ফন্ট সাইজ:
থিম:
heart signal🫀❤️‍🩹

পর্ব 1

লেখক: ynpark/Aladdin princess 💖

| Heart Signal- Part-01:- Most dangerous Mafia King Park Jimin

এই নামটা জানে না এমন একটা লোকও খুঁজে পাওয়া যাবে না কোরিয়ায়। ওপেন রোডে একসাথে ১০টা খুন করতেও যার হাত কাঁপে না তার নাম পার্ক জিমিন। শহরের এমন কোনো পুলিশ নেই যে কিনা পার্ক জিমিনের ভয়ে তার কোনো কেস আজ পর্যন্ত নিয়েছে। একবার এক ইন্সপেক্টর বদলি হয়ে আসার পর শহরের বড় ড্রাগ ডিলারদের মার্ডারের ফাইল অনুযায়ী তদন্ত করতে গিয়ে জিমিনের বিরুদ্ধে একটা ফাইল তৈরি করেছিল। কোর্টে পৌঁছাবার আগের দিন রাতেই সেই পুলিশ ইন্সপেক্টরের লাশ হাইওয়ের ব্রিজের নিচে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। এমন আরো অনেক ভয়ংকর ঘটনার পর আর কেউ জিমিনের বিরুদ্ধে কেস ফাইল তো দূরে থাক, সামনের মার্ডার হলেও তার নাম নিতে অস্বীকার করে।

এবার এই মাফিয়া কিং-এর দৈনিক রুটিন সম্পর্কে বলা যাক। জিমিনের রুলস অনুযায়ী শহরের যেকোনো অবৈধ কাজের পারসেন্টেজ তাকে দিতে হবে। আর কাজটা যদি তার মনমতো না হয় তবে সেই কাজ কেউ করতে পারবে না। প্রতিরাতে ক্লাব আর বারে গিয়ে ড্রিংকস করা আর ফুর্তি করা তার রোজকার কাজ। তার আপন বলতে দূরসম্পর্কের চাচা আর তার বান্ধবী লুনা। যে কিনা সারাক্ষণ জিমিনের দাবি করে সকল ডিলে আর সব ব্যাপারে লুনা জিমিনের পাশে থাকবে। এই বলতে গেলে 2nd মাফিয়া সে।

এমনই একদিন জিমিনের লোক এসে খবর দেয়,

লোক: বস, Cox complex-এর ম্যানেজার কিছুতেই আপনার সাথে ডিল করতে রাজি হচ্ছে না। আপনার ডিলের কাগজ উনি ছিঁড়ে ফেলেছেন।

ড্রিংকসের গ্লাস হাতে নিয়ে চেয়ারের পেছন থেকে সামনে এগিয়ে আসে লুনা। ঘুরে তাকায় জিমিন।

JM: বাহ, আমার দেওয়া কাগজ ছিঁড়ে ফেলেছে। কলিজা খুব বড় তাহলে, এতো বড় কলিজার মানুষটাকে দেখতে ইচ্ছে করছে খুব। কাল আমি যাবো দেখা করতে ওই ম্যানেজারের সাথে।

বলেই সিগারেটের ধোঁয়া ছাড়তে লাগে জিমিন।

Luna: কি বলছিস তুই এসব জিমিন! এই সামান্য ব্যাপারে তুই যাবি ওই ম্যানেজারের সাথে কথা বলতে? Like seriously 🤨??

JM: হুম, তুইও যাবি আমার সাথে।

Luna: ওকে, এমনিতেও অনেক দিন হলো তুই রক্তের হলি খেলিস না 🥱। কাল নাহয় খেলে নিবি।

কথাটা বলেই লুনা জিমিনের হাত থেকে সিগারেটটা নিয়ে তাতে টান দেয়।

JM: I like it 😏😈... এই জন্যই তোকে আমি আমার বেস্ট পার্টনার বলি, লুনা ডার্লিং।

Luna: No Baby, আমি কুইন হতে চাই, পার্টনার না 😈।

কথাটা বলেই জিমিনের হাতের উপর বসে পড়ে লুনা আর জিমিনের ঘাড়ে হাত জড়াতে থাকে। জিমিন কিছুক্ষণ লুনার দিকে তাকিয়ে থেকে হঠাৎ করে লুনার ঠোঁটে হামলা করে বসে।

আমজাদ হকের ডাকে লুনার ঠোঁট ছেড়ে দেয় জিমিন। দরজার বাইরে...

আমজাদ সাহেবের ডাকে লুনার ঠোঁট ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসে জিমিন। দরজার বাইরে

আমজাদ সাহেবের ডাকে লুনার ঠোঁট ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসে জিমিন। দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে আমজাদ সাহেব জিমিনের জন্য অপেক্ষা করছিলেন।

JM: বলো আঙ্কেল, কোনো দরকার?

Uncle: তোমার সাথে আমার কিছু কথা আছে। তুমি যদি লুনাকে যেতে বলো তাহলে আমি কথাগুলো বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করব।

JM: ও থাকলে সমস্যা কী? এমনিতেও ও আমার সাথেই থাকে আঙ্কেল।

Uncle: ঠিক আছে, আমি তাহলে পরে আসব।

JM: Okay okay... Luna darling, তুমি আজ বাড়ি যাও ওকে।

Luna: Okay baby... 😘😘 Take care.

লুনা চলে গেলে আমজাদ সাহেব ঘরে ঢুকে সোফায় বসলেন।

Uncle: তোমার মা-বাবার মৃত্যুর পর তোমাকে আমি আগলে বড় করেছি। আমি কখনোই তোমার বাবার পেশাকে পছন্দ করিনি, না করেছিলাম কিন্তু তিনি শোনেননি। যার ফলে তাদের মরতে হয়েছে। তুমিও একই পথে চলছো বাবা। এসব ছেড়ে দে বাবা, জীবনটা ভালোভাবে বাঁচতে শিখ।

JM: তুমি হয়তো ভুলে যাচ্ছো আঙ্কেল, যারা আমার মা-বাবাকে মেরেছে তাদের আমি এখনো খুঁজে পাইনি। আর এই পেশা তো আমার রক্তে মিশে আছে, এই পেশা কেউই ছাড়াতে পারবে না আঙ্কেল, কেউ না।

কথাগুলো বলেই জিমিন উঠে দরজার কাছে গিয়ে দাঁড়িয়ে বলে,

JM: কাল আবার একটা লাশ পড়বে, আবার শহরে হইচই লাগবে, আবারও চিৎকার-আর্তনাদ হবে, যেটা মাফিয়া জিমিনের খুব পছন্দ।

কথাটা বলেই রুম থেকে বেরিয়ে যায় জিমিন। সোফায় অসহায়ের মতো বসে থাকেন আমজাদ সাহেব।

কথাটা বলেই রুম থেকে বেরিয়ে যায় জিমিন। সোফায় অসহায়ের মতো বসে থাকেন আমজাদ সাহেব।

পরের দিন জিমিন, লুনা আর দশজন গার্ড যায় Cox complex-এর ম্যানেজারের অফিসরুমে। মুখোমুখি জিমিন আর ম্যানেজার বসে আছে।

MG: আপনারা আবার এসেছেন। একবার বলার পরও আপনাদের কথা কানে যায়নি।

JM: Husshh... আস্তে আস্তে... কেউ আমার সাথে উচ্চস্বরে কথা বলে এটা আমি পছন্দ করি না।

MG: আর আমিও এক কথা বারবার বলতে একদম পছন্দ করি না। এখনই যদি আমার রুম থেকে বের না হোস তাহলে আমি...

সম্পূর্ণ কথা শেষ হবার আগেই জিমিন টেবিলের উপরে থাকা কলমটা ম্যানেজারের ঘাড়ে ঢুকিয়ে দেয়। এক লাফ দিয়ে টেবিলের উপর উঠে বসে। সাথে সাথে ম্যানেজার চেয়ারে বসা অবস্থায় মারা যায়। জিমিন নিজের পা ম্যানেজারের বুকে পা দিয়ে চেপে দাঁতে দাঁত চেপে বলতে থাকে,

JM: জিমিন কারো ধমকিতে ভয় পায় না। আমি নিজে ম্যানারলেস হলেও আমার ক্ষেত্রে ম্যানারলেস আচরণ একদম পছন্দ করি না।

গার্ডদের উদ্দেশ্য করে বলে,

JM: বাকি পেপারগুলোও জ্বালিয়ে দে।

কথাটা বলেই সিগারেট ধরিয়ে দরজার কাছে এসে দাঁড়িয়ে যায়। পেছন ফিরে বুক সেলফের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে বাইরে বেরিয়ে যায় জিমিন। জিমিন রুম থেকে বেরিয়ে যেতেই কেউ একজন দৌড়ে ওই রুম থেকে বেরিয়ে যায়।

কিছুক্ষণ পর এই খুনের খবরটা ছড়িয়ে যায় মিডিয়ায়। আমজাদ সাহেব ড্রয়িংরুমে বসে টিভিতে...Post 4 | Heart Signal – Part-03

কিছু সময়ের মধ্যেই খুনের ব্যাপারটা মিডিয়ায় ছড়িয়ে যায়। আমজাদ সাহেব ড্রয়িংরুমে বসে টিভিতে খবর দেখছিলেন। এমন সময় Cox complex-এর ম্যানেজার খুনের খবরটা প্রচার হচ্ছিল। সোফার পেছনে দাঁড়িয়ে জিমিন সিগারেট খাচ্ছিল। আমজাদ সাহেব পেছন ঘুরে তাকিয়ে দেখেন জিমিন মিটিমিটি হাসছে।

Uncle: তোমাকে বারণ করার পরও তুমি ওই লোকটাকে খুন করলে! এখন যদি তোমার নামে কোনো পুলিশ কেস হয় তাহলে কী হবে ভেবেছো? ফাঁসি হবে তোমার।

আমজাদ সাহেবের কথা শুনে জিমিন এবার উচ্চস্বরে হেসে হাসতে হাসতে সোফায় গিয়ে বসে।

JM: ওহ আঙ্কেল! আমার বিরুদ্ধে কেস করার সাহস কারো নেই। আর কেস করতে হলে সাক্ষীর প্রয়োজন, আর খুন হতে কেউই দেখেনি 😂😂। কেউ আমার কিছু করতে পারবে না 😂😂।

Uncle: তোমাকে বোঝাতে বোঝাতে আমি ক্লান্ত, জিমিন। আমি আর কিছুই বলব না। কিন্তু দেখো, কোনো বিপদ ডেকে এনো না।

কথাটা বলে আমজাদ সাহেব উপরে চলে যান। জিমিন ফ্রিজ থেকে বিয়ার বের করে খেতে থাকে আর একসময় মাতাল অবস্থায় সোফাতেই ঘুমিয়ে পড়ে।

পরের দিন সকালে লুনার ডাকে জিমিনের ঘুম ভাঙে।

Luna: ওঠো জিমিন, একটা সমস্যা হয়ে গেছে। ওঠো বলছি...

JM: What happened... তুই জানিস না আমাকে ঘুম থেকে ডেকে তোলা আমি একদম পছন্দ করি না।

Luna: রাখ তোর পছন্দ-অপছন্দ। ওইদিকে তোর নামে কেস ফাইল করা প্রায় হয়ে গেছে।

JM: What! But it's possible??

আশা করি তোমাদের গল্প টা ভালো লাগবে ☺️🫶#jimin #ff

পর্ব সম্পন্ন!

আপনি সফলভাবে পর্ব 1 শেষ করেছেন।

উপন্যাস সমাপ্ত

আরও দ্রুত ও মসৃণভাবে পড়তে চান?

প্রেমময় অ্যাপে সকল উপন্যাস সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাড়া এবং অফলাইনে ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Google Play থেকে অ্যাপ নামান
প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতায় অ্যাপে পড়ুন
অ্যাপে পড়ুন