ফন্ট সাইজ:
থিম:
তোমার মাঝে আমি

পর্ব 1

লেখক: লেখিকা : নুসরাত জাহান নুহা

তোমার মাঝে আমি

লেখিকা : নুসরাত জাহান নুহা
পর্ব:১
সকাল বেলাটা কেমন কুয়াশাময়। চারপাশ নিরব, হয়ে আছে। হয়তো সবাই গভীর ঘুমে আচন্ন হয়ে আছে। আর এই কুয়াশাময় কনকনে ঠান্ডা সকালে তাসফির হাঁটতে বের হয়েছে। তাসফির সকালে হাঁটতে ভিষন পছন্দ করে। গঙ্মীর তার মুখ।
~°~~~~°~~°
একটা মেয়ে ঘুমাচ্ছে। এলার্ম এর আওয়াজে ঘুম ভাঙলো তার। ঘুম চোখে ঘরি কাটা দেখে। দেখেতে পাই সকাল ৮:০০ বাজে গেছে। তারাহুরা করে ঘুম থেকে উঠে। উঠে ওয়াশরুম থেকে ফ্রেশ হয়ে আসে। এসে কলেজে যাওয়া জন্য রেডি হয়। তখনি তার মা জান্নাত খান তাকে ডাকে : আহি আহি মা কই তুই
আহি : আসতেছি। আম্মু
জান্নাত খান আহি কে খাবার দেই। আহি খাবার খাওয়ার মাঝে বাড়ি বড় ছেলে সাফিউদ্দিন খান তাসফির আসে। আহি তখন খাবার খাচিলো।
জান্নাত খান : তাসিফর খাবার দিবো
তাসফির : নাহ। ছোট আম্মু, একটু পর খাবো
আহি : আম্মু আমি কলেজে যাচ্ছি।
জান্নাত খান: সাবধানে যাচ্ছ।
~~~~~°~~~~°
রাস্তায় দারিয়ে আছে আহি। রিস্কা পাচ্ছে না তাই আহির প্রচুর রাগ উঠতেছে। শীতকালে ও আহি গামছে। তখনি আহি দেখে তার একজন ফেন্ডকে দেখতে পাই।
মিহি : মামা রিস্কা দারা করান।
রিস্কাওয়ালা রিস্কা দারা করাই।
মিহি : কিরে দারিয়ে আছিস কেন। আস একসাথে যাই।
আহি : ওকে বেবি
আহি রিস্কাতে উঠে পরে। ভার্সিটিতে চলে যায় ।
আহি ভার্সিটিতে গিয়ে দেখে তার সব ফ্রেন্ডরা বসে আছে। তারা ক্লাসে চলে যায়।
খান খান বাড়িতে ৪ কর্এী রান্না ঘরে রান্না করছিলো। তখনই বাড়ির ছোট কর্তার জমজ ছেলে মেয়ে কে ডেকে তোলেন বাড়ির ছোট কর্এী আসমা খান।
আসমা খান : তাহসান, তাসপিন উঠ স্কুলে যেতে হবে।
২ জনে বলে উঠে : উঠতেচি আম্মু।
২ জন আলাদা আলাদা রুমে থাকে। কাল তাহসান এর রুমে কিছু কাজ থাকাই তাসপিন এর সাথে ঘুমাই। ২ জন একসাথে থাকলে রুমটাই নষ্ট করে দিবে। তাই তাদের ২ জনকে আলাদা আলাদা রুমে রাখা হয়।
বাড়ির মেঝো কর্এী তাসপিন,তাহসান, তাসপির খাবার খেতে দেয়। তাসফির খাবার খেয়ে তার রুমে চলে যায়।
আহি কলেজে ছেলে যায়। আজকে তাদের কলেজে নতুন প্রপেসোর আসচে।
তিনি ক্লাসে এসে নিজের পরিচয় দেই।
শাইমুম: আমি তোমারদের নতুন টিচার।
আমার নাম শাইমুন শেখ।
আমি তোমাদের নতুন টিচার। আমার নাম শাইমুন শেখ।
আজ নতুন টিচার এবং তোমাদের প্রথম ক্লাস নিচ্ছি তাই আজকে সবার পরিচয় নেব।
আহি এবং তার ফ্রেন্ডদেরকে দেখে বেশি কথা বলতে। তাই তাদেরকে দাড়া করা।
তোমরা সবাই তোমাদের নাম বলো
আহি : আমার নাম আদিবা খান আহি
মিহি : আমার নাম মিহি
রাহা : আমার নাম রাহা
নিশা : আমার নাম নিশা
আফিয়া : আমার নাম আফিয়া
রানী : আমার নাম রানী
এক এক করে সবার পরিচয় নিতে থাকে। তার ক্লাস শেষ হয়ে যায়। তিনি চলে যায়।আহি এবং তার সব ফ্রেন্ডরা ক্লাস শেষ করে ক্যাম্পাসে আড্ডা দিচিলো।
আহি : মনে হয় সেলিব্রিটি হয়ে গেছে।
রাহা : মন হয় অনেক বড় সেলিব্রিটি হয়ে গিয়েছে তাই তো সবার আগে আমাদের নাম জিজ্ঞেস করছে।
রানী : বেড়ায় কি বিয়ে করছে।
আফিয়া : মনে করে না।
নিশা : বেটা এবার আমাদের পিছে লেগে থাকবে না তো।
মিহি : হয়তো।
আহি : বায়
আমি বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। বাসায় গিয়ে ফ্রেশ হয়ে খাবার খেয়ে একটা ঘুম দেয়। ঘুম থেকে উঠে Weatapp গ্রুপে মেসেজ দেয়।
রাহা : এতক্ষণ কই ছিলি।
আহি : ঘুমাইছি।
নিশা : এটাই পারবি।
আহি : আমার ভাই না সিঙ্গেল একটা মেয়ে লাগবে আমার ভাইকে মিঙ্গেল করার জন্য। আসিফ ভাইয়া জন্য একটা ভালো মেয়ে খুঁজে দিস তো।
রানী : কেন রাহা মিহি তো আছে।
আহি : ওদের তো আবার one side love আছে কোন শালারা ওরদের মনে আসছে আল্লাহ জানে। না হলে আসিফ ভাইয়ের জন্য একটাকে নিয়ে যেতাম।
নিশা : মনে হয় ওরা রাগ করচে
আফিয়া : থাক রাগ করিস না সোনা।
মিহি : চুপ করবি তোরা
আহি : বায় ভাইয়া মনে হয় ডাকছে।
আরিফ : কই তুই নিচে আয়।
আহি : আসছি ভাইয়া।
সেই দিন আমার সময় তাসফির এর সাথে ধাক্কা খেতে যেতে বাচে।
আহি : ভাইয়া তোমার কি চোখ নেই।
তাসফির : আমার চোখ ঠিকই আছে তোর চোখ ঠিক নেই।
আহি : তোমার চোখ ঠিক নেই।
সাবিহা খান : মেয়েটার সাথে শুধু শুধু কেন ঝগড়া করছে। হয়তো ছোট।
জান্নাত খান : তুমি ওকে আস্কারা দিতে যেতে মাথায় তুলে ফেলছো ভাবি।
আরিফ : আহি তুই নিজের নামে আয়।
আহি : আসছি ভাইয়া।
আজ আরিফ সবার জন্য কাচ্চি নিয়ে আসছে। কাছে পছন্দের খাবার। প্রায় সময় বাসায় আনা হয়। আহি কাচ্চি খেয়ে। সোফায় বসে তখনই ইনায়া তাকে ডাকে । আহি উঠতে গিয়ে পড়ে যায়।
তাসফির : তুই ভালো হবি না।
আহি : আমি তো ভালো।
আহি তাফসীরের শার্ট খামচে ধরাতে তা ছেড়ে গিয়েছে।
তাসফির : তুই বড় হবি কবে।
আহি : মানুষ তাদের ছোট ভাই বোনকে এভাবে বকে।
তাসফির : তাহলে কিভাবে বকে।
আহি : সুন্দরভাবে যেমন : সাবধানে চলাফেরা করবে নাহ হলে তো ব্যাথা পাবে।
তাসফির : তুই আসলেই একটা বান্দর।
আহি : তুমি বান্দরের বড় ভাই।
সকালে আহি ঘুম থেকে উঠে, ফ্রেশ হয়ে কলেজের জন্য রেডি হয়ে নিচে নামে। খাওয়ার টেবিলে হঠাৎ করে খাবার টেবিলে হঠাৎ তাসফির বলে ওঠে
তাসফি : আজ আমি তোকে কলেজে দিয়ে আসবো।
আহি, : না ভাইয়া আমি যেতে পারব।
জান্নাত খান : তাসফির তো ঠিকই বলছে। তাসফির এর সাথে চলে যা।
আহি : ওকে
তাসফির আহি কে কে কলেজে দিয়ে আসে।
আহি দেখে তার সব ফ্রেন্ডরা ক্যাম্পাসে বসে আড্ডা দিচ্ছে। আহি দৌড়ে তাদের কাছে যায়।
আফিয়া : বিয়ে করে আমাদের তো খালামণি করতে পারিস।
নিশা : হুম ওয় ঠিক বলছে আমাদের তো খারাপ মনে করতে পারিচ
আহি : কেন তোরা বিয়ে করে আমাকে খালামনি করতে পারিস না।
রাহা : নাহ
আহি : তাহলে আমিও পারবো না।

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 1 শেষ করেছেন।

উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন