⚠️সতর্কবার্তাঃ এখানে অনেক ডার্ক সিন রয়েছে, নিজ দায়িত্বে পড়ুন। যারা অতিরিক্ত রোমান্টিকতা পছন্দ করেন না তারা চাইলে এটি স্কিপ করতে পারেন। ❌
“শালা, অ্যাডি, তোকে ভীষণ মিস করছিলাম,” গ্রেইসন গলার কাছে ফিসফিস করে, দেওয়ালে ঠেসে ধরে আমাকে ঠেলা দিতে দিতে কাতরাচ্ছে।
কাল সকালে পিঠের হাড়ে একটুখানি কালশিটে পড়বে, গ্যারান্টি।
সে আবার গলায় জিভ বুলায়, যখন ওটা উরুর ফাঁকে ঘষে, আমি বিরক্তিতে চোখ উল্টাই।
নিজেকে ছাড় দিয়ে রাগ-ক্ষোভ দূর করতে চেয়েছিলাম বলে ওর সাথে দেখা বাতিল করিনি।
এখন মনে হচ্ছে, ভীষণ ভুল করেছি।
এখন এই মুহূর্তে আমি দাঁড়িয়ে আছি আমার ভয়ংকর করিডোরের দেওয়ালে আটকে।
লাল রঙের দেয়ালে পুরনো স্টাইলের লাইট ঝুলছে, চারপাশে প্রজন্মের পর প্রজন্মের পারিবারিক ছবি।
মনে হচ্ছে, এরা সবাই আমাকে দেখে ফ্যাকাশে মুখে নাক সিঁটকাচ্ছে, ঘৃণা আর হতাশা নিয়ে দেখছে তাদের বংশধর এখনি এখানে দাঁড়িয়ে ঠাপ খেতে চলেছে।
কয়েকটা লাইট জ্বলছে, সেটাও মাকড়সার জালে ভরা। বাকি করিডোর পুরো অন্ধকার,
মনে হচ্ছে The Grudge এর ভূতটা এখন বের হলেই আমি দৌড়ে পালানোর অজুহাত পাবো।
বিশ্বাস কর, ওর সামনে দৌড়ালে ওকে টেনে ফেলে রেখে পালাতাম, একটুও দোষ হবে না।
সে আমার কানে নোংরা কথা বলছে আর আমি উপরের লাইটের দিকে তাকিয়ে ভাবছি,
ও একবার বলেছিল, মাকড়সা ভয় পায়। ভাবছি, চুপে একটা মাকড়সা তুলে ওর জামার ভেতর ছেড়ে দিই কিনা।
তাহলেই ও চিৎকার করে দৌড়ে পালাবে, আর আর কোনোদিন আমার সাথে কথা বলবে না।
পারফেক্ট প্ল্যান।
আমি যখন সত্যিই সেটা করতে যাচ্ছি, ও হঠাৎ সরে আসে, হাঁফাচ্ছে, মনে হচ্ছে আমার গলার সাথে প্রেম করতে করতে গলা যেন ওকে চুমু দিচ্ছে কিনা সেটা চেক করছিল।
ওর তামাটে চুল এলোমেলো, আমার হাতেই এলোমেলো করেছি, ফর্সা গায়ে লালচে ছোপ পড়েছে।
লাল চুলের অভিশাপ, বেচারা।
দেখতে দোষ নেই ছেলেটার—দারুণ হট, সুন্দর শরীর, দারুণ হাসি।
কিন্তু দুর্ভাগ্য, ও ভালো চোদন দিতে পারে না, আর একদম বিরক্তিকর গাধা।
“চল, বেডরুমে যাই। আর দেরি করতে চাই না, এখনই তোকে চাই।”
ভেতরে ভেতরে আমি cringe করি।
বাইরেও... cringe করি।
মুহূর্ত ঢাকার জন্য তাড়াতাড়ি জামা খুলে ফেলি।
ছেলেটার মনোযোগ কুকুরের মতো।
যেমন ভেবেছিলাম, জামা খোলামাত্র স্তনের দিকে গেঁথে যায় চোখ।
দায়া ঠিকই বলেছিল—আমার স্তন দারুণ।
গ্রেইসন ব্রা ছিঁড়ে ফেলতে আসে।
(ছিঁড়ে ফেললে থাপ্পড় দিতাম নিশ্চিত।)
ঠিক তখনই হঠাৎ নিচ থেকে বিকট আওয়াজ ওঠে।
অতর্কিতে এমন জোরে আওয়াজ হয় যে আমি কেঁপে উঠি।
বুকের ভেতর ধুকপুক। আমাদের চোখে চোখ পড়তেই স্তব্ধতা নামে।
কেউ দরজায় ধাক্কা দিচ্ছে, আর শোনার সাথে সাথে বুঝতে পারি—ভদ্রভাবে নয়।
“তুই কি কাউকে আসতে বলেছিস?” সে বিরক্তিতে হাত নামিয়ে প্রশ্ন করে।
“না।” আমি ফিসফিস করি।
তাড়াতাড়ি জামা উল্টো করে পরে সিঁড়ি বেয়ে নিচে যাই।
দরজার পাশের জানালা দিয়ে দেখি, বারান্দা ফাঁকা।
ভুরু কুঁচকে যায়। পর্দা ছেড়ে দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকি।
গ্রেইসন এসে পাশে দাঁড়ায়, মুখে বোকা বোকা ভাব।
“উঁহু, দরজা খুলবি না?”
ওর দিকনির্দেশনার জন্য ধন্যবাদ দিতে ইচ্ছে করে, কিন্তু দিই না।
এই আওয়াজে ভেতরের ভয় চিৎকার করছে—Code Red!
দরজায় ধাক্কার শব্দটা রাগে ভরা, হিংস্র, যেন কেউ রেগে গিয়ে শেষ শক্তি দিয়ে মেরেছে।
একজন আসল পুরুষ হলে এমন শব্দ শুনে নিজেই দরজা খুলত।
বিশেষ করে যখন চারপাশে মাইলজোড়া জঙ্গল আর নদীতে পড়ার ঢাল।
কিন্তু না, গ্রেইসন দাঁড়িয়ে থাকে আর ভাবে আমি বোকা।
আমি বিরক্তিতে শ্বাস ফেলি, দরজা খুলে ফেলি।
আবারও কেউ নেই।
আমি বেরিয়ে যাই, পচা কাঠ কেঁপে ওঠে।
ঠান্ডা বাতাসে চুল উড়ে মুখে লাগে, কাঁপুনি ওঠে।
চুল কানে গুঁজে, বারান্দার একপাশে গিয়ে নিচে তাকাই। কেউ নেই।
অন্য পাশেও কেউ নেই।
জঙ্গলে কেউ লুকিয়ে থাকলেও দেখতে পাবো না।
যতই হরর মুভি ভালোবাসি, নিজে গিয়ে হরর মুভির নায়িকা হতে চাই না।
গ্রেইসনও বারান্দায় আসে, গাছপালা দেখে।
কেউ আমাকে দেখছে।
আমি নিশ্চিত।
একটা ঠান্ডা স্রোত পিঠ বেয়ে নামে, শরীরে অ্যাড্রেনালিন ছুটে যায়।
হরর মুভি দেখার সময় যেমন হয়, প্রথমে হৃদপিণ্ডের ধড়াস ধড়াস, তারপর পেটের ভেতর ভারী লাগা, শেষে তলপেটে নামা।
অস্বস্তি লাগে।
হাঁপাতে হাঁপাতে ঘরে ঢুকে সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠি।
গ্রেইসনও আসে।
ও যে হেঁটে আসতে আসতে জামা খুলছে, রুমে ঢুকে পুরো ন্যাংটো না হওয়া পর্যন্ত খেয়াল করি না।
“সিরিয়াসলি?” দাঁতে দাঁত চেপে বলি।
অসভ্য একটা। একটু আগে কে যেন দরজায় হুমড়ি খেয়ে ধাক্কা দিল, আর এই ছেলে তখনই আবার শুরুর জন্য রেডি।
“কী হলো?” ও বিরক্ত হয়ে হাত মেলে দেয়।
“তুই কিছু শুনিসনি? দরজায় কে যেন ভয়ঙ্করভাবে ধাক্কা দিচ্ছিল, আমি এখন সেক্সের মুডে নেই।”
ভদ্রতা কোথায় গেল?
একজন সাধারণ ছেলে জিজ্ঞাসা করত, আমি ঠিক আছি কিনা।
অন্তত পরিস্থিতি বুঝত।
“তুই সিরিয়াস?” ওর বাদামি চোখ রাগে লাল।
ওর চোখ যেমন বাজে, ব্যক্তিত্ব আর পারফর্মেন্সও তেমন বাজে।
ছেলেটার চোদনের স্টাইল এমন, মাছের বাজারে ন্যাংটো হয়ে শুয়ে থাকলে মাছের সাথে পাল্লা দেবে।
“হ্যাঁ, আমি সিরিয়াস।” বিরক্ত হয়ে বলি।
“শালা অ্যাডি,” ও গর্জায়, রাগে একটা মোজা তুলে পরে।
দেখতে একটা গাধার মতো লাগে—শরীর পুরো ন্যাংটো, শুধু এক পায়ে মোজা।
ও রাগে কাপড় গুটিয়ে নিতে নিতে হাঁটে, করিডোরের মাঝপথে এসে থামে, ঘুরে দাঁড়ায়।
“তুই একটা কুত্তী অ্যাডি। সবসময় ব্লু বলস দিয়ে রাখিস, আমি তোর আর এই ভুতুড়ে বাড়ির পেছনে আর সময় নষ্ট করব না।” আঙুল উঁচিয়ে গর্জায়।
“তুইও একটা গাধা। বের হয়ে যা।”
প্রথমে ওর চোখ বিস্ময়ে বড় হয়, তারপর রাগে লাল হয়ে যায়।
ও ঘুরে দেয়ালে ঘুষি মারে।
“ধাঁই!”
অর্ধেক হাত দেয়ালের ভেতরে ঢুকে যায়। আমি হাঁ করে তাকিয়ে থাকি।
“যেহেতু তোরটা পাচ্ছি না, তাই নিজের জন্য গর্ত করে নিলাম, মাগী।”
এক মোজা পরে, কাপড় হাতে নিয়ে বেরিয়ে যায়।
“তুই চোদনখোর গাধা!” রাগে চিৎকার করি, দেয়ালে ফাটলের দিকে তাকিয়ে থাকি।
এক মিনিট পর নিচ থেকে দরজার ধাম শব্দ আসে।
আমি মনে মনে চাই, সেই অদৃশ্য লোকটা যেন এখনো বাইরে থাকে।
যেন এই গাধাটাকে এক মোজা পরে মেরে ফেলে।
(Dairy 📜)
এপ্রিল ৪, ১৯৪৪
একটা অদ্ভুত লোক যেন আমার জানালার বাইরে যুদ্ধ শুরু করেছে।
আমি জানি না সে কে, বা সে আমার কাছে কী চায়।
কিন্তু আমার বিশ্বাস, সে আমাকে চেনে—
সে জানালা দিয়ে তাকিয়ে থাকে, যখন জনা বাড়ি থাকে না।
সে সবসময় একধরনের ক্যাপ পরে থাকে,
মাথা নিচু করে যেন মুখটা লুকিয়ে রাখে।
আমি একবার সাহস করে কাছে যেতে চেয়েছিলাম,
কিন্তু কাছে যেতেই সে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
আমি এখনো জনকে কিছু বলিনি।
কেন জানি না—মুখ ফুটে বলার সাহসই হয় না।
যদি বলি, জন কিছুতেই চুপ করে বসে থাকবে না।
তার শটগান নিয়ে বেরিয়ে পড়বে, আর তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করবে।
আমি স্বীকার করছি,
আমি বেশি ভয় পাচ্ছি যদি আমার স্বামী তাকে ধরতে পারে,
তাহলে কী হতে পারে সেই ভয়েই।
আমি খুব ভয় পেয়েছি এই অদ্ভুত লোকটার জন্য।
কিন্তু ঈশ্বর জানে,
আমি অদ্ভুতভাবে… মুগ্ধও হয়ে গেছি।