ফন্ট সাইজ:
থিম:
উতাল পাতাল

পর্ব 1

লেখক: সামিয়া ইসলাম

লেখিকা সামিয়া ইসলাম
পর্ব ১
হাওয়াইয়ের তীব্র সোনালী রোদ সমুদ্রের নোনা জলে প্রতিফলিত হয়ে চারপাশ ভাসিয়ে দিচ্ছিল। কিন্তু কেনেলিয়ার বুকজুড়ে তখন জমাট বাঁধছিল এক অজানা আশঙ্কার কালো মেঘ।
সার্ফবোর্ড থেকে নেমে জ্যাক উচ্ছ্বসিত গলায় চিৎকার করে উঠল, "ড্যাড, ইউ স্টিল গট ইট!"
সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ভিক্টর—জ্যাকের বাবা। ৪৮ বছর বয়সেও যার সুগঠিত ও সুদৃঢ় শারীরিক গঠন যেকোনো বিশ্বমানের অ্যাথলেটকে হার মানায়। চওড়া বুক, শক্ত পেশীবহুল হাত—তাকে ঘিরে সব সময়ই এক ধরনের ভীতিকর ও শক্তিশালী তীব্র উপস্থিতি খেলা করে।
ভিক্টর গম্ভীর গলায় বলল, "যথেষ্ট অনুশীলন থাকলে তুইও পারবি, জ্যাক।"
জ্যাক হালকা হেসে কেনেলিয়াকে ভিক্টরের দিকে এগিয়ে দিতে দিতে বলল, "আমার কথা পরে হবে, ড্যাড। কেনেলিয়াকে শেখাও। সে তো দীর্ঘদিন ধরেই সার্ফিং শিখতে চেয়েছিল।"
কেনেলিয়া নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে ছিল। ভিক্টরকে প্রথম দেখার মুহূর্ত থেকেই সে বুঝেছিল, এই লোকটা তাকে একদম পছন্দ করে না। ভিক্টরের চোখে সে ছিল এক লোভী, সুযোগসন্ধানী সিন্ডারেলা—যার শরীরে রূপ ছাড়া আর কোনো যোগ্যতা নেই।
ভিক্টর কেনেলিয়ার দিকে একনজরে তাকিয়ে অত্যন্ত ঠান্ডা ও তাচ্ছিল্যভরা গলায় বলল, "আমার এই ধরনের সাজানো সুন্দর খেলনাকে শেখানোর মতো ফালতু সময় নেই।"
কথাটা কেনেলিয়ার বুকে তীরের মতো বিঁধল। তবে সে নিজেকে সামলে নিয়ে জ্যাককে বলল, "ঠিক আছে জ্যাক, থাক। আমরা অন্য কিছু করি...।"
কিন্তু জ্যাক জেদ ছাড়ল না। সে কেনেলিয়াকে আশ্বস্ত করে বলল, "কেনেলিয়া তো বেশ বুদ্ধিমান, ও খুব দ্রুত শিখে যাবে। ভয় পেয়ো না কেনেলিয়া, ড্যাডের শুধু মুখের আওয়াজই বড়।" এরপর ভিক্টরের দিকে তাকিয়ে বলল, "ড্যাড, কেনেলিয়ার খেয়াল রেখো।"
কেনেলিয়া ভেতরে ভেতরে শিউরে উঠল। জ্যাক, তুমি কার হাতে আমাকে সঁপে দিচ্ছ, তার বিন্দুমাত্র ধারণা কি তোমার আছে?
ভিক্টরের কঠোর গলার স্বর কেনেলিয়ার ভাবনায় ছেদ টানল, "যেহেতু জ্যাক এত জোর করছে, আমি তোকে শেখাব। কিন্তু একটা কথা মনে রাখবি, যখন তুই আমার সাথে থাকবি, আমি ঠিক যেভাবে বলব—তোকে হুবহু সেভাবেই চলতে হবে।"
ভিক্টরের সেই বিশাল ও শক্ত হাতের উত্তপ্ত স্পর্শ কেনেলিয়ার কোমরে এসে জমা হতেই সমুদ্রের নোনা জলের শৈতপ্রবাহ এক মুহূর্তে হাওয়াইয়ের তপ্ত রোদের চেয়েও বেশি উত্তাপ ছড়াতে লাগল।
কেনেলিয়া ও ভিক্টর দুজনই এক ছোট সার্ফবোর্ডের ওপর আটকে পড়েছিল। কেনেলিয়া নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছিল যেন ভিক্টরের সঙ্গে তার কোনো শারীরিক দূরত্ব বজায় থাকে। বরফের মতো ঠান্ডা সমুদ্রের জল তার চামড়ায় বিঁধছিল, কিন্তু ভিক্টরের বুকের উত্তাপ, তার উরুর স্পর্শ কেনেলিয়ার শরীরজুড়ে এক অনাহূত ঝড় তুলেছিল।
ভয়ে কেনেলিয়ার শরীর শক্ত হয়ে গেল। সে মনে মনে প্রার্থনা করছিল, জ্যাক যেন একবার অন্তত পেছন ফিরে তাকায়! সে যেন জ্যাককে বলতে পারে—আমাকে এখান থেকে নিয়ে যাও!
ঠিক তখনই সমুদ্রের বুক চিরে এক প্রকান্ড ঢেউ আছড়ে পড়ল। সার্ফবোর্ডটি দুলতেই কেনেলিয়া নিজেকে সামলাতে সস্তায় একটু দূরে সরে যাওয়ার চেষ্টা করল।
তক্ষণি পিছন থেকে ভেসে এল ভিক্টরের সেই গম্ভীর, অন্ধকার ও আদেশসূচক কণ্ঠস্বর—
"নড়াচড়া বন্ধ কর।"
কেনেলিয়া নিথর হয়ে গেল। তার পিছন থেকে এক ভারী, শক্ত ও অনমনীয় স্পর্শ তার ভিজা পোশাকের উপর দিয়ে একদম শরীরের গভীর স্পর্শকাতর স্থানে চেপে বসল। পুরো শরীর এক তীব্র, নিষিদ্ধ অনুভূতি ও আতঙ্কে জমে কাঠ হয়ে গেল কেনেলিয়ার। সে বুঝতে পারল, সে এমন এক অন্ধকার জালে জড়িয়ে পড়েছে, যেখান থেকে পালানোর আর কোনো পথ নেই...
হাওয়াইয়ের তীব্র সোনালী রোদ সমুদ্রের নোনা জলে প্রতিফলিত হয়ে চারপাশ ভাসিয়ে দিচ্ছিল। কিন্তু কেনেলিয়ার বুকজুড়ে তখন জমাট বাঁধছিল এক অজানা আশঙ্কার কালো মেঘ। বিষাদের নীল ছায়ায় ঢেকে থাকা সমুদ্রের নীল জলরাশির দিকে তাকিয়ে কেনেলিয়ার বুকের ভেতরটা কেমন যেন তোলপাড় করে উঠছিল।
সার্ফবোর্ড থেকে নেমে জ্যাক উচ্ছ্বসিত গলায় চিৎকার করে উঠল, "ড্যাড, ইউ স্টিল গট ইট!"
সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ভিক্টর—জ্যাকের বাবা। ৪৮ বছর বয়সেও যার সুগঠিত ও সুদৃঢ় শারীরিক গঠন যেকোনো বিশ্বমানের অ্যাথলেটকে হার মানায়। চওড়া বুক, শক্ত পেশীবহুল হাত—তাকে ঘিরে সব সময়ই এক ধরনের ভীতিকর ও শক্তিশালী তীব্র উপস্থিতি খেলা করে।
ভিক্টর গম্ভীর গলায় বলল, "যথেষ্ট অনুশীলন থাকলে তুইও পারবি, জ্যাক।"
জ্যাক হালকা হেসে কেনেলিয়াকে ভিক্টরের দিকে এগিয়ে দিতে দিতে বলল, "আমার কথা পরে হবে, ড্যাড। কেনেলিয়াকে শেখাও। সে তো দীর্ঘদিন ধরেই সার্ফিং শিখতে চেয়েছিল।"
কেনেলিয়া নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে ছিল। ভিক্টরকে প্রথম দেখার মুহূর্ত থেকেই সে বুঝেছিল, এই লোকটা তাকে একদম পছন্দ করে না। ভিক্টরের চোখে সে ছিল এক লোভী, সুযোগসন্ধানী সিন্ডারেলা—যার শরীরে রূপ ছাড়া আর কোনো যোগ্যতা নেই।
ভিক্টর কেনেলিয়ার দিকে একনজরে তাকিয়ে অত্যন্ত ঠান্ডা ও তাচ্ছিল্যভরা গলায় বলল, "আমার এই ধরনের সাজানো সুন্দর খেলনাকে শেখানোর মতো ফালতু সময় নেই।"
কথাটা কেনেলিয়ার বুকে তীরের মতো বিঁধল। তবে সে নিজেকে সামলে নিয়ে জ্যাককে বলল, "ঠিক আছে জ্যাক, থাক। আমরা অন্য কিছু করি...।"
কিন্তু জ্যাক জেদ ছাড়ল না। সে কেনেলিয়াকে আশ্বস্ত করে বলল, "কেনেলিয়া তো বেশ বুদ্ধিমান, ও খুব দ্রুত শিখে যাবে। ভয় পেয়ো না কেনেলিয়া, ড্যাডের শুধু মুখের আওয়াজই বড়।" এরপর ভিক্টরের দিকে তাকিয়ে বলল, "ড্যাড, কেনেলিয়ার খেয়াল রেখো।"
কেনেলিয়া ভেতরে ভেতরে শিউরে উঠল। জ্যাক, তুমি কার হাতে আমাকে সঁপে দিচ্ছ, তার বিন্দুমাত্র ধারণা কি তোমার আছে?
ভিক্টরের কঠোর গলার স্বর কেনেলিয়ার ভাবনায় ছেদ টানল, "যেহেতু জ্যাক এত জোর করছে, আমি তোকে শেখাব। কিন্তু একটা কথা মনে রাখবি, যখন তুই আমার সাথে থাকবি, আমি ঠিক যেভাবে বলব—তোকে হুবহু সেভাবেই চলতে হবে।"
ভিক্টরের সেই বিশাল ও শক্ত হাতের উত্তপ্ত স্পর্শ কেনেলিয়ার কোমরে এসে জমা হতেই সমুদ্রের নোনা জলের শৈতপ্রবাহ এক মুহূর্তে হাওয়াইয়ের তপ্ত রোদের চেয়েও বেশি উত্তাপ ছড়াতে লাগল।
কেনেলিয়া ও ভিক্টর দুজনই এক ছোট সার্ফবোর্ডের ওপর আটকে পড়েছিল। কেনেলিয়া নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছিল যেন ভিক্টরের সঙ্গে তার কোনো শারীরিক দূরত্ব বজায় থাকে। বরফের মতো ঠান্ডা সমুদ্রের জল তার চামড়ায় বিঁধছিল, কিন্তু ভিক্টরের বুকের উত্তাপ, তার উরুর স্পর্শ কেনেলিয়ার শরীরজুড়ে এক অনাহূত ঝড় তুলেছিল।
ভয়ে কেনেলিয়ার শরীর শক্ত হয়ে গেল। সে মনে মনে প্রার্থনা করছিল, জ্যাক যেন একবার অন্তত পেছন ফিরে তাকায়! সে যেন জ্যাককে বলতে পারে—আমাকে এখান থেকে নিয়ে যাও!
ঠিক তখনই সমুদ্রের বুক চিরে এক প্রকান্ড ঢেউ আছড়ে পড়ল। সার্ফবোর্ডটি দুলতেই কেনেলিয়া নিজেকে সামলাতে সস্তায় একটু দূরে সরে যাওয়ার চেষ্টা করল।
তক্ষণি পিছন থেকে ভেসে এল ভিক্টরের সেই গম্ভীর, অন্ধকার ও আদেশসূচক কণ্ঠস্বর—
"নড়াচড়া বন্ধ কর।"
কেনেলিয়া নিথর হয়ে গেল। তার পিছন থেকে এক ভারী, শক্ত ও অনমনীয় স্পর্শ তার ভিজা পোশাকের উপর দিয়ে একদম শরীরের গভীর স্পর্শকাতর স্থানে চেপে বসল। পুরো শরীর এক তীব্র, নিষিদ্ধ অনুভূতি ও আতঙ্কে জমে কাঠ হয়ে গেল কেনেলিয়ার।
কেনেলিয়ার ইচ্ছা করছিল ভিক্টর তার চোখ খোলার আগেই যেন সে নিজেকে সরিয়ে নিতে পারে। কিন্তু সে ব্যর্থ হলো। এক অদ্ভুত মোহ ও শৃঙ্খলে সে জমানো বরফের মতো এক জায়গায় স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইল, আর ভিক্টরের সমগ্র অবয়বের সেই শক্ত ও পুরুষালী উপস্থিতির তীব্রতা পর্যবেক্ষণ করতে লাগল।
যখন সে কেনেলিয়ার আরও কাছে চলে এল, তখন কেনেলিয়ার শরীরের একদম গভীর থেকে এক অবাধ্য ও তীব্র উত্তাপের জোয়ার জেগে উঠল।
হৃদপিণ্ড যেন বুকের খাঁচা ভেঙে বেরিয়ে আসতে চাইছিল কেনেলিয়ার। তার মনে পড়ে গেল গত রাতের কথা। গত রাতে সে এক উন্মাদ কামনাময় স্বপ্ন দেখেছিল। আর আজ, এখন—সেই পুরুষটির কঠিন অনমনীয় শরীর আর উত্তপ্ত উপস্থিতি চেপে বসেছে তার দুই উরুর ঠিক মাঝখানে!
কেনেলিয়া তো এক সদ্য বিবাহিত বধূ! আজ তাদের মধুচন্দ্রিমার মাত্র দ্বিতীয় দিন! অথচ, এই শুভমুহূর্তে সে তার নিজের শ্বশুরের প্রদীপ্ত ও সুগঠিত শরীরের নিষিদ্ধ ছোঁয়ায় নিজেকে সম্পূর্ণ বিলীন করে দিচ্ছে, শিহরিত হচ্ছে!
"আমি কি তবে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছি?" কেনেলিয়া মনে মনে ডুকরে উঠল। "আমি কি এসব সত্যি কল্পনা করছি, নাকি এই পুরুষটি সত্যি সত্যিই মুহূর্তে মুহূর্তে আমার শরীরের আরও গভীরে নিজের প্রভাব বিস্তার করছে? সব কি কেবল আমার কারণে হচ্ছে?"
এই নিষিদ্ধ অপরাধবোধ ও গোপন বাসনার চিন্তা তাকে তীব্রভাবে উত্তেজিত করে তুলছিল। অথচ তার স্বামী, জ্যাক—এখান থেকে মাত্র দশ ফুট সামনে সমুদ্রের জলে ভাসছে, আর সে কিছুই টের পাচ্ছে না!
জ্যাক সামনে থেকে দূর থেকে চেঁচিয়ে বলল, "ড্যাড, আমি আরও দ্রুত যাচ্ছি! সামনের বিশাল ঢেউটার ওপর ওকে নিয়ে যাও!"
কেনেলিয়ার ভেতরে অনুশোচনা আর পাপবোধের বিশাল এক পাথর চেপে বসল, অথচ তার সাথেই মিশে গেল এক আদিম উন্মাদনা।
জ্যাক তো চিরকাল তার প্রতি দয়ালু ও ভালো ছিল। কেনেলিয়া এতদিন ধরে চেষ্টা করেছে একজন নিখুঁত প্রেমিকা হতে, আর এখন সে চেয়েছিল একজন আদর্শ স্ত্রী হতে...।
কিন্তু গত রাতের স্মৃতির কথা চিন্তা করতেই তার হাত কাঁপতে লাগল। শয়নকক্ষে যখন কেনেলিয়া জ্যাকের দিকে ব্যাকুল হয়ে এগিয়ে গিয়েছিল এবং বলেছিল, "জ্যাক, আমার বাঁধন খুলে দাও... আমি সর্বতোভাবে তোমার স্ত্রী হতে চাই...।"
জ্যাক তখন কেবল দীর্ঘশ্বাস ফেলে মাথা নিচু করেছিল। আঘাত আর অনুশোচনায় ভরা গলায় বলেছিল, "আমি দুঃখিত কেনেলিয়া... তুমি যা চাও, আমি তা তোমাকে দিতে অক্ষম...।"
বিয়ের তিন বছর অতিক্রান্ত হলেও কেনেলিয়া আজ পর্যন্ত কুমারীই রয়ে গেছে। পরে সে জানতে পেরেছিল, জ্যাক কেবল বিবাহিত নারীদের প্রতিই আকর্ষিত হয়। কেনেলিয়া ছিল তার জন্য কেবল একজন আদর্শ ও নিখুঁত স্ত্রীর সুন্দর মুখোশমাত্র!
চিন্তাগুলো মাথায় আসতেই কেনেলিয়া তার দাঁতে দাঁত চাপল। তার কাঁপতে থাকা হাত দুটো নিজের ভেজা চামড়ার ওপর ছোঁয়াতেই এক তীব্র শূন্যতা আর জ্বলন পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ল। সে যত নিজেকে সামলাতে চাইছে, তত যেন ভেতরে ভেতরে আরও শূন্য হয়ে পড়ছে। তার নিজের আঙুলও আজ তাকে তৃপ্তি দিতে ব্যর্থ।
কেনেলিয়ার চোখের সামনে ভেসে উঠল সুইমিং পুলের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ভিক্টরের সেই বিশাল ও শক্ত শরীরের প্রতিচ্ছবি। পাথরের স্তম্ভের সাথে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা চন্দ্রালোকিত রাতের সেই দৃশ্য—ভিক্টরের ঘন গভীর শ্বাস আর পশুর মতো গর্জন...!
কেনেলিয়ার ভেতরের আগুন যেন সমস্ত সীমা ছাড়িয়ে জ্বলতে লাগল। সে জানত এটা অন্যায়, মহা পাপ! কিন্তু সে নিজেকে রুখতে পারছে না। সে তার চোখ তুলে ভিক্টরের সেই গম্ভীর, কঠোর আর মনোযোগে ভরা মুখের দিকে তাকাল। ভিক্টরকে দেখে মনে হচ্ছে সে সত্যিই খুব গুরুত্ব দিয়ে কেনেলিয়াকে সার্ফিং শেখাচ্ছে।
ভিক্টর কেনেলিয়ার খুব কাছে মুখ নামিয়ে নিচু, গমগমে গলায় বলল—
"স্থির হয়ে দাঁড়া। আমার ছন্দের সাথে নিজেকে মেলা এবং তোর সম্পূর্ণ ভর আমার ওপর ছেড়ে দে।"
ঠিক তখনই সমুদ্রের আরেকটা বিশাল প্রকাণ্ড ঢেউ এসে তাদের সার্ফবোর্ডে আছড়ে পড়ল।
কেনেলিয়া তার শরীরের ভারসাম্য হারিয়ে হপেছনের দিকে পড়ে গেল। তার নিতম্ব ও কোমর গিয়ে তীব্র বেগে আঘাত করল ভিক্টরের দুই উরুর শক্ত ও উত্তপ্ত ভিত্তিমূলে।
ভিক্টরের বিশাল ও বলিষ্ঠ হাত দুটো মুহূর্তেই কেনেলিয়ার কোমর শক্ত পেঁচিয়ে ধরল। কেনেলিয়া অনুভব করল, ভিক্টরের বুকের ধুকপুকানি আর তার নিজের হৃদস্পন্দন এক হয়ে গেছে।।

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 1 শেষ করেছেন।

উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন