আসসালামু আলাইকুম সবািকে আমি নতুন লেখিকা ভুল হলে ধরিয়ে দিবেন খারাপ মন্তব্য করবেন অনুরোধ রইল 🥰🙏
আপনিই আমার
পর্ব ১
চৌধুরী বাড়ি আজ আনন্দে ভরে উঠেছে,,! কেন থাকবে আজ যে চৌধুরী বাড়ির সকলে চোখের মণি ইহতিশাম চৌধুরী আসছে। দীর্ঘ ৮ টি বছর পর দেশে ফিরছে। বাড়ির সকল কর্তিরা হেসেল হাসি ঠাট্টায় ভরে তুলছে,। আজ বাড়ির কোনো কর্তা অফিসে যায় নি আজ যে তাদের চোখের মণি বাড়ি ফিরছে।
এবার সবার পরিচয়ের পালা,,,!
বাড়ির বড় কর্তা, আরশাদ চৌধুরী তার স্ত্রী রেহেনা চৌধুরী । তাদের তিন ছেলে
বড় ছেলে শাহরিয়ার চৌধুরী এন্ড নওশীন চৌধুরী তাদের এক ছেলে একমেয়ে বড় ছেলে বিদেশ থেকে পড়াশোনা শেষ করে ফিরছে, ছোট মেয়ে ইসরাত চৌধুরী সে ইন্টার প্রথম বর্ষে পরছে
মেজো ছেলে মাহতাব চৌধুরী এবং সায়রা চৌধুরী তাদের এক মেয়ে ও এক ছেলে বড় ছেলে মেহরাব চৌধুরী পড়াশোনা শেষ করেছে এখন পারিবারিক ব্যাবসায় যোগ দিবে ছোট মেয়ে মাহরীন চৌধুরী বয়স ১৭ ছুঁই ছুঁই, ইন্টার ফাস্ট ইয়ারে পড়ছে।
ছোট ছেলে জাওয়াদ চৌধুরী তাদের দুটি ছেলে বড় ছেলে আরিয়ান চৌধুরী ক্লাস ৫ এ পরছে ছোট ছেলে আরহাম চৌধুরী ক্লাস ২ এ পড়ছে
পরিচয় শেষে গল্পে ফেরা যাক,,
চৌধুরী বাড়িতে তোড়জোর চলচে সকাল থেকে, শাহরিয়ার, মাহতাব চৌধুরী,জাওয়াদ চৌধুরী, মেহরাব ওরা গেচে এয়ারপোর্টে ইহতিশাম কে আনতে।
চৌধুরী বাড়িতে বিশাল গেট পেরিয়ে থামলো একটি চকচকে কালো গাড়ি একে একে সকলে বের হলেন সবার শেষে নামল ইহতিশাম চৌধুরী ৬.১ ফুটের সুটাম দেহের অধিকারি এত বছর বিদেশ থাকার ধরনে চেহারা টা অনেকটা পাল্টিয়েছে চোখ মুখ সবই পাল্টিয়েছে। এসেই আগে মাকে জড়িয়ে ধরল,,
নওশীন : কত বছর পর এলি আমাদের কতা কি তোর মনে পরে না 😢
ইহতিশাম : আরে এখন তো এসেছি এবার কাদলে কিন্তু চলে যাবো।
নওশীন : আচ্ছা আচ্ছা আর কাদবো না 🥹
ইহতিশাম গিয়ে তার ডার্লিং কে জড়িয়ে ধরল (মানে ওর দাদি 😁)
রেহেনা : আমার দাদুভাই কত বছর পর তোকে দেখলাম 🥹
ইহতিশাম : ডার্লিং এখন থেকে রোজই দেখতে পাবে
মাহতাব চৌধুরী : আরে এখন কি সব বাহিরে হবে নাকি ছেলেটা এতো জার্নি করে বাড়ি ফিরছে ওকে ফ্রেশ হতে দাও।
নওশীন : হ্যা বাবা তুই যা আগে ফ্রেশ হয়ে নেয়
ইহতিশাম একে একে সবার সাথে দেখা করে নিজে ঠিক করা রুমে চলে গেলো
দুপুর ১:৩০ বেজে ওঠে
বাড়ির আদরের দুই মেয়ে ফিরেছে কলেজ থেকে
ইসরাত আগে গিয়ে নওশীন চৌধুরীকে জরিয়ে বলে ইসরাত : আম্মু ভাইয়া কি চলে এসেছে , প্লীজ বলো না 😩
নওশীন : আরে পাগল বলতে তো দিবি, হ্যা তোর ভাই এসেছে এখন ডিস্টার্ব করবি না
তখন ই ইহতিশাম উপর থেকে নিচে নামচে তখন দেখা হলো হরিণি চোখ গোলাপি ঠোঁট দেখলেই যেনো নেশা ধরে ইহতিশাম এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে মাহরীনের দিকে মাহরীন থতমত খেয়ে বলে আসসালামু আলাইকুম ভাইয়া কেমন আছো
তখন ইসরাত এদিকে ফিরে আর দৌড়ে এসে ইহতিশাম কে জড়িয়ে বলে ভাইয়ায়ায়ায়া,,!
ইসরাতে চিৎকারে ইহতিশামের ধ্যান ফিরে
ইহতিশাম : আরে বনু,
ইসরাত : কতবছর পর তোকে দেখছি। ভাইয়া চকলেট এনেছিস আমার জন্য
ইহতিশাম : হ্যা রে পাগলি টা তোর জন্য এনেছি
নওশীন : তা আপনি চকলেটের জন্যই কি এতো তাড়াহুড়ো করছিলেন
ইসরাত 😁😁😁
নওশীন : যাতো তুই ফ্রেশ হয়ে আয়, দেখ মাহরীন ফ্রেশ হতে চলে গেলো আর তুই এখানে 😡
ইসরাত : যাচ্ছি বাবা যাচ্ছি এতো চিল্লাপাল্লা করার কি আছে 😒 নওশীন : যাবি তুই 😡
এদিকে ইহতিশাম মনে মনে ভাবছে " ওহহ এই আমার সেই পরি টা যাকে ছোটবেলা থেকে আগলে আসছে কতো বড়ো হয়ে গেছে " যাক বড়ো হবে না কেনো আমি এসেছি না এমনিতেই বড়ো হতে হবো পাখিটা 🌚
মাহরীন রুমে বসে ভাবছে লোকটা কি তার ইহতিশান ভাইয়া যে ছোটবেলায় শুধু শুধু ওকে বকতো 😢
দুপুরের খাবারের সময়
সবাই এক এক করে যার যার টিক করা চেয়ারে বসে পড়লো আজ ইহতিশামের চেয়ার টা আর ফাঁকা থাকলো না সবার মুখেই আনন্দের হাসি। কিন্তু হাসি থাকলো না কেবল মাহরীন এর মুখে 😩 কারণ ইহতিশামের চেয়ারটা তার চেয়ারের সামনে 😁
মাহরীন খাওয়ার সময় অনুভব করলো তার পায়ে কেউ খুঁচাচ্ছে তার সন্দেহের তালিকায় যেহেতু একজন চলছে তাই সে সরাসরি সামনে তাকাল কিন্তু ইহতিশাম নির্বিঘ্নে খাচ্ছে তার ভ্রু কুঁচকে এলো তারপর একে একে সবার দিকে তাকালো সবাই খাচ্ছে কিন্তু তার ভাই ইসরাতের দিকে তাকিয়ে হাসছে কেনো সেটা বুঝলো না পরপর দুইয়েদুইয়ে চার মিলিয়ে যা বুজলো নিজে নিজে হেসে উঠলো কিন্তু শব্দ করলো না।
একে একে সব উঠে চলে গেলো রয়ে গেলো ইসরাত আর মাহরীন নওশীন চৌধুরী ধমকে উঠলেন
দুই বোন তারাহুরো করে উটে গেলো যেনো এখন নওশীন চৌধুরী এর সামনে পড়লে মহা বিপদ
তারাহুরো করে যাওয়ার সময় মেহরাবের সাথে ধাক্কা খায় ইসরাত পরতে পড়তে আর যকন পড়া হলো না ইসরাত ভাবছে আমি কি মরে টরে গেলাম নাকি কোমড় তো ভাঙ্গলো না আবার ব্যাথা ও লাগলো না
মেহরাব : এই ইডিয়েট এবাবে থাকবি নাকি, 🙃 থাকলেও সমস্যা নেই 🌚 বাট এখানে অনেকে যাওয়া আসা হবে এর থেকে বরং আমার রুমে চল কি বলিস 😉
ইসরাত : ছাড়োতো ভাইয়া কেউ দেখে ফেলবে 🙈
মেহরাব : এই ইডিয়েট ভাই কাকে বলিস আমি তোর কোন জন্মের বাই লাগি 😡
ইসরাত কিছুটা দূরে গিয়ে বলে ওঠে তুমি তো আমার ভাই, ভাইয়ায়ায়ায়া
মেহরাব রেগে তেড়ে আসতে ও দৌড়ে চলে গেলো 😁
(আজ এতটুকই আপনাদের কোনো মন্তব্য থাকলে বা গল্পে কিছু এড দিতে হলে কমেন্টে বলবেন🙏😍
আর হ্যা গল্পে কিন্তু কাহিনি কম বাসর হবে বেশি 🌚🥵)😁
পর্ব 1
পর্ব সম্পন্ন!
আপনি সফলভাবে পর্ব 1 শেষ করেছেন।
আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?
প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
Google Play থেকে অ্যাপ নামান