রাত-
কিরে ননদী কি করো মেহের লাফিয়ে ওঠে বেচারি ভয় পায়ছে কককিছু না বাল এমন ভাবে আসছো ভয় পাইছি আচ্ছা থাক হেডা শুন আজকে আমি তোর সাথে থাকবো কেন ভাইয়ার সাথে থাকো না থাকবো বাল বেশি কথা বলিস না চ*দে দিবো, তোমার dhn আছে নি ভাবী, কেন শশা আছে এহহ এমন সময় শ্রাবণ আশে নূর এখানে কি করছো
নূর : আমি ওর সাথে ঘুমাবো আপনার সাথে ঘুমাবো না, কেন তারাতাড়ি আসো নাহলে কোলে তুলে নিয়ে যাবো, আমি বলছি না যে যাবো না এদিকে শ্রাবণ রাগে ফুসছে, মেহের নূরের কানে কানে বলল : ভাবী তুমি যাও, কেন আমি তোর ঘরে থাকলে সমস্যা নাকি, আরেহহ না দেখো তোমার জামাই কিভাবে ফুসছে সাপের মতো এমন সময় শ্রাবণ মেহের কে বলল: আমার জন্য কফি নিয়া আশ, আচ্ছা ভাইয়া ও যাওয়ার সাথে সাথে শ্রাবণ নূর কে কুলে তুলে নিলো নিয়ে ঘরে নিয়ে গলো, আরেহহ নামান, তহন কম দিয়ে ফেলছিলাম তাই নাহ দারা এখন এমন অবস্থা করব আর আমার থেকে দূরে আর আনার কথা অমান্য করবি না বলে নিজের শাটের বুটাম খুলতে খুলতে এগোতে থাকলো তারপর নূর এর জামাটা খুলে ফেলল তারপর তার (BOOB) এ হাতদিয়ে চাপ দিলো তারপর আরেকটা মুখে নিলো চাট* চাট+ কামড় দিয়ে দিলো নূর: আহহ তারপর আস্তে আস্তে নিচে নামলো ওর সেলেওয়াটা খুললো শ্রাবণ এর পেন্ট খুলতে না খুলতে তার পুরুষত্ব দাড়িয়ে শক্ত হয় আছে 9 icn তা দেখে নূর বলল সেদিন দেখলাম 8 এখন 9 আল্লাহ আমি নিবো না আমি মার কাছে যাবো আমাকে ছেড়ে দিন আমি তো এখনো আসল খেলা শুরু করলাম না তার আগেই এমন বাহ বাহ তা বলে নূর পা ফাক করে একটা ধাক্কায় পুরুটা ঢুকায় বেচারি নূর : আল্লাহ এবার বাচবো না মনে হয় আহহ মাগো,,বাচাওও। এই চুপ থাক এইবলে জোরে জোরে দেয় অনেক আগের থেকে নূর এর ব্লাড বের হয়ছে তাও ছাড়ে নাই পুরুষত্ব টাও ব্লাডে লাল হয়ে গেছে তবে তাও ছাড়ে নাই একটু অফ রেখে নূর কে বলল: এরাতো ঘাট আমার জোরে ভেংগে যাবে তাতে নিচে যাই, কিহহহ না আর না আমি পারটাছি না তবে কে শুনে কার কথা ওটা ভিতরে রেখেই ফ্লোরে নিয়ে গেলো তারপর অনেক জোরে জোরে ঠাপরায় বেচারি নূর অনেক আগেই জ্ঞান হারিয়েছে তারপর শ্রাবণ নূরের মুখে পানি দেয় নূর চোখ খুলে তবে বসার আগেই শ্রাবণ আরেটা ধাক্কা দেয় জোরে নূর: আল্লাহ গো ছাড়েন তারপর তাদের খেলা শেষ করে গোসল করে নূর ঠিকঠাক হয় নিচে যায় দেখে মেহের নাজিয়া রায়হান মির্জা রেহানা সুলতানা ইশরাক তাসফিয়া বসা তারপর যেয়ে চা বানিয়ে সবার হাতে দেয় রায়হান মির্জা বললেন :মা শ্রাবণ কোথায় নূর : আসতাছে বাবা, ও আচ্ছা বস এদিকে, আচ্ছা বাবা শ্রাবণ নিচে নামে রায়হান মির্জা বললেন : তো আজকে শুক্রবার চলো কোথাও যাওয়া থাক,আচ্ছা বিকেলে সবাই বের হব রেডি থাকবা সবাই তারপর মেহের তাসফিয়া আর নূর বসে গল্প করতেছে তিন জনের ভালেই জমছে তাসফিয়া : ভাবী তুই কোনটা পড়বি ড্রেস, কালো শাড়ি চল আমরা তিন জন কালো শাড়ি পড়ি, হ্যা আইডিয়া সেই আচ্ছা.।
বিকেলে
নূর কালো শাড়ি পড়ছে গায়ের রং দুধে আলতা চুল কোমড় ছাড়িয়ে খুব সুন্দর লাগছে তাকে, শ্রাবণ মনে মনে বলল: মাশাল্লাহ আমার বোকাপরিকে সুন্দর লাগছে নূর কে দেখে সবাই মাশাল্লাহ বলছে তারপর সব বের হয় প্রথম গাড়িতে রায়হান মির্জা, নাজিয়া মেহের তাসফিয়া ইশরাক রেহানা সুলতানা আরেকটায় শ্রাবণ আর নূর শ্রাবণ একটা জঙ্গলে এর মতো জাগায় আসে গাড়ি থাকিয়ে নূরকে বলল: বোকাপরি পিছের ছিটে যাও, কেন, যেতে বলছি যাও তারপর শ্রাবণ ও যায় যেয়েই নূর এর শাড়ির আসলো সরায় নূর কেঁপে ওঠে, আ আরেহ একজাগায় যাবো আমার শাড়ি নস্ট করছেন কে শুনে কার কথা আমার শুরু হয় তাদের খেলা প্রায় ২ ঘন্টা পর ছাড়ে নূর সব ঠিকঠাক করে বেচারি কান্না করছে তারপর তারা গাড়ি নিয়ে যায় পার্কে রায়হান মির্জা : কিরে তদের আসতে দেরি হলো কেন, জেম ছিলো বাবা, ও৷আচ্ছা তারপর তারা ঘুরাঘুরি করার পর রেস্তোরাঁ য় যায় ওখানে খেয়ে দেয়ে আসে নূর প্রথম ই ঘরে যা দেখে শ্রাবণ কে দেখে নূর বলল: আপনি একটু বের হন আমি শাড়ি চেঞ্জ করব, তোহ আমার সামনে করো, না মানে আ আপনার সামনে কেন শ্রাবণ দারায় নূর এর শাড়ির আচল ধরে টান যায় সাথে সাথে শাড়ী খুলে যায় ব্রাউজ টা খুলে শ্রাবণ তারপর বক্ষস্থানে হাত হাতটা আসতে আসতে নিচে নামে গোপন অঙ্ক তে একটা আঙুল ঢোকায় তারপর দুইটা নূর কান্না করছে ব্যাথার কারনে তাদের আমার মিলন হয় শ্রাবণ তার ওটা ভিতরেই রেখে ঘুমাই গেছে সকালে ওঠে নূর ব্যাথায় চোখমুখ কুচকায় যায় শ্রাবণ বলল : দেখছো আমার টা বের হতে চায় নাহ তবে আরেকবার হক খেলা তারপর আবার শুরু প্রায় ৫ ঘন্টা পর ছাড়ছে তারা গোসল মোসল করে বের হয় নূরে হাটতে কস্ট হচ্ছে তারও নিচে যাবে দেখে কস্ট মস্ট করে হাটছে নিচে যাওয়ার জন্য নিচে খাবার টেবিলে নাজিয়া রায়হান মেহের ইশরাক তাসফিয়া রেহানা বসে আছে নূর যপয়ে বসলো ত তার প পর শ শ শ্রাবণ আসে খাবারে পর্ব শেষ করে মেহের আর নূর কলেজে যায় ওখানে ন ন মেহের র আর নূর তারা ফেন্ড সাদিয়া আর মার্জিয়া আগের থেকেই অপেক্ষা করতেছে ক কিরে আমাদের ভুলে গেলি আরেহহ না তোদে র ভুলবো আ র আ ম রা জি ব নে ও না তোরা আমাদের ভুলে গেছোর এহহ মিথ্যা আচ্ছা বাট দে মেহের গান শুনা মেহের : কি গান ওইযে একটা বের হয়ছে না বয়স আমার বেশি না ওটা, আচ্ছা রেডি শুর ধরলো্
পাড়ার লোকে দেখলে পরে সবাই আমায় ঠাট্টা করে বয়স আমার বেশী না প্রেম পিরিতি বুঝিনা
বয়স আমার বেশি না প্রেম পিরিতি বুঝিনা।বন্ধু তোমায় ডাকপারি আমার বাড়ির ঘর খালি
বন্ধু তোমায় ডাকপারি আমার বাড়ির ঘর খালি
আয়রে বন্ধু ঘরে আয় যৌবন আমার ঢেউ খেলায়
আয়রে বন্ধু ঘরে আয় যৌবন আমার ঢেউ খেলায়। হয়ছে এবার সাদিয়া তুই গা নার্গিস আপারগান ই গাবি আচ্ছা দারা,
সাদিয়া শুরু করলে।
বুইড়ায় আকিজ বিড়ি খাইয়া শেষে
খেক্কের খেক্কের কইরা কাশে হাইরে
কাশিতে কাশিতে যাই লুঙ্গি খুলিয়া
বুইড়ার কাশিতে কাশিতে যাই লুঙ্গি খুলিয়া
বুইড়া জামাইর কাছে আমায় বাবায় দিছে বিয়া ( নিজেরা শুনে নিন)
এবার মার্জিয়া বল ওকে শুরু করছি
আগে তো বুঝি না আমি
যৌবনের কি জালা
হাউস কইরা কেন খাইলাম
দুধ ভাত আর কলা
গিলিতে পারলাম না আমি
গিলিতে পারলাম না আমি
ঠেকিলো গলায় রে মেম্বারের পোলায়
আমায় ছক্কা মাইরা দিলো রে মেম্বারের পোলা।
এবার নূর বল নূর: আমি পারি দেখে দেখে বল আচ্ছা দারা তারপর সেও।
এটা পরবর্তী অংশ তে দদিবো
চলবে
(দেরী হয় যা সামনে পরিক্ষা তো তারজন্য তবে তারাতাড়ি দেওয়ার ট্রাই করব আর এটা আরো ডার্ক রোমান্টিক হবে কেমন হয়ছে না কমেন্টে যানাবেন ভুল হলেও বলবেন)