার বানানো প্রজেক্ট নিয়ে গাড়ি দিয়ে গিয়েছিলাম তার মানে আজও যেতে পারবো। ধন্যবাদ আপনাকে।

কিন্তু যখন মুনভি বলে উঠলো ____

আরে একদিন গেলে কিছু হবে না।কথা না বাড়িয়ে উঠে পরো তো।

নীলা কিছু একটা ভাবতে লাগল তখনই মিহাল আবার বলল____

সেই দিনের প্রজেক্ট তুমি বানিয়ে ছিলে তাই টেক্সি দিয়ে গিয়েছো আজকের প্রজেক্ট আমি বানিয়েছি তাই আমার গাড়ি দিয়ে যাবে এটাই আমার ফাইনাল ডিসিশন। তাই গাড়িতে উঠে বসো।

নীলা আনমনে কিছু একটা চিন্তা ভাবনা করে রাজি হয়ে গেল।মুনভি আর মিহাল সামনে বসল নীলা আর ইকরা পেছনে বসলো। গাড়ি চলতে লাগলো আপন গতিতে। এইবার মিহাল গাড়ি চালাবে বলে ড্রাইভিং সিটে বসল।মুনভি তার পাশের সিটে বসল।মিহাল লুকিং গ্লাস দিয়ে নীলা কে দেখতে ব্যস্ত। কিন্তু নীলা ব্যস্ত বাহিরের দৃশ্য দেখতে।এমন সময় মুনভি এইটা সেট বলতে লাগলো আর নীলা এবং ইকরা জবাব দিতে লাগলো।

হঠাৎ নীলা বলে উঠলো মুনভি কে___

তো অবশেষে আপনি ফ্রি হলেন?

মুনভি ফিচলে হেসে মাথা নাড়িয়ে বলল___

হ্যাঁ আজকেই ভেবেছিলাম তোমাকে কল দিয়ে বলব দেখা করার কথা।

মিহাল সঙ্গে সঙ্গে গাড়ি জোরে ব্রেক করল। ফলস্বরূপ সবাই ভরকে গেল।আসলে নীলা আর মুনভির কথা শুনে তার এই দশা।মুনভি তা স্পষ্ট বুঝতে পেরে বাঁকা হাসলো।

মিহাল নিজেকে সামলিয়ে সবার উদ্দেশ্যে সরি বলে আবার গাড়ি চালাতে শুরু করল।মুনভি এইবার মিহাল কে জ্বালানোর জন্য নীলা কে বলতে শুরু করল____

তুমি না দেখা করতে চেয়েছিলে? তাহলে আজ বিকাল ৫ টায় দেখা করতে পারবে? আইফেল টাওয়ারের ব্রিজে দেখা করব।

নীলা এবং ইকরা দুজনের খুশি হলো। নীলার দেখা করা খুব জরুরি তাই সে বেশি না ভেবে হ্যাঁ বলে দিল। কিন্তু নীলা বেশি না ভাবলেও মিহালের অনেক কিছু ভাবতে হচ্ছে।নীলা কেন দেখা করবে মুনভির সাথে।আর কেনই বা নিজ থেকে দেখা করতে চাচ্ছে।

কিন্তু সে আগ বাড়িয়ে কিছু জিজ্ঞেস করল না নয়তো নীলার সামনে তার কোনো প্রেস্টিজ থাকবে না। মগজে কেবল সময়টা বন্দি করে নিল।বিকেল ৫ টা।তার মানে সে বিকেল ৪:৩০ এ অপেক্ষা করবে।

এইসব ভাবতে ভাবতে গাড়ি চালালো মিহাল।

আর নীলা পুরোটা রাস্তায় শুধু একটা কথাই ভাবলো___

পেয়ারে লাল খুব ভালো না হলে মন্দ না। প্রশংসার উত্তরাধিকারী উনি।এক রাতেই কত সুন্দর প্রজেক্ট টা কমপ্লিট করে ফেলল।চোখ দেখেই বোঝা যাচ্ছে কতটা ক্লান্ত উনি।ইস্ আমার জন্য এতটা করল বদলে একটা ধন্যবাদ উপহার দেওয়া উচিত আমার।

কথা গুলো মনে মনে বলেই নীলা মিহাল কে দেখার জন্য সামনের দিকে তাকালো।যেই না তার দৃষ্টি লুকিং গ্লাসে পরল অমনি মিহালে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দেখতে পেয়ে তার বক্ষঃস্থলে কাঁপুনি ধরে গেল। দুজনের চোখাচোখি হলো‌।মিহালের চোখ কিছু বলছে তাকে কি সে পড়তে ব্যর্থ হলো।

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ২৩ শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন