ফন্ট সাইজ:
থিম:
#:তবুও_তোমার_প্রেমে_ আমি _পড়েছি

পর্ব 13

লেখক: #লেখনীতে:অধরা মিনহা

— দোস্ত, আমার জামাই আমাকে রেখে পরকীয়া করছে! বাইরে প্রেমিকা নিয়ে ঘুরে বেড়ায়! আমি ওই কুত্তাটাকে আর সহ্য করতে পারছি না। আজকেই ওই শালাকে কে*টে*
পিস পিস করবো! আমি রান্নাঘরে যাচ্ছি ছুরি আনতে। তুই জলদি আয়! আজ দুজন মিলে ওই জানোয়ারের পরকীয়া করার যে সুড়সুড়ি উঠেছে, তা চিরতরে নিভিয়ে দেব!

রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে কথাগুলো বলে নৌশি। নৌশির কথা শুনে ফোনের ওপাশে থাকা সাবা স্তব্ধ হয়ে যায়। কয়েক মুহূর্তের জন্য তার ভাষাই হারিয়ে ফেলে। তারপর নিস্তব্ধতা ভেঙে সাবা উদ্বিগ্ন কণ্ঠে বলে,
— নৌশি, মাথা ঠান্ডা কর, দোস্ত! আর আমাকে বল, কী হয়েছে!

নৌশি কয়েকবার জোরে জোরে শ্বাস নেয়। কিন্তু তাতেও তার রাগ কমে না। উল্টো রাগে গজগজ করতে করতে বলে,
— আমি মাথা ঠান্ডা করতে পারতেছি না! আমার কুত্তা জামাইয়ের আমার মতো একটা সুন্দর বউ বাড়িতে রেখে পরকীয়া করার সুড়সুড়ি ওঠে কীভাবে?

সাবা এবার একটু নিজেকে সামলে নিয়ে জিজ্ঞেস করে,
— তুই কি সরাসরি দেখে ফেলেছিস? নাকি মোবাইলে কোনো চ্যাট...

— লিলি ফুল এনেছে!

কথাটা বলেই নৌশির দৃষ্টি আটকে যায় সোফার ওপর রাখা লিলি ফুলের বুকেটটার দিকে। কিছুক্ষণ আগেই রুদ্রিক বাইরে থেকে ফিরে রুমে এসে হাতে থাকা লিলি ফুলের বুকেটটা সোফায় রেখে সোজা ওয়াশরুমে চলে যায়। এখনো ফুলগুলো সেখানেই রাখা। সেগুলোর দিকে তাকিয়ে নৌশির শরীর রাগে জ্বলে যাচ্ছে! ওদিকে সাবা যেন আকাশ থেকে পড়ে। চরম বিস্ময় নিয়ে বলে উঠে,
— কীইই! লিলি ফুল আনাতে পরকীয়ার কী হলো?

নৌশি স্বাভাবিক গলায়ই বলে,
— উনি লিলি ফুল এনেছেন ওনার পরকীয়া প্রেমিকার জন্য! এখন আবার গেছেন গোসল করতে। গোসল করে মাঞ্জা মেরে পরকীয়া প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে যাবেন। আর লিলি ফুলও এনেছেন সেই পরকীয়া প্রেমিকার জন্য!

সাবা কয়েক সেকেন্ড চুপ থেকে বলে,
— লিলি ফুল কার পছন্দ? অফকোর্স তোর! ফুল তোর জন্য এনেছে বলদ!

নৌশি বিরক্তি নিয়ে বলে,
— আমার জন্য আনেনি! উনি তো জানেনই না যে আমার লিলি ফুল পছন্দ। আমিই তো বলিইনি!

— তাহলে?

— তাহলে আবার কী? লিলি ফুল ওনার পরকীয়া প্রেমিকার পছন্দ! উনি একটু পর সেই প্রেমিকার সাথে ডেটে যাবেন! না এটা জীবনেও হবে না। আমি আজ ওনার আকাশছোঁয়া উত্তেজনা কমিয়ে দেব!

— নৌশিইইহহ! কী করবি তুই?

— যেটা বলেছি, সেটাই! তুই জলদি আয়!

কথাটা বলেই নৌশি ফোন কেটে দেয়। তারপর রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে আবারো ফুলের বুকেটটার দিকে তাকায়। তার সহ্য হচ্ছে না ফুলটা। মনে মনে ভাবে,
— তাহলে ঘুম থেকে উঠেই প্রেমিকার জন্য ফুল আনতে যাওয়া হয়েছে! এদিকে আমি অসুস্থ, সারারাত জ্বরে পুড়েছি। অথচ আমার জন্য কিছু আনার কথা একবারও মনে হয়নি!

কথাটা মাথায় আসতেই নৌশির বুকের ভেতর ঈর্ষার আগুন আরো দাউদাউ করে জ্বলে উঠে। রুদ্রিক তাকে রেখে অন্য একটা মেয়ের জন্য ফুল এনেছে কথাটা ভাবতেই নৌশির সমস্ত রাগ গিয়ে পড়ে ফুলগুলোর ওপর।অথচ এই লিলি ফুলই নৌশির সবচেয়ে প্রিয় এবং একমাত্র প্রিয় ফুল! যে ফুল দেখলে অন্যসময় তার মন ভালো হয়ে যেত আজ সেই ফুলই তার চোখে বিষের মতো ঠেকছে। প্রচন্ড ক্ষোভে উঠে দাঁড়ায়। তারপর সোফার কাছে গিয়ে সোফার ওপর থেকে বুকেটটা তুলে নিয়ে রাগের চোটে ফুলগুলো হাত দিয়ে পিষে ফেলতে উদ্যত হয়।

কিন্তু পরমুহূর্তেই কেউ একজন ছোঁ মেরে নৌশির হাত থেকে ফুলের বুকেটটা কেড়ে নেয়। নৌশি মুখ তুলে তাকাতেই দেখে, রুদ্রিক। রুদ্রিক ভ্রু কুঁচকে অবাক চোখে নৌশির দিকে তাকিয়ে বলে,
— জ্বরে কি মাথা গেছে? ফুল নষ্ট করছো কেন?

নৌশি এক কদম এগিয়ে আসে। রেগে হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলে,
— হ্যাঁ, গেছে মাথা আমার! দিন আমাকে! আমি ছিঁড়ে লন্ডভন্ড করে ফেলবো!

রুদ্রিক বুকেটটা নিজের পেছনে সরিয়ে নিয়ে গম্ভীর গলায় বলে,
— না, দেব না।

নৌশির রাগ আরো বেড়ে যায়। ফুঁসে উঠে জিজ্ঞেস করে,
— কোন মেয়ের জন্য আপনি ফুল কিনেছেন? আবার সেটা আমাকে ধরতেও দিচ্ছেন না?

রুদ্রিক একদম নির্লিপ্ত। ঠান্ডা গলায় বলে,
— যার জন্যই কিনি না কেন, তোমাকে বলব কেন? তুমি কে?

কথাটা শুনে নৌশি এক মুহূর্তের জন্য থমকে যায়। তারপর সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে বুকে হাত গুঁজে ঠোঁটের কোনে শয়তানি হাসি ফুটিয়ে বলে,
— আমি সেই, যার পা কালকে সারারাত বসে আপনি টিপেছেন!

কথাটা শুনে রুদ্রিক আকাশ থেকে পড়ে। গত রাতে জ্বরের ঘোরে নৌশি পায়ে ব্যথা হচ্ছে বলেছিলো। তখন নৌশির কষ্ট সহ্য করতে না পেরে রুদ্রিক নৌশির পা টিপে দিয়েছে। আর এখন নৌশি এভাবে সবার সামনে বলার হুমকি দিচ্ছে?! এ কেমন মেয়ে!

রুদ্রিক মুখ গম্ভীর করে বিরক্তি নিয়ে বলে,
— কত বড় অমানুষ তুমি! কালকে রাতে জ্বরের ঘোরে পায়ে ব্যথায় কাঁদছিলে! তাই টিপে দিয়েছিলাম। খবরদার, যদি তুমি কাউকে এই কথাটা বলেছ!

শেষের কথাটা রুদ্রিক দাঁতে দাঁত চেপে বলে। নৌশি ঠোঁটের কোনের হাসিটা আরো চওড়া করে বলে,
— তাহলে তাড়াতাড়ি বলুন, কার জন্য ফুল এনেছেন? নয়তো আমি সবাইকে বলে দেব, আপনি কালকে সারারাত আমার পা টিপেছেন!

রুদ্রিক অসহায় চোখে নৌশির দিকে তাকিয়ে থাকে। ভালো করতে গিয়ে নিজেই যে এমন বাঁশ খাবে, তা কি সে ঘুণাক্ষরেও ভেবেছিল? আর এখন তো এই মেয়ে রীতিমতো তাকে ব্ল্যাকমেইল করছে! একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে রুদ্রিক গম্ভীর কণ্ঠে বলে,
— তোমার জন্যই এনেছি। খুশি?

নৌশি ভ্রু কুঁচকে সন্দেহের চোখে তাকায়। তারপর মুখ বাঁকিয়ে বলে,
— আমার জন্য আনেননি, আমি জানি। আমার জন্য আপনি ফুল আনবেন, এটা অসম্ভব! তাড়াতাড়ি বলুন, কার জন্য এনেছেন!

নৌশির এমন অবিশ্বাস দেখে রুদ্রিকের বিরক্তি আরো বেড়ে যায়। বিরক্ত মুখে বলে উঠে,
— আমার প্রেমিকার জন্য এনেছি!

কথাটা শুনে নৌশির চোখ কপালে উঠে যায়। বলে,
— কত বড় জানোয়ার আপনি! ঘরে এত সুন্দর একটা বউ রেখে আবার প্রেম করেন!

নৌশির কথা শুনে রুদ্রিক অবাক হওয়ার ভান করে আশপাশে তাকাতে তাকাতে বলে,
— সুন্দর বউ? কোথায়? কাউকে দেখছি না তো!

কথাটা বলতে বলতে রুদ্রিক এমনভাবে চারদিকে খুঁজতে থাকে যেন সত্যিই সুন্দর বউ খুঁজছে। নৌশি কপাল কুঁচকে বলে,
— আপনি আমাকে দেখছেন না?

রুদ্রিক এবার নৌশির দিকে তাকিয়ে নির্বিকার ভঙ্গিতে বলে,
— তোমাকে তো দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু সুন্দর বউ বললে, তাই খুঁজছিলাম সুন্দর বউ কই!

কথাটা শুনে নৌশি রেগে দাঁত কিড়মিড় করে বলে,
— আল্লাহ! এই শয়তানটার ওপর গজব ফালাও!

রুদ্রিকও কম না। সাথে সাথে নির্লিপ্ত কণ্ঠে বলে,
— তুমি গজবের থেকে কোনো অংশে কম না। বরং তার চেয়ে বেশি।

নৌশি চোখ রাঙিয়ে বলে,
— আপনি সত্যি করে বলুন, কার জন্য ফুল এনেছেন? নয়তো...

— কী নয়তো?

নৌশি হালকা হেসে বলে,
— যাচ্ছি আমি আপনার বাবা-মাকে বলতে, ওনাদের আদরের ছেলে কালকে সারারাত আমার পা টিপেছে!

এবার আর রুদ্রিক কিছু বলে না। এই মেয়েকে সামলানো যে তার সাধ্যের বাইরে, তা সে বেশ ভালোই বুঝতে পারছে। অবশেষে হার মেনে বলে,
— সত্যি তোমার জন্য এনেছি।

নৌশি চোখ ছোট ছোট করে তাকায়।
— আমি বিশ্বাস করব কেন?

রুদ্রিক বিরক্তি চেপে শান্ত গলায় বলে,
— কারণ লিলি তোমার পছন্দ।

কথাটা শুনে নৌশি থমকে যায়। নৌশির চোখেমুখে সন্দেহের পাশাপাশি বিস্ময়ও ফুটে উঠে।
— আপনি জানলেন কীভাবে লিলি ফুল আমার পছন্দ? আপনাকে তো আমি কখনো বলিনি!

প্রশ্নটা শুনে রুদ্রিকের মুখ মুহূর্তেই চুপসে যায়। চেহারার রঙ বদলে যায়। চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়ে গেছে। কিছুক্ষণ থেমে আমতা-আমতা করে বলে,
— বলেছিলে ওইদিন!

— কোনদিন?

রুদ্রিক হঠাৎ বলে উঠে,
— কালকে রাতে! জ্বরের ঘোরে বলেছিলে!

নৌশি এখনো সন্দেহ নিয়ে জিজ্ঞেস করে,
— সত্যি তো!

রুদ্রিক এবার মুখ ঘুরিয়ে অন্যদিকে তাকিয়ে বলে,
— না, মিথ্যা। বিশ্বাস করলে করো, না করলে নাই!

নৌশি আর কথা বাড়ায় না। হাত বাড়িয়ে বলে,
— আচ্ছা, দিন তাহলে ফুলটা।

রুদ্রিক ফুলের বুকেটটা দেওয়ার আগে আঙুল তুলে শান্ত গলায় জিজ্ঞেস করে,
— ছিঁড়বে না ওকে?

নৌশি মাথা নেড়ে বুঝায়,
— আচ্ছা।

রুদ্রিক এবার ফুলের বুকেটটা নৌশির হাতে তুলে দেয়।
ফুল হাতে পেয়েই নৌশির মুখটা আনন্দে ঝলমল করে উঠে। ঠোঁটের কোনে ফুটে উঠে এক মিষ্টি হাসি। বুকেটটা দুহাতে ধরে ফুলগুলোর দিকে মুখ ঝুঁকিয়ে চোখ বন্ধ করে গভীরভাবে ঘ্রাণ নেয়। আহ্! কত দিন পর নিজের প্রিয় ফুলের ঘ্রাণ নেওয়া! লিলি তার একমাত্র পছন্দের ফুল। স্কুলে পড়ার সময় টিফিনের টাকা জমিয়ে জমিয়ে সে লিলি ফুল কিনতো। অবশ্য ইচ্ছেমতো কিনতে পারতো না। ফুলগুলো যে বড্ড দামি!

তাই ভোজনরসিক নৌশিও নিজের খাবারের টাকা বাঁচিয়ে অল্প অল্প করে টাকা জমাত, শুধু একটা প্রিয় লিলি ফুল কেনার জন্য। সেই ফুল আজ তার হাতে! তাও আবার রুদ্রিক এনে দিয়েছে! নৌশির আচমকাই অনেক খুশি লাগছে। শুধু যে ফুলের জন্য তা না। নৌশিকে ফুল পেয়ে খুশি হতে দেখে রুদ্রিকের ঠোঁটের কোনেও অজান্তেই হালকা হাসি ফুটে উঠে।

নৌশি ফুলের মুগ্ধতা কাটিয়ে মুখ তুলে রুদ্রিকের দিকে তাকাতেই রুদ্রিক দ্রুত মুখের হাসি সরিয়ে মুখ স্বাভাবিক করে নেয়। নৌশি হাসি দিয়েই বলে,
— থ্যাংক ইউউউ, রুদ্রিক চাচ্চু!

রুদ্রিক ভ্রু কুঁচকে নৌশির দিকে তাকায়। তারপর বিরক্তি নিয়ে বলে,
— তুমি মারাত্মক রকমের বিরক্তিকর!

কথাটা বলেই রুদ্রিক হেঁটে বিছানার দিকে চলে যায়। রুদ্রিককে রেগে যেতে দেখে নৌশি সেখানে দাড়িয়ে থেকেই দুষ্টুমি করে বলে,
— রাগ করেছেন চাচ্চু বলছি বলে?

রুদ্রিক বিছানায় বসতে বসতে খিটখিটে গলায় বলে,
— বাপ, চাচা, নানা, যা ইচ্ছা ডাকো! তোমার মতো পাগল-ছাগলের সাথে কথা বলে লাভ নেই।

নৌশি হাসতে হাসতে গিয়ে রুদ্রিকের পাশে বসে পড়ে।
তখনি বেজে উঠে নৌশির ফোন। ফোনের স্ক্রিনে তাকিয়ে দেখে, সাবা কল দিয়েছে। নৌশির মনে পড়ে যায়, সে সাবাকে সে কি বলেছে! নিশ্চয়ই সাবা দৌড়ে আসছে। নৌশি কল রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে রাস্তার চিল্লাচিল্লির শব্দ হয়। সাবা বিচলিত কণ্ঠে বলে উঠে,
— নৌশি, তুই কল ধরছিস না কেন? কতগুলো কল দিচ্ছি! তুই উল্টাপাল্টা কিছু করিসনি তো?

নৌশি হেসে কোলে রাখা ফুলের বুকেটটার দিকে তাকিয়ে বলে,
— না, কিছু করিনি। আর শোন, তোর আসতে হবে না।

সাবা অবাক হয়ে বলে,
— মানেহহহ?

নৌশি সোজাসাপটা বলে,
— ঘোড়ার ডিম। ফোন রাখ।

কথাটা বলেই নৌশি কল কেটে দেয়। নৌশি কল রাখতেই রুদ্রিক ভ্রু কুঁচকে জিজ্ঞেস করে,
— কে আসছে?

নৌশি স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বলে,
— সাবাকে আসতে বলেছিলাম। লাঞ্চ করতে এখানে।

— তাহলে এখন মানা করছ কেন?

নৌশির শয়তানি হেসে বলে,
— লাঞ্চ আপনাকে বানাতাম! হিহিহিহি!

রুদ্রিক কয়েক মুহূর্ত নৌশির দিকে তাকিয়ে থেকে বলে,
— মানে?

— ভেবেছিলাম আপনি অন্য কারোর জন্য ফুল এনেছেন! তাই সাবাকে ডেকেছিলাম। তারপর দুজন মিলে আপনাকে কেটে রান্না করতাম!

রুদ্রিক চরম আশ্চর্য হয়ে বলে,
— Seriously? I can't believe this! You're such a mad person, Nabiha!

চলবে?

[ গল্প ছোট দেওয়ার জন্য সরি। কিন্তু ইদানীং যে প্যারার মধ্যে আছি, আপনারা তো দেখতেই পাচ্ছেন! লিখব, নাকি চোরগুলোকে শিক্ষা দিবো? আবার আমার ব্যক্তিগত জীবনও আছে! তবে যেহেতু পর্বটা ছোট হয়েছে, তাই সরি, সরি, সরি। ]

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 13 শেষ করেছেন।

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন