ফন্ট সাইজ:
থিম:
সেদিন দেখা হয়েছিলো

পর্ব 1

লেখক: রিয়া

আজকে আমি অনেক খুশি,,,,।
কারণ আমি আমার বান্ধবী সাথে ঘুরতে যাবো,,,🥳😊
আমি এখন রেডি হয়ে যাবো।
১০মিনিট পর,,,,,,
আমি রেডি...🤗
এখন নদী পাড় হয়ে সদরঘাটে এসেছি।এখন অপেক্ষা করছি আমার শয়তান বান্ধবীদের জন্য,,,
ও আমার পরিচয় দেওয়া ভুলে গেলেম,,,😅
আমি রিয়া, আমার আব্বু নাম রফিকুল ইসলাম, আম্মু নাম কাজল আর আমার একটা ছোট্ট ভাই নাম মাহিন।
আর আমি s.s.c দিছি কিছু দিন আগে। এখন রেজাল্ট দিতে অনেক দেড়ি সেজন্য আমরা বান্ধবীরা plan করছি ঘুড়তে যাওয়ার।
এখন গল্পে ফেরা যাক,,,,,,
এই কে কে,,,,,।
কে যেন আমার চোখ ধরছে।
পেছনে ঘুড়তে আমি চমকে গেলাম।কারণ আমার তিন বান্ধবী মেকাপ সুন্দরী হয়ে এসেছে আমি কিন্তু মেকাপ সুন্দরী হয়ে আসিনি, জাষ্ট মুখে ফেন্স পাউডার চোখে কাজল আর ঠোঁটে লিপবাম। আর এরা পুরো মুখে মেকাপ দিয়ে আসছে এই গরমে। আর যে আমার চোখ ধরে ছিলো সে আমার বেষ্ট ফ্রেন্ড লামিয়া।

-এই তোদের আসতে এতক্ষণ লাগলো কেন?😠😠

-কই আমরা তো ঠিক সময়ে আসছি, তুই তাড়াতাড়ি আসছোছ।😉

-কী আমি তাড়াতাড়ি আসছি,,, 🤨😑

-তোদের মনে নাই ৩:০০ টার দিকে আসার কথা ছিলো আর তোরা আসছোছ কত তে ঘড়ি দেখ।😒

-আচ্ছা, এ সব বাদ দে চল যাওয়া যাক🙂

-কেন বাদ দেবো😤

-আহা চল তো এখন দেরি হয় না,,,🙂

-কিন্তু,,,

-কোনো কিন্তু না চল।

তারপর কী আমরা রিকশা করে ঢাকার মধ্যে অনেক জায়গায় ঘুড়ছি। আমাদের ঘুরতে ঘুরতে সন্ধ্যা ৭টা বেজে গেছে। আমরা ধানমন্ডী সেখানে একটা রেস্টুরেন্টটে খাবার খেয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে এখন রাস্তায় হাটতাছি।

রাস্তায় হাটার সময় আমাদের একটা সুন্দর জায়গায় চোখ যায় তো কী, আমরা ছবি তুলতে লেগে পরলাম।আমরা মেয়ে মানুষ ছবি না তুলে কী থাকা যায়। ছবি তুলতে এতোই মগ্ন ছিলাম যে আমি কীভাবে যেন বান্ধবীদের থেকে আলাদা হয়ে গেলাম।

*

আমি পেছনে ঘুড়তেই দেখাম সেখানে কেউ নেই।

আমি: হায় আল্লাহ আমার বান্ধবীরা কই, সেখানে আশে-পাশে খুজতে লাগলাম।

না আমার বান্ধবী একটাও নাই, এখন আমি কী করুম। আমার কান্না আসতাছে। ব্যাগ আর মোবাইল টাও নেই। এখন আপনাদের মনে প্রশ্ন থাকতে পারে আমি তো ছবি তুলতে তুলতে হাড়াইছি তো আমার কাছে মোবাইল থাকবে,,,
,,,,,কিন্তু,,,,
আপনাদের বলদি আমি আমার ব্যাগ আর মোবাইল আমার বান্ধবীর হাতে দিয়ে বান্ধবী থেকে ছবি তুলাছিলাম।
সেখানে মানুষজন ছিলো অনেক সেই মানুষ জনের ভিতরে কীভাবে যে হারায় গেলাম বুঝলামও না,,,,, 😢😢😢

আমি: এখন আমি কী করব,আল্লাহ কেন যে বাসা থেকে বের হতে গেলাম। হে আল্লাহ একবার বাসায় পৌছায় দেও আর জীবনেও বান্ধবীদের সাথে বের হবো না ইনফেক্ট বাসা থেকে বের হবো না।,,,,,,,,,,, ( মনে মনে )

না,দাড়াইয়া থাকলে হবে না কারো থেকে ফোন নিয়ে বাসায় ফোন দিতে হবে। সামনে হাটতাছি যদি কোনো মানুষের দেখা পাই,,,,,,,,,,,,,

আমি: দূর,কত সময় ধরে হাটতাছি একটা মানুষও এখন চোখে পরতাছে না একটু আগে কত মানুষ আর এখন মন চাইতাছে মাথা ফাটাইয়া ফেলাই। কী করুম এখন আমি আর একটু সামনে যেতেই কয়েকজনরে দেখতে পেলাম,,,,,,,,,,,,

আমি: অবশেষে আল্লাহ তুমি আমার সাহায্য করলে।( মনে মনে )

আমি যেয়ে একটা মহিলা থেকে তার ফোনটা চাইলাম।

আমি: আন্টি, আপনার ফোনটা কী একটু দেওয়া যাবে, আমি একটু বাসায় ফোন দিতাম।🥺

মহিলাটি: না, ফোন দেওয়া যাবে না।

আমি: আন্টি প্লিজ দেখেন আমি হারাইয়া গেছি আমার কাছে ফোন টাকা কিছু নাই সেজন্য আপনার থেকে ফোনটা চাচ্ছি। শুধু একটা ফোন দেবো।

মহিলাটি: বলছি তো দেওয়া যাবে না।
বলেই মহিলাটা চলে গেলেন। একবার ভাবলেনও না পেছনে মেয়েটার কী হবে।

হায়রে মানুষ একটু মায়া হলো না আমার জন্য।
আমি কান্না করে দিলাম। না এই দুনিয়া কেউ ভালো না,কেউ কারো সাহায্য করে না। কান্না করতে করতে সামনে যেতে লাগলাম আরো কয়েকজনরে দেখতে পেলাম তাদের কাছে গেলাম তারাও ফোন দিলো না।না,,,, কেউ এই দুনিয়া কারো সাহায্য করে না। আমি যে কান্না করে তাদের থেকে ফোন চেলাম কিন্তু না তাদের আমার উপর মায়া হলো না।😭😭😭😭😭

আমি আর কারো থেকে ফোন চাওয়া আসা ছেড়ে দিলাম।

তো কী সামনে যেতে লাগলাম। মানুষজন আসতে আসতে কমতে লাগলো, এ রাস্তায় কোনো দোকানও নেই যে কোনো সাহায্য চাইবো বা কয়টা বাজে তা জানতে পারবো।সেই কতক্ষণ ধরে হাটতাছি আর পারতাছি না পা ব্যথা করতাছে। রাস্তার একপাশে বসলাম, চারিদিকে চোখ বুলাচ্ছি বিশাল বড় রাস্তায় আশেপাশে কোনো বাসা-বাড়ি ও দোকানও নেই। কোনো মানুষ নেই একদম নিরিবিলি রাস্তা।

না আর কান্না আটকানো যাচ্ছে না কাঁদতে লাগলাম। অনেক সময় কান্না পর আবার হাটা শুরু করলাম। এখন কোনো রকম সদরঘাট পর্যন্ত যেতে পারলে হলো। হাটতে - হাটতে অনেকটা সামনে এসে পরছি।এমা এরা কারা

আমি: এই রাস্তার পাশে এই ছেলে গুলো কী করে। হে আল্লাহ আমার সম্মান রক্ষা কইরো।( মনে মনে )

সামনে দিকে আবার তাকাতেই দেখলাম ছেলেগুলো এদিকে আসতাছে।

আমি: হে আল্লাহ এখন আমি কী করব, এখন যদি কোনো কিছু হয়ে যায় আমার সাথে,,,,,,,,,,,
না এখানে দাড়িয়ে থাকলে হবে না পালাতে হবে। নিজের সম্মান রক্ষা জন্য দৌড়াতে হবে। পেছনে দিকে ঘুরে দিলাম দৌড়,,,,,,,,,,,
কিছু সামনে আসতেই দাড়িয়ে পেছনে তাকালাম দেখার জন্য ছেলেগুলো পেছনে আছে কী-না।

এমা এরা তো আমার পেছনে। এখন আমি কী করব, না দাড়াইয়া না থাইকা দৌড় দি।
যেই দৌড় দিতে গেলাম আমার হিজাব ধরে টান দিলো, যার কারণে আর সামনে এগোতে পারলাম না।

এখন কী করবো আমি, কীভাবে নিজের সম্মান রক্ষা করবো।

হে আল্লাহ একটা পথ দেখাও😣😣😣😣

সবাই ভালো লাগলে বলবেন প্লিজ এবং
আশা করি আপনাদের শুভকামনা পাবো।
যাতে নতুন লেখিকা হিসাবে লিখতে পারি।
🥰🥰

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 1 শেষ করেছেন।

উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন