ফন্ট সাইজ:
থিম:
হারানো প্রতিশোধ

পর্ব 1

লেখক: আরিশা নূর

হারানো প্রতিশোধ
পর্ব ১

ওই শালা ধারা দৌড়াস কেন এখন ভয় লাগে আমার
বান্ধবীরে কষ্ট দেওয়ার আগে এটা ভাবস নাই কেন যে তোর কেউ কিছু করতে পারে তোরা যা ভাবিস সেটাই হবে নাকি প্রথমে একটা মেয়ের সাথে ভালো ব্যবহার করস ভালোবাসা দেখাস বেশি বেশি কয়দিন পর মেয়েটার সাথে বাজে ব্যবহার করছ বলোস তোমাকে আমার আর ভালো লাগে না তোমার সাথে আমি ব্রেকআপ করছি আবার বলছ আমার থেকে তুমি ভালো ছেলে পাবে আমি তোমার যোগ্য না আরে শালা তুই যখন জানোস তুই মেয়েটার জন্য যোগ্য না তাহলে আসিস কেন মেয়েটার কাছে শালা তোরা সব পোলারে একরকম। এ কথা বলতে বলতে আরিশা পায়ে জুতা খুলে ছুড়ে মারে দৌড়াতে থাকে ছেলেটার দিকে জুতা দিয়ে লাগে ছেলেটার বামে (পাছা)। তাও ছেলেটা দৌড়ানো থামায়নি এক ধরে চোখের আড়াল হয়ে যায় যতই জুতা মারুক দৌড়ানি দিক একটা মেয়ে কী একটা ছেলের সাথে দৌড়ে পারে ।
বলে জান্নাত তার বান্ধবীর আমি হাসতে লাগলো বৃষ্টি বলে উঠলো যে যাই বলিস যেটা আমরা কল্পনা করি না আরিশা সেটা করে ফেলে ।এ কথা শোনে সবাই বলে ওঠে ঠিক বলেছিস তুই । স্কুল মাঠে বসে সবাই গল্প করছিল হঠাৎ সূচনা বলে উঠে ওই দেখ আরিশা আসছে । সূচনা কথা শুনে সবাই গেটের দিকে তাকায় আরিশা কে দেখতে পেয়ে জান্নাত আরিশার দিকে এগিয়ে যায় বাকিরা আর এগোতে সাহস করে না তারা জানে আরিশার মেজাজ ভালো নেই । এর মধ্যে ফাতেমা বলে ওঠে ভাই যার জন্য ওর মেজাজ খারাপ সেই ওর কাছে গেছে রাগ ভাঙাতে ওর রাগ না ভাঙ্গা পর্যন্ত আমি ওর আশেপাশে নেই। ওরতো মেজাজ খারাপ থাকলে হাত-পা আবার গুলির মত চলে এ কথা শুনে সবাই একসাথে বলে ওঠে আমরাও যাব না জান্নাত আরিশার কাছে এগতে এগোতে বলে ওঠে মামা তোর কি খবর । জান্নাতকে তার দিকে এগোতে দেখে না দেখার ভান করে স্কুলের ভিতরে হাটা ধরে আরিশা । জান্নাত দৌড়ে গিয়ে আরিশা পিঠের উপরে উঠে পড়ে হঠাৎ জান্নাত পিঠে ওঠায় পড়ে যেতে যেতে নিজেকে সামলে নিয়ে বলে ওঠে এ নাম আমার পিঠের থেকে বান্দর । কথাটা বলে আরিশা ধামতে পারিনি এর আগেই জান্নাত তাকে সুরসুরি দেওয়া শুরু করে । সুরসুরি দিতে দিতে বলে ওঠে রাগ করিস না মামা এরপর থেকে তোর কথা আমি শুনবো । এদিকে আরিশা আর পারছে না তার হাসি থামিয়ে রাখতে হাসতে হাসতে নিচে পড়ে যায় উপরে জান্নাত ছিল সেও আরিশার উপর পড়ে যায় । আর এদিকে ওদের দুজনকে পড়ে যেতে দেখে বাকি সবাই হাসতে হাসতে ওদের কাছে এসে দুজন কে মাটি থেকে উঠিয়ে দাঁড় করায় । ওদের সবার এরকম কাণ্ড দেখে দুজন স্যার হাসতে শুরু করে ।হাসির আওয়াজ পেয়ে সবাই পিছনে তাকায় দেখে দুজন স্যার তাদেরকে দেখে হাসছে। স্যারদের এভাবে হাসতে দেখে ওরা সবাই একসাথে হেসে ফেলে । ওরা এই স্যারদের সাথে অনেক ফ্রি ।
হাসাহাসি সবাই মিলে একসাথে ক্লাসে যায় । এরা মোট পাঁচজন ফ্রেন্ড ( আরিশা ,জান্নাত, বৃষ্টি ,সূচনা আর ফাতেমা)
স্কুল ছুটির পরে সবাই সবার বাসায় চলে যায় তাদের বন্ধুত্ব অনেক গরীবে তাদের গ্রুপের নামে প্রতিদিন টিচার্স রুমে আলোচনা করা হয় ওদের ফ্রেন্ড গ্রুপকে স্কুলের সবাইকে চেনে ।
মা ওমা মামু মনি তোমরা কই তাড়াতাড়ি আসো আরিশার ডাক শুনে বাড়ি তিন করতি একসাথে রান্নাঘর থেকে বের হতে বেরোতে বেরতে বাড়ি কাজের মেয়েটাকে বলে হ্যাঁরে সুরভী খাবার নিয়ে আয় ম্যাডাম আইয়া পড়ছে এখন খাবার না পেলে বাড়ি মাথায় তুলবে । আরিশার মা এসে বলে চেচাছিস কেন , আরিশা কাঁদু কাঁদু ফেজ বানিয়ে বলে মা ।এর মধ্যে আরিশার বড় চাচী এসে বলে আরে রুমানা মেয়েটার সাথে এরকম ভাবে কথা বলছিস কেন । আরিশা বড় চাচীকে দেখে মনি বলে জড়িয়ে ধরে ,আরিশা মেঝো চাচী বলে থাক আমি তো আর কারো মামু নই ,আরিশা ছুটে গিয়ে মেঝৌ চাচিকে জড়িয়ে ধরে ।
থাক আর আলগা ভালবাসা লাগবে না। এবার খাবার খেয়ে নাও (মেঝো চাচী)
আহা মামু তুমি রাগ করছো কেন আমি তোমাদের সবাইকে ভালোবাসি (আরিশা )
থাক ভালোবাসা বাসি পরে হবে এখন খাবার খেয়ে নাও (মেজো চাচি)
ও মামি মামি তোমরা কই বর্ষণ তার মামীদের ডাকতে ডাকতে ড্রয়িং রুমে এসে দাঁড়ায় । বর্ষণের ডাক শুনে তিন জা একসাথে তাদের রুম থেকে বের হয় সিরি নিচে নামতে নামতে রুমানা বেগম বষন কে বলতে শুরু করেন কালকে তোমার আসার কথা ছিল তোমার আম্মু কে ফোন দিছিলাম তোমার আম্মু বলছে তোমার নাকি শরীর ভালো নেই তো এখন শরীর কেমন । এখন ভালো আছি কিন্তু কতক্ষণ ভালো থাকো সেটা বলতে পারছি না ।কেন ,
সেটা বলতেই এসেছি , তোমার মেয়ে কালকে স্কুলে কি ঘটাইছে তুমি জানো ।
রুমানা বেগম বলে উঠলেন কি করছে রে কালকে । কালকে স্কুল টাইমে আমি স্কুলে যাচ্ছিলাম তখন দেখি ও আর ওর বান্ধবী স্কুলের ভিতর না গিয়ে স্কুলের পাশে যে পার্ক আছে সেই পার্কে যাচ্ছিল আমিও তাদের পিছু নিলাম যখন আমি পার্কে ভিতরে যাই তখন দেখি ও একটা ছেলেকে দৌড়ানি দিচ্ছে আর কি যেন বলছে ছেলেটা দৌড়াতে দৌড়াতে রাস্তায় এসে দাঁড়ায় আমিও ওদের পিছে যাই পরে ছেলেটার সাথে দৌড়ে না পেরে জুতা খুলে ছুড়ে মারে ছেলেটার দিকে পিছু ফিরে দেখে আমি আমাকেও দৌড়ে দেয় আমি তো এক দৌরে বাসায় চলে যাই ওর ভয়ে আসেনি যদি আমাকেও জুতা খুলে মারে ।

কথাটা শুনেই রুমানা বেগম রাগে ফুসতে ফুসতে আরিশাকে ডাকতে শুরু করে
অরু ওই অরু কই তুই _ _ _

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 1 শেষ করেছেন।

উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন